নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সালাউদ্দিন রাব্বী

রাবব১৯৭১

সালাউদ্দিন রাব্বী

রাবব১৯৭১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন গর্বিত কর্মী।

০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১৫

আমি নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন গর্বিত কর্মী।
--------------------------------------------------------------
এই দলের রাজনীতি করতে গিয়েই আমি জীবনের প্রকৃত অর্থ, দেশপ্রেমের গভীরতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা পেয়েছি। এই সংগঠনের আদর্শ আমাকে শিখিয়েছে দেশ মানে শুধু একটি ভূখণ্ড নয়, দেশ মানে তার মানুষ, তাদের স্বপ্ন, তাদের অধিকার এবং তাদের সম্মান।
এই দলের রাজনীতি করতে গিয়েই আমি শিখেছি কিভাবে দুর্যোগ, দুঃসময় ও বিপর্যয়ের মুহূর্তে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। শিখেছি কিভাবে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে দিতে হয়। শিখেছি কিভাবে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে সোচ্চার হতে হয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হয় এবং গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে হয়।
এক সময় আমাকে শুধু আমার এলাকা বা ইউনিয়নের মানুষ চিনতো। কিন্তু আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি আমার জেলার অসংখ্য মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে আমি বুঝতে পেরেছি রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার জন্য।
এই সংগঠনের একজন কর্মী হিসেবে আমি শিখেছি কিভাবে মানুষকে মর্যাদা দিতে হয়, কিভাবে ভিন্ন মত ও ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষকেও সম্মানের চোখে দেখতে হয়। শিখেছি রাজনৈতিক সহনশীলতা, শিখেছি মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করতে।
তবে এই পথ কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এই আদর্শের পথে চলতে গিয়ে আমাকে বহুবার অপমান, অপদস্থতা এবং নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অসংখ্য মামলা-হামলার বোঝা মাথায় নিয়ে চলতে হয়েছে। কখনো জীবন রক্ষার তাগিদে প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে বিদেশের মাটিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করি বলেই শারীরিক নির্যাতনের নির্মম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে অনেক সময় আপনজনদের সাথেও দূরত্ব তৈরি হয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন সহ্য করতে হয়েছে।
তবুও আমি বিচলিত হইনি, ভেঙে পড়িনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি।আদর্শের পথে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, সত্যের পথে সংগ্রাম করতেই হয়।
আজও দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন গর্বিত কর্মী, জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত সৈনিক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একজন মানুষ

আমার পরিচয় ক্ষমতার নয়, আমার পরিচয় আদর্শের।
আমার পরিচয় ভয় পাওয়ার নয়, আমার পরিচয় সংগ্রামের।
আমার পরিচয় আপোষের নয়, আমার পরিচয় বিশ্বাসের।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১৭

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আফসোস, আপনি দলটার ভাওই বোঝেন নাই!

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫১

কলমনাই বলেছেন: চুরের দলের চুর
ছবিডা জমাত বানাইছে
ছবিডা বুঝার তর আক্কল নাই
কিরে চুর

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: রাবণ ভাই, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে অবস্থা তাতে আমার মনে হয় গর্বিত কর্মী দিয়ে খুব বেশি লাভ হবে না, গর্ভিত কর্মী লাগবে। মানে, আওয়ামী লীগ কে নতুন করে গর্ভে ধারন ও ভূমিষ্ঠ করতে হবে।

৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: আওয়ামীলীগের সবচেয়ে ভালো দিক হলো- জামাত শিবিরকে দমিয়ে রাখা। এবং উন্নয়ন অব্যহত রাখা।

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এনসিপিতে যোগ দিন ।

৬| ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬

নতুন বলেছেন: এই আদর্শের পথে চলতে গিয়ে আমাকে বহুবার অপমান, অপদস্থতা এবং নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। অসংখ্য মামলা-হামলার বোঝা মাথায় নিয়ে চলতে হয়েছে। কখনো জীবন রক্ষার তাগিদে প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে বিদেশের মাটিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি। শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করি বলেই শারীরিক নির্যাতনের নির্মম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে অনেক সময় আপনজনদের সাথেও দূরত্ব তৈরি হয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন সহ্য করতে হয়েছে।
তবুও আমি বিচলিত হইনি, ভেঙে পড়িনি। কারণ আমি বিশ্বাস করি।আদর্শের পথে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, সত্যের পথে সংগ্রাম করতেই হয়।
আজও দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন গর্বিত কর্মী, জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত সৈনিক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী একজন মানুষ


প্রতিটা রাজনিতিক নেতাই এমন ডেডিকেটেট কর্মী পাবার স্বপ্নে বিভোর থাকে।

মানুষকে মানুষের বিরুদ্ধে নিয়ে যায়, জয় বাংলা বা বাংলাদেশ জিন্দাবাজ স্লোগানের কারনে পিটিয়ে মেরেও ফেলে। মানুষকে তাদের লাঠিয়াল বাহিনিতে পরিনত করে।

রাজনিতিকরা মানুষকে একে অপরের বিরুদ্ধে অস্র ধরতে মটিভেট করে।

আর ঐ নেতার ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়াশুনা করে যোগ্য হয়ে দেশে ফিরে বাবার জমিদারীর গদিতে বসে, এমপি মন্ত্রী হয়।

আপনি বা আপনার মতন যারা আমলীগ/জামাত/শিবিরের নেতা কর্মী তারা ব্রেনওয়াসড হয়ে অল্প কিছু টাকা বা একটু ক্ষমতার লোভে অন্য একজন মানুষ কে আঘাত করছে এটা কখনো ভেবে দেখে না।

৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

আলামিন১০৪ বলেছেন: ব্যাংক ডাকাতির ভাগ নিয়ে বিদেশে আরাম করছে, (খিস্তি খেউর পড়তে হবে)...আওয়ামী দোসর রা @ নতুন

৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছে, সেটা জানতে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.