নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর › বিস্তারিত পোস্টঃ

জনাব তারেক রহমান কি কথা রাখবেন?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর কোথাও থেকে জেমসের 'সোনার বাংলা' গানটি ভেসে আসল। লক্ষ্য করলাম গানটি থেকে 'তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুন জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন ' লাইনটি নেই। জেমসের ‘সোনার বাংলা’ গান পরিবেশনের সময় ‘তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুন জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষণ’ অংশটি বাদ দেওয়া—এটি কি ঠিক কাজ হয়েছে? ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও অধ্যায়কে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দেয় না।

সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত জনাব ফজলুল রহমান নির্বাচনে বিজয়ের পর তাঁর এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন—“আমার এই বিজয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট জিয়া সহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসর্গ করছি।” ভিন্ন রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে থেকেও মুক্তিযুদ্ধের নেতাদের প্রতি এমন সম্মান প্রদর্শন অনেক মানুষের কাছে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শ্রদ্ধা প্রদর্শন কখনো ছোট করে না; বরং রাজনৈতিক পরিসরকে আরও পরিণত করে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক অস্বীকৃতি ও প্রতিহিংসার চর্চা দীর্ঘদিনের। কিন্তু যদি একটি দল অন্য দলের ভুলকেই অনুসরণ করে, তাহলে আদর্শিক পার্থক্য কোথায় দাঁড়ায়? জনাব তারেক রহমান নিজেই বলেছেন—“আমরা প্রতিশোধপরায়ণতার রাজনীতি করব না।” সেই বক্তব্য বাস্তবে প্রতিফলিত হওয়াই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

২০২৩ সালের জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আমরা দেখেছি, তা সম্ভব হয়েছিল সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণের কারণে। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও স্পষ্ট হয়েছে—রাজনৈতিক বিভাজন যতই থাকুক, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা, মতাদর্শ ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমর্থন ছাড়া কোনো দলই শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে না।

অতএব, বিএনপির প্রতি প্রত্যাশা থাকবে—তারা যেন প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে একটি দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করে। দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে, তার যথার্থ মূল্যায়নই হবে ভবিষ্যৎ রাজনীতির প্রকৃত পরীক্ষা।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কথা রাখবেন কিনা সেটাই এখন দেখার পালা।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৮

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর বলেছেন: ধন্যবাদ সৈয়দ মশিউর রহমান।
সময়ই বলে দেবে প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক কৌশল ছিল, নাকি নীতিগত অবস্থান।

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৭

নতুন বলেছেন: অতএব, বিএনপির প্রতি প্রত্যাশা থাকবে—তারা যেন প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে একটি দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গঠন করে। দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে, তার যথার্থ মূল্যায়নই হবে ভবিষ্যৎ রাজনীতির প্রকৃত পরীক্ষা।


বিএনপির একটা একটা ভুল জাসির আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে সাহাজ্য করবে।

ইতিমধ্য অনেক আসনে জাসী খুবই কম ভোটে হেরেছে। বিএনপির প্রতিটা ভুলই এরা জনগনের সামনে তুলে ধরবে।

তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রীত্ব কস্টকরই হবে। B-)

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর বলেছেন: দারুণ পর্যবেক্ষণ। দ্বিমত করার সুযোগ নেই যে, ভোটের ব্যবধান যখন কম থাকে, তখন শাসক দলের প্রতিটি সিদ্ধান্তই বিরোধীপক্ষের জন্য সুযোগ তৈরি করে। এই নির্বাচনে আমি একটা বিষয় লক্ষ্য করেছিলাম - জনগণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা কেবল সমালোচনা নয়, সমাধানও দেখতে চায়। তারেক রহমানের জন্য প্রধানমন্ত্রীত্ব বেশ কঠিনই হবে।

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মানুষ খড়কুটো ধরে বাচার আশায় বিএনপিকে ভোট দিয়েছে ।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

অল্প বিদ্যা ভয়ংকর বলেছেন: সৈয়দ কুতুব ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যব।

“মানুষ খড়কুটো ধরে বাঁচার আশায় ভোট দিয়েছে”—এই পর্যবেক্ষণটি আসলে অর্ধেক সত্য। এবার মানুষ ভোট কেবল সমর্থন থেকে নয়, পরিবর্তনের আশায় দিয়েছে।

৪| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: উনি ইচ্ছে করলেও সব করতে পারবেন না, উনার হাত পা বাঁধা।

৫| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার পোস্টের বক্তব্যের সঙ্গে একমত। আমারও প্রত্যাশা, বিএনপি যেন এখন দলের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য কাজ করে এবং সে কাজে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে এগোতে পারে।

জেমসের গান থেকে, "তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুন জ্বলা জ্বালাময়ী সেই ভাষণ" কে মুছে দিয়ে গানটি বাজানো বেশ কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনা। অন্য কোন গান বাজালেই পারতো, কষ্ট করে গানের একটা লাইন ডিলিটের দরকার ছিল না। মনে হয়, জুলাই ২০২৪ পরবর্তী সময়ে এখনও বোধহয় বঙ্গবন্ধুর নাম প্রকাশ্যে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি দেশে তৈরি হয়নি। এটা এখনও পলিটিকালি অশুদ্ধ রয়ে গেছে। আশা করি সামনে এটা কেটে যাবে।

৬| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে তারক রহমান এখন আবেগে ভাসছেন।
আওয়ামীলীগ নাই। তারা শত আন্দোলন করেও আওয়ামীলীগকে তাড়াতে পারে নাই। এদিকে সে ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছে। নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। সব মিলিয়ে তিনি অস্থির।

তিনি এখনও লাইনে আসতে পারেন নাই।
যদি তিনি সৎ পথে চলেন, তাহলে উনার জন্য ভালো হবে। উনি অসৎ হলে, উনার কপালে দুঃখ আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.