
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব বিরোধ যেন প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সবার সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এদিকে জামাত জোট ঘোষনা করেছে যে তারা সংসদকে কার্যকর করতে গঠনমূলক আলোচনা করবে এবং দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তারা সরকারকে সবধরনের সহযোগিতা করবে। লক্ষনীয় যে জামাত বলেনি যে হরতাল করে বিএনপিকে অচল করে দেওয়া হবে। আপনাদের কি মনে আছে ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকারের পতনের জন্য আম্লিগ ১৭৩ দিন হরতাল ডেকে দেশে ভয়াবহ অরাজকতা সৃষ্টি; কার্যকরভাবে দেশ অচল হয়ে পড়েছিল?

আরো ভালো সংবাদ হলো বিএনপি, জামাত ও এনসিপির সৌহার্দমূলক অবস্থা দেশের জন্য ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি। নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে জামায়াতের আমিরের বাসায় গেছেন সেখানে কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও সমসাময়িক বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় গেছেন।
ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম দুজনই তারেক রহমানকে ফুলেল সুভেচ্ছা জানান। এ যেন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মানের শুভলক্ষণ। রাজনীতি যত সুস্থধারায় ফিরবে তত আম্লিগের ফিরে আসার পথ ধূসর হয়ে উঠবে। এখন মানুষের একটাই চাওয়া আম্লিগের মত চোর, গুন্ডা, চাঁদাবাজ, ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, ব্যাংক ডাকাত ও বিদেশে টাকা পাচারকারীরা যেন আর ফিরতে না পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


