| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময় ধরে ইয়াং কোষগুলি নানা ধরনের ঝড়/ঝন্জা, পলিউশন, ক্যামিক্যাল এটাক, রোগ, ভাইরাস/ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রমন এর ফলে তার কোষের ডিএনএ পরিবর্তিত (মিউটেশন) হয়ে নানা রোগ শোকে শরীরকে কাবু করে ফেলে। প্রবলেম টা এত বছর ধরে লক্ষ লক্ষ মিউটেশন জমা হয়েছে কিন্তু কোন মিউটেশন এর জন্য আপনার ক্যান্সার হচ্ছে ৬০ বছর বয়সে সেটা জানতে হলে আপনাকে আপনার বিশ বছর বয়সের কোষের ডিএনএ (যেখানে সেই মিউটেশন নাই ) তার সাথে ক্যান্সার টিউমার এর ডিএনএ তুলনা করতে হবে। যখন জানতে পারবেন যে কোন মিউটেশন টিউমারে আছে কিন্তু ২০ বছর বয়সে নাই, তখনই সম্ভব হবে এ আই এর দ্বারা পারসোনাল ভ্যাকসিন ডিজাইন / CRISPR based CART দিয়ে সেই মিউটেশন কে আবার ২০ বছর আগের ফর্মে ফিরিয়ে নেওয়া। আর ২০-৩০ বছর পর এআই আরো কি সলিউশন দিতে পারে তা এখনও কল্পনারও বাইরে কিন্তু বাংলাদেশ বংশদ্ভুত ড: সাবিহা সাকলাইন সেটা বুঝতে পেরেই গতকাল নতুন কোম্পানী আরম্ভ করেছে আমেরিকাতে। উনার কোম্পানী শুধু আপনার ইয়াং বয়সের ইমিউন কোষ (টি সেল, এনকে কিলার সেল) কে আপনার নামে সংরক্ষন করবে তা আপনার যদি ২০ বা ৩০ বছর পর ক্যান্সার বা অন্য রোগ হয় (মিউটেশন দ্বারা), তা এআই দিয়ে কিউর করার একটা উপায় হবে। এই সাধারন কনসে্পট টা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে অনলাইনে ..ফোর্বস থেকে আরম্ভ করে NYT সবাই তার খবর ছাপাতে ব্যস্ত। নামী ভেন্চার ক্যাপিটালিস্টরা উনার কোম্পানীতে ইনভেস্ট করার জন্য লাইন দিয়ে বসে আছে। ইতিমধ্যে ১২০ মিলিয়ন ডলার ফান্ড পেয়েছে... তারা এমন ভাবে সংরক্ষন করবে (যাতে অন্যরা কপি করতে না পারে) ভবিষ্যতে দরকার হলে ইয়াং কোষগুলিকে ল্যাবে কৃত্রিমভাবে কয়েক লক্ষগুন বাড়িয়ে, বুড়িয়ে যাওয়া ইমিউন কোষ কে প্রতিস্হাপন ব্যবহার করার ও একটা উপায় থাকবে। ২০-৩০ বছর পরে এআই হয়ত এমন প্রযুক্তি আবিস্কারে সাহায্য করবে এই সংরক্ষিত কোষ গুলি হয়ত আপনার জীয়ন কাঠি হিসাবে কাজে লাগতে পারে।আপনি হয়ত ২০ বছর বয়সে আপনার কোষের ডিএনএ কে সিকোয়েন্ষ করে রাখতে পারেন (খরচ $৩০০-৫০০) কিন্তু ৬০ বছর বয়সে ২০ বছর এর জীবন্ত কোষের উপকারিতা যে কি হবে সেটা এআই এর বিজ্ঞান ভিত্তিক অগ্রযাত্রা দেখে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়।
আপনার থেকে ব্লাড ড্র করে, প্রসেস করতে তারা চার্জ করছে এককালীন $৫,০০০ তারপর প্রতি মাসে $২৭০। তারপর এই ১ দিনেই এমন সাড়া পড়েছে যে, তাদের কাছে কোষ জমা দেওয়ার জন্য এখন বিরাট লম্বা ওয়েট লিস্টে থাকতে হবে। আমি আমার ছেলে-মেয়ে দুজনকেই অতিস্বত্তর তাদের ব্লাড জমা দেওয়ার জন্য বলেছি, তারা বলছে যে ওয়েট লিস্ট!!!!!!
আপনি এআই কে জিজ্ঞেস করতে পারেন কিভাবে নিজে বা আপনার ছোট ছেলে মেয়েদের কোষ কে লম্বা সময় ধরে সংরক্ষন করতে পারেন। আমরা ল্যাবে লিকুইড নাইট্রোজেন এর মাঝে ~মাইনাস ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস দীর্ঘ সময় ধরে কোষ সংরক্ষন করি।
নাবিহা বাংলাদেশি পিতামাতার সন্তান। সৌদি আরবে জন্ম, শৈশবের কিছু সময় বাংলাদেশে, তারপর জার্মানি ও শ্রীলঙ্কায় বেড়ে ওঠা। তার মা ফেরদৌসী বানু একজন শিক্ষক ও বাঙালি সংগীতশিল্পী। নাবিহা নিজেও ছোটবেলা থেকে বাঙালি সঙ্গীত, হারমোনিয়াম ও তবলার পরিবেশে বড় হয়েছেন। এই বহুসাংস্কৃতিক পরিবেশই তাকে “নতুন জায়গায় স্বাচ্ছন্দ্য” এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের সংযোগস্থলে কাজ করার ক্ষমতা দিয়েছে—যা তিনি নিজেই স্বীকার করেন। অন্তত ধর্মীয় রিজিড পরিবেশ থেকে যেখানে গান-বাজনা কে হারাম বলে অভিহিত করে, সেখানেই তিনি মুক্ত থেকেই তিনি বড় হয়েছেন......
তিনি এমোরি ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক, হার্ভার্ড থেকে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি (HHMI International Fellow)। তার গবেষণা ছিল লেজার ও ন্যানোফোটোনিক্স দিয়ে সেল এডিটিং। ২০১৭ সালে সহপাঠী মারিনা মাদ্রিদের সাথে Cellino গড়েন। ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০, MIT Tech Review-এর ইনোভেটরস আন্ডার ৩৫, টেড স্পিকার—সবই তার নামের সাথে যুক্ত। দাদি ডায়াবেটিসে মারা যাওয়ার ঘটনা তাকে পদার্থবিজ্ঞানকে “দূরের নক্ষত্র” থেকে “মানবদেহ” নিরাময়ের দিকে নিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে কেন সম্ভব হলো, বাংলাদেশে কেন নয়???
এখানেই মূল প্রশ্ন। বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী আছে। অনেকেরই গণিত, পদার্থবিজ্ঞান বা জীববিজ্ঞানে ভালো ফল। কিন্তু এমন একটা আইডিয়া—ইমিউন সেল ব্যাংকিং করে ভবিষ্যতের জন্য অপশন তৈরি করা, সেটাকে ভেঞ্চার ফান্ডেড কোম্পানিতে রূপান্তর করা, ফোর্বসে কভারেজ পাওয়া—কেউ ভাবতেও পারে না। কেন? বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলি এখন চিন্তায় বিভোর কিভাবে মন্দির এর পাশে গরু জবাই দিয়ে ভুড়িভোজ করবে...।উপচে পড়া ভিড়..। হিজাব পড়লে ও মেয়েদের চুল দেখা যায় কিনা তা নিয়ে যতটুকু চিন্তিত জামাত/শিবির, তা দেখে মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, এটা হল ধর্মভিত্তিক প্রতিস্ঠান। মৌলবাদী পরিবেশ থেকে আর যাই হোক মুক্তচিন্তা আশা করা যায় না। আমি নিজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান এর শিক্ষক হিসাবে বাংলাদেশের কয়েকটা বিজ্ঞান ভিত্তিক সংগঠন এর সাথে জড়িত ছিলাম...এই মৌলবাদী পরিবেশ দেখে স্বজ্ঞানে সব গুলি থেকে পদত্যাগ করেছি (শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক).....কয়েকবার অনুরোধ পেয়েছি (বিশেষ করে সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষনা প্রবন্ধ নিয়ে) ইন্টারভি্উ/লেকচার দেওয়ার...বহুত দিয়েছি কিন্তু এখন স্বজ্ঞানে এড়িয়ে যাই....। খুদ্র ক্ষমতার প্রতিবাদ...
উনার কোম্পানীর ওয়েব সাইট
Nabiha Saklayen's company
লিখা টি মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব কে উৎসর্গ (বানান পারি না) করলাম...উনার বুঝা উচিত আসল এআই এর ব্যবহার। উনার কাছে মনে হয় ব্লগে সামান্য কমেন্ট কে এআই দিয়ে লিখানো ই বিরাট প্রযুক্তি।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৬
কলাবাগান১ বলেছেন: ভেরি গুড যে এমন একজন গুনি মানুষের চাচা আপনি....মুক্ত চিন্তা ই পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যাবে...
২|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ বংশদ্ভুত ড: সাবিহা সাকলাইন সেটা বুঝতে
পেরেই গতকাল নতুন কোম্পানী আরম্ভ করেছে আমেরিকাতে।
..........................................................................
আমরা এই সুবি ধা কবে নাগাদ পে তে পারি ???
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৮
কলাবাগান১ বলেছেন: মাত্র গতকাল থেকে কোম্পানীর সার্ভিস শুরু হয়েছে....নাবিহা বাংলাদেশে হয়ত যেতে চাইবে জন্মভুমি হিসাবে কিন্তু বাংলাদেশে বিদেশী বিজনেস এর আমলা তান্তিক জঠিলতা এক বিরাট সমস্যা
৩|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪২
খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। +
পোস্টের মূল তথ্যটি (এ/আই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেল এডিটিং) আগামীতে আরও অনেক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে আশা করি।
দিনটা শুরু হলো একটি সুসংবাদ দিয়ে। এতে degenerative diseases এর রোগীরা হয়তো আশার আলো দেখতে পাবেন।
নাবিহা সাকলায়েন কে অভিনন্দন! এমন একজন বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর চাচা হবার জন্য মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন কেও অভিনন্দন।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৯
কলাবাগান১ বলেছেন: ডিএনএ মিউটেশন ভিত্তিক সকল রোগকেই এড্রেস করা যাবে....।
৪|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৮
খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টের শিরোনাম দেখে তার নামটা লিখেছি নাবিহা সাকলায়েন। কিন্তু নিচে এসে তার ওয়েবসাইট ঠিকানায় দেখি তার নাম সাবিহা সাকলায়েন। সম্ভবতঃ পরেরটাই সঠিক। সেটা হলে শিরোনামে উল্লেখিত তার নামটা সম্পাদনা করে নেবেন।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০২
কলাবাগান১ বলেছেন: উনার নাম আমি প্রথমে সাবিহা হিসাবেই লিখেছিলাম কিন্তু টুইটারে উনি নিজেই নাম লিখেছেন নাবিহা হিসাবে।

৫|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫১
জুল ভার্ন বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন!
ডক্টর নাবিহা সাকলায়েন কে অভিনন্দন!
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:০৮
কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ....
"Nayan samukhey tumi nai, nayaner majkhane niyecho je tai" (You are not in front of my eyes, that is why you have taken possession of my eyes within)
এমন গভীর উপলব্ধির কবিকে বাংলাদেশ কি দিয়ে রিপ্লেস করতে চায়!!!! বড়ই অভাগা সময়
৬|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৩০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
একটি মুল্যবান গবেষনা ও প্রযুক্তি বিকাশমুলক কর্মের সুসংবাদ শেয়ার করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
বেশ মুল্যবান তথ্যের সন্নিবেশ দেখা গেল পোস্টটিতে । এই পোস্টে শেষের দিকে আপনার দেয়া লিংকটি ফলো করে
Cellino Bio-এর ওয়েবসাইট এ তাদের বিনিয়োগসংক্রান্ত ঘোষণা, সরকারি গবেষণা-অর্থায়ন, প্রযুক্তিগত তথ্য এবং
হাসপাতালের সঙ্গে সহযোগিতার ঘোষণাগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায় কোম্পানিটির বাস্তব কার্যক্রমের বেশ
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্ভার রয়েছে।
২০২২ সালে Bayer-এর বিনিয়োগ শাখা Leaps by Bayer-এর নেতৃত্বে কোম্পানিটি ৮০ মিলিয়ন ডলারের
Series A অর্থায়ন পায়। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি গবেষণা সংস্থা ARPA-H তাদের NEBULA
প্রকল্পের জন্য পাঁচ বছরে সর্বোচ্চ ২৫ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দেয়। এ ছাড়া কোষ উৎপাদন প্রযুক্তি
সংশ্লিষ্ট পেটেন্ট এবং Massachusetts General Hospital-এর সঙ্গে গবেষণাকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণাও রয়েছে।
নি:সন্দেহে এটা এই অল্প সময়ে তাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য ।
দেখা গেলো কোম্পানিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), লেজার প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনব্যবস্থা ব্যবহার করে স্টেম সেল
উৎপাদনকে আরও নির্ভুল, নিয়ন্ত্রিত ও বৃহৎ পরিসরে কার্যকর করার জন্য এগিয়ে চলছে যাতে ভবিষ্যতে রোগীর
নিজস্ব কোষ থেকে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার উপযোগী কোষ তৈরি করা সম্ভব হয়।
তবে মনে হল এখানো তাদের সামনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া, সরকারি অনুদান অর্জন
বা পেটেন্ট থাকার পরেও প্রযুক্তিটি চিকিৎসাক্ষেত্রে সফল প্রমাণিত হয়েছে মর্মে দাবী করার জন্য এখনো তাদেরকে
অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে । কোম্পানিটির নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি কোষের নিরাপত্তা, কার্যকারিতা,
উৎপাদনের পুনরাবৃত্তিযোগ্যতা এবং রোগীদের চিকিৎসায় বাস্তব সাফল্যের বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ
ক্লিনিক্যাল প্রমাণ তাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে ঘোষিত গবেষণাকেন্দ্র বর্তমানে কতটা কার্যকরভাবে
চলছে, সেটিও সকলকে জানালে ভাল হয়।
একটি বাস্তব বায়োটেকনোলজি গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুসংগঠিত
ভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য Cellino Bio এর প্রতি রইল ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন । 
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৪০
কলাবাগান১ বলেছেন: নাবিহার মত মেয়েরা আমেরিকার লিবারেল সোসাইটির পরিবেশে এমন যুগান্তরী কাজ করছে আর নাবিহার বয়সী মেয়েকে দেখলাম রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালো কালি মাখাচ্ছে....তফাৎ টা আকাশ আর পাতাল........ দুজনেই বাংলাদেশের মেয়ে
৭|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মৌলবাদী সংস্কৃ্তির কারনে পারছে না আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা এটা শুধু একটা অংশ । যে সরকার ক্ষমতায় আসুক তারা শিক্ষা , গবেষণা এসব বিষয়ে খুবই কম অর্থ বরাদ্দ দেয় । বাংলাদেশের পরিবেশ কোনোকালেই গবেষক তৈরির উপযোগী ছিলো না । সাবিহা সাকলায়েন কে অভিনন্দন ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮
কলাবাগান১ বলেছেন: এটাও একটা সত্যি কথা। যা বরাদ্দ দেয় বিজ্ঞান এর কাজে, তার ৮৫-৯০% চলে যায় বেতন, তাহলে গবেষনা হবে কিভাবে। আর মৌলবাদিরা ব্যস্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের জন্য আলাদা জিমনিসিয়াম বানাতে ...প্রায়োরিটি কোথায় তা বুঝা যায়..।অপেক্ষা করুন কয়দিন পরে ক্লাসে ছেলে -মেয়েদের পৃথক করে মাঝখানে পর্দা টানানো হবে....।
৮|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮
মুনতাসির বলেছেন: নাবিহার মত মেয়েরা আমেরিকার লিবারেল সোসাইটির পরিবেশে এমন যুগান্তরী কাজ করছে আর নাবিহার বয়সী মেয়েকে দেখলাম রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালো কালি মাখাচ্ছে....তফাৎ টা আকাশ আর পাতাল........ দুজনেই বাংলাদেশের মেয়ে
___
তফাৎ আরও হলো কোন জায়গার মানুষ কোন বিষকে কেমন গুরুত্ব দেয়। জায়গা একটা ফ্যাক্টর হতে পারে। চেতনার বহ্নিশিখার তেজ সবখানে হয়তো সমান ভাবে উত্তাপ দেয় না।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০১
কলাবাগান১ বলেছেন: আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষের কাছে ধর্ম হল বিজ্ঞান এর উপর....আর আমেরিকা তে দেখুন আইন করে ধর্ম আর রাস্ট্রকে আলাদা করা হয়েছে। অবশ্য আপনার কাছে এসব কথার কোন দাম নাই আপনারা চেতনা বলতে কি বুঝান সেটা ভালভাবেই বুঝি
৯|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪০
রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৯
কলাবাগান১ বলেছেন: কোর্টের হাতা ঘুটায়ে রাখলে নিজেকে ড্যাশিং হিরোর মত লাগে, তা এআই কে শিখালেন কিভাবে!!!!!!!
১০|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার এই পোস্টটা পড়ে, আপনার আগের বিজ্ঞান বিষয়ক পোস্টগুলো পড়ার আনন্দ পেলাম।
নতুন একটা বিষয় জানা হল। নাবিহা সাকলায়েনকে অভিনন্দন!
১১|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬
শায়মা বলেছেন: বাপরে!!!
আমাদের নাতিপুতিদের আর চিন্তা নেই!!! নো টেনশন ফর অসুখ বিসুখ!!!
তবে মানুষ কি আর মৃত্যুঞ্জয়ী হতে পারবে!!!
সেটা হতে গেলেই ঘাড়ে আকাশ ভেঙ্গে পড়বে। কেয়ামত হবে!!! মানে ততদিন পৃথিবী থাকবে না এমনই শুনেছি আমি!!
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার ভাতিজি।
কলম্বোতে আমিও ছিলাম সেই সময়ে।