নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত একটি সংঘটনের সাথে (তাও অন্য একটি দেশের) মিলে ঝুলে তুরস্ক কোন স্বার্থ অর্জন করতে চায়? বাংলাদশের রাজাকার ফাঁসিতে লটকালে তুরস্কের সাংসদরা শোকে মৃত্যু পথযাত্রী হয়ে যায়।

/এনজিও funding এর নামে অনেক অর্থ ফি বছর তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গী সংগঠন গুলো পেয়ে থাকে। মূলত: এসব terrorist financing ছাড়া আর কিছুই না।

বাংলাদেশের উচিত,
/কালবিলম্ব না করে terrorist financing হচ্ছে এরকম সন্দেহজনক লেনদেনের (suspicios transaction) হিসাব সমূহ দ্রুত freeze করতে হবে।

/তুরস্কের বিদ্রোহী কুর্দী গ্রুপ সমূহের (Kurdistan Workers' Party-PKK) সাথে যোগাযোগ শুরু করা।

/আমাদের সাংসদদের একটা গ্রুপের আর্মেনিয়া যাওয়া উচিত। সেখানকার তুর্কী গণহত্যা বিষয়ক Tsitsernakaberd Memorial Complex ঘুরে দেখা। সেখানে ফুল দেয়া। কারন বাংলাদেশের ৭১ এর গণহত্যাকারীদের সাথে তুরষ্ক সক্ষতা বজায় রাখলে বাংলাদেশের পক্ষে এমন অবস্থা নেয়া খুবই justified হবে। অন্যায় হবে না।

/সাইপ্রাস বিষয়ক ইস্যুতে বাংলাদেশকে গ্রিসের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে।

/এবং অতি অবশ্যই আমাদের দেশ (পাকিস্তান) এর সম্পাদক সহ আরও যে সকল জঙ্গী তুরষ্কের সুরক্ষা নিয়ে সেখানে অবস্থান করছে, তাদের বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণ না করা এবং উপরে বর্ণিত বাংলাদেশ বিরোধী কার্যক্রম থেকে বিরত না হওয়া পর্যন্ত,

“বাংলাদেশ তুরস্কের ব্যাপারে নমনীয় হবে না, এমন বার্তাই আঙ্কারাকে পৌঁছে দিতে হবে”।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তুরস্ক বাংলাদেশে মাদরাসা শিক্ষা প্রসারে ডোনেশন দিতেছে । একটা মাদরাসাতে আমার মামার বন্ধু আমেরিকা থেকে ডোনেশন করার সময় তাদের ডিটেলস জানতে চেয়েছিলেন । পরে মামার বন্ধু দেখেন এদের প্রধান ফান্ডিং সোর্স তুরস্কের একটা সংস্থা । মামার বন্ধু তার ছেলে-মেয়েকে এখন ইংরেজি মাধ্যমে নিয়ে এসেছেন । মাদরাসাও ইংরেজি মাধ্যমে ছিলো ।

৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৪৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ব্যাংকে তুরষ্ক থেকে আসা রেমিট্যান্স আমরা আটকে দিয়েছিলাম। কারন যারা (এনজিও) এই টাকা উত্তোলন করতে চাচ্ছিলো তাদের সমাজ কল্যান অধিদপ্তের থেকে যথাযথ অনুমোদন নেয়া ছিলো না।

তবে মাদ্রাসাগুলো পরিচালনার অর্থের উৎসের ব্যাপারে সরকারের উচিত আরো গভীর অনুসন্ধান চালানো। রাজস্ব বিভাগ আর বাংলাদেশ ব্যাংকের BFIU (Bangladesh Financial Intelligence Unit) কে কাজে লাগাতে হবে। উদ্দেশ্য হলো, কারা মাদ্রাসার funding এ সক্রিয় ডোনার তাদের পরিচয় ও তাদের আয়ের উৎস বের করা।

/তারা কি ঠিকমতো রাজস্ব দেয়?
/তারা কি ব্যাংক ঋনের কিস্তি প্রদানের ব্যাপারে নিয়মিত?
/তারা যে কালো টাকা সাদা করছেন না বা মাদ্রাসায় দানের মাধ্যমে তৌহিদি জনতা নামের জঙ্গীদের পেছনে সন্ত্রাসী অর্থায়ন (terrorist financing) করছেন না, সে ব্যাপারে কি আমরা নিঃসন্দেহ? এ প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দাতাদের দিতে হবে w/o fail.

২| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: পাশের দেশ এর চেয়েও বেশী।

৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৮

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ভুল জায়গায় মন্তব্য করেছেন।

৩| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।
সাথেই আছি।
লিখতে থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.