| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাশিদুল ইসলাম লাবলু
প্রকৃত সত্যকে উপলদ্ধি করতে হবে খোলা মন নিয়ে।
সায়েন্টিফিক তাফসীর= সুরা নিসা আয়াত নং-১
হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফ্স থেকে। আর তা থেকেই তিনি তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর,যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর পর্যবেক্ষক।–সুরা নিসা আয়াত-১
সুরা নিসার এই আয়াতটিতে প্রথমেই রবের প্রতি ভয় পাবার বক্তব্য দিয়ে শুরু করেছেন। প্রশ্ন রবকে ভয় পেতে হবে? গভীর দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।কিন্তু আল কোরআনে যে দুটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে কেনো এই দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ন যার জন্য স্রষ্টাকে ভয় কবরতে নির্দেশ প্রদান করছেন।এই আয়াতটিতে প্রানি জগতের সৃষ্টিশীলতার গভীর নৈপূন্যতার প্রকাশ ঘটানো হয়েছে। আয়াতটির প্রথমে লক্ষ্য করুন প্রথমেই সেই স্রষ্টার প্রশংসা করেছেন যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন।কিন্তু কেনো এক্ষেত্রে সৃষ্টার প্রশংসা করা হয়েছে।প্রশংসা করার কারন এটি সৃস্টির এমন একটি গুরুত্বপূন বিষয় যে বিষয়টির জন্য অবশ্যাই স্রস্টার প্রতি কৃতঙজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। না করলে মানুষের ভিতর এক অনুতপ্তবোধ অপরাধবোধ জমে থাকবে। অয়াতটির পরবর্তী অংশে বলছেন তিনি কিভাবে সৃষ্টি করেছেন।অথাৎ তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফস্ থেকে।আর তা থেকেই তিনিই তার জোড়া সৃস্টি করেছেন। আরবীতে নফস শব্দের আভিধানিক অর্থ আত্মা বা প্রান। চেতনা সমৃদ্ধ এমন একটি কিছু। এই আয়াতটি যদি আপনি সাধারন দৃষ্টিকোনে পড়েন তাহলে আপনার কাছে মনে হবে যে এটি মানুষ সৃষ্টি বা আদম সৃস্টি ও আদম থেকে হাওয়া সৃষ্টি কিংবা এ জাতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।কিন্তু যদি আপনি বৈজ্ঞানিক ভাবে আয়াতটির গভীরতা খুজতে যান তাহলে সত্যিই অবাক হবেন।বলা হচ্ছে সৃস্টি করেছেন নফস বা একটি চেতনা সহ দেহ এবং তা থেকে সৃষ্টি করলেন াারেকটি অংশ বা আরেকটি প্রাণের উদ্ভব। আল কোরআনের ভাষায় তার জোড়া সৃষ্টির কথা বলা হচ্ছে। অথাৎ আল কোরআনের ভাষায় শুরুতে এক কোষি প্রাণি সৃষ্টি করা হয়েছেলো। প্রানি জগৎ সৃষ্টির প্রথম সুচনা লগ্নে প্রিক্যামব্রিয়ান যুগের সেই সময়কালের কথাই বলা হচ্ছে যখন পৃথিবী জুড়ে পানির উপর শুধু এককোষি প্রানিরই তান্ডব এবং তা থেকে জোড়া সৃষ্টি হয়ে কোটি কোটি কোষের আবির্ভাব হতে থাকে। আপনি হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন কেনো আমি এখানে একটি প্রানী না ধরে কেনো একটি কোষকে ধরে নিলাম? বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোনে যখন আপনি বিচার করবেন তখন আল কোরআন অবৈজ্ঞানিক কোন বিষয় উপস্থাপন করতে পারে বলেই ভাবাই যাই না। কারন আল কোরআন নিজেই বলছে ইহা বিজ্ঞানময় কোরআন। সুতরাং আমার সহজাত উপলদ্ধিবোধ এখানে বলতে বাধ্য করছে যে আল কোরআনের উল্লেখিত আয়াতটি সৃষ্টির শুরুতে এক কোষি প্রাণি সৃষ্টির প্রক্রিয়া বা কোষ সৃষ্টি এবং তার স্বপ্রতিলিপিকরন প্রক্রিয়ার কথা আল কোরআন এখানে তুলে ধরছেন।
প্রান সৃস্টির লগ্নে কোষ সৃষ্টি খুবই গুরুত্বপূন একটি বিষয় ছিলো যা জীব বিজ্ঞানীরা স্বিকার করেন।আরো গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো স্বপ্রতিলিপিকরন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করা বা একটি থেকে আরেকটির জোড়া হওয়ার সিষ্টেম।
আলোচ্য আয়াতে নফস বলেই এখানে একটি প্রানের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।সুতরাং আমরা কখনই অনুমান নির্ভর আদমকে ধরে নিতে পারি নাই।ধরতাম যদি এখানে নফস্ না বলে ডাইরেক্ট আদম বা অন্য কোন প্রানিকে স্পষ্ট করে বলতো।যেহেতু স্পষ্ট করা হয় নাই বরং বলেছে একটি নফস বা দেহ সম্পন্ন আত্মা। তাহলে আমরা প্রাণ সৃষ্টির শুরুতে প্রি ক্যামব্রিয়ান যুগের বিশাল জলরাশির ভিতরে এক কোষি প্রান বিপ্লব বিষয়টি এখানে আলোচনার বিষয়বস্তু।
নফর্স বা একটি কোষ কিভাবে সৃষ্টি হলো এই প্রবন্ধে এটি আমার আলোচনার বিষয়বস্থু নয় আমার আলোচনার বিষয়বস্তু একটি নফস কিভাবে তার জোড়া সৃষ্টি করে অথাৎ এই প্রতিলিপিকরন সিস্টেমটি আল কোরআনে আল্লা মানুষকে অবগত করে জানিয়েছেন যে এই প্রতিলিপিকরন ক্ষমতা স্রষ্টার দান।তিনি এই বিষয়টি সৃষ্টি না করলে এই প্রাণি জগত পৃথিবীতে আবির্ভুত হতো না।এখন প্রশ্ন হল এই প্রতিলিপি তৈরী করণ ক্ষমতা ভারী অনুর মধ্যে কিভাবে আসে? তার উত্তর আজকের বিজ্ঞানের কাছেও নেই। প্রকৃতিবাদী বিজ্ঞানীরা একে প্রকৃতির নির্দেশণা বা নিয়ম বলে চালিয়ে দিয়েছেন। বিজ্ঞান বলছে, বর্তমান কালের কোষে নির্দেশণা দানকারী দুই প্রকার ভারী অণু তথা নিউক্লিক এসিড ও প্রোটিন রয়েছে, যাদের মধ্যে নিউক্লিক এসিড নিজের প্রতিলিপির নির্দেশণা দানের ক্ষমতা রাখে। নিউক্লিক এসিডে পরিপূরক নিউক্লিওটাইডের (সূত্রক) মধে খাড় জোর থাকার ফলস্রুতিতে তার নিজের সংশ্লেশনের নমুনা প্রদান করতে পারে। পরীক্ষায় দেখা গেছে আর এন এ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিক্রিয়ায় অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে। একই ভাবে এটি একদিকে যেমন প্রতিলিপিকরণের নমুনা প্রদান করে অন্যদিকে প্রতিলিপিকরনকে ত্বরাণ্বিত করে। এই আর এন এ কে মনে করা হয় বংশানুক্রমিকতার প্রাথমিক উপাদান। আরও মনে করা হয়ে থাকে জৈব রাসায়নিক বিবর্তন আর এন এ অনুর উপর ভিত্তি করেই শুরু হয়েছিল। আমরা এই আলোচনায় বৈজ্ঞানিক অনুমানটুকু যদি মেনেও নেই তাহলে নতুন যে ধারণার সৃষ্টি হয় তা হল, প্রকৃতিতে বিবর্ততনের মাধ্যামে যেই মাত্র ভারী অনু আর এন এর রূপ ধারণ করল আর অমনি তার অনুরূপ বাচ্চা প্রসব করতে শুরু করল, তাতে দিনে দিনে প্রকৃতি আর এন এ তে ভরে গেল। প্রকৃত পক্ষে আর এন এ কিন্তু কোন প্রাণ কোষ নয়, এটি প্রাণকোষস্থিত একটি অনু। তা হলে আরও ধরে নিতে হবে যে, আর এন’র মধ্যেও বুদ্ধিদীপ্ত মস্তিস্ক রয়েছে যেটি চিন্তাভাবনা করে কোষ গঠনের বাকী অনুগুলোকে সংশ্লেষিত করে এক আদর্শ প্রাণকোষ গঠন করতে পারে। বিজ্ঞান কিন্তু এ কথা স্বীকার করেনা; এমন কি প্রকৃতিতে কোন চিন্তাশীল স্বত্তা আছে বলেও বিজ্ঞান স্বীকার করেনা। তাহলে যৌক্তিকভাবেই স্বীকার করতে হচ্ছে প্রকৃতিতে আপনা আপনি প্রতিলিপি করণ ক্ষমতা সম্পন্ন কোন বায়ো অনু সৃষ্টি হতে পারেনা।তার জন্যে প্রয়োজন নীল নকশা ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দান। তাহলে সেই নির্দেশ কোথা থেকে এসছে? কারন আধুনিক বিজ্ঞান আর এনএ এবং ডিএনএ কে একটি সফটওয়্যারের সাথে তুলনা করেছেন।হার্ডওয়্যার হিসেবে একটি কোষের সমস্ত দেহকেই বলতে পারি। সুতরাং একটি কোষ মাত্রই একটি একটি জী্বন।সফটওয়্যার হার্ডওয়ারের কারুকার্যময়তা।
আধুনিক বিজ্ঞানের বক্তব্য অনুসারে যতটুকু জানা যায় প্রতিলিপিকরন ক্ষমতা সমৃদ্ধ প্রথম কোন এক কোষি প্রাণিই পৃথিবীতে জীবনের সূচনা করেছিলো। প্রতিলিপিকরণ প্রক্রিয়ার সূচনা মূলত পৃথিবীর আদিম কোষ বা 'প্রোটোসেল' (Protocell) সৃষ্টির সাথেই জড়িত। বলতে পারেন কোষ বিভাজনের সূচনা ঘটেছিল জীবনের উদ্ভবের সাথে সাথেই, যখন প্রথম স্ব-প্রতিলিপিকারী ব্যবস্থা একটি কোষীয় কাঠামোতে আবদ্ধ হয়ে নিজের সংখ্যাবৃদ্ধি শুরু করে। জীবনের শুরুতে আরএনএ (RNA) অণুগুলো নিজেদের প্রতিলিপি তৈরি করতে শিখলে বংশগতির ধারা শুরু হয়।স্ব-প্রতিলিপিকরণ করতে সক্ষম এই আরএনএ অণুগুলো যখন চর্বি জাতীয় পদার্থের (Phospholipid)একটি ক্ষুদ্র বুদবুদ বা আবরণের ভেতরে আটকা পড়ে, তখন প্রথম 'আদি-কোষ' বা প্রোটোসেল গঠিত হয়।প্রাথমিক অবস্থায় কোষ বিভাজনের জন্য কোনো জটিল জৈবিক প্রক্রিয়া ছিল না। পরিবেশের চাপ, যেমন তরলের প্রবাহ বা সংকীর্ণ জায়গার মধ্য দিয়ে চলাচলের সময় আদি-কোষগুলো যান্ত্রিকভাবে দুই বা ততোধিক ভাগে ভেঙে যেত।সময়ের সাথে সাথে এই ভেঙে যাওয়া প্রক্রিয়াটি আরও সুশৃঙ্খল হতে থাকে। ব্যাকটেরিয়া এবং আর্কিয়াদের মতো আদিম প্রাণীদের মধ্যে 'দ্বি-বিভাজন'(Binary Fission) পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে, যা আজ আমাদের পরিচিত কোষ বিভাজনের মূল ভিত্তি।আর এই বিষয়টি আল কোরআন একটি নফস থেকে তার জোড়া সৃষ্টি বলে অভিহিত করছেন। এই আয়াতের স্বপক্ষে সমর্থনে আল কোরআনের আরোকটি আয়াত তুলে ধরলাম। লক্ষ্য করুন আল কোরআনের সুরা আরাফের ১৮৫ নং আয়াত। “ فِي ظُلُمَاتٍ ثَلَاثٍ ذَلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ الْمُلْكُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ فَأَنَّى تُصْرَفُونَ “তিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদেরকে একটি নফস থেকে। অতঃপর তা থেকে তার যুগল সৃষ্টি করেছেন ।”
(পর্ব-২ আসছে)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৫
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ধণ্যবাদ ভাইজান।
২|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৬
কর্মমুখী ডাইনো বলেছেন: কিসের প্রিক্যাম্ব্রিয়ান, ভারি অণু, নফস মানে সেল ব্লা ব্লা! শুধু মাত্র তাইসিরুল কুরআন এই ক্ষেত্রে জোড়া শব্দটা ইউজ করছে অনুবাদ করতে, তাও mate বা সংগী অর্থে। আপনি সেইটা নিয়ে পুরা কল্পকাহিনী লিখে ফেলছেন৷ কাজ খুঁজেন ভাই।
কিসের প্রিক্যাম্ব্রিয়ান, ভারি অণু, নফস মানে সেল ব্লা ব্লা! শুধু মাত্র তাইসিরুল কুরআন এই ক্ষেত্রে জোড়া শব্দটা ইউজ করছে অনুবাদ করতে, তাও mate বা সংগী অর্থে। আপনি সেইটা নিয়ে পুরা কল্পকাহিনী লিখে ফেলছেন৷ কাজ খুঁজেন ভাই। কর্মহীন মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা৷ এতক্ষণ যে মেশিনটা চালালেন সেটা সেই কারখানারই মেশিন।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩১
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: কেউ যদি ব্যাক্তি অনুবাদ করে তাতে সে করেছে। কিন্তু আরবী শব্দ নফস। নফস শব্দের পৃকত অর্থ একজন আরবী বিশারদদের কাছে জানেন। নফস শব্দের অর্থ একটি জীবন। একটি প্রাণ। একটি নফস থেকে আরেকটি নফসের জোড়া কিভাবে সৃষ্টি হয় তা তো সবাই জানে। সঙ্গী শব্দ ব্যবহার হয় না। হয় জোড়া। ধন্যবাদ। গতানুগতিক দৃষ্টিকোনে বিবেচনা করছেন কোনো?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: অতঃপর সেই দুজন থেকে........................ পরবর্তী পর্বে পাবেন।
৩|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: ভাই. আপনি মন-মতো কোরআনের অর্থ করছেন...
আল্লাহ আল-কোরআনে বলেছেন, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের দায়িত্ব তাঁর..
সুরা নিসার ১ম আয়াতে আল্লাহ আদম হতে মনুষ্য জাতির সৃষ্টির বিষয়ে বলেছেন..
আপনি মানুষকে বিভ্রান্ত করলে আল্লাহর নিকট জবাবদিহী করতে হবে..
আল্লাহ বিজ্ঞানের অধীন নয়, বিজ্ঞানের নিয়ম তার আদেশভিন্ন অন্য কিছু নয়
তাঁর আদেশেই উত্তপ্ত আগুন ইব্রাহীম (আঃ) এর জন্য ঠান্ডা হয়ূ
আবার তাঁর আদেশেই পানি ঈসা (আঃ) কে না ডুবিয়ে ভাসিয়ে রাখে..
আল্লাহ সর্ববিষযে সর্ব শক্তিমান
আল্লাহ আপনাকে সঠিক বুঝ দেন, আমীন
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৪
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আদম শব্দটা এখানে উল্লেখ নেই। অথচ আপনি সরাসরি এখানে আদম শব্দ বুঝতে আমাকে বলছেন। অথচ সুরা ইয়াছিনের প্রথম তম আয়াত ইহা বিজ্ঞানময় কোরআন। আপনি আদমকে অনুমান করে নিয়েয়েছে। আর এই জন্যই আল কোরআন বলছে উহারা তো শুধু অনুমানেই বিশ্বাস করে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: এখানে নফস শব্দ প্রয়োগ আছে। নফস শব্দের অর্থ একটি জীবন বা একটি প্রাণ। তারপরেও আপনারা এত সহজ সরল প্রাঞ্জল বক্তব্যকে আদমের দিকে নিয়ে গেছেন। অনুমান লব্ধ ভাবে। অনুমান পাপ ভাই।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৫
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ভূল হলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন। কারন আমার উদ্দেশ্য খারাপ নয়।
৪|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩১
অপু তানভীর বলেছেন: পদার্থ বিজ্ঞানে মুহাম্মাদ নামে একটা যুগান্তকারী বই আছে। এক মহাজ্ঞানী মোল্লা বইটা লিখেছে। সেই বইটা আমি পড়েছি। আপনারও পড়া উচিৎ মনে হয়। আপনার এই লেখা পড়ে আমার সেই বইটার কথা মনে পড়ল।
![]()
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: হ্যা আপনার আরো্ বই পড়া উচিত। অঅল কোরআনটাই একদিন পড়ে দেখেন না কেনো? না পড়েেই এত ঘুনা কেনো? জেনেশুনে ঘৃনা নাকি অন্যের কাছ থেকে শুনে ঘৃনা।
৫|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৭
রাজীব নুর বলেছেন: বেশ।
এবং ফলাফল শূন্য। মানে তাল গাছ আপনাদের।
৬|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০২
কর্মমুখী ডাইনো বলেছেন: লাবলু, আপনি এখানে গিয়ে দেখে আসুন - Click This Link
এখানে একাধিক ভাষার, একাধিক দেশের বিশারদ এইটার অনুবাদ করছে mate বা সাথী।
বাই দ্য ওয়ে, আপনি কে ভাই?
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫১
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: সঙ্গী হলেই বা সমস্যা কোথায়? আপনি কেনো সমস্যা খুজছেন। আর বারে বা বার ব্যাক্তি বলছেন কেনো? আর কেনোই বা আদমকে বোঝাতে চাইছেন? এখানে স্পষ্ট ভাষায় নফস বলছে। আদম বললে স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করতেন। কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কেনো উল্লেখ করেন নাই। আর নফস কি শুধুমাত্র মানুষের মাঝে থাকে? না সকল প্রাণীর মাঝে থাকে। কুরআন অনুযায়ী, 'কুল্লু নাফসি জায়কাতুল মউত' (প্রত্যেক নফস বা প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে)। এটি প্রমাণ করে যে নফস কেবল মানুষের মধ্যে নয়, বরং সকল প্রাণীর মধ্যেই থাকে, যা তাদের জীবিত রাখে। যা জীবন। কোরআনে নফস কে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেছে। আপনি কি এটা বেুঝেন? জিনেটিক রিলেটেড আচরন? আরএনএ ডিএনএ এর কার্যক্রম নফর্স শব্দটি দিয়ে প্রকাশ পায়। আপনি আয়াতের সকল অংশ পড়ুন। বুঝবেন। আমি ২য় পর্ব লিখি নাই তাই আপনার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। আয়াতটি সম্পূনভাবে প্রানের লিঙ্গ সৃষ্টির ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার কথা বলছে। বিজ্ঞানের ভাষায় জানি।
এককোষী প্রাণীদের মধ্যে সরাসরি "লিঙ্গ" (পুরুষ/স্ত্রী) সৃষ্টি হয় না, বরং যৌন প্রজননের বিবর্তনের ধারায় এদের মধ্যে জেনেটিক বৈচিত্র্য আনার জন্য বিভিন্ন " mating type " বা মিলন উপযোগী ধরন তৈরি হয়েছে, যা পরে জটিল জীবের লিঙ্গে রূপান্তরিত হয়েছে; অনেক এককোষী জীব, যেমন অ্যামিবা, শুধু অযৌন প্রজনন করে, আবার প্যারামেসিয়ামের মতো কিছু জীব ডিএনএ বিনিময়ের মাধ্যমে (যৌন প্রক্রিয়া) বংশবৃদ্ধি করে, যেখানে পুরুষ বা স্ত্রী আলাদা হয় না, কেবল ভিন্ন ধরন (A, B, C) থাকে।
এককোষী জীবের প্রজনন ও লিঙ্গের বিবর্তন:
• অযৌন প্রজনন: অ্যামিবা, ফ্ল্যাজেলাটার মতো অনেক এককোষী প্রাণী শুধু বিভাজনের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে, এদের কোনো লিঙ্গ নেই।
• যৌন প্রক্রিয়ার সূচনা: যৌন প্রজননের প্রথম ধাপে, এককোষী জীবেরা নিজেদের মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্য আনতে 'A' ও 'B' ধরনের মতো ভিন্ন "mating type" তৈরি করে, যেন তারা নিজেদের আত্মীয়দের সাথে মিলিত না হয়।
• লিঙ্গ গঠন: এই 'mating type' থেকেই পরবর্তীতে বিবর্তনের ধারায় পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ গঠিত হয়েছে, যেখানে দুটি ভিন্ন গ্যামেট (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) তৈরি হয়।
• উদাহরণ: প্যারামেসিয়াম বা ক্ল্যামাইডোমোনাস-এর মতো কিছু এককোষী জীবের জীবনচক্রে যৌন পর্যায় থাকে, যেখানে তারা কনজুগেশন (conjugation) প্রক্রিয়ায় ডিএনএ বিনিময় করে, কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পুরুষ বা স্ত্রী লিঙ্গ থাকে না, বরং বিভিন্ন মিলন উপযোগী ধরন থাকে।
সুতরাং, এককোষী প্রাণীরা সরাসরি পুরুষ বা স্ত্রী হয় না, বরং তাদের মধ্যেকার জেনেটিক বিনিময়ের প্রবণতা থেকেই ধীরে ধীরে লিঙ্গের ধারণা বিবর্তিত হয়েছে।
আপনি কি বুঝতে পারলেন? এক কোষি জীবেরা পরবতীতে দুটি ভিন্ন লিঙ্গে পরিনত হয় । এ এবং বি রুপে। তারা নিজেরা নিজেদের সাথে মিলন ঘটাতো না। আল কোরআন এই বক্তব্যটাই দিচ্ছে।
“হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক নফ্স থেকে। আর তা থেকেই তিনি তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী।” এখানে পুরুষ নারী বলতে দুটি ভিন্ন রুপের কথা বলা হচ্ছে। ঠিক বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে এ এবং বি বলা হচ্ছে। এভাবে দুটি শ্রেনিতে বিভক্ত হয়ে যায়। পরবতী অংশে বলা হচ্ছে “আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যার মাধ্যমে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক। আর ভয় কর রক্ত-সম্পর্কিত আত্মীয়ের ব্যাপারে” ঠিক যেমন প্যারামেসিয়াম বা ক্ল্যামাইডোমোনাস-এর মতো কিছু এককোষী জীবের জীবনচক্রে যৌন পর্যায় থাকে, যেখানে তারা কনজুগেশন (conjugation) প্রক্রিয়ায় ডিএনএ বিনিময় করে, নিজেরা কিছু চাই কিছু পায় বা বিনিময় করে। কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পুরুষ বা স্ত্রী লিঙ্গ থাকে না, বরং বিভিন্ন মিলন উপযোগী ধরন থাকে। তারা একই টাইপের সাথে মিলন ঘটাতো না। এই বিষয় বোঝানো হতো।
আমি কেনো যেনো মনে হচ্ছে আল কোরআনে এই ঘটনার পেক্ষাপটে আয়াতটি নাজিল। তবে আমি তো ভূল বলতেই পারি। গবেষনা করা এবং আরো একটিভ হওয়া আপনাদের ব্যাপার। যদি আমাকে ভূল বলে ফেলে দেন তো দেবেন আর যদি বিষয়টি নিয়ে একটু ভাবেন তবে আপনাদের গবেষনা আরো অগ্রযাত্রা পেতে পারে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৯
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: আমিও আপনার মতো কমজীবি একজন মানুষ। নেট দুনিয়ায় হঠাৎ ঢুকি আবার হঠাৎ বের হই। নেট দুনিয়ায় পড়ে থাকার সময় নেই। ধণ্যবাদ।
৭|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩
নিমো বলেছেন: তা ভাইজান, ক্রিস্পার প্রযুক্তি নিয়ে কিছু লেখা নাই
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ভাইগো উপহাস করছেন? আমি আর কি বলবো আপনাকে? আমি কোরআন পড়লে বিজ্ঞান খুজে পাই তাই লিখি। এখন আপনারা আমাকে অপমান করে কি করবেন? গ্রহন করলে করবেন না করলে না করবেন। তবে একটু নিরপেক্ষ হন। ভূল ত্রুটি তো মানুষেরই হয়। আমি যে সব ঠিক বলছি তা নয় কিছু ক্ষেত্রে হয়তো বেশি বলছি। তবে একটু ভাবেন আমার বিষয় নিয়ে।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১১
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। এই প্রযুক্তি....সত্যিই মানবজাতির জন্য মাইলফলক হযে দেখা দিতো।
৮|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৪৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার এই লেখাটি একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও চিন্তাজাগানিয়া প্রয়াস এতে কোন সন্দেহ নেই। আপনি কুরআনের
সুরা নিসা আয়াত ১–কে সায়েন্টিফিক তাফসীর এর আলোকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আধুনিক জীববিজ্ঞান, বিশেষত
কোষতত্ত্ব, RNA–বিশ্ব তত্ত্ব(RNA world hypothesis), প্রোটোসেল এবং প্রতিলিপিকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে
আয়াতটির একটি সাযুজ্য স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।এই দৃষ্টিভঙ্গি পাঠক হিসাবে আমাদেরকে প্রচলিত আদম–হাওয়া
কেন্দ্রিক পাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে এক নতুন ইনটেলেকচুয়াল পরিসরে প্রবেশ করায়, যা নিঃসন্দেহে লেখাটির
একটি বড় গুরুত্বপুর্ণ দিক।
আপনার এই পোস্টের সাথে নীচে থাকা সকল পাঠক মন্তব্যসমুহ আমি বেশ মনযোগ সহকারে পাঠ করেছি ।
লেখাটিতে থাকা কিছু কিছু বিষয়ের সাথে অনেক পাঠকের ভিন্ন মত পরিলক্ষিত হয়েছে ।
তাই উভয় দৃস্টিকোন হতেই আমার ভাবনা নিয়ে এই বিষযের উপর মন্তব্য লেখার প্রয়াস নিচ্ছি ।
প্রথমেই বলা যায় লেখাটির বিষয়ে প্রধান মতবিভেদ শুরু হয়েছে “নফস” শব্দটির অর্থ নির্ধারণ ও তার ওপর
দাঁড়িয়ে নির্মিত সিদ্ধান্তের বিষয়ে ।
এখানে উল্লেখ্য যে আরবি ভাষায় “নফস” (نفس) শব্দটির আভিধানিক অর্থ বহুবিধ: যথা আত্মা, সত্তা/ব্যক্তি, প্রাণ,
স্বয়ং সত্তা(self / being), এবং কোনো কিছুর সার বা মূল পরিচয় প্রভৃতি। কুরআনিক পরিভাষায় “নফস” শব্দটি
শুধু জৈবিক প্রাণ বা কোষগত জীবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না; বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি একটি সম্পূর্ণ সত্তা বা
ব্যক্তি পরিচয় বোঝায়, যার মধ্যে শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক মাত্রা একত্রে বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ
“كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ”
(প্রত্যেক নফস মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে)
এখানে “নফস” স্পষ্টতই কোষ বা একক জৈবিক একক নয়, বরং সচেতন সত্তা।
এই বাস্তবতায় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে নফসকে সরাসরি “এককোষী প্রাণী” বা “কোষ” হিসেবে নির্ধারণ করা কি
ভাষাগত ও কুরআনিক দৃষ্টিতে ন্যায়সঙ্গত?
বৈজ্ঞানিক তাফসীর ও অনুমানের সীমা প্রসঙ্গটি নিয়ে বলা যায় পোস্টের লেখায় যেভাবে “নফস” শব্দটিকে এককোষী
প্রাণের সঙ্গে একীভূত করা হয়েছে , তা মূলত একটি ব্যাখ্যামূলক অনুমান (interpretive extrapolation)নিশ্চিত
অর্থ নয়। বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সঙ্গে কুরআনের আয়াতের মিল খোঁজা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে আকর্ষণীয় হলেও, এখানে একটি
সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি রয়েছে যথা-
বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল, কিন্তু কুরআনের অর্থ নির্ধারণ যদি সাময়িক বৈজ্ঞানিক মডেলের ওপর দাঁড়িয়ে যায়, তবে সেই
তাফসীরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
RNA-world hypothesis বা প্রোটোসেল তত্ত্ব এসকলই এখনও পরীক্ষণমূলক ও সম্ভাব্য ব্যাখ্যা, চূড়ান্ত সত্য নয়।
অথচ লেখাটিতে মাঝে মাঝে এগুলোকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন কুরআন সরাসরি এই তত্ত্বগুলোকেই
নির্দেশ করছে। এতে অনেকের কাছে তাফসীর ও বৈজ্ঞানিক কল্পনার মধ্যকার সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে যায়।
পোস্টে থাকা লেখায় স্পষ্টভাবে আদম (আ.) কেন্দ্রিক পাঠকে “অনুমাননির্ভর” বলে এক পাশে সরিয়ে রাখা হয়েছে ।
এটি সাহসী অবস্থান হলেও, অনেক পাঠকের দৃষ্টিতে এটি কিছুটা একপেশে মনে হতে পারে। কারণ কুরআনের
অন্যান্য বহু আয়াতে আদমকে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সত্তা হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে। সুতরাং সুরা নিসার
আয়াত ১–কে সম্পূর্ণভাবে জীববৈজ্ঞানিক সূচনার প্রতীকে রূপান্তর করা হলে কুরআনের আন্তঃপাঠ
(intertextual coherence) প্রশ্নের মুখে পড়ে।
যাহোক , আপনার লেখাটি চিন্তাশীল, তথ্যসমৃদ্ধ এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উদ্দীপক যা ধর্ম ও বিজ্ঞানকে সংলাপে
আনার আন্তরিক চেষ্টা করেছে ।তবে “নফস” শব্দের অর্থ নির্ধারণে ভাষাতাত্ত্বিক ও তাফসীরি ঐকমত্যকে উপেক্ষা
করা হয়েছে সেই সাথে বৈজ্ঞানিক অনুমানকে কখনো কখনো কুরআনের নির্দিষ্ট বক্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
তাই সার্বিকভাবে বলা যায়, আপনার এই লেখাটি একটি সম্ভাব্য দার্শনিক–বৈজ্ঞানিক পাঠ হিসেবে আকর্ষণীয়,
কিন্তু একে চূড়ান্ত বা প্রামাণ্য তাফসীর হিসেবে গ্রহণ করার আগে সকলকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। “নফস” শব্দটি
কুরআনে যে গভীর মানবিক, নৈতিক ও অস্তিত্বগত তাৎপর্য বহন করে তা কেবল কোষ বা প্রতিলিপিকরণ প্রক্রিয়ায়
সীমাবদ্ধ করলে তার অর্থগত বিস্তার সংকুচিত হয়ে পড়ে।তবে প্রশ্ন তোলার প্রয়াস ও চিন্তার খোরাক জোগানোর
জন্য লেখাটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বের সাথে আলোচনাযোগ্য।
শুভেচ্ছা রইল
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০০
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: এখানে উল্লেখ্য যে আরবি ভাষায় “নফস” (نفس) শব্দটির আভিধানিক অর্থ বহুবিধ: যথা আত্মা, সত্তা/ব্যক্তি, প্রাণ,
স্বয়ং সত্তা(self / being), এবং কোনো কিছুর সার বা মূল পরিচয় প্রভৃতি। কুরআনিক পরিভাষায় “নফস” শব্দটি
শুধু জৈবিক প্রাণ বা কোষগত জীবন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না; বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি একটি সম্পূর্ণ সত্তা বা
ব্যক্তি পরিচয় বোঝায়, যার মধ্যে শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক মাত্রা একত্রে বিদ্যমান।
ভাইগো নফস বলতেই একটি জীবন। যার চেতনা আছে আপনি আল কোরআনের নফস সংক্রান্ত বিভিন্ন আয়াত পড়ুন। কিন্তু আপনি নফস বলতেই কেনো ব্যঅক্তি চেতনা বুঝছেন। এককোষি বহুকোষি সকলেই সফস সমৃদ্ধ। সকলের জীবন আছে। এককথায় জিনেটিক প্রক্রিয়া ডিএনএ আরএনএ আছে।
নফসের সুচনা রয়েচে। মানুষ বা প্রাণ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আল কোরআন ধাপে ধাপে মানুষকে সুসংগঠিত করা হয়েছে বলছে। তাহলে আপরি নফস সৃস্টির বিষয়ে কেনো ধাপ সংক্রান্ত বিষয়টি ভাবছেন না। নফসকেও দীঘদিনের প্রক্রিয়ায় সৃষ্টি করা হয়েছে উন্নত করা হয়েচে। নফস আসলে সৃসিটশীল বিষয়। প্রথম কোষ যখন সৃষ্টি হয় তখন আএনএ দ্বারা পরিচালিত হয় কিছুদিনের মধ্যে আ্রএনএর স্থলে ডিএনএ সংযোজিত হয়। যে সকল এক কোষি কনজুগেশন (conjugation) প্রক্রিয়ায় ডিএনএ বিনিময় করে, তারা কিন্তু কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পুরুষ বা স্ত্রী লিঙ্গ থাকে না, বরং বিভিন্ন মিলন উপযোগী ধরন থাকে। নফস আসলে আরএনএ ডিএনএ এর কার্যক্রম করে।কুরআনে নফস (আত্মা/মন) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়াতগুলো হলো: সূরা শামস-এর ৯-১০ আয়াত (যে নফসকে পরিশুদ্ধ করে সে সফল), সূরা ইউসুফ-এর ৫২ আয়াত (নিশ্চয় নফস মন্দ কাজের নির্দেশ দেয়), সূরা আল-কিয়ামা-এর ২ আয়াত (আত্ম-ভর্ৎসনাকারী আত্মার কসম), এবং সূরা আল-ফাজর-এর ২৭ আয়াত (হে প্রশান্ত আত্মা), যা নফসের বিভিন্ন স্তর ও পরিশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে। যেমন ধরেন নফসে আম্মারা "নিশ্চয় নাফস মন্দ কজের নির্দেশ দিয়ে থাকে" অাল কোরআনের এই নফস নিয়ে একুট ভাবেন। কেনো মানুষ অপরাধী হয়? কারন তার নফস? জানেন তো চুরি করা একটি মানসিক রোগ। এই রোগটির নাম ক্লেপ্টোম্যানিয়া। একটি মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি হিসেবে স্বীকৃত যা চুরি করার অনিয়ন্ত্রিত প্রবণতা দ্বারা চিহ্নিত। এটি একটি জটিল অবস্থা যা অপরাধমূলক কার্যকলাপের দিকে পরিচালিত করতে পারে, তবে এর মূল কারণ হল মানসিক, অপরাধমূলক উদ্দেশ্য নয়।কিন্তু এই রোগের ইচ্ছা প্রকাশ তার জেনেটিকে উল্লেখিত। ক্লেপটোম্যানিয়া (চুরির বাতিক) সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জিনে ডিএনএ-এর মাধ্যমে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া যায় না, তবে এর ঝুঁকির কারণ হিসেবে বংশগত বা জেনেটিক প্রভাব রয়েছে; অর্থাৎ, পরিবারে যাদের অ্যাডিটিভ ডিসঅর্ডার, মুড ডিসঅর্ডার (যেমন বিষণ্ণতা বা উদ্বেগ), বা অন্যান্য ইম্পালস কন্ট্রোল ডিসঅর্ডার (আবেগ নিয়ন্ত্রণজনিত সমস্যা) থাকে, তাদের মধ্যে ক্লেপটোম্যানিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, যা জেনেটিক উপাদান নির্দেশ করে। এটি মস্তিষ্কের গঠন ও রাসায়নিকের তারতম্য এবং অন্যান্য মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থার সঙ্গেও সম্পর্কিত। "«অবশ্যই সে সফল হয়েছে, যে নফসকে পরিশুদ্ধ করেছে। আর সে ব্যর্থ হয়েছে, যে তা বিনষ্ট করেছে»"। তাহলে নফস এর বেড়াজাল থেকে বাচতে মানুষ বিবেকবান হতে হবে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৩
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: বৈজ্ঞানিক তাফসীর ও অনুমানের সীমা প্রসঙ্গটি নিয়ে বলা যায় পোস্টের লেখায় যেভাবে “নফস” শব্দটিকে এককোষী
প্রাণের সঙ্গে একীভূত করা হয়েছে , তা মূলত একটি ব্যাখ্যামূলক অনুমান (interpretive extrapolation) নিশ্চিত
অর্থ নয়।
নফস এক কোষী প্রাণী নয়।নফস প্রাণ। সে যে কোন প্রকার হোক। এক কোষি বহুকোষী। সকল প্রাণী। স্তণ্যপায়ী সহ মানুষ। সকলেই নফস দ্বারা চালিত। নফস মা্নেই জীবন। নফসই মারা যায়। আলোচ্য আয়াতটি আদম সংক্রান্ত নয়। আদম নিয়ে আল কোরআনে অসংখ্য আয়াত আছে। আল কুরআনে হযরত আদম (আ.) সম্পর্কিত আয়াতগুলো মূলত তাঁর সৃষ্টি, ফেরেশতাদের সিজদার নির্দেশ, ইবলিসের অবাধ্যতা, জান্নাত থেকে নেমে আসা, এবং মানবজাতির প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে আলোচনা করে, যা সূরা বাকারাহ (২:৩০-৩৯), সূরা আল-আ'রাফ (৭:১১-২৫), সূরা আল-হিজর (১৫:২৮-৩৯) এবং সূরা ত্বহা (২০:১15-১২৩)-সহ বিভিন্ন সূরায় পাওয়া যায়। এই সুরাটিকে যদি আপনি আদমের আয়াত বলেন তাহলে কেনো আমি অনুমান বলবো না। এখানে আদম সংক্রান্ত কোন প্রসং্গ হতেই পারে না। যদি হতো তাহলে এখানে নফস শব্দ চয়নের কোন গ্রহণযোগ্যতা থাকে কি? আমাকে ক্ষমা করবেন। আমি বিশ্বাস করি আমাদের চিন্তার পরিধি আরো বাড়ানো উচিত।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৩
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: “নফস” শব্দটি কুরআনে যে গভীর মানবিক, নৈতিক ও অস্তিত্বগত তাৎপর্য বহন করে তা কেবল কোষ বা প্রতিলিপিকরণ প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ করলে তার অর্থগত বিস্তার সংকুচিত হয়ে পড়ে।
ভাই আপনি ভূল বুজছেন। আমি নফস বলতে শুধুমাত্র কোষ প্রতিলিপিকরন প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ করি নাই। নফস নফসই। এটিও দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় সৃষ্টি। নফসের সূচনালগ্নের কথা বলেছি। আয়াতটিও আমার মনে হয় সৃষ্টির সূচরালগ্নে কথাই বলেছে। আমার ২য় পর্ব পড়লে আপনি আরো কিছু বুঝতে পারতেন। নফস এ যা উণ্লেখ থাকে মানুষ বা সকল প্রাণী অনুরুপ হয়। এবং ডিএনএ এবং জিন কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের গঠন বা আচরন হয়। সুতরাং নফস হলো মানুষের ডিএনএ এবং জেনেটিক কার্যক্রেমের একটি প্লাটফর্ম। এখানে নফস হলো সফটওয়া্য এবং রুহু হলো অপারেটর বা ব্যাক্তি বিষেষ। যিনি অাদেশ বা কমান্ড করছে আর নফস আদেশ বা কমান্ড শুনছে।
৯|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সবারই উচিত বুঝে শুনে অর্থসহ কোরআন পাঠ করা।
তাহলে গোড়ামী কমবে।
১০|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৬
রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: ধন্যবাদ আবার আসবার জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৮
কামাল১৮ বলেছেন: সোনার পথর বাটি।