| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি নানা কারনে জামাত অপছন্দ করি। কিন্তু, জামাতের আমির খুব লজিক্যাল কথা বলেছেন, তারেক রহমান নিজেই নির্বাচনের ক্যাম্পেইনে বলেছেন যেন সবাই গণভোটে 'হ্যাঁ' দেয়। তাহলে তাদের এই সংবিধান সংশোধন এর শপথ নিতে আপাত্তি থাকার কথা না। আশা করি তারা যে তাদের পছন্দমতো অথোরিটির কাছে এই শপথ নিবেন। এবং দ্রুতই নিবেন।
২|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
এটা ইন্টেরিম সরকারে ব্যর্থতা।
তাঁরা শপথ 'নিবেন' না 'নিবেন না' - এই সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করার অপশন ও অথরিটি উনাদের দেওয়া হলো কেন?
৩|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
নতুন সরকারকে এই অপশন দেওয়া উচিৎ হয় নাই।
৪|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৯
নিমো বলেছেন: যে জামায়াতের আমীর নিজেই জুলাই সনদের উল্লেখিত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দিতে হবে মানে নাই, তার কথা লজিক্যাল! ![]()
আবার ছ্যাঁচড়া পার্টি জুলাই সনদে সাক্ষর না করে কক্সবাজারে পার্টি করে নির্বাচনের সময় হ্যাঁ ভোটের পক্ষে গান গেয়েছে, এমনকি তারাও ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী দেয় নি। এসব দ্বিচারিতা আপনার চোখে পড়লো না কেন? সব দোষ তারেক রহমানের-বয়ানে সৈয়দ কুতুব। ![]()
৫|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩২
খায়রুল আহসান বলেছেন: সূচরিতা সেন বলেছেন: "আমি কেন জানি চারোদিকে এই জুলাই সনদ নিয়ে একটা ঝামেলা দেখছি" - আমিও দেখছি।
আমার কাছে বরং জনাব সালাহ উদ্দিনের বক্তব্যটাকেই লজিকাল মনে হয়েছে। তিনি সংবিধানের ধারা ইত্যাদি উল্লেখ করে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন কেন তারা এ অবস্থায় শপথের সেই ফরমটিতে স্বাক্ষর করতে পারছেন না। তিনি বলেন নাই যে তারা ফরমটি স্বাক্ষর করবেন না, বলেছেন শপথবাক্যের কথাগুলো জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাস হবার পরেই কেবল তা স্বাক্ষর করার প্রশ্ন আসবে। তবে এটা যে শুধু কথার কথাও হতে পারে, সে সম্ভাবনাও প্রবল এবং এ কথার মাঝে ভবিষ্যতের অনেক "ঝামেলা"র বীজও সুপ্ত থাকতে পারে, এটা সবাই সহজেই অনুমান করতে পারে।
৬|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৮
ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ধন্যবাদ খায়রুল আহসান স্যার। আপনি আমার বক্তব্যটাই তুলে ধরেছেন বলে মনে হলো। ব্যক্তিগতভাবে আমি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক নই, তবে যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত মনে হলে যে কোন দলের যে কোন ধারনাকে সমর্থন করতেও আমার দ্বিধা নেই। মূল লক্ষ্য হলো আইনের শাসন, বাস্তবায়ন ও সর্বপোরি দেশের কল্যান।
জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংশোধন ও পরিবর্তন সময়ের দাবী। আন্দোলনের পর বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করা হয় নি। তাই বিদ্যমান সংবিধানকে পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সংবিধানের যে প্রচলিত ধারাগুলো প্রয়োগযোগ্য সেগুলোর বাস্তবায়ন জরুরী। সাংবিধানিক সংস্কার হতে হয় সংসদ থেকে, যেখানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ আইন প্রণয়ন কিংবা সংশোধন করবেন। আলোচনার মাধ্যমে কোন বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌছানো গেলেও তার আইনানুগ বাস্তবায়ন সংসদ থেকেই আসা উচিত এবং তা নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে আমার মনে হয়। তবে, কোন কারনে এ নিয়ে কোন রাজনৈতিক দল সংসদে গিয়ে গড়িমসি করলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সংঙ্কট তৈরী হওয়ার অবকাশ রয়েছে। বিশেষ করে কিছু কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি বিদ্যমান সনদ থেকে বিয়োজন করা হয়। ধন্যবাদ।
৭|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩০
রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা ভোট, না ভোট এগুলো আসলে জামাতের চালাকি। হ্যা না তে সুবিধা হবে শুধু মাত্র জামাতের। কাজেই এই বিষয় বাদ দেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৫
সূচরিতা সেন বলেছেন: আমি কেন জানি চারোদিকে এই জুলাই সনদ নিয়ে একটা ঝামেলা দেখছি।