*** জামাত শিবিরের পচা মস্তিষ্কের কেউ এই পোষ্টে এসে ল্যাদাবেন না***
রাজনীতির ইতিহাসে কিছু পরাজয় থাকে তা কেবল নির্বাচনী ফলাফলের ভেতর সীমাবদ্ধ নয় সেগুলো হয়ে ওঠে নৈতিক রায়।
জামাতের সাম্প্রতিক নিশ্চিত ভূমিধ্বস পরাজয় ঠিক তেমনই । এটি কেবল সংখ্যার হিসেবে হার বা জিত নয়, এটি আপামর মানুষের স্পষ্ট সিদ্ধান্ত , কোন পথে তারা হাঁটতে চায়, আর কোন পথ কে তারা বর্জন করছে।
এই পরাজয় কিন্তু হঠাৎ করে আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে অসহিষ্ণু রাজনীতি, সংকীর্ণ মতাদর্শ, নারীর প্রতি অসম্মান, ধর্মের কুতসিত অপব্যবহার, মানবিকতার প্রশ্নে নীরবতা এবং অতীতের দায় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা । এইসব মিলিয়ে জনমনে জমেছিল গভীর ক্ষোভ ও অনাস্থা। সময়ের সঙ্গে মানুষ বদলায়, তাদের প্রত্যাশা বদলায়। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মানবাধিকার, নারীর মর্যাদা, সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা এসব প্রশ্নে যারা স্পষ্ট ও সাহসী অবস্থান নিতে পারে না, জনগণ শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাখ্যান করবে এটাই স্বাভাবিক।
ভোটের দিনে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেছে। মানুষ ভোট দিয়েছে ভবিষ্যতের পক্ষে যেখানে ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাস, আর রাষ্ট্র চলে মানবিকতা ও আইনের শাসনে। এই জায়গায় জামাতের রাজনীতি বারবার আটকে পড়েছে । দায় স্বীকারের বদলে তারা অজুহাত খুঁজেছে, আত্মসমালোচনার বদলে শ্লোগান তুলেছে, নারীকে পতিত বলে সম্মধন করেছে ।
এই নিশ্চিত ভূমিধস পরাজয় অন্যান্যদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। রাজনীতি যদি মানুষের জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে, যদি মানবিক বোধের সঙ্গে সংযোগ না রাখে, তবে সে রাজনীতি টিকে থাকে না। ইতিহাস কাউকে ছাড় দেয় না । সে ধীরে, নীরবে, কিন্তু নিশ্চিতভাবে তার রায় দেয়।
আজকের এই পরাজয় থেকে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ আছে। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতার হিসাব নয়; রাজনীতি মানে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ভুল স্বীকার করা, এবং সময়ের সঙ্গে বদলানো। যারা তা বুঝতে পারবে, তারাই আগামীর রাজনীতিতে জায়গা করে নেবে। বাকিরা ইতিহাসের পাতায় কেবল আবর্জনা হয়ে থাকবে।
মানুষই শেষ কথা বলে।
তা এই রায়ে স্পষ্ট ।
মানবিকতা, গণতন্ত্র ও সহাবস্থানের পক্ষেই জনতার অবস্থান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

