
শেখ হাসিনার গুম খুনের সেবা ভালো ছিল না। ছাত্র-জনতার যে সেবার কারণে তিনি দেশ ছেড়েছেন তাঁর সে সেবা ভালো ছিল না। আর তাঁর নির্বাচন ব্যবস্থা ছিল এক কথায় ঘৃণিত। তাঁর দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল জঘণ্য রকমের মন্দ। তাঁর সরকারে নিম্ন আয়ের মানুষরা ছিল মৃত প্রায়। তাদের অবস্থা ছিল না মরে বেঁচে থাকার মত। তাঁর শাসনে জাতি প্রচন্ড হতাশায় ভুগছিল। তাঁর দলের বড়রা অনেক বড় হয়েছে, আর ছোটরা ধূলায় মিশেগেছে। ছাত্র লীগের এক ছাত্র বলেছে বাবার পকেটের সত্তর হাজার টাকা চুরি করে দলের জন্য খরচ করেছে। বিনিময়ে সে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তাঁর দলের নেতারা খেয়েছে একদম হাঁসের মত। সেজন্য তারা মাঠের কর্মীদের ডেকে এখন আর সাড়া পাচ্ছে না। বিএনপি-জামায়াতে এরা ভালো কিছু পেলে এরা সেদিকে চলে যাবে। অতঃপর আওয়ামী লীগের অবস্থা জাতীয় পার্টির মত হলেও হতে পারে।
শেখ হাসিনার যে সব সেবায় রুমিন ফারহানা আপ্লুত তাঁর সেসব সেবার কথা কেউ অস্বীকার করে না। কিন্তু তাঁর আলোর মধ্যে কালো যা ছিল তা’ তাঁর আলোকে ঢেকে দিয়েছে। কালো ঠেলে সেই আলো বেরুতে সময় লাগবে। তাতে আরো বিলম্ব হবে যদি বিএনপি-জামায়াত তাঁর বঞ্চিত নেতা-কর্মীদেরকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে পারে। নো চেতনা। বেশ কেল্লাফতে। বিএনপি-জামায়াতের ভুলের কারণে আওয়ামী চেতনা জেগে উঠলে তাদের খবর আছে। সুতরাং এখন আওয়ামীর জন্য চাই ঘুম পাড়ানি মাসি-পিসির ঘুম পড়ানোর গান। তাদের ঘুমতাড়ানোর মত কিছু হলে সমস্যা।
তারেক রহমান বিষয়ে আমি আশাবাদী। আমি তাঁকে নিয়ে একটা সনেট লিখছি। আপার ক্ষেত্রে চাই তিনি এখন রেস্টে থাকুন। ভারতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী মানুষ থাকে। আশা করি তাঁর সেথায় থাকায় কোন সমস্যা হবে না। ভারতবাসী তাঁকে ভালোবাসে। সেই ভালোবাসায় তিনি সিক্ত হয়ে থাকুন। একদল ছিল গুপ্ত এবং আরেক দল থাকুক সুপ্ত। জাতির সেবার জন্য জনাব তারেক রহমানের হাত নিসফিস করছিল। এখন তিনি প্রাণভরে জাতির সেবা করুন। ব্রুট মেজরিটিও পেয়ে গেছেন। তাহলে আর চিন্তা কি? তাঁদের এখন চাঙ্গা ভাব। আর একান্তই যদি আওয়ামী লীগ জেগে উঠে তবে এন্টি আওয়ামী ঐক্যের জন্য জনাব তারেক রহমান সচেতন আছেন। তাঁর সফিকুর এবং নাহিদের বাসায় গমন করা থেকে সেটা স্পষ্ট বুঝা যায়। এধারা চলতে থাকলে আশা করা যায় আওয়ামী লীগের বিশ্রাম বেশ লম্বা হবে। আওয়ামী লীগের যারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছে তারা এখনই আওয়ামী লীগ থেকে মানে মানে কেটে পড়েছে। তবে তারা বিএনপি হয়েছে। তাদের জামায়াত হওয়ার বিষয়টি তেমন সঠিক নয়। জামায়াতের ভোট বেড়েছে বিএনপিকে ঘরে ভরে। বিএনপির সেই গ্যাপ পুরণ করছে আওয়ামী লীগ। রাজনীতিতে এরকম হয়। এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নাই। এখনকার বিজয়ীরা বড় রকমের ভুল করলে আওয়ামী লীগ দ্রুতই ক্ষমতায় ফিরতে পারবে। তারপর তাদের চেতনায় মানুষকে অতিষ্ট করার কার্যক্রম শুরু হবে। এদেশের রাজনীতির কথা ভাবতে গেলে একরাশ ক্লান্তি এসে ঘিরে ধরে। আমার চাচায় কইছিল শালার শান্তি ভারত গিয়ে আমাদের জন্য চিন্তা রেখে গেছে। এখন চিন্তায় বাঁচি না। ঘটনা হলো এলাকার শান্তি রঞ্জন বাবু ইন্ডিয়া গিয়েছিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



