| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন
ইমেইল [email protected] স্বপ্ন দেখি নতুন বাংলাদেশের, সোনার বাংলা।শখ ফটোগ্রফি, স্বাধ আছে বিশ্বদেখার। অবসর সঙ্গী আমার কম্পিউটার আর বই। ভালবাসি-আমার জানটুপুটুস কে, নিজেকে, আমার মা, মাটি আর দেশকে
দেশে বর্তমানে Net Metering Guideline–2025 অনুযায়ী অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া যায় এবং তা বিলের সঙ্গে সমন্বয় হয়। এটা খুবই ভালো একটা ব্যবস্থা, সরকারের উচিত এটাকে আরো উতসাহিত করা।
বর্তমানের ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের ফলে গ্যাস/তেলের ঝামেলা আগামী কয়েক মাসে কমার সম্ভবনা নাই।
কিন্তু সরকারী সাহাজ্য করলে প্রতিটি ছাদে বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়ে অনেক পরিবার, দোকান, ব্যবসাপ্রতিস্ঠান, কারখানায় বিদ্যুত ঘাড়তি কমাতে পারে।
যদি সরকার ৩–৪% সুদে Solar Loan দেয়, তবে কয়েক মাসের মধ্যেই অনেক কম্পানি বাংলাদেশ কয়েক লাখ ভবনে সোলার প্যানেল+মিটার লাগিয়ে বিদ্যুতসের কস্ট কমাতে পারে।
বাংলাদেশে ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী প্রায় **৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার** রয়েছে।
এই বিশাল সংখ্যক পরিবারের একটি অংশের ছাদে যদি ২–৩ কিলোওয়াটের solar system বসানো যায়, তাহলে একটি নতুন ধরনের **distributed power generation network** তৈরি হতে পারে।
আমাদের দেশে যেমন ভারতীয় গরু আশা বন্ধ হয়ে যাবার ফলে দেশেই এখন অনেক খামারী উতপাদন শুরু করেছে তেমনি সরকার ৩%-৪% সুদে লোন দিলে সাধারণ মানুষও নিজের ছাদে বিদ্যুৎ উৎপাদক হবে।
সমস্যাটা কোথায়? : Solar panel-এর দাম গত কয়েক বছরে অনেক কমেছে। কিন্তু একটি সাধারণ পরিবারের জন্য একসঙ্গে ১.৫–২.৫ লাখ টাকা খরচ করা এখনও বড় সিদ্ধান্ত।
তাই আমার প্রস্তাব: Government-backed Solar Loan
সরকার সরাসরি সবার হাতে টাকা না দিয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে একটি বিশেষ **Solar Financing Scheme** চালু করতে পারে।
প্রস্তাবিত কাঠামো:
* সুদ: ৩–৪%
* ঋণের মেয়াদ: ৭–১০ বছর
* সরকার interest subsidy/guarantee দেবে
* ৮০–৯০% পর্যন্ত financing
* কম down payment
* approved solar company থেকে installation
* smart/net meter বাধ্যতামূলক
* system-এর warranty ও performance monitoring বাধ্যতামূলক
বর্তমানে IDCOL-এর renewable-energy financing-এ concessionary financing-এর মাধ্যমে ৬% হারে লোন দিচ্ছে এটাকে আমি ৩% – ৪% নামিয়ে এনে সবাইকে উদ্ভুধ্য করতে চাচ্ছি। তাই এটা নতুন কিছু না বরং বর্তমানের প্রয়োজনে সবাইকে উতসাহিত করতে কিছু নিতিগত পরিবর্তন মাত্র।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ: Net Metering
বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই Net Metering Guideline–2025 চালু করেছে। তাই সম্পূর্ণ নতুন ব্যবস্থা তৈরি করার প্রয়োজন নেই—বর্তমান ব্যবস্থাকে সাধারণ পরিবারের জন্য আরও সহজ ও বড় আকারে ব্যবহার করা দরকার।
ব্যবস্থাটি খুব সহজ:
দিনে
Solar panel বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
পরিবার প্রথমে নিজের প্রয়োজন মেটাবে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ থাকলে:
Solar → Grid
অর্থাৎ সেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় grid-এ চলে যাবে।
রাতে
Solar উৎপাদন না করলে পরিবার grid থেকে বিদ্যুৎ নেবে
Grid → House
Bi-directional/net meter দুই দিকের বিদ্যুতের হিসাব রাখবে।
বর্তমান net-metering ব্যবস্থায় grid-এ দেওয়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ মাসিক বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হয় এবং অতিরিক্ত credit পরবর্তী সময়েও carry করা যায়; বছর শেষে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অবশিষ্ট surplus-এর মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থাও রয়েছে।
এই প্রকৃয়াটা জনগনের জন্য লাভবান করতে হবে। যাতে সবার বিদ্যুতের খরচ কমে।
এবার আসল প্রশ্ন: কতটা বিদ্যুৎ তৈরি হতে পারে?
যদি সরকার একটি national programe চালু করল: প্রতি পরিবার = ৩ kW rooftop solar
একটি ৩ kW system থেকে বাংলাদেশে অবস্থান, roof orientation, weather এবং system efficiency অনুযায়ী বছরে আনুমানিক কয়েক হাজার kWh উৎপাদন হতে পারে।
আমাদের planning model-এ যদি প্রতিদিন গড়ে ১০–১২ kWh ধরা হয়, তাহলে: প্রতি পরিবার ≈ ৩,৬৫০–৪,৩৮০ kWh/year
| Solar নেওয়া পরিবার | মোট Solar Capacity | আনুমানিক বার্ষিক উৎপাদন | বাংলাদেশের মোট বিদ্যুতের আনুমানিক অংশ |
১০ লাখ | ৩ GW | ৩.৭–৪.৪ TWh | ~৩–৪% |
২০ লাখ | ৬ GW | ৭.৩–৮.৮ TWh | ~৭–৮% |
৫০ লাখ | ১৫ GW | ১৮–২২ TWh | ~১৭–২০% |
১ কোটি | ৩০ GW | ৩৬.৫–৪৩.৮ TWh | ~৩৪–৪১% |
জানি কাগজ কলমে অনেক লাভ দেখা যায় তবুও যদি ২০- ৫০ লাখ পরিবার কয়েক বছরে এই প্রকল্পের আওতায় এনে সোলার এনার্জীর ব্যবস্থা করা যায় তবে দেশের বিদ্যুত সমস্যার অনেক বড় একটা সমাধান হতে পারে, এবং মানুষের খরচাও কমে আসবে।
এখানে দুইটা জিনিস গুরুত্বপর্ন। সরকারের স্বইচ্ছা যে জনগনের পকেট থেকে বিদূতের খরচা কমানোর ইচ্ছা থাকতে হবে। আর সরকারী লোনের ব্যবস্থা করতে হবে নতুবা জনগনের পকেটে এতো টাকা নাই যে তারা এটা করতে পারবে।
কেন ৩% Solar Loan গুরুত্বপূর্ণ? যদিও বাঙ্গালী ফাউ পাইলে আলকার্তাও খায়। কিন্তু ফাও তো আর দেওয়া যায় না।
আর ৩% মোটামুটি ফাউই বলা চলে।
যদি একটা সোলার প্রজেক্টে ২-৩ লক্ষ টাকা খরচা হয় তবে ৩% লোনে টাকা যদি তারা ৬-৭ বছরে শোধ দেয় তবে মানুষ উতপাদিত বিদ্যুতে যে টাকা বেচে যাবে সেটার মাধ্যমেই প্রকল্পের অর্ধেক টাকা শোধ করতে পারবে। আর বর্তমানের সোলার প্যানেলের স্থায়ীত্ব অনেক লম্বা তাই ভবিষ্যতে সবার লাভই হবে।
দেশের সকল শহরের ড্রোন ভিডিও দেখলেই বুঝতে পারবেন কি পরিমান বাড়ী আছে যেখানে সোলার প্যানেল বসানো সম্ভব।
এই বাড়ীগুলির সব ছাদগুলোকে ছোট ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব যদি সরকার ৩–৪% সুদে দীর্ঘমেয়াদি লোনের ব্যবস্থা করে দেয়,এর সাথে net-metering system কে আরও সহজ জনগনের লাভ হয় সেই ভাবে পরিবর্তন করা হয়একজন সাধারণ মানুষ শুধু বিদ্যুৎ ভোক্তা থাকবে না সে নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, দরকার হলে সরকারী বিদ্যুত কিনে নেবে।
:- ছবি ইন্টারনেট। আইডিয়া আইছিলো সকালে কামাল ভাইয়ের ফেবু পোস্ট পইড়া। আর তথ্য দিছে: চ্যাটজিপিটি
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩
নতুন বলেছেন: এক কালিন ২-৪ লক্ষটাকা বেশির ভাগমানুষই বিনিয়োগ করবেনা।
কিন্তু যখন দেখবে সরকারী লোন নিলে বছরে ৬০০০ টাকা বেশি দিতে হবে, মাসে বিদ্যুত বিল কমে যাচ্ছে তখন কিস্তিও কস্ট লাগবেনা।
২|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১২
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: ভালো পরামর্শ। অনেক গার্মেন্টস ফ্যাক্টোরীতে এখন ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এরমাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচ অনেকাংশে কমে আসে। তবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যবহারের জন্য যেসকল প্যানেল ব্যবহার করা হয় সেগুলো আকারে বড় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি, এগুলোর দামও বেশি। বাসা-বাড়িতে এগুলো স্থাপন করা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হবে।
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১
নতুন বলেছেন: এটাকে সরকারী সাহাজ্যে সবার বাড়ী বাড়ী পৌছে দিতে হবে। সকল কারখানাতে লোন দিয়েও বাধ্যতামুলক করতে হবে।
আমাদের দেশে এখন গরুর খামারের অভাব নাই, ভারতের উপরে নির্ভর না। তেমনি আমাদের দেশেও সরকার নীতি পালটালে দেশেও সকল ভবনেই সোলার থাকবে।
৩|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩
রাজীব নুর বলেছেন: আপনাদের এইসব কথাবার্তা আমি বুঝি না।
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২
নতুন বলেছেন: আপনার আপা আজ দুপুরে কি দিয়ে লান্চ করেছে জানেন?
তিনি সম্ভবত আজ: -
আমুজ বুশ (Amuse-Bouche)
ঝালমুড়ি শট গ্লাসে — মুড়ি, চানাচুর, ধনেপাতা আর তেঁতুল জলের ছোট্ট স্বাদ, খাবার শুরুর আগে জিভে জল আনার জন্য
২. স্টার্টার
ফুচকা প্লেটার — ৫টা ফুচকা, তিন রকম পানি (তেঁতুল, পুদিনা, ঝাল) এবং আলু-ছোলার পুর সহ
৩. স্যুপ / প্রি-মেইন
মাছের ঝোল শট — হালকা ঝোল, ছোট কাপে সার্ভ, গরম গরম, পরের কোর্সের জন্য প্রস্তুত করার মতো
৪. মেইন কোর্স
কষা মাংস আর লুচি — ঝাল-মশলাদার মাটন কারি, গরম ফোলা লুচির সাথে; পাশে থাকবে আলুর দম এবং এক চিমটি সরষে ইলিশ (মাছপ্রেমীদের জন্য)
৫. ডেজার্ট
রসগোল্লা ডুয়ো — একটা ক্লাসিক রসগোল্লা, একটা সন্দেশ, সাথে সামান্য মিষ্টি দই — তিন রকম বাংলা মিষ্টির স্বাদ একসাথে
এই ৫ কোর্স মিল দিয়ে লান্চ করে এখন ঘুম দিচ্ছেন।
৪|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকার এত বড়ো স্কেলে না পারলেও যদি সোলার চার্জিং স্টেশন এবং ব্যাটারি বেকআপ/সোয়াপিং বাড়াতে পারে তাহলে অটো রিকশা চার্জের জন্য সুবিধা হবে ।
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮
নতুন বলেছেন: ইচ্ছা করলে সরকার অবশ্যই পারে। সুরুটা সরকারকে তারপরে বেসরকারী ব্যবসায়ীরাই এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
লাভ যেখানে থাকবে সেখানে গতি আসবেই।
এটা শুরু করতে হবে সরকারকে।
* ব্যাংকে বিনা সুদে এই প্রকল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাংকে রিফাইনান্স করতে পারে এবং তাদের উপরে নির্দেশ থাকবে তারা ৩% চার্জ করবে।
* তখন ব্যবসায়ীরাই জনগনকে এই প্রকল্পে লোন পাইয়ে দিয়ে তাদের বাড়ী সোলার সিসটেম্স ইনিস্টল করে দেবে।
এখন নীতি নিদ্ধারকদের দেখতে হবে কিভাবে এই ০% টের লোনের অপব্যবহার যেন না হয়।
আমরা তো দূনিতিতে ১ নং তাই আগে সেটা নিয়ে ভাবতে হবে । ![]()
৫|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১২
মাথা পাগলা বলেছেন: ৩ লাখ টাকার ৩% লোন মনে হয় ৬~৭ বছর মাসিক কিস্তি ৩~৪ হাজার হবে। সোলার প্যানেল বসাতে যে খরচ হয়, সেই টাকায় প্রায় ১০ বছর স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে আর ৩ লাখ টাকার ব্যাংক ইনটারেস্ট কনসিডার করলে আরও লস। ইনভার্টার, ব্যাটারি বদলানো, রক্ষণাবেক্ষণ আর জায়গার ঝামেলাও আছে। সোলার তাই এখনো অর্থনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় নয়। বাবার সাথে প্রতি বছর একবার হলেও সোলার প্যানেল নিয়ে কথা হয়। সে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এসব বিষয়ে তার ইনটারেস্ট বেশি। কিন্তু আমি ক্যালেক্যুলেশন করে দেখি - লস প্রজেক্ট হয়। জায়গা নিয়ে সমস্যা নেই কিন্তু মূল সমস্যা সোলারে কোন ইস্যু হলে কোম্পানি কেমন সার্ভিস দিবে খরচ কেমন যাবে - এসম্পর্কে কোন ধারনা নেই।
ইউটিউবে ভারতের কিছু ভিডিও দেখেছি। ভারত সরকার ৩০~৪০% বা ৫০% সাবসিডি দেয়। সরকার যদি নিজ উদ্যোগে সোলার ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে আরও বড় পরিসরে বিনিয়োগ করত জনগণ সাহস পেতো। অন্যদিকে সরকারি খরচে জনগণের বাড়ির ছাদে সোলার বসানোর উদ্যোগ নিতে পারে - ৫০% বিদ্যুৎ বাড়ির মালিক পাবে।
@সৈয়দ কুতুব
চার্জিং মেশিন অপারেট করার জন্য ১০০ সদস্যের কমিটি বিদেশ সফরে হাজার কোটি টাকা ধার্য করা হবে যা চার্জিং মেশিন সেট আপে খরচের থেকে বেশি হবে।
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৬
নতুন বলেছেন: দেশে সোলার বিদ্যুতের ভালো সম্ভবনা আছে। আমাদের দেশে গড় সৌর বিদ্যুত পাবার হার ভালো।
মাসিক কিস্তি ৩-৮ হাজার সেটা বিদ্যুত বিল থেকে বেচে যাওয়া টাকার সাথে আরো কিছু যোগ করলেই হয়ে যাবে। তার মানে বিদ্যুত বিলের টাকা বাচিয়েই সোলার সিসটেম হয়ে যাবে ৭-৮ বছরে।
আর যদি ব্যাটারী ব্যবহার না করে তবে রক্ষনাবেক্ষনের খচরা কমে যাবে। আর আমার যতদুর মনে পরে দেশের বাসার আইপিএসের ব্যাটারী বেশি পাল্টাতে হয় নাই। মানে ঐটার খরচাটা অত বেশি না।
৬|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাথা পাগলা @ সরকারের ভাবনা এমন তাই বলেছি। আমার কাছে এই কাজটি তুলনামুলক ভাবে সহজ মনে হয়েছে । আগের সরকার খালি আমদানি করে খাওয়া শিখাইসে । এই হেবিট সহজে যাবে না ।
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০
নতুন বলেছেন: সরকারী নেতা আমলা কামলাদের ধান্দাইতো পকেটে যতবেশি আমদানী হয়।
সরকার লোন সাপর্ট দিলে আর উতপাদিত বিদ্যুত একই দামে কিনে নিলে বাকিটা ব্যবসায়ীরাই করবে।
জনগনকে বুঝিয়ে ব্যবসায়ীরাই এই প্রগ্রাম এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আসলে উদ্দেশ্য ভালো থাকলে সবই সম্ভব। ধান্দার নিয়ত থাকলে ব্যক্তিগত লাভ ছাড়া ফাইল এগুবেনা।
৭|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:১৫
ভুয়া মফিজ বলেছেন: সৌর বিদ্যুৎ এর মতো একটা রিনিউয়েবল এনার্জির প্রসপেক্ট বা পটেনশিয়ালিটি যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ, এটা সবাই জানে। সরকারও জানে। তারপরেও এই খাতকে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত করে রাখার কারনও সবাই জানে। বিদ্যুৎ খাতে যে বিশাল একটা সিন্ডিকেট আছে, এরাই এসব করতে দিবে না; আমরা যতোই লেখালেখি করি না কেন। প্রতিটা সরকারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত সবাই এই সিন্ডিকেটের সদস্য ছিল / আছে। এদের দেশ নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নাই।
টুকুর মতো প্রমানীত একটা অপদার্থকে মাথায় বসিয়ে দেয়া থেকেই সব কিছু পরিস্কার বোঝা যায়!!!!!!!!!
যুক্তরাজ্যের মতো একটা দেশ যেখানে এর এভেইলেবিলিটি সীমিত, সেখানেও সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন স্কীম আছে। আর আমাদের মতো দেশে যেখানে এর সরবরাহ অবারিত, সেখানে বিভিন্ন রকমের বাধা দিয়ে রাখা হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, কাদের স্বার্থে এসব করা হয়!!!
৮|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকার ৩–৪% সুদে Solar Loan দেয়, তবে কয়েক মাসের মধ্যেই
অনেক কম্পানি বাংলাদেশ কয়েক লাখ ভবনে সোলার প্যানেল+মিটার
লাগিয়ে বিদ্যুতসের কস্ট কমাতে পারে।
............................................................................................
চিন্তা ভালো, কিন্ত চিন্তার সাথে বাস্তবতার সমন্য়য় করবে কে ?
ইতিপূর্বে সরকার বড় বড় ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহর পূর্বে শর্ত
দিয়েছিলো ৩০% বিদ্যুৎ সোলার থেকে ব্যবস্হা না নিলে
সংযোগ দেয়া হবেনা । সেই সুন্দর ব্যবস্হাকে এক শ্রেণীর
দূর্ণীতিগ্রস্হ লোক ব্যর্থ করে দেয় ।
ইডকল নামের একটি প্রতিষ্ঠান চরম দূর্ণীতি করে ,
কেউ এর প্রতিবাদ বা সুরাহা করে নাই ।
মনে হয় এদেশে কোন মা-বাবা নাই, আছে শুধু রাক্ষস খোক্ষস !!!
..........................................................................................
দু:খ হয়, ভালো কর্ম বাংলাদেশে দূর্ণীতির কারনে সফল হয়না ।
৯|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:২৭
ভুয়া মফিজ বলেছেন: বার্ষিক মোট সূর্যালোকের সময় (Annual Sunshine Hours)বাংলাদেশ: বছরে গড়ে প্রায় ২,২০০ থেকে ২,৪০০ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যের আলো পায়।
যুক্তরাজ্য: বছরে গড়ে মাত্র ১,৩৪০ থেকে ১,৪৯০ ঘণ্টা সূর্যের আলো পায় (যুক্তরাজ্যের আকাশ বছরের অধিকাংশ সময় মেঘলা থাকে)।
সৌর প্যানেল কার্যকরভাবে চার্জ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় তীব্র আলো বা 'পিক সান আওয়ার্স' এর তুলনা:
বাংলাদেশ: দৈনিক গড়ে ৪.৫ থেকে ৫.৫ ঘণ্টা।
যুক্তরাজ্য: দৈনিক গড়ে মাত্র ২.৫ ঘণ্টা।
সংক্ষেপে, বাংলাদেশ একটি রোদোজ্জ্বল ক্রান্তীয় দেশ হওয়ায় সোলার এনার্জি বা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যুক্তরাজ্যের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
এখন দুই দেশের এই সংক্রান্ত সরকারী-বেসরকারী সুযোগ-সুবিধার তুলনা করলেই বিষয়টা আপনার কাছে পরিস্কার হবে। ![]()
১০|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪১
ভুয়া মফিজ বলেছেন: রোদোজ্জ্বল----> রৌদ্রোজ্জ্বল...........বানাম বুলের জন্য দুঃখিত।
আল্লাহ (আপনে যদিও বিশ্বাস করেন না, তাও বললাম!!!
) আমাদের দেশকে অনেক দিয়েছে। আমাদের দেশের জারজ রাজনীতিবিদরা দেশকে আগাতে দিচ্ছে না। দেশের এই ধরনের জারজ সন্তানদের জন্য বহু মানুষ আবার তাদের জীবন-যৌবন উৎসর্গ করে দেয়। বুঝতেই পারছেন, কোন ধরনের আবাল এইসব নির্বোধ পরজীবীরা। এদের বিষয়ে কথা বলতে গেলে আমার মুখ দিয়ে ভালো কোন কথা বের হয় না।
গতকালকেও একজন স্থানীয় সাদা-চামড়ার সাথে আলাপ করতে গিয়ে বলছিলাম, প্রাকৃতিক রিসোর্সের দিক দিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের চাইতেও ধনী। শুধুমাত্র খাইসলতের কারনে দেশটা গরীব হয়ে আছে। সে প্রথমে দাত বের করে হাসলেও পরে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল।
১১|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৯
মাথা পাগলা বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: গতকালকেও একজন স্থানীয় সাদা-চামড়ার সাথে আলাপ করতে গিয়ে বলছিলাম, প্রাকৃতিক রিসোর্সের দিক দিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের চাইতেও ধনী।
আমরাও বিশ্বাস করতে পারছি না, আমাদেরও একটু বলেন।
১২|
২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৯
ভুয়া মফিজ বলেছেন: মাথা পাগলা বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: গতকালকেও একজন স্থানীয় সাদা-চামড়ার সাথে আলাপ করতে গিয়ে বলছিলাম, প্রাকৃতিক রিসোর্সের দিক দিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের চাইতেও ধনী।
আমরাও বিশ্বাস করতে পারছি না, আমাদেরও একটু বলেন।
মজা নেন নাকি, আপনে জানেন না? সারাদিন আম্লীগের অন্ধ সমর্থন করলে হবে? না জানলে একটু পড়াশোনা আর একটু মাথা খাটাইলেই জানতে পারবেন। তাছাড়া এইটা বিশাল আলোচনা, লিখে প্রকাশ করা আমার জন্য বেশ কঠিন। আপনে মনে হয় ইচ্ছা করেই আমাকে ঝামেলায় ফেলতে চাচ্ছেন!!!!! ![]()
১৩|
২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: এক কাজ করেন / সুদি মহাজনের গ্রামীন ব্যংকের কাছে প্রস্তাবটা দিয়ে দেখন। কোনো ব্যাবসা বাকি নেই তার। সো এটা একটা ভালো উদ্যোগ হোতে পারে।আপনিও ব্রোকার হিসেবে কাস্টমার সাপ্লাই দিলেন। কনভিন্স করার দায়িত্ব আপনার ॥ ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০২
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন: উত্তম পরামর্শ। আমি একমত।