
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হাসিনা বিগত ৩টি নির্বাচন এমনভাবে করেছিল যে সেখানে কোন নাগরিককে ভোট দেওয়ার প্রয়োজন হতোনা। দিনের ভোট রাতে হয়েছে, আগের দিন হয়েছে অথবা তাহাজ্জোত পড়ে হয়েছে। এই আগের দিনের ভোটের মূলকুশীলব ছিল হুনুমান এইচ টি ইমাম। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হাসিনার রাতের ভোটের আগে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালের ভোট ভালো হয়েছিল তার মধ্যে বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের ১৯৯১ সালে ভোট ছিল এযাবৎ কালের সেরা।
কিন্তু ড. ইউনূস সেই সেরা ভোটকে পিছনে ফেলে ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সেরাদের সেরা করে ফেললেন। এই নির্বাচন ৩টি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
প্রথমত : ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এমন একটা নির্বাচন যেখানে কোন প্রকার হত্যাকান্ড ছাড়া সুষ্ঠূভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও কোন নির্বাচন কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করতে হয়নি। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ১টি বুলেট খরচ করতে হয়নি।
দ্বিতীয়ত : এই নির্বাচনের মাধ্যমে এটা প্রমানিত হয়েছে যে, আম্লিগ একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। আম্লিগ নেই তাই গুলি, হত্যা, অগ্নিকান্ড কিছুই নেই। আম্লিগ থাকলে গোলাগুলি হতো। ব্যালট ছিনতাই হতো। ভোটকেন্দ্র দখল হতো।
এসবই প্রমান করে আম্লিগ একটা সন্ত্রাসী সংগঠন; যে সংগঠনে ১জন ভালো লোক খুঁজে পাওয়া যাবেনা। আম্লিগে শুধুমাত্র চোর, ডাকাত, ধর্ষক, লুটপাটকারী, চাঁদাবাজ, ব্যাংক ডাকাত, বিদেশে টাকা পাচারকারী ছাড়া কোন ভালো মানুষ নেই। কেউ যদি আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে বের করতে পারেন তাকে বিশেষ পুরুস্কারে পুরস্কৃত করা হবে।
তৃতীয়ত : ১৩তম জাতীয় নির্বচনে আরো একটি বিষয় প্রমানিত হলো যদি প্রশাসন চায় তাহলে সঠিক ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা অসম্ভব নয় ইহা সম্ভব। আওয়ামী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়েই ড. ইউনূস সুন্দর নির্বাচন করে দেখিয়ে দিলেন যে ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
ধন্যবাদ ড. ইউনূস। আপনিই দেখিয়ে দিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


