| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জ্যাক স্মিথ
লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।
দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রায় ৪ মাস হতে চলছে, এর আগে দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদি শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যতিসম্পন্ন্য নোবেল বীজয়ী ড: ইউনুস শতভাগ জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে টানা ১৮ মাস দুর্দান্তভাবে দেশ পরিচালনা করার মাধ্যমে দেশকে পুনর্গঠন করে দিয়ে গিয়েছেন; বিশেষ করে তিনি দেশকে ভারতের হাত থেকে স্বাধীন করে দিয়ে গিয়েছেন- আওয়ামী সরকার দেশকে পুরোপুরি ভারতের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলো ড: ইউনুস যদি ক্ষমতা গ্রহণ না করতেন তাহলে আজও আমাদের ভারতের কাছে পরাধীন থাকতে হতো- এরই ধারাবহিকতায় গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা- যে ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য বিগত ১৭ টি বছর দেশের হাজার হাজার দেশপ্রেমিক নির্যাতন,জুলুমের শিকার হয়েছে- এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য দেশের লক্ষ কোটি জনতা দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন-শেষ পর্যন্ত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিএনপি গণতান্ত্রিক ভাবে সরকার গঠন করার মাধ্যমে দেশকে অতল অন্ধকারের গহ্বরে ডুবে যাওয়ার হাত ধেকে রাক্ষা করেছে। অবশেষে দেশে শান্তি ফিরে এসেছে এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
নতুন এই বাংলাদেশে দূর্ণীতি আজ ইতিহাসের নাম মাত্র-- নির্মূল হয়েছে আজ যত দুর্ণীতি, বন্ধ হয়েছে সকল অন্যায়, অত্যাচার এবং অপকর্ম; যুগ যুগ ধরে এমন একটি বাংলাদেশের অপেক্ষায়'ই তো আমরা ছিলাম। অবশ্য দেশে যে শতভাগ ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বা দূর্ণীতি নির্মূল হয়েছে তা হলফ করে বলা যায় না, এখনো দেশের কোথাও কোথাও টুকটাক দূর্নীতি, অন্যায় অপকর্মের কথা শুনা যায়; তবে এর পরিমাণ খুবই কম আর এর পিছনে রয়েছে ফ্যসাবদী আওয়ামীলীগের লোকজন। ৫ ই আগষ্টের পরে দেশের অধিকাংশ হেভিওয়েট আওয়ামী নেতা-নেত্রী দেশত্যাগ করতে সক্ষম হলেও তাদের মাঠ-পর্যায়ের কার্মী বাহিনী এখনো এই দেশেই রয়ে গেছে- এখনো যত দূর্নীতি, অন্যায় অপকর্ম হচ্ছে এর জন্য মূলত এসব আওয়ামী কর্মীগণই দায়ী। সাধারণত বাংলাদেশের জনগণ খুবই শান্তিপুর্ণ জনগণ এমন শান্তিপ্রীয় জনগণের দ্বারা কখনোই দূর্নীতি, অন্যায় অপকর্ম ঘটানো সম্ভব নয়; আর তাই এখনো দেশে যে সকল দূর্নীতি, অন্যায় অপকর্ম হচ্ছে এর জন্য আসলে আওয়ামী কর্মীবাহিনী'ই দায়ী যারা মূলত ভারতের দালাল বা র এর এজেন্ট। একমাত্র আওয়ামীপন্থি ছাড়া বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণই এক একজন দেশপ্রেমীক, দেশ নিয়ে তারা সর্বক্ষণ চিন্তা ফিকির করেন এবং ভাবেন... এদের দ্বারা সেই অর্থে কোন অন্যায় অপকর্ম করা সম্ভব নহে।
আওয়ামী লোকজন দ্বারা ঘটিত এসব টুটাক অন্যায় অপকর্মের কথা যদি বাদ দিই, তাহলে সর্বপোরী দেশে কিন্তু এখন বেশ শান্তিপুর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে- যা স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলার ইতিহাসে বিরল- এমন শান্তিপুর্ণ অবস্থা আর কখনো বাংলাদেশে দেখা যায়নি। বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ শৈনে শৈনে উন্নতি করছে, বিদেশী ইনভেস্টোরদের জন্য বাংলাদেশ এখন এক পটেনশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট হাবে পরিণতি হয়েছে, এখন আর বিদেশে কোন টাকা পাঁচার হচ্ছে না, হুন্ডি ব্যবসায়ীদের আজ মাথায় হাত, মূদ্রস্ফীতি এখন শুন্যের কোঠায়। বর্তমানে গার্মেন্টস সেক্টর বেশ উন্নতি করছে, দেশের ব্যাকিং খাত দারুণভাবে ফাংশন করছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থা আবস্থান করছে। ভারত থেকে আমরা বের হয়ে যাওয়ার কারণে বা তাদের পণ্য না কিনার কারণে ভারতের অর্থনীতি কিন্তু এখন টালমাটাল অবস্থায় আছে, রুপির ভয়াবহ দরপতন ঘটেছে; বাধ্য হয়ে মোদী সরকার তাদের নতুন ব্যবসায়িক পার্টানার খুঁজতে মিডলইস্ট, ইইরোপে ধরণা দিচ্ছে। সবচেয়ে মূল বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশে এখন সামাজিক ইনসাফ প্রতিষ্ঠীত হয়েছে; অন্যায়, অত্যাচার, জোড়-জুলুম সব নির্মূল হয়েছে।
বাংলার শান্তিপ্রীয় জনগণ আজ জেগে উঠেছে, যেখানেই অন্যায় অপকর্ম দেখছে সেখানেই তারা রুঁখে দাঁড়াচ্ছে এটাই তো হাবার কথা, এই দেশ জনগণের জনগণই এই দেশ চালাবে- যেখানেই অন্যায় অপকর্মের দেখা যাবে সেখানেই ইনস্ট্যান্ট বিচার করতে হবে- বর্তমানে চলছে ইনস্ট্যান্ট গ্র্যাটিফিকেশনসের যুগ, টিকটক, শর্টস-রিলসের যুগ। দেশে এখন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- সুতরাং দেশের জনগণের টাকা অপচয় করে অহেতুক বিশাল পুলিশ-বাহিনী এবং জেলখানা-কয়েদখানা রাখার দরকার আছে কি না তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। বিগত ১৭ বছরে দেশে আওয়ামী ফ্যাসীবাদী সরকার পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় থেকেছে, হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষকে জেলে পুরেছে- আওয়ামী যুগে যত মানুষ জেলে গিয়েছে তারা সকলেই কিন্তু ছিলো মূলত দেশপ্রেমীক; প্রকৃত পক্ষে এদের কেউ'ই অপরাধী ছিলো না। বাংলার শান্তিপুর্ণ জনগন কোন অপরাধ করতে পারে ইহা আমি বিশ্বাস করি না-- আর তাই দেশের বিপুল টাকা খরচ করে দেশে জেলখানা রাখার কোন প্রয়োজন আমি দেখছি না, পুলিশ বাহিনীকে ছাটাই করে একদম ছোট বাহিনীতে পরিণত করা যেতে পারে, যারা সামাজিক কার্যক্রম করবে। আওয়ামী দোসারদের দ্বারা যদি এদিক সেদিক টুকটাক অন্যায় অপকর্ম হয়েই থাকে তার বিচার করবে দেশের জনগণ, যেখানেই অন্যায়, অপকর্ম দেখা যাবে সেখানেই মব সৃষ্টি করে ইনস্ট্যান্ট বিচার করে দিতে হবে-- হাত-পা ভেঙ্গে একদম গুড়িয়ে দিতে হবে, প্রয়োজনে হত্যা করে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। বাংলার জনগণকে কখনো দাবায়ে রাখা যাবে না- নতুন এই বাংলার জনগণ এসব আইন-আদালতের ধার একদমই ধারে না, বিচার কার্যের দায়িত্ব থাকবে তাদের নিজেদের হাতে, আর এভাবেই দেশের অগ্রগতি হবে এবং পরিপুর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠিত হইবে।
সবাইকে ঈদের ভুঁড়ি ভুঁড়ি শুভেচ্ছা-
আরও পড়ুন: অবশেষে দেশে গণতন্ত্র কায়েম হইলো
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনি মনে হয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলের কথা বলছেন।
নতুন এই বাংলাদেশে দূর্ণীতি আজ ইতিহাসের নাম মাত্র-- নির্মূল হয়েছে আজ যত দুর্ণীতি, বন্ধ হয়েছে সকল অন্যায়, অত্যাচার এবং অপকর্ম; যুগ যুগ ধরে এমন একটি বাংলাদেশের অপেক্ষায়'ই তো আমরা ছিলাম।
২|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নৌকা ধানের শীষ লাঙ্গল দেখা শেষ ..... ![]()
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এনসিপি'তেই বাংলাদেশ। ![]()
৩|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:১৪
কলাবাগান১ বলেছেন: সবই বললেন কিন্তু ব্লগে যে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ব্লগার রা দখল করেছিল আর দ্বিতীয় স্বাধীনতার ফলে এখন যে ব্লগ মুক্ত সেটা তো মেনশান করলেন না
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৪০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ব্লগ তো এখন মুক্ত, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ব্লগারদের হাত থেকে ব্লগ এখন মুক্ত হয়ে গেছে, ব্লগে এখন মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। তাছাড়া দেশও এখন ভারতের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে- সর্বোপরি এখন পুরো বাংলাদেশে মুক্তির আনন্দের পতাকা পতপত করে উড়েছে। এমন আনন্দপুর্ণ একটি দেশে জেলখানা থাকা একদমই বেমানান।
অনেকদিন পর আপনাকে দেখতে পেয়ে খুশি হলাম। ![]()
৪|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:১৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: লীগের দালালী কইরা লাভ ভি হইব না
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: লীগ বিতারিত হয়েছে সেই কবে... এখনো লীগের নাম জপ করতেছেন? ![]()
৫|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:২০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার লেখার মধ্যে দেশে বেকারত্বের অভাবিত উন্নতির কথাটিও যুক্ত করে দিতে পারেন,
গতকাল ২৫শে মে ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোতে প্রকাশিত সংবাদ ভাষ্য হতে দেখা যায়
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে বেকারের
সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ ২৪ হাজার। তবে বিবিএসের হিসাবে দেশে এখন আংশিক বা অর্ধবেকারত্ব;
কাজ আছে, তবু ঘোচে না অভাব এমন বেকারের সংখ্যা ৬৪ থেকে ৬৭ লাখ।
(সুত্র : Click This Link )
সাথে আশার কথাও আছে , ফ্যামিলি কার্ডও আসছে পিছে পিছে ।
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:০৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বাহ বেকারত্ব দেখি শৈনে শৈনে উন্নতি করছে ২৬ থেকে ৬৪ লাখ!! চারিদিকে আজ শুধু উন্নতির সুবাস বইছে। এই উন্নতির সুবাতাসে ঝাঁকে ঝাঁকে প্রবাসীরা নাকি দেশে আসা শুরু করছে, দেশে ব্যাপক কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। দেশে যে হারে কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে তাতে আদম ব্যাপারীদের ব্যবসা তো লাটে উঠবে, আচ্ছা আদম ব্যবসায়ীরাও কি ফ্যামিলি কার্ড পাবে?
৬|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৪৯
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: যেতে হবে বহুদূর, যাত্রার জন্য শুভ কামনা আর অগ্রিম ঈদ মোবারাক।
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: গত দুই বছরে দেশের জনগণের ব্যাপক রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সঞ্চার হয়েছে যা গত ২০ বছরেও হয়নি। এই ভাঙ্গা গড়ার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আপনাকেও ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা।
৭|
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ২:২৩
ঢাকার লোক বলেছেন: পুরানো গল্প মনে পড়লো!
বাঙালি মুসলমানের রোজার বর্ননা শুনে কোরিয়ান বন্ধু বলল বাথরুমে লুকিয়ে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিলে কে আর দেখবে? "আল্লাহ দেখবে!" বাঙালির উত্তর শুনে কোরিয়ান বন্ধু অবাক, বলল, তাই? আল্লাহকে তোমরা এত ভয় পাও? তোমাদের দেশে তাহলে চুরি-ডাকাতিও নিশ্চয়ই নেই! নেই দারোগা-পুলিশ, জেলখানাও!
আমরাও কি কোরিয়ান হয়ে গেছি?
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: রমজান নিয়ে কোরিয়ানদের বিস্ময়! - এই শিরোনামে আমার একটা পোস্ট ছিলো, পোস্ট'টা এখন আর খুঁজে পাচ্ছি না খুব সম্ভবত ডিলিট করে দিয়েছি।
গণতন্ত্র কায়েম হবার পর থেকে দেশে এখন দূর্ণীতি, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই-রাহাজানি এগুলো সব বন্ধ হয়ে গেছে তাই ভাবছিলাম দেশে জেলখানা রাখার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি না?
৮|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৩১
শায়মা বলেছেন: লেখা যে বিষয়েই হোক ঈদের ভুঁড়ি ভুঁড়ি শুভেচ্ছার সাথে দোয়াও দিও যেন গরুর ভুঁড়ি খেয়ে লোকজনা নিজের ভুঁড়ির অবস্থা খারাপ না করে ফেলে!!!
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আপনাকেও ঈদের ভুঁড়ি ভুঁড়ি শুভেচ্ছা।
৯|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনার সাথে একমত, জিন্দা অলির দেশে জেলখানার দরকার কি⁉️চারিদিকে শুধুই ফেরেশতার আনাগোনা। আওয়ামী লীগ আসলেই দেশ ধ্বংস করে দিয়েছে॥ এখন কত সুন্দর দুই মাসে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলো। তিনমাসে আরেকট পদ্মা সেতু হবে। শুধু শনৈ শনৈ উন্নয়ন ....
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এমনিতেই আমরা অলি আওলিয়ার দেশ, তাছাড়া বর্তমানে একঝাঁক ফেরেশতারা সংসদ চালাচ্ছেন, তার উপর আমাদের রয়েছে নিষ্পাপ শান্তিকামী জনগণ, একমাত্র আওয়ামীপন্থী ছাড়া সকলেই দেশপ্রেমিক ও ফেরেশতার লাহান নিষ্পাপ-- এমন শান্তিপুর্ণ একটি দেশে জেলখানা রাখার কি প্রয়োজন তা'ই আমি বুঝতে পারতেছি না।
চারিদিকে শুধু শনৈ শনৈ উন্নয়ন .... এমন জৌলুসপুর্ণ স্মার্ট বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসে আর দেখা যায়নি।
১০|
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জেলখানা না থাকলে বিরোধীরা কোথায় থাকবে? তারা জেল খানায় থাকলেই তো দেশ নিরাপদ থাকে। আর পুলিশ থাকলে জনতার চক্ষু শীতল হয়। সেজন্য এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা কমানোর দরকার নাই।
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বিএনপি কি তাহলে জামাত-এনসিপিকে ধরে ধরে জেলে পুরতে চায়? কয়দিন আগে তো পাটোয়ারীকে ডিম থেরাপি দেওয়া হইলো, অহেতুক জেলে পুরার কি দরকার?
এই দেশের জনগণের বর্তমান সরকারের বিচার ব্যবস্থার প্রতি তেমন কোন আস্থা দেখছি না, তারা অপরাধীকে জায়গায় পিটিয়ে মেরে ফেলতে চায়, মানে- ইনস্ট্যান্ট বিচার চায়। তো যে দেশের রাজপথের জনগণই আদালাত সেই দেশে আইন-আদালত, বিচার ব্যবস্থা, পুলিশ, জেলখানা রাখার দরকারডা কি?
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সাধারণত বাংলাদেশের জনগণ খুবই শান্তিপুর্ণ জনগণ এমন শান্তিপ্রীয়
জনগণের দ্বারা কখনোই দূর্নীতি, অন্যায় অপকর্ম ঘটানো সম্ভব নয়;
..............................................................................................
যেখানে সরকার প্রধান দূর্ণীতি করে নিজ আখের সবার পূর্বে গুছিয়ে নেয়
সেখানে তার চেয়ে বেশী দূর্ণীতি করলে তাহাকে , দূর্ণীতি বলে ।
প্রতিদিনই শ্লোগান হয় জেলের তালা ভাঙ্গবো, অমুক নেতাকে আনব
সেখানে হয় আরও মজবুত তালার ব্যবস্হা করতে হবে অথবা
জেল খানাই ভ্যানিশ করে দিতে হবে ।