নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বহুদিন আগে কোন এক বারান্দায় শেষ বিকেলের আলোয় আলোকিত উড়ন্ত খোলা চুলের এক তীক্ষ্ণ হৃদয়হরনকারী দৃষ্টি সম্পন্ন তরুনীকে দেখে ভেবেছিলাম, আমি যাদুকর হব। মানুষ বশীকরণের যাদু শিখে, তাকে বশ করে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিব সারাটি জীবন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা

একদিন সব হাসির ময়নাতদন্ত হবে, ফরেনসিক রিপোর্টে লেখা থাকবে - সবই মিথ্যে।

কাল্পনিক_ভালোবাসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি একজন সাধারন মানুষ, পরিচয় দেয়ার মত কিছু নেই।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:২৭

আমার বিভিন্ন পোস্টে প্রাপ্ত অনেক মন্তব্যের জবাব এখনও না দিতে পারার কারনে প্রথমেই সহব্লগারদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। মন্তব্যের জবাব না দেয়াটা ব্লগীয় কালচারে খুব একটা শোভনীয় নয়। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব আমার সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতে প্রাপ্ত বিভিন্ন মন্তব্যের জবাব পর্যায় ক্রমে দেয়ার জন্য। আশাকরি, সকলে আমার এই অপারগতাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আমি গতকাল ফেসবুকে একটি লেখা প্রকাশ করেছিলাম। আমার এক ফেসবুকার বন্ধু ম্যাসেঞ্জারে নক দিয়ে জানতে চাইলেন, ফেসবুকের বিভিন্ন ইস্যুতে আমি নিরব কেন? আমি কেন আমার মতামত ব্যক্ত করতে পারছি না।

আমি অত্যন্ত অবাক হয়ে বললাম, দুনিয়ার হাজারো জ্ঞানী ও বিদ্যান মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের গুরুত্বপূর্ন পর্যবেক্ষন তুলে ধরছেন, সেই হিসাবে আমি বালস্য বাল হরিদাস পাল আর আপনি কি না আমাকে জিজ্ঞেস করছেন - আমার মতামত কই? আপনাকে তো ভাই নির্বোধ ভাবতে মন চাইছে না।

তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন, আরে ভাই, বন্ধু বা পরিচিত হিসাবে আপনার মতামতগুলো জানতে চাইছিলাম আর কি।
তাঁকে বললাম, দেখুন, আমি নিজে ব্যক্তি জীবনে এখন পর্যন্ত তেমন শক্ত নৈতিকতা অর্জন করতে পেরেছি বলে মনে হয় না। আমার এখনও প্রতিনিয়ত ভুল হয়, সত্যের সাথে মিথ্যে মিলাতে হয়, কথার বরখেলাপ হয় ইত্যাদি হাজারো দোষে দোষী। শুধু মাত্র আমার দ্বারা কারো কোন ক্ষতি হবে না - শ্রেফ এই বিশ্বাসটুকু আছে বিধায় হয়ত মাঝে মাঝে নিঃশ্বাস ফেলি ও মাঝে মাঝে নীতি নৈতিকতার গল্প শোনাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই ধরনের চারিত্রিক ত্রুটি নিয়ে ফেসবুকে নীতি নৈতিকতার কথা বলা কিংবা নীতি নৈতিকতার বরপুত্রে পরিনত হওয়া এক ধরনের প্রতারনার সামিল।

নিজে যেটা না, সেটা হতে চাওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। কিন্তু নিজে যা হতে পারি নি, সেটা হয়েছি বলে প্রচার করাটা দোষের ও প্রতারনার। ইদানিং ফেসবুকে নীতি নৈতিকতা নিয়ে লিখতে গেলে মনে হয়, ভাইরে নিজের সাথেই প্রতারনা করছি। তাই বিভিন্ন বিষয়ে চুপ আছি। চেষ্টা করছি অন্যের চোখে নিজেকে দেখে সংশোধন করার।

যাইহোক, সত্যি বলতে ফেসবুকে সিরিয়াস কোন বিষয়ে লেখা কিছুটা অর্থহীন। যার যে বিষয়ে জ্ঞান আছে, তিনি যত খানি না বুঝেন তার চেয়ে বেশি বুঝেন যার ঐ বিষয়ে কোন জ্ঞান নেই তিনি। ফেসবুক আপনাকে খুব দ্রুত জনপ্রিয় বানাবে আবার খুব দ্রুত ছুড়েও ফেলবে অর্থাৎ মানুষের জাজমেন্টাল সেন্স এখানে খুবই বিপদজনক অবস্থানে থাকে। একচুল এদিক সেদিক হলে আপনি ভিলেন থেকে হিরো আবার হিরো থেকে ভিলেন। তবে ফেসবুকে আপনি দেখতে পারবেন - বাংলাদেশের প্রকৃত অবস্থা। দেখবেন এক ধরনের সাইকো, পার্ভাট বা বিকৃত মানসিকতার লোক বিভিন্ন নাটক, সিনেমা, অর্ধনগ্ন নায়িকার ছবির নিচে লিখে বেড়াচ্ছে - কে কে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ো, হাত তুলো, কে কে মোহাম্মদ সাঃ কে ভালোবাসো, লাইক দিয়ে জানিয়ে যাও। পাকিস্থানের জাতীয় পশু নামক এই প্রানীগুলো, 'বাংলাদেশের তৌহিদি জনগন' নামক এক আজগুবি পরিচয় নিয়ে ফেসবুকে সারাদিন ঘাস খুঁজে বেড়ায়। এরা যারে তারে নাস্তিক বানায়, কাফের বানায় এবং সরকারী কোন নেতা বা সাংবাদিক বা কোন অভিনেতা অভিনেত্রী মারা গেলেই এরা ম্যা ম্যা শুরু করে গালাগালি শুরু করে। এদের ভাবখানা এমন যেন, আল্লাহপাক এদের সাথে আলোচনা করে কাউকে জান্নাত বা জাহান্নামের ফয়সালা করবেন, (নাউজুবিল্লাহ)। প্রায় একই ধরনের বিকৃত মানসিকতাকে পুঁজি করে একটা শ্রেনী মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ফেরী করার চেষ্টা করেছিলো। পর্ণগ্রাফিকে কাজে লাগিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিক্রি করার কি জঘন্য অপচেষ্টা। এই বিষয়ে বিস্তারিত বলার রুচিও নেই। আমি বিশ্বাস করি, এইদুটো শ্রেনীই মানসিকভাবে অসুস্থ এবং প্রায় একই শ্রেনী।

যাইহোক, গত কয়েকদিনে বেশ কিছু ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আমি আমার নিজস্ব অবস্থান থেকে ব্যাপারগুলোকে যেভাবে দেখছি, তা অল্প কথায় আপনারদের সাথেও শেয়ার করতে চাই।

সম্প্রতি চট্রগ্রামে পাঁচজন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমাদের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ঐতিহ্য বজায় রেখে কুরুচিপূর্ন অযৌক্তিক বাকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। এই ক্ষেত্রে আমার মতামতটি খুবই স্পষ্ট। সারের জন্য যদি কৃষকদের উপর গুলি চালানো জায়েজ হয়, তাহলে বেতনের দাবিতে শ্রমিকের উপরও গুলি চালানো জায়েজ। সারের দাবিতে যদি কৃষকের উপর গুলি চালানো অন্যায় হয়, তাহলে বেতনের দাবিতে শ্রমিকের উপরও গুলি চালানো অন্যায়।

তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, প্রতিবাদের মিছিলে যে রাষ্ট্র গুলি চালায় - সেই রাষ্ট্র ফ্যাসিস্ট। সেই রাষ্ট্র সাধারন জনগনের নয়।


রকমারী নামক একটি বই বিক্রির ওয়েবসাইটে ধর্মীয় লেখকদের লেখা বই বেশি বিক্রি হওয়াতে আমাদের প্রগতিশীল সমাজের অনেকেই ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। তাদের গাত্রদাহের পেছনে কোন যৌক্তিক কারন নেই। মুল কারনটি ঈর্ষা জনিত। কেন ইসলামিক লেখকদের বেশি বিক্রি হচ্ছে। অথচ বাজারে যদি সত্যিকারভাবে ইসলামিক আলেমদের লেখা বই বাজারে বিক্রি হতো তাহলে আমি খুশি হতাম। এই দেশের ধর্মান্ধ মানুষ ইসলামের উদারতা এবং আধুনিকতা সম্পর্কে জানতে পারতো।

কিন্তু যাদের বই বাজারে বিক্রি হয়েছে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ আছে, দ্বিধা আছে। কিন্তু আপনি আমি কিচ্ছু করতে পারব না। আপনার আমার ক্ষুদ্ধ হওয়াতেও কিচ্ছু আসবে যাবে না। বর্তমানে এটাই বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র। গত কয়েক বছরে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর উপর যে অন্যায়ভাবে দমন পীড়ন চালানো হয়েছে, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ধর্মকে যেভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে, সেটার বাই প্রোডাক্ট হচ্ছে এই সকল জামাতি শক্তির উত্থান। দয়া করে ইসলামিক শক্তি উত্থান আর জামাতি শক্তির উত্থানকে এক দৃষ্টিতে দেখবেন না।

আজকের এক মিজানুর রহমান আজাহারী ব্যক্তি শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার চাইতে হাজারোগুন শক্তিশালি। আপনার মানতে কষ্ট হলেও, এটা বাস্তব। আপনার বাসার দারোয়ান, ড্রাইভার, কাজের বুয়া ইত্যাদির কাছে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার চাইতে এই ভদ্রলোক বহুগুন শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর ১০টি ওয়াজের মধ্যে ৯ টিই ওয়াজ ইসলামের বিভিন্ন নিয়ম নীতি সম্পর্কে বলা। বাকি একটি ওয়াজের মধ্যে সুক্ষভাবে মায়া কান্না কাদা হয় সাঈদী সাহেবের জন্য, বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধীদের জন্য। আমি আগে বুঝতে পারতাম না কেন আমাদের দেশের তথাকথিত আলেমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামি বা তৎকালিন ইসলামি নেতাদের অন্যায় আচরনকে স্বীকার করতে চান না বা তাদেরকে বিশ্বাসঘাতক, বেঈমান ভাবতে নারাজ। কিন্তু এক মামুনুল হক কান্ডে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে। ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে সকল তথ্য প্রমান থাকা স্বত্তেও আমাদের দেশের বহু মানুষ, আলেম, এমন কি অনেক ব্লগার এখনও বিশ্বাস করেন না যে তিনি অপরাধ করেছেন। অধিকাংশ যুক্তি হয় 'আমরা ভালো জানি না, আল্লাহ ভালো জানেন, না জেনে কারো সম্পর্কে কিছু বলা ঠিক না। তিনি অপরাধ করলে আল্লাহ শাস্তি দিবেন বা এইগুলো এডিটিং করা সহ ইত্যাদি আরো বহু নিকৃষ্ট টাইপের। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন ১৯৭১ সালে প্রযুক্তি এত ভালো ছিলো না, নইলে ১৯৭১ এ মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য অভিযুক্তদের ব্যাপারেও বলা হতো, এই সব কিছু ফটোশপ করা, এডিটিং করা।

কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, এই দেশের জনগনের ভোটের অধিকার নেই, নাগরিক হিসাবে সুরক্ষা দিতে রাষ্ট্র ব্যর্থ, নিপীড়িত জনগন তাদের পাশে রাষ্ট্রকে পায় না, পায় আজাহারী সাহেবদের। বাজারের খাঁটি দুধ নাই, ফলে কেউ যদি এক বালতি দুধের মাঝে এক ফোঁটা প্রস্রাবও মেশায় - জনগন এটাই কিনে খাবে। তাই রকমারীর বেস্ট সেলার লিস্ট নিয়ে আফসোস করা, ক্ষোভ প্রকাশ করা অনৈতিক না হলেও তা হাস্যকর। আমাদের প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে - 'উপায় নাই গোলাম হোসেন' টাইপের।

আজকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম, একজন ডাক্তার ও তিনজন প্রশাসনের ব্যক্তিদের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হবার নিয়ে লড়াই। এই লড়াই চোখে আঙুল দিয়ে প্রমান করে কোটা পদ্ধতির দুর্বলতার কথা, এটা প্রমান করে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্রি - কতটা লাভজনক। কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন এই শিক্ষিত মানুষগুলো আমাদের দেশের সুর্যসন্তানদের অবদানকে? এই ধরনের মানুষদের কারনে কিছুদিন পর ট্রল হবে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের নিয়ে। জালিয়াতির সার্টিফিকেটের মাধ্যমে যিনি মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, যারা হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তাদের কিছুই হবে না সেই অপমানে, অধপতনে শুধু নিরবে কাঁদবে যারা প্রকৃত পক্ষে এই দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন, আত্মত্যাগ করেছিলেন। দেখা যাবে একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লজ্জায় বলবেন না নিজের মহান পিতা বা মাতার আত্মত্যাগের কথা, সাহসীকতার কথা। আপনাদের নির্লজ্জতায়, স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ বেচার ধান্ধায় বিজয়ীর হাসি হাসবে, ভন্ড মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপশক্তিরা। সেদিন আপনি চেয়ে থাকবেন, কিচ্ছু করার থাকবে না। আল্লাহও ওয়াস্তে এই সব বন্ধ করুন।

পাশাপাশি, অনেকেই ডাক্তার ভুল না, পুলিশ ভুল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ভুলটা প্রথমত রাষ্ট্রের। এই রাষ্ট্র আমাদেরকে তার নাগরিক হিসাবে এখনও সম্মান দিতে পারে নাই। এই রাষ্ট্রে আমাদের সাধারন জনগনের কোন মুল্য নেই। নিয়ম, নীতি ও আইনের প্রতি কারো নুন্যতম শ্রদ্ধাবোধ নেই। জনগনের টাকায় যারা জনগনের সেবার দায়িত্বে আছেন, তারাই আজকে জনগনের মাথার উপরে চড়ে বসেছেন। আমি তো একজন সাধারন মানুষ, আজকে যদি আমাকে রাস্তায় অন্যায়ভাবে হেনেস্তা করা হয়, আমি কাকে ফোন দিবো, কে আমার প্রতি অন্যায়ের বিচার করবে? কোথায় গেলে আমি পাবো সুবিচার? আদালতে? মাননীয় স্পীকার! আমাদের আর নতুন করে হাইকোর্ট দেখার ইচ্ছে নেই।

দ্বিতীয়ত, ভুলটা সকলের। আমার ব্যক্তিগত বিবেচনায় ডাক্তার, পুলিশ আর ম্যাজিস্ট্রেট এই ত্রিমুখী ঘটনায় কেউই তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না। যেহেতু আমাদের কারো কোন জবাবদিহীতা নেই, তাই চলছে ক্ষমতার দাপট আর স্বেচ্চাচারিতা। আজকে আপনার পেশার কারো প্রতি অবিচার হয়েছে, অন্যায় হয়েছে - এটা শুনেই যদি আপনি প্রতিবাদে ফেটে পড়েন, ধর্মঘট ডাকেন তাহলে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য যখন কোন পরিবহন শ্রমিক বা মালিককে গ্রেফতার করা হয়, তখন তারা যে ধর্মঘট ডাকেন, রাস্তা ঘাট বন্ধ করে দেন, সেই শ্রেনীর সাথে আপনার শ্রেনীর কোন পার্থক্য নেই। আগে বুঝতে হবে ঘটনাটা কেন ঘটেছে, কার কি ভুমিকা ছিলো, তারপর সেখানে প্রতিবাদ, মিছিল ইত্যাদি।

আমার নিকট আত্মীয়দের মধ্যে দুইজন হাসপাতালে, একজন মারা গেছেন। এই করোনায় আমাদেরকে নিজেদেরকে নিজেদের প্রয়োজনে সর্তক হতে হবে। আপনি আমি যদি সর্তক না হই, তাহলে সরকার বা লকডাউন কিছুই করতে পারবে না।

সবাই ভালো থাকবেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে সবাইকে নিরাপদ রাখুন, এই প্রার্থনাই করি।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৩৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমার বিভিন্ন পোস্টে প্রাপ্ত অনেক মন্তব্যের জবাব এখনও না দিতে পারার কারনে
প্রথমেই সহব্লগারদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

...............................................................................................................
বিষয়টি অবশ্যই মনে দাগ কাটে, ব্লগের একজন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যিনি লিখবেন তার
দ্বায়িত্ব অবশ্যই বেশী । আমি একটি লেখায় সে ইঙ্গিত দিয়েছিলাম ।
যাক পরবর্তীতে নিশ্চয় আমরা আরও ইতিবাচক পদচারনা দেখতে পাবো ।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি সম্ভবত আপনার ইংগিতটি ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলাম। অনেক সময় বিভিন্ন পোস্ট পড়তে পড়তে আর মন্তব্য চেক করতে গিয়ে মন্তব্য দেয়ার ধৈর্য্য থাকে না। একটা ভালো পোস্টে যথাযথ মন্তব্য করতে না পারলে নিজেরই খারাপ লাগে।

যাক, আমি আশা করি আপনি নিশ্চয় আমার দুঃখ প্রকাশের গন্ডি থেকে বের হয়ে পুরো পোস্টটি পড়েছেন।

২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৪৩

রেজওয়ান ইসলাম বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষনমূলক লেখা।বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি উঠে এসেছে আপনার লেখায়।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:২৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ডাক্তারী পেশাটা দখল করেছে ধনী পরিবারগুলো ও ডাক্তারদের পরিবারগুলো; ওদের ছেলেমেয়েকে পয়সা দিয়ে ভর্তি করাচ্ছে, ছেলেমেয়েগুলো পড়ালেখা না করে বেরিয়ে আসছে; ওরা এত অদক্ষ যে, এদেরকে কোন পেশার লোক বলাই কঠিন।

দেশ ভয়ংকর এনার্খীর মাঝে প্রবেশ করেছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৩৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় চাঁদগাজী ভাই, বাংলাদেশের মত একটি জনবহুল রাষ্ট্রে যেখানে জনগনের চিকিৎসা নামক মৌলিক অধিকার দিতে সরকার হিমসিম খাচ্ছে। ফলে বেসরকারী মেডিকেল কলেজ তৈরী হয়েছে। তাছড়া সরকারী মেডিকেল কলেজগুলোতে শতভাগ পড়াশোনার পরিবেশ আছে কি না সেটাও একটা প্রশ্ন। অনেক ভালো ভালো ছাত্র এই মেডিকেল কলেজ থেকে ছাত্র রাজনীতির কবলে পড়ে হারিয়ে গেছে। আমি অবশ্য কম বুঝি, তাই জানি না যে - যেখানে মানুষের জীবন মরন নিয়ে পড়াশোনা হয়, সেখানে রাজনীতি কেন থাকবে?

চিকিৎসক পেশায় আসার বেশ কিছু কারন আছে। এই পেশায় সম্মান আছে, আর্থিক নিরাপত্তা আছে, মানুষ সেবার সুযোগ আছে। যার টাকা আছে, সে সম্মান চায়, অর্জন করতে না পারলে ক্রয় করতে চায়। ফলে বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশাতে এই সম্মান ক্রয়ের একটি সামাজিক কাঠামো তৈরী হয়েছে। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পেশার কথা বলে লাভ নাই।

বাংলাদেশের বিয়ের বাজারে গিয়ে দেখেন - সবাই প্রতিষ্ঠিত ছেলে চায়, বিসিএস পাত্র, সরকারী ক্যাডার!! এই গুলো চাওয়ার প্রধান কারন ক্ষমতার অপব্যবহার! আর কিছুই না।

৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:১১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সবকিছুর সুন্দর একটা যুক্তিপূর্ণ আলোচনা করেছেন। সারের জন্য কৃষক মেরে ভুল করে ছিলো যার কারণে এখনো রাস্তায় কিন্তু বেতনের জন্য শ্রমিক মেরে ক্ষমতা হয়ছে পোক্ত।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৩৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: দেখেন আমি বিশ্বাস করি, যদি কেউ কোন অন্যায় করে থাকে তাকে তার দায় মেটাতে হবেই। এটা প্রকৃতি, ধর্ম যা ই বলেন না কেন, সেটার নিয়ম। ইতিহাসেও তাই লেখা আছে। ইতিহাস গুরুত্বপূর্ন এই কারনে কারন সেখানে ভুল থেকে আমাদের শেখার আছে। কিন্তু আমরা কেউই ইতিহাস থেকে শিখতে চাই না।

ফলে কেউ যদি মনে করে থাকে যে অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করে কোন কিছু অর্জন করা যাবে, সেটা ভুল! সময়ই তা প্রমান করে দিবে। সময় এত ভয়াবহ ও নিষ্ঠুর প্রতিশোধ নিতে জানে, তা যদি আমরা জানতাম, তাহলে বহু আগেই শুধরে যেতাম।

ধন্যবাদ নেওয়াজ আলি ভাই।

৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:১৬

আমি সাজিদ বলেছেন: তিন নম্বর কমেন্ট যিনি করেছেন উনার নিজের জ্ঞান আরও আপডেট করা উচিত৷গায়ে পড়ে লাগবো না। যাই হোক -

বিষয়টা ডাক্তার - পুলিশ ইস্যু নয়। আজকে প্রথম আলোতে এই খবর এসেছে -


এই যুবক ফেনীর। অন্য রিকশা যেতে দিয়ে তার রিকশা থামিয়ে দেওয়ায় সে পুলিশকে জিজ্ঞেস করেছে কেন তার রিকশা থামানো হলো। এরপর পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি হয়েছে। পুলিশ শেষে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন ও পাগল বলে মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়েছে। এই পাগল একটা হাস্যকর কথা বলেছে - দেশ কি পুলিশের একার?


আমার মনে হয় আমাদের যেখানে ফোকাসড থাকা দরকার সেখানে ইদানীং আমরা ফোকাসড নেই। এজন্য শ্রমিকের উপর গুলির ইস্যুটার চেয়েও বড় হয়ে যায় ডাক্তার পুলিশ ভাইরাল ভিডিওটা৷

করোনাতে পুলিশ বেশ কিছু মানবিক কাজ করেছে। আমরা তার প্রশংসা করি। কিন্তু গত কিছু ঘটনাতে পেশাদারিত্বের ঘাটতি দেখা গেছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: দেখো সাজিদ সবাই সবার ক্ষমতা দেখাতে চায়। আমাদের মধ্যে কম বেশি সবাই ইদানিং খুব ক্ষমতাকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছি। আমাদের নিজেদের দায়িত্ববোধ, মানবিকতা কমে যাচ্ছে। তুমি ব্যক্তিজীবনে যেখান থেকে ফিরে এসেছ বা তুমি যা যা দেখেছ, তোমার মুল্যায়ন যদি কখনও ব্লগে লিখতে তাহলে অনেকেই অনেক কিছু যেমন শিখতে পারত, সত্য জানতে পারত। তেমনি আবার একটা শ্রেনী চক্ষুশুল হতে।

তোমার সাথে আমি একমত যে আমাদের যেখানে ফোকাসড থাকা উচিত, আমরা সেখানে ফোকাসড নই। আমরা ভুলে গেছি কি এবং কোথায় প্রতিবাদ করতে হয়।

৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভুলটা প্রথমতঃ রাষ্ট্রের এই সত্য কথাটা বলার জন্য আপনাকে অনেক অনেক মোবারকবাদ। ব্লগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে......পোষ্টে, মন্তব্যে এই কথা আমি অসংখ্যবার বলেছি/বলছি। তারপরেও কিছু ব্লগার আছেন, যারা সব সময় কিছু হলেই বলেন, এ'দেশের সাধারন জনগনই অসভ্য। সাধারন জনগনকে যদি সন্তান ধরি, ক্ষমতায় বসা মানুষগুলো তাদের অভিভাবক। অভিভাবক যদি অসৎ চরিত্রের হয়, তাহলে তার প্রভাব সন্তানদের উপর পড়তে বাধ্য। এই প্রভাবের ফলাফল একদিনে দেখা যায় না, যুগের পর যুগ লাগে। এই সাধারন বিষয়টা যারা বুঝতে পারে না, আমার কাছে তারা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী!! একটা যোগ্য অভিভাবক তার পরিবারকে, তথা রাষ্ট্রকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে, তার হাজারো উদাহরন আছে। শুধু দেখার মতো চোখ দরকার, বোঝার মতো ঘিলু দরকার।

আর মন্তব্যের উত্তর দেয়া নিয়ে টেনশান করবেন না। আমাকে যেমন সারা বৃটেন চালাতে হয়, তেমনি আপনাকে বিশ্বের বৃহত্তম বাংলা ব্লগ চালাতে হয়। কাজেই আপনার দুঃখ আমার চেয়ে ভালো আর কে বুঝবে? এর মধ্যে গোদের উপর বিষফোড়ার মতো ঝাকে ঝাকে কবিতাও আপনাকে দিন-রাত পড়তে হয়। হোয়াট এ্য পেইন!!! B:-)

আর কিছু না বলি। কারন কেউ কেউ বলে, ব্লগের মডারেটর পোষ্ট দিলেই নাকি কিছু চাটুকার ব্লগার মন্তব্য আর লাইক নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে।

কে হায়! গর্ত খুড়ে নিজেকে চাটুকার হিসাবে দেখতে চায়!! তাই, আপাততঃ বিদায়!!! লাইনটা দেখি কবিতার মতো দেখাচ্ছে। ও মাই গড!!!! :((

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:২০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় মফিজ ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

সবার আগে বলেন, মডারেটরকে তেলবাজি করে আপনি কি কি পেয়েছেন?
লন্ডনে পার্ক স্ট্রিটে একটা দারুন এ্যাপার্টমেন্ট?
মার্সিডিস বেঞ্চের লেটেস্ট মডেলের গাড়ি?
সুইচ ব্যাংকে কোন ব্যালেন্স?
( আল্লাহর ওয়াস্তে কেউ আবার দাবি করে বইলেন না যে হ্যাঁ আমি মডারেটরকে দৈনিক একশ কমেন্ট আর পাঁচশ লাইক দিয়ে একটি মার্সিডিস বেঞ্চ পেয়েছি কিংবা ইউরো ট্রিপের খরচ পেয়েছি। তাইলে আমাকে ডাক ছেড়ে কাদতে হবে। ;) :(( )

এই দিকে আমি চিন্তায় আছি। কারন আফগানিস্তান থেকে সৈন্য সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। এখন ব্লগে জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যেভাবে ব্লগারদেরকে তেলবাজির দোষে অভিযুক্ত করছেন, কয়েকদিন পর না এই তেলের লোভে সামু দখল করার জন্য আমেরিকা আগ্রসান চালায়। এক কাগুরে নিয়াই পারতেছি না। এখনও মোবাইলে এক্সেস নাই। তেলের লোভে আমেরিকা আইসা হাজির হইলে মরন ছাড়া আর পথ নাই।

বাই দ্য ওয়ে, মডারেটরকে তেলবাজি করে কি হবে? পোস্ট নির্বাচিত পাতায় যাবে? ব্লগে যা খুশি করা যাবে?

যিনি বা যারা এমনটা ভাবেন তারা প্রথম শ্রেনী গর্দভ। এটা নিয়ে আর আলোচনার কিছু নাই। ভালো লিখলে পোস্ট নির্বাচিত পাতায় যাবে, ব্যক্তি হিসাবে কেউ যদি আমার কাছে চরম অপছন্দেরও হয় তাহলেও কিছু করার নাই।

যাইহোক, মহাপন্ডিত ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে আমি এই ধরনের ছ্যাচড়া লজিক আশা করি না।

যাইহোক, সিরিয়াস বিষয়ে আসি। রাষ্ট্রের ভুল আছে এই কথাটি অস্বীকার করার কোন উপায় নাই। রাষ্ট্র আমাদেরকে অদ্ভুতভাবে শ্রেনী বৈষম্যের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। নাগরিক অধিকার বলে কিছু আছে এটা রাষ্ট্র বিশ্বাস করতে চাইলেও কাজে কর্মে তা প্রমানিত হচ্ছে না। স্বাধীনতার এত বছর পার হয়ে গেলো - সরকারী মদদ ছাড়া কেউ কি রাষ্ট্রের কোন বড় কাজ পেয়েছে? সরকারী ক্ষমতার মদদ ছাড়া একজন সাধারন মুমুর্ষ ব্যক্তি কি ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে জায়গা পেয়েছে।

আমরা নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগছি এটা যেমন সত্য। তেমনি আমাদের ভবিষ্যত নেতা তৈরীর পথও সুকৌশলে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। সামনে আছে কে ? বাঁশেরকেল্লা টাইপ একজন ছাত্রনেতা - ভিপি নূর!

ভরসা কেবল মাত্র প্রকৃতি! প্রকৃতির বিচারে আমার আস্থা আছে।

৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:



সাম্প্রতিক সময়ে, বাংলাদেশের প্রাইভেট ও পাবলিক থেকে পাশকরা অনেক ডাক্তার ছেলেমেয়ে এসেছে নিউইয়র্কে; এরা এখানকার বাংগালী ডাক্তারদের অফিসে ডাক্তারের এসিষ্টেন্ট হিসেবে বিবিধ কাজ করেন; এমন অদক্ষ ছেলেমেয়ে বাংলাদেশে ডাক্তারী পড়েছে মনে হলে, নিজের কাছেই খারাপ লাগে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:২৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমি যতদুর জানি, বাংলাদেশের মেডিকেল ডিগ্রি নিয়ে সেখানে পড়াশোনা করতে গেলে তাদেরকে একটি পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। বাংলাদেশের অগামগা জায়গা থেকে পাশ করেও কেউ যদি সেই পরীক্ষা পাশ করতে পারে তাহলে তো সমস্যা আমি দেখি না।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তারা যদি পরীক্ষা ছাড়া ডাক্তারী প্র্যাকটিস করে তাহলে সেটা অবৈধ হবে। আর অবৈধ কোন কিছু তো ভালো না।
আপনারা কেন বাঙালি ডাক্তারদের অফিসে এসিসটেন্ট হিসাবে তাদেরকে কাজ করতে দিচ্ছেন?

এই দেশে যারা কষ্ট করে ডাক্তারি পড়ে, তাদের অধিকাংশই হয় দেশে কাজ করে নয়ত বিদেশে সম্মানের সাথে কাজ করে। যারা বাপের টাকায় জাস্ট নাম কা ওয়াস্তা ডাক্তারি পরে, তাদের কথা অবশ্য ভিন্ন।

৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪৫

স্প্যানকড বলেছেন: এই ফাটকাবাজির দেশে স্বপ্নের পাখি গুলি বেঁচে নেই ! ( কবির সুমন )। ভালো থাকবেন।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:২৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন :)

৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৪৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কাভা ভাই, খুব দীর্ঘ না হলেও আলোচনার দৃষ্টিতে কিন্তু এটা অনেক দীর্ঘ একটা পোস্ট। এর প্রত্যেকটি প্যারায় রয়েছে একাধিক আলোচনার বিষয়। একে তো নেই যোগ্যতা তার উপর বিষয়গুলোতে রয়েছে যথেষ্ট কাঠিন্যতা। সব মিলিয়ে, সহজ সরল মানুষের জন্য কঠিন কিছুতে জড়ানো উচিৎ কর্ম নয়। সো ঐদিকে না গিয়ে কিছুটা প্রাসঙ্গিক কথা বলা যায় ;)


আপনি/আপনারা স্বীকার করুন আর নাই করুন প্রকৃতার্থে আমাদের দেশের শিক্ষা হচ্ছে এমন একটা বস্তু যা শরীরে কিছু নির্ধারিত জ্ঞান চালনা করা এবং প্রত্যেকটি অবস্থানে নিজের স্বার্থকে প্রায়োরিটি দেওয়ার জন্য এর সর্বাত্মক ব্যবহারের চেষ্টা করা। তা জেনারেল বলেন আর ইসলামি বা ধর্ম কেন্দ্রিক শিক্ষা বলেন। নন একাডেমিক শিক্ষাও কিন্তু তার বাহিরে নয়। আপনার আলোচনার প্রত্যেকটি বস্তুর সমস্যার পেছনের মূল কারণ দৃশ্যতঃ ভিন্ন-ভিন্ন বিষয় হলেও আমার কাছে মনে হচ্ছে শিক্ষার এই অধপতনই মূল বিষয়। সে কারণে আমাদের উচিত ছিল, শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন। সকল শিক্ষাব্যবস্থাকে একই ছায়ায় নিয়ে আসা।

আপনি যাকে ভালো বলবেন, সে যদি তার ভক্তকুল থেকে হাজারো বাছাইয়ের মাধ্যমে কিছু মানুষকে তৈরি করতো যারা সমাজকে সুন্দর করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবেন৷ চাইলে সে কিন্তু পারতো। রাজনীতি থেকে দূরে দাঁড়িয়েও মানুষের সহযোগিতা করা যায়৷ যখন কিছু মানুষ এরকম সমাজের অসুস্থতা দূরিকরণে মানুষের পাশে দাঁড়াবে তখন সবাই কিন্তু বিতারিত হবে না। বাঙালি এতোই অদপতনে কিন্তু যায় নি! যদি গিয়েই থাকে তবে আমাদের এই লিখালিখি বৃথা। এরকম কাজে প্রতিবন্ধকতা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু এর পজেটিব সারা কিন্তু খুব প্রশান্তময়।

এই যে রাষ্ট্র, তার থেকে তৈরি এলিট শ্রেণি এরা সকলেই হওয়ার কথা সাধারণের বন্ধু। এই যে সাধারণ জনগণ, তাদেরও নিম্নে বসবাসকারী জীর্ণশীর্ণ দেহের অধিকারী যাদেরকে আমাদের অনেকেই মানুষ বলেও মানেন না৷ এই আমাদের সবার দায়হীনতার যে প্রতিযোগিতা চলছে সর্ব মহলে এটার মূল সমস্যা নিয়ে আলোচনা করাই কিন্তু আমাদের মূল উদ্যেশ হওয়া উচিত। হ্যা, আমি আলোচনা করছি না বলে অন্যজনকে উৎসাহ দেওয়া যাবে না যে, বিষয়টা তো এমন না। আমার চেয়ে যে ভালো জানে, ভালো পারে তাদের উচিত নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত পরবর্তী এসব বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে অথবা নিজ নিজ অবস্থান থেকে য্বভাবে সম্ভব একটি সচেতন মহল তৈরি করা।

নিজেকে নিজের বিবেকের সামনে দাঁড় করানোর জন্য যখন রাষ্ট্রের একটা অংশ প্রস্তুত হয়ে উঠবে তখনই আমাদের পরিবর্তন এগিয়ে যাবে স্বপ্নীল স্বাধীন বাংলার দিকে।

অনেক অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর একটা পোষ্ট দিয়েছেন।
এক পোষ্টে অনেক গুলো চলমান ঘটনা উঠে এসেছে।

১১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:১৮

সোহানী বলেছেন: সমপোযোগী অনেকগুলো বিষয় এনেছেন। যার প্রতিটিই দীর্ঘ আলোচনার দাবী রাখে।

যাহোক, ফেসবুক বলেন, রাস্তা বলেন, বাসে বলেন....... আমরা যা করছি তা এক প্রকার কমেডি সিরিজ চলছে। তবে এ কমেডির মাত্রাটা বা কোথায় থামতে হবে তা আবার কারো জানা নেই। কারন কি? কারন রাস্ট্রের অস্থিরতা, ব্যার্থতা, হাহাকার আমাদেরকে এক প্রকার মানসিক রুগীতে পরিনত করেছে। তাই আমরা জানিই কখন হাসতে হয়, কখন কাঁদতে হয়, কখন হিহি রিয়েক্ট দিতে হয়!

কেউই কারো নিজ জায়গায় কাজ করছে না কারন রাস্ট্রই যেখানে করছে না সেখানে আমজনতার কাছে এ ধরনের ফাঁকা বুলির কোন মানে হয় না। কেউই কাউকে মানবে না। অনেকটা আমরা সবাই রাজা টাইপের। কিন্তু এর চেয়েও বেশী আমি শংকিত আহাজারী/মামুনুলের মতো কিছু নেতার উত্থান। যা আফগানিস্তানের কথাই মনে করিয়ে দেয়। জানি না এর শেষ কোথায়। কারন আপনার মতই আমি বলি, রাস্ট্রের ব্যার্থতার ঘা'তে প্রলেপ দেবার ভান করছে এরা। আর মূর্খ জনগন এ জীবনের না পাওয়ার হতাশায় বেছে নিচ্ছে আখেরাতকে। অন্ধ অনুসরন করছে কোন কিছুই না বুঝে।

আপনার লিখায় মন্তব্য করতে পারেনা সিটো আমরা ভালোই বুঝি। মফিজ ভাইয়ের মতো আমারো মতে এটা একটা কঠিন দায়িত্ব পালন করছেন। তাই এ নিয়ে আমার অন্তত কোন অভিযোগ নেই। (এটা কোনভাবেই তেল হিসেবে গণ্য হবে না কিন্তু)।

ও ভালো কথা, চাঁদগাজী ভাইকে বলি, দেশের মেডিকেলে যারা পাশ করে তারা কোনভাবেই পড়াশোনা না করে পাশ করে না। কারন সব প্রাইভেট মেডিকেলের পরীক্ষাগুলোই সরকারী মেডিকেলের প্রফেসারদের নিতে হয়। আর ভর্তিও এতো সহজ নয়। আমার দেখা বিদেশে যারাই দেশ থেকে এমবিবিএস করে ডাক্তারী পেশা বেছেঁ নিয়েছে তারা কিন্তু খুবই ভালো করেছে। এখানে নর্থ আমেরিকায় মেডিকেল প্রফেশন সবচেয়ে কঠিন।

১২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:২০

জিকোব্লগ বলেছেন:



২০২০ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪১তম
বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। সামরিক শাসন ও ইসলামী জঙ্গীবাদের
উত্থান না হলে বর্তমান সরকার দিয়েই দেশের অর্থনৈতিক
বিকাশ অব্যাহত থাকবে। যে বিরোধী দল জঙ্গীদের সংযুক্ত,
কী দরকার সেই বিরোধী দলকে ক্ষমতায়ন করা ! আপনি
কিছু সমস্যার কথা বলেছেন সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই
আসলে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের পরিণতি। টুকিটাকি এই
ধরনের সমস্যা থেকেই যাবে। দেশকে এখনো ইউরোপ
আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া কানাডার সাথে তুলনা করার সময়
আসে নি। তবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখা দরকার। আমরা সবাই
মিলে প্রতিবাদ করলে ধীরে ধীরে অনেক কিছুই সংশোধিত হবে।

১৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:১৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

চিকিৎসার জন্য অসহায় মানুষরা ভিটেমাটি বিক্রি করে ভারত যেতে স্বচ্ছন্দ বোধ করে।
কেন করে?
সেখানে চিকিৎসা হয়।
বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবা পাওয়া খুবই কঠিন কাজ।
আফসোস!

১৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:২৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: সময়ের সাথে সাথে জাতি নৈতিক স্খলনের তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে, এদের মধ্যে হিংসা, বর্বরতা, অর্থ ও ক্ষমতালিপ্সা এক্সপোনেন্সিয়ালি বেড়েছে যে এদের নিয়ন্ত্রণ করা এখন এক কোথায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই চরম বিভ্রান্ত জাতিকে সঠিক পথ দেখানোর মতো নূন্যতম একজন রাজনৈতিক, ধর্মীয়, ও সামাজিক নেতার নাম বলতে পারবেন কি ?

১৫| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:৪৩

শেরজা তপন বলেছেন: পুরো লেকা পড়ে তো ভায়া- আপনাকে 'বালস্য বাল হরিদাস পাল' বলে আর মনে হল না!

সমসাময়িক বিষয়গুলো তুলে এনে দারুন বিশ্লেষন করেছেন। ভাল লাগল

১৬| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:০০

অক্পটে বলেছেন: আমরা জাতি হিসেবে অমানবিক হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। আমরা রাষ্ট্র চালাই আমাদের সততা নাই, ধৈর্য্য নাই, জবাবদিহিতা নাই। নিরুপায় জনগণের প্রতিবাদের মিছিলে আমরা গুলি চালাই। সীমাহিন দুর্ণীতিবাজদের আমরা প্রমোট করি। উফঃ আমাদের ভবিষ্যত কি?

চমৎকার লিখেছেন, প্রতিটি লাইনে বাংলাদেশ নিয়ে আপনার মূল্যবান বিশ্লেষণ ও ভাবনা খুব ভাল লাগল।

১৭| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:২৯

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সাধারন মানুষ হয়ে বেঁচে থাকাটাই ভাল।

১৮| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার লিখেছেন।

১৯| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৫৩

দেশী পোলা বলেছেন: সমস্যা নাই, এগুলা সাময়িক গ্রোইং পেইনস। ৭১ পরবর্তী জেনারেশন এর চাইতে ভাল করবে, আমরা বুড়াবুড়িদের চাইতে কম ভালো বুঝি না, আগের যুগে একটা আবদুল্লাহ আল মুতি হইছে, এখনকার জেনারেশনে হাজার হাজার বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসক, ইন্জিনিয়ার, ব্যবসায়ী তৈরি হচ্ছে, জাপান বা চীন এর চাইতে খারাপ ছিল, ইন্ডিয়া পাকিস্তান ৭৪ বছর ধরে চেষ্টা করেও বাঙালীদের টেক্কা দিতে পারে নাই।

আমি আশাবাদী দেশ পাল্টায় যাবে

২০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:০২

নতুন নকিব বলেছেন:



পোস্টের অধিকাংশ কথার সাথেই সহমত। সর্বোপরি চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছেন। মনযোগ দিয়ে পড়েছি। তবে শেষ করতে পারিনি। আবারও পড়ার ইচ্ছে। বাকিটুকুও পড়ে নেব ইনশাআল্লাহ।

এই পোস্টই প্রমান করে আপনি অসাধারণ একজন মানুষ। আপনার প্রতি সবসময় সুধারণা পোষন করি এবং আপনার পরিবার পরিজনসহ সামুর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য আন্তরিক কল্যান কামনা করি।

আর আপনার সহনশীলতা অসাধারণ বলেই হয়তো আমার নামোচ্চারণ থেকে পোস্টে বিরত থেকেছেন। অনেকের সাথে শুধু আলেম, ব্লগার- এসব বলে চালিয়ে দিয়েছেন। এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিলেন বলে ধন্যবাদ আবারও দিতে হয়।

আমার আসলে অনেক বিষয়ে জ্ঞান বুদ্ধি খুবই সীমিত। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে, মিডিয়া যেখানে নিয়ন্ত্রিত, সেখানে সব কিছু ব্যাখ্যা করে বুঝানোর সুযোগ যে আমাদের মত নিতান্ত সাধারণ মানুষের খুব একটা নেই, ধারণা করতে পারি, এই কঠিন বাস্তবতাটুকু অন্ততঃ আপনিও অস্বীকার করবেন না। এসব কারণে, আমার সাম্প্রতিক এক পোস্টে আপনার একটি মন্তব্যের উত্তর লিখেও আবার কেটে দিয়েছি। সর্বোপরি আশা করি, আপনি নিজ গুণে আমার এসব ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন। +

২১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:০৬

ওমেরা বলেছেন: ভাইয়া আপনার পর্যালোচনা খুবই ভালো হয়েছে।
আর একটা প্রশ্ন , আমরা তো নিজেদের পোষ্টে লাইক দিতে পারি না, আপনি কি ভাবে পারেন? :D

২২| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: এদেশে বেশিরভাগ প্রফেশনের মানুষ শুধু পোশাকটি পরা শিখেছে। কিন্তু নৈতিকতা, ব্যবহার, পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে এখনও নগ্ন তারা।

২৩| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি ভালো লিখেন। তাই আপনার কাছ থেকে নিয়মিত লেখা চাই।

২৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন: জনগনের টাকায় যারা জনগনের সেবার দায়িত্বে আছেন, তারাই আজকে জনগনের মাথার উপরে চড়ে বসেছেন। আমি তো একজন সাধারন মানুষ, আজকে যদি আমাকে রাস্তায় অন্যায়ভাবে হেনেস্তা করা হয়, আমি কাকে ফোন দিবো, কে আমার প্রতি অন্যায়ের বিচার করবে? কোথায় গেলে আমি পাবো সুবিচার? আদালতে? মাননীয় স্পীকার! আমাদের আর নতুন করে হাইকোর্ট দেখার ইচ্ছে নেই। ---হালুয়া-রুটির ভাগিদার বাদে দেশের আপামর প্রতিটা জনগণের মনে একই সুর। এর থেকে সহজে মুক্তিও নেই.....জড়িয়ে পড়েছি জালে....। আপাদমস্তক। জেনে কিংবা না জেনে।

আজকের প্রথম আলোর রিপোর্ট মধ্যবিত্তের বড় একটি অংশ নিম্নবিত্তের কাতারে সামিল হয়ে গেছে। এর আগে 'দিন আনে দিন খাই' নিয়তে চললেও করোনা সব হিসেব নিকেশ উলটা পাল্টা করে দিয়েছে। সামনের দিনগুলোই হাটহাজারি, বাঁশখালির মতো ঘটনা আরো ঘটতে যাচ্ছে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বরং না ঘটলেই সেটা হবে মিরাকল।

২৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ২:১০

আমি সাজিদ বলেছেন: হা। আমি সেসময় কলেজ ও জেলা ভিত্তিক লোকাল ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়েছি। কমিটি ক্যান্ডিডেটও প্রায় হয়ে গেছিলাম। পরে দেখলাম সময় দিতে পারছি না, ছাত্ররাজনীতিতে এখন অতীতের আদর্শ বলে কিছু নেই। চোখের সামনে নিজের জুনিয়র গ্রুপিং এর কারনে মার খেয়ে আইসিইউতে গেল, আমাদের ব্যাচের পরেরদিন পরীক্ষা বলে আমরা তেমনভাবে দেখতেও যেতে পারিনি। দেখলাম আমি সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে পারছি না। তখন আমার মনে হলো, এই জিনিস আর আমার জন্য না। কিছু জুনিয়র ভালো জানতো, এদের হতাশ করে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালাম। ছোট করে কমেন্টে জানালাম। কিছু লেখা হয়তো হবে না।

২৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৩:০৬

কাছের-মানুষ বলেছেন: সমাজ এবং রাষ্ট সম্পর্কে আপনার ধারনা পরিস্কার, যেটা আপনার বিভিন্ন লেখায় প্রতিফলিত হয়। আমাদের সমাজে তরুনদের মনে হয় তারা অনেক কনফিউজড থাকে, তারা মনে হয় নিজের আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগে, ফেইসবুকের বিভিন্ন সেলিব্রেটি এবং চলচিত্রের লোক মারা গেলে তাদের উল্লাস দেখে আমার অবাক লাগে, এই অসুস্থ প্রজন্ম কোথা থেকে এল।

ধর্মীয় উগ্রবাদ আমাদের এই উপমহাদেশে আগে থেকেই ছিল, তবে বিগত কয়েক বছরে এটা আমাদের দেশে চরম আকার ধারন করেছে! প্রকৃত ধর্মীয় বক্তার চেয়ে বাকপটু বক্তাদের সংখ্যা বেশী হয়ে গেছে আজকাল। আমরা এক কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছি।

২৭| ২২ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৬:০২

ডাব্বা বলেছেন: ডাক্তার বাবা মা তাদের ছেলে মেয়েকে ডাক্তার হতে দিতে চান না, আমার ফ্যামিলিতে। উনারা বলেন, অসম্মানের কাজ, অনিশ্চিত জীবন।

২৮| ২২ শে জুন, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

ফড়িং-অনু বলেছেন: আপনার লিখা পড়ে তো মনে হয় না আপনি সাধারন মানুষ। লিখা যতই পড়ছি আপনার প্রেমে ততই পড়ছি। আমার কাছে দুর থেকে যতটুকু মনে হচ্ছে অসাধারন ব্যাক্ত্বিপূর্ন মানুষ আপনি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.