নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৯



কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি সংবিধানের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই বেশি হয়। ফলে যিনিই রাষ্ট্রপতি হন না কেন, সবাই তাঁকে সমানভাবে গ্রহণ করবেন- এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।

তবুও এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, ব্যক্তিগত সততা, শালীনতা, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক আচরণ দলীয় সীমানা ছাড়িয়ে সম্মান অর্জন করেছে। আমার ব্যক্তিগত বিবেচনায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের অন্যতম।

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন সময়ে তিনি দৃঢ় থেকেছেন, আবার একই সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংলাপের সংস্কৃতি এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। রাজপথে কর্মীদের পাশে যেমন ছিলেন, তেমনি জাতীয় সংকটেও সংযত ও পরিমিত ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এ কারণেই অনেকের কাছে তিনি কেবল একটি দলের মহাসচিব নন, বরং জাতীয় রাজনীতির একজন পরিণত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশকে অনেক কিছু দিয়েছেন- এবার বাংলাদেশের মানুষের উচিৎ তাকে সম্মানিত করে নিজেদের সম্মানিত করা।

রাষ্ট্রপতি কোনো দলের নন; তিনি পুরো প্রজাতন্ত্রের। তাই এ পদে এমন একজন মানুষ প্রয়োজন, যাঁর সততা, প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং সাংবিধানিক দায়িত্ববোধ নিয়ে মানুষের আস্থা তৈরি হয়। যখন নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের প্রশ্ন আসবে, তাহলে যেন এমন একজন ব্যক্তির কথাই ভাবা উচিত, যিনি সাংবিধানিক দায়িত্বের মর্যাদা রক্ষা করবেন, রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাষ্ট্রপতি হওয়ার মানসিকতা ধারণ করবেন এবং জাতীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে অবিচল থাকবেন।

রাষ্ট্রপতির পদ কোনো রাজনৈতিক পুরস্কার নয়; এটি জাতির আস্থার প্রতীক। আমার বিশ্বাস, Mirza Fakhrul Islam Alamgir সেই ধরনের ব্যক্তিত্বদের একজন, যিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলে পদটির মর্যাদা আরও সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৫১

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: পড়লাম

২| ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিবেচনায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁদের অন্যতম।
...........................................................................................
এক কথায় তারই প্রাপ্য , কিন্ত তা হবার নয় !
এরপর সম্ভবত স্পীকারের যোগ্যতা বেশী তবে মোশাররফ সাহেবের
সম্ভাবনা আছে ।

২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: রাষ্ট্রপতি পদের জন্য অবশ্যই স্পীকার যোগ্যতম ব্যক্তি।

৩| ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩

বিষাদ সময় বলেছেন: এর আগে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ এবং বদরুদ্দোজা চৌধুরী দের মতো সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপতি করা হয়েছিলো কিন্তু দল বা রাষ্ট্রপতি কারো জন্য‌ই বিষয়টা সুখকর হয়নি। এরপর থেকে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলের এবং সরকারের আজ্ঞাবহ এবং দুর্বল মেরুদণ্ড এর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩

জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের দেশে 'সার্বজনীন' কেউ হয় না- তবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য হন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে অধিকতর গ্রহণযোগ্য রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন আহমেদ। স্বাভাবিক অবস্থায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা স্রেফ আলংকারিক হলেও সব সরকারই ইয়েস স্যার টাইপের ব্যক্তিত্বের লোককেই রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।

৪| ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইয়েস স্যার টাইপের ব্যক্তিত্বের লোককেই রাষ্ট্রপতি
নিয়োগ করেন- যা অত্যন্ত হতাশাজনক।

.....................................................................
এবারও তাই হতে যাচ্ছে,
জোরকদমে শোনা যাচ্ছে, জনাব নাসিমুল গনির নাম
যিনি বিএনপির একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.