দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এখন আমাদের আর কোন টেনশন রইলো না। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীদের আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই মূলত দেশ আবার গণতন্ত্রের ট্রেনে যাত্রা শুরু করলো।

আজকের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমেই মূলত দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাষনের মৃত্যু ঘটলো। বহুল আকাংখিত এই গণতন্ত্রের জন্য দেশের মানুষ বিগত ১৭ টি বছর সংগ্রাম করেছেন অবশেষে সেই গণতন্ত্রের সুভাস আজ পেতে শুরু করেছি। আমরা আশা করবো আজ থেকে দেশ আবার সেই পুর্বের গণতান্ত্রিক (দ্যা গ্রেট বাংলাদেশ ) যুগে ফিরে যাবে যেখানে থাকবে না কোন- অন্যায়, অত্যাচার, ঘুষ, দূর্ণীতি; বন্ধ হবে সকল অপকর্ম, চুরি ,ছিনতাই এবং চাঁদাবাজি। গণতান্ত্রিক যুগে বা দ্যা গ্রেট বাংলাদেশ যুগে বাংলাদেশ ছিলো একটি সুজলা সুফলা এক সোনার বাংলা- সেই যুগে মানুষের মুখে হাসি ছিলো, মনে ছিলো শ্বান্তি, গোয়াল ভরা ছিলো গরু, মাঠ ভরা ছিলো ফসল, পুকুর ভরা ছিলো মাছ, ব্যাংক ভর্তি ছিলো টাকা সর্বোপরি চারিদিকে ছিলো এক শান্তিময় পরিবেশ। গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসন আমল মানুষের সে শান্তি বিনষ্ট করেছে, দেশটাকে রীতিমত ধ্বংস করে দিয়ে গেছে, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট সব ভেঙ্গে খানাখন্দে পরিণত করে ফেলেছে, ব্যাংক লুট করছে, খর্ব করেছে মানুষের স্বাধীনতা, চারিদিকে ছিলো দূর্ভিক, হাহাকার- দেশের সমস্ত স্বার্থ ভারতের হাতে তুলে দিয়ে দেশটাকে মূলত ভারতের কাছে বিক্রিই করে দিয়েছে, সময় এসেছে এখন দেশকে ভারতের হাত থেকে আজাদ করার এবং ইনসাফ কায়েম করার।
স্বভাবতই ধর্মপ্রাণ বাংলাদেশের মানুষ শ্বান্তিপ্রীয় এবং কম অপরাধ প্রবণ মানুষ, দূর্ণীতি করার প্রবণতা এই দেশের জনগণের মধ্যে খুবই কম (নেই বললেই চলে) কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার বিগত ১৭ বছরে ফেরেশতা সমত্যুল্য এসব জনগনকে শিখিয়েছে কিভাবে দূর্ণীতি করতে হয়, ছবক দিয়েছে অপরাধ করার এবং অশান্তি সৃষ্টি করার- ধ্বংস করে দিয়েছে দেশের সকল মসজিদ এবং মাদ্রাসা; ফলশ্রুতিতে ফ্যাসিস্ট যুগে বাংলাদেশ চলে গিয়েছিলো এক গহীন অন্ধকার যুগে। সময় এসেছে এখন আমাদের সে অন্ধকার যুগ থেকে বের হওয়ার আর তাই আসুন আমরা সকলেই গণতন্ত্রের আলোকে আলোকিত হই এবং দেশটাকে আবার সেই পূর্বের সোনার বাংলায় রুপান্তর করি।
মেইক বাংলাদেশ গ্রেইট এগেইন, বিফোর ফ্যাসিস্ট যুগ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


