| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

বাংলাদেশে আমেরিকান দূতাবাসের এক বৈঠকের ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, আমেরিকা বাংলাদেশে একসময়ের নিষিদ্ধ জামাতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। সেখানে উল্লেখ আছে, সামনের নির্বাচনে জামাত ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো ফল করতে পারে।
এই প্রশ্নটা দিয়েই শুরু করা যায় - বাংলাদেশে আমেরিকান কূটনীতিকদের প্রধান কাজটা কী?
এই প্রশ্নের উত্তরে আপনি হয়তো বড় বড় সব কথা নিয়ে আসবেন। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্বার্থ রক্ষা, ভূরাজনীতি, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত রাখা, রাজনৈতিক স্বার্থ দেখা ইত্যাদি। এই উত্তরগুলো পুরোপুরি ভুল নয়। কিন্তু এগুলোর মধ্যে আসল কাজটির কথাই বাদ পড়ে গেছে।
খুব সম্ভব, কৌশলগত বড় সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশে বসে নেওয়া হয় না। সেগুলো ওয়াশিংটন বা আঞ্চলিক সদর দপ্তরের বিষয়। বাংলাদেশে যে ডিপ্লোম্যাটরা বসে আছেন, তাদের বাস্তব দায়িত্ব একটাই - বাংলাদেশে কার্যরত মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ সুরক্ষা করা। সোজা ভাষায় বললে, মাস শেষে মার্কিন কোম্পানিগুলো যে ইনভয়েস বা চালানগুলো দেয়, গ্রাহকরা সেটা ঠিকমতো পরিশোধ করছে কি না, সেটা দেখা তাদের কাজ। বাংলাদেশে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সবচেয়ে বড় গ্রাহক বাংলাদেশে সরকার নিজেই। আর এই পাওনা পরিশোধ হয় ডলারে। ফলে প্রথমেই আসে বৈদেশিক মুদ্রার প্রশ্ন। এখন ভেবে দেখুন কেন এই কূটনীতিক প্রথমেই রেমিট্যান্সের প্রসঙ্গটা তুললেন।
এরপর পরের প্রশ্ন: কোন রাজনৈতিক শক্তি সরকারে এলে দেনা-পাওনা নির্বিঘ্ন হয়? দুর্নীতির প্রশ্ন এখানে পুরোপুরি তাদের স্বার্থ কেন্দ্রিক, আমাদের নয়। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারা কি সময়মতো ডলারে বিল পরিশোধ করতে পারবে? কার সঙ্গে লেনদেনে সুবিধা হবে? যদি কোনো সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত হয়, কিন্তু পাওনা ঠিকঠাক দেয়, তাহলে ছাতা ধরা হবে সেদিকেই। গণতন্ত্র, শরিয়া, মানবাধিকার এসব কাজের কথার ফাকে ফাকে একটু সুন্দর প্রসঙ্গ মাত্র।
আপনি যদি কখনো কারও কাছে নিজের পাওনা টাকা চাইতে যান, তাহলে আগে খোঁজ নেন, পাওনাদারের সব খবব ভালো কি না। পরিবার, সন্তানেরা কেমন আছে - এটা দিয়েই কথাবার্তা শুরু হয়। এখানেও তেমনই। পার্থক্য শুধু এক জায়গায়: টাকা না পেলে আপনি হয়তো ভদ্র মানুষ হিসেবে চুপ করে যান, কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।
তাদের এই চরিত্রটা নতুন নয়। মার্কিন নীতির এটা ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য। এর বীজ রয়েছে আমেরিকার ফাউন্ডিং ফাদারদের চিন্তার মধ্যেই। জেমস ম্যাডিসনের সেই বিখ্যাত ধারণা এখানে মনে রাখা দরকার: "সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো সম্পদশালী সংখ্যালঘুকে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের হাত থেকে রক্ষা করা।" এই দর্শন শুধু পররাষ্ট্র নীতিতে নয়, পুরো আমেরিকান রাষ্ট্রব্যবস্থার ভেতরেই প্রোথিত। শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র ছিল সীমাবদ্ধ গণতন্ত্র, যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত, যাতে তা কখনো ধনী বা কর্পোরেট শ্রেণির স্বার্থের জন্য হুমকি হয়ে না দাঁড়ায়। এই তত্ত্বই পরে আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্প্রসারিত হয়ে বাংলাদেশের মতো দেশে হাজির হয়েছে।
কিন্তু এই ভয়ঙ্কর লোভ ও স্বার্থসিদ্ধির বিষয়টা আমাদের মাথায়ই আসে না। আমরা গরিব বলেই আসেনা। গরিবেরা সচরাচর অমানবিক হয়না। মার্কিন ডিপ্লোম্যাটদের প্রধান কাজ যে আসলে নিজেদের দেশের কোম্পানিগুলোর পাওনা আদায় নিশ্চিত করা, এই কথাটা আমরা ভাবতেই পারি না।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: আমার এই পোস্টটা পড়ে আপনি খুবই ভালো করে বুঝেছেন। এটাও বুঝেছেন যে, আমি একবর্ণও বাড়িয়ে বলিনি এবং মিথ্যা বলিনি।
আবার পল্টি নিলেন এভাবে যে, আমি অভিজাত শ্রেণির লোক। আপনাদের জামাতরা যে দেশের সবচেয়ে অভিজাত, আর আমার মত দুই-পাচঁটা চমস্কি, রাসেল, রবীন্দ্রনাথের বই পড়া লোকেরা যে পাগলাটে চিন্তার, কল্পজগতের লোক - এটাও আপনি ভালো করেই জানেন।
২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পিটার হাস বারবার শেখ হাসিনা রেজিম কে তাগাদা দিয়েছিলো তাদের company গুলোর ডলার কেন দেয়া হয় না ? আপনার লেখায় সেটার ডিটেইলস ফুটে উঠেছে ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩২
শ্রাবণধারা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পিটার হাস বারবার শেখ হাসিনা রেজিম কে তাগাদা দিয়েছিলো তাদের company গুলোর ডলার কেন দেয়া হয় না ?
এই খবরটা আমার জানা ছিল না। আপনি কত গুরুত্বপূর্ণ একটা খবর উল্লেখ করলেন। আপনাকে পুরস্কৃত করা উচিত।
আমি কিন্তু এই বিষয়গুলোকে একেবারে কাছে থেকে দেখেছি। এখন দেখছি, তবে একটু ভিন্নভাবে!
৩|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমেরিকা-ইরান কি লেগে যাবে ? খবর বেশি ভালো না ।
।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: ট্রাম্প আর দেশের খববের চাপে আমেরিকা-ইরানের খবরের গুরুত্ব কমে গেছে। মোল্লাতন্ত্রের পতন সময়ের অপেক্ষা, কিন্তু সেটা হচ্ছে খুব খারাপ ভাবে।
৪|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪
নিমো বলেছেন: পুঁজিবাদ আর ধর্ম একই। পুঁজিবাদে লাভ ক্ষতি, ধর্মে পাপ পূণ্য। পুঁজিবাদে দুনিয়ায়ই জান্বাত জাহান্নাম (টাকা ক্ষমতা
থাকলে, ধর্মেও তাই, টাকা ক্ষমতায় দান, খয়রাত, যাকাত, হ্বাজ, তীর্থ, মসজিদ, মন্দিী, প্যাগোডা, চার্চ নির্মান। সুতরাং ধর্মভিত্তিক রাজবীতি আর পুঁজিবাদতো হাতে হাত ধরে চলার কথা।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: একেবারে সঠিক! শুধু অলংকারিকভাবে নয়, একেবারে অক্ষরে অক্ষরে।
পৃথিবীর সবচেয়ে ধনীরা এখন আর্মাগেডনের এক্সিট প্লান করছে - এটা শুনেছেন নাকি?
৫|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে আমেরিকান কূটনীতিকদের প্রধান কাজটা কী?
......................................................................................
এক কথায় আমেরিকার ডীপ ষ্টেটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা ।
একসময় পাঁতি হাঁসকে ( পিটার হাস ) অনেক লাফ ঝাঁপ দিতে দেখেছি
কিন্ত তৎকালীন সরকার গুরুত্ব না দেওয়ায় পরিনতি ভোগ করছে ।
তিনি এখনো নানাভাবে বাংলাদেশে সংযোগ বজায় রেখেছে ।
এখন আবার নূতন রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এসেই দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন
অতএব অপেক্ষা করুন , নূতন কিছু দেখতে পাবেন ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: দেখার আর তেমন কিছু বাকি আছে বলে মনে হচ্ছে না। যথেষ্ট দেখা হলো।
৬|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫
নিমো বলেছেন: মেঠোপথ২৩, আগে বলেনতো আপনি কোন দেশের ইঁদুর? সিংহপুর, নাকি মালয়েশিয়া?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: তার মন্তব্যটা আমাকে ব্যথিত করেছে। অপরিণত চিন্তার সঙ্গে দুষ্টবুদ্ধির সংমিশ্রণটা খুব খারাপ।
অথচ কিছুদিন আগেই জুল ভার্নের পোস্টে ওনার পক্ষ নিয়ে মন্তব্য করায় আমি ব্লক খেয়েছি। সেখানে আমি জুল ভার্নকে বলেছিলাম, আপনি যে বলছেন ছাত্ররা একটিমাত্র ডিম তিন-চারজন ভাগ করে খায়, এটা বাংলাদেশে বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরাই করে; আমিও আমার শৈশব, কৈশোর ও তরুণ বয়সে এক ডিম তিন-চারজনে ভাগ করে খেয়েছি। সেই তিনি এখন আমাকে অভিজাত বলে খোটা দিচ্ছেন!
৭|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
পুরো পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লাম। একটি কিন্তু থেকেই যায়? শেখ হাসিনা কিন্তু সর্বাত্মক চেষ্টা করে গেছে আমেরিকার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে; ভারতে বাইডেনের পাশাপাশি হাঁটা, পুতুল সহ ছবি কোন কিছুই তার আন্তরিকতা কম ছিলো না। মার্কিন পন্যের বা ব্যবসায়ীদের এমন কোন বিধিনিষেধ নিষেধাজ্ঞা তার তরফ থেকে দেওয়া হয়নি। তাহলে এই রিজিম চেঞ্জ কেন? আপনার কি মনে হয়?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪০
শ্রাবণধারা বলেছেন: কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: শেখ হাসিনা কিন্তু সর্বাত্মক চেষ্টা করে গেছে আমেরিকার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। তাহলে এই রিজিম চেঞ্জ কেন?
সেটি একেবারে ভিন্ন প্রসঙ্গ, কলিমুদ্দি দফাদার। হাসিনা উৎখাতের আন্দোলনে আমেরিকা সমর্থন দিয়েছে কিন্তু তারা রেজিম চেঞ্জ করেনি। দাবিকৃত পাওনা টাকা না দিলে মাফিয়ারা কী করে? গুণ্ডা পাঠিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়, মেরে ফেলে না। মেরে ফেললে টাকা শোধ করবে কে? এখানেও বিষয়টা তেমনি। আমেরিকা রেজিম চেঞ্জ করলে, দেশটা একেবারে ধ্বংস হয়ে, দেউলিয়া হয়ে যাবার সম্ভাবনা তৈরি হত। রেজিম চেঞ্জ তারা করবে যেখানে প্রচুর উত্তোলনযোগ্য সম্পদ আছে, বাংলাদেশে নয়।
আমেরিকার ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে বিএনপি বনাম জামাত - এই দুটির মধ্যে তারা মনে করছে জামাতই ভালো। জামাতের সাথে তাদের এই পার্টনারশিপ আগেও ছিল। আমি যে সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে এটা লিখেছি, তখনই তারা সেই সম্পর্ক তৈরি করেছিল। এখন সেটা ঘোষণাযোগ্য হয়ে গেছে। বিএনপি আর জামাতের মধ্যে জামাত জঙ্গি হলেও এবং জঙ্গি বলেই, তাদের কাছে পছন্দের পেশাজীবী। সংখ্যালঘু, মানবাধিকার, জনসমর্থন - এগুলো তারা আমাদের মত দেশের জন্য গোনার মধ্যেই ধরে না।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: আর হ্যাঁ, আমি যদিও ওয়াশিংটন পোস্টে প্রাসুন ভার্মার লেখাটা পড়েছি, কিন্তু আমার এই পোস্ট লেখার সময় আমার মাথায় ছিল শুধু মাত্র অডিও ক্লিপটা, ওয়াশিংটন পোস্টের নিউজ নয়।যদি অডিও ক্লিপ না থাকতো, তবে শুধু নিউজ পড়ে এটা আমি লিখতে পারতাম না।
ওয়াশিংটন পোস্টের লেখাটার মধ্যে প্রচুর ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গির বিষয় আছে। অডিও লিকের পিছনে জামাত থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু ওয়াশিংটন পোস্টের ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা জামাতের পেইড হবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীন।
এ বিষয়ে আমাদের সৈয়দ কুতুব সাহেব কি বলেন?
৮|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৪
রাজীব নুর বলেছেন: কেউ যদি জামাতকে বলে, ট্রম্পের পা চাটলে আপনাকে বাংলাদের সরকার করা হবে, জামাত তাই করিবে।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪২
শ্রাবণধারা বলেছেন: বলেন কি তাই নাকি? আমার এই লেখাটাই কি আমি এধরনের কিছু লিখেছি?
৯|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এ বিষয়ে আমাদের সৈয়দ কুতুব সাহেব কি বলেন ?
আমার কাছে মনে হয়েছে তারেক রহমানের মুখের (পুনদানি) শুনে জামাত-এনসিপি পুরোই আউলা হইয়া গিয়েছে । তাই গতকাল মিডিয়া হাইপ পেতে জামাত এটা লিক করে দিয়েছে অডিও কারো হেলপ নিয়ে । জামাত কে পাওয়ারে আনতে হলে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা কারচুপি করতে হবে । আপনার কি মনে হয় তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন এই নিশচয়তা ছাড়া যে সরকার গঠন করতে পারবে না ? সে জেনে বুঝেই এসেছে । না হলে শেখ হাসিনার শেষ ইলেকশনে মিরফা ফখরুল কে জেলে যখন ১২০ সিটের কথা বলে বিএনপি রাজি হয় নাই। যদি ১৫১ সিট বলতো ঠিকই রাজি হতো।
লিখে রাখেন যদি জামাত সরকার জিতে সেরা মারামারি হবে বাংলাদেশে । বিএনপি-লীগ এক জোট হয়ে ৩০ মিনিটের মাঝে জামাতের সরকার ফেলে দিবে । কোনো জংগি কিংবা ডাকসু দিয়ে কাজ হবে না ।
।
১০|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
নিমো বলেছেন: মেঠোপথ২৩, আগে বলেনতো আপনি কোন দেশের ইঁদুর? সিংহপুর, নাকি মালয়েশিয়া?
ব্লগের মতো একটি প্লাটফর্মে সামান্য রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে কয়েকটি মাল্টি নিক খুলে সিন্ডিকেট করে আরেকজন ব্লগারকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারার বিষয় সত্যি আমার মাথায় আসে না। ব্লগ এইসব করে কি টাকা পাওয়া যায়, তাহলে আমি কয়েকটি মাল্টি খুললাম!! সামুত স্বনামধন্য ও আমার প্রিয় একজন ব্লগারের- হাইজেনবার্গ নামে একটি মাল্টি বুঝলাম আজকে। ওনার বা ওনার গ্রুপের লোকজনের সাথে একটি রাজনৈতিক দলের বিষয় নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় উনি হাইজেনবার্গ নিকে প্রকোট হয়েছেন।
কিভাবে বুঝেছি- আমার বেশ কিছু পোষ্টে তাহার এই নিকে নিয়মিত কয়েকটি মন্তব্য।রওশন এরশাদ দেশে মাদক ঠুকানোর সময় তিনি কলেজে পড়েন আর এরশাদ পতনের সময় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে। :p আমাকে উদ্দেশ্য করে নতুন নকিবের পোষ্টে সালমান খানের ছবির একটি গানের লিংক দিয়েছেন- ছবি রিলিজের সময়কাল ১৯৮৯ । ৫০ উদ্ধো একজন মানুষ ব্লগে এইসব ছেলে মানুষী করে? উনি নিজে আইডি থেকে আমাকে বুঝায়ে দিলে বরং আরো খুশি হতাম।
সামুতে আমার আইডি পুরানো হলেও গত প্রায় এক বছর নিয়মিত ব্লগে। আমার প্রকাশ্য কারো সাথে কোন তিক্ততা নেই। যাকে যা বলার স্পষ্ট করে বলি। এদের কাজকর্ম দেখে মনে হইলো- এক ব্লগের কিছু পোষ্ট নিয়ে বাবা এতো আয়োজন।
১১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
লিখে রাখেন যদি জামাত সরকার জিতে সেরা মারামারি হবে বাংলাদেশে । বিএনপি-লীগ এক জোট হয়ে ৩০ মিনিটের মাঝে জামাতের সরকার ফেলে দিবে । কুতুব আপনার পয়েন্টের সাথে শতভাগ সহমত। কিন্তু একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিএনপি না পাইলে তো সেইম কাজ জামাত ও করবে। ঢাকাশহ বিভাগীয় সব বড় শহরের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এখন জাশির দখলে। ঢাকা শহর সহ বড় শহরগুলো তাঁদের অচল করে বেশি সময় লাগার কথা না। সাথে আরো কয়েকটি ইসলামী দলের লক্ষাধিক মাদ্রাসার ছাত্র তো রয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে ও সরকার চালাতে পারে কিনা কে জানে?
১২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দফাদার@কোয়ালিশন সরকার হবে । আপা-জাপার নতুন ভারশন হবে ।
১৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩১
নিমো বলেছেন: শ্রাবণধারা বলেছেন: তার মন্তব্যটা আমাকে ব্যথিত করেছে। সেই তিনি এখন আমাকে অভিজাত বলে খোটা দিচ্ছেন!
উনাদের নিয়ে মাথা ব্যাথা করে লাভ নেই। ইউনূসের আশ্রয়-প্রশয়ে জা-শি খানিকটা ক্ষমতার স্বাূূদ পেয়ে, ধরাকে সরা জ্ঞান করছে।
১৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৩৪
নিমো বলেছেন: শ্রাবণধারা বলেছেন:পৃথিবীর সবচেয়ে ধনীরা এখন আর্মাগেডনের এক্সিট প্লান করছে - এটা শুনেছেন নাকি?
হ্যাঁ শুনেছি। মার্ক জাকারবার্গতো অর্ধেক হাওয়াই কিনে ফেলেছেন। প্রযুক্তি ভিত্তিক সামন্তযুগের দোরগোড়ায় আমরা।
১৫|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
নিমো বলেছেন: @কলিমুদ্দি দফাদার,সামু ব্লগে গালাগালি নূতন কিছু না। তবে মাল্টি, সিন্ডিকেট করে গালাগালি যারা করেন তাদের চেয়ে ঘৃণ্য আর হয় না। এরা অনেককে ব্লগ ছাড়া করেছেন, কিন্তু তার বিপরীতে নূতন কিছু ব্লগকে তারা দিয়েছেন এমন নয়। সুপ্ত, গুপ্ত, লুঙ্গির নিচে থাকারাই মাল্টি, সিন্ডিকেট করে। রাজনীতি, ধর্ম নিয়ে মতদ্বৈততা থাকবেই, আমরা এমন বুদ্ধিবৃত্তিক জনগোষ্ঠীতে পরিণত হই নি যে, গালাগালি ছাড়া একাডেমিক ডিসকোর্সে যুক্ত হবো। কিন্তু অন্যকে দোষারোপ করে যারা মা্লি, সিন্ডিকেট করে তাঁদের মত নির্লজ্জ আর হয় না। আমাকে নিয়ে ঢাবিয়ান ওরফে মেঠোপথ২৩ ওরফে...যা করেছেন, তাতে উনাকে হাজতবাস করানো দরকার।
১৬|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:১২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
@নিমো: কিছু রিকশাওয়ালাকে যদি জিগান মামা কারে ভোট দিবেন, বলবো- আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব দেখছি এবার জামাতরে ভোট দিমু। কিছু পাবলিক তখন খটকায় পড়ে যায়, আসলেই তো? বেক ডোরে খবর নিলে পাবেন কোন জাশি তারে হাজার টাকা দিয়ে গেছে এইগুলা বলার জন্যে। :p
ব্লগের এই সিন্ডিকেট জাশির গিরগিটি এখন কিংস পার্টির রং ধরছে। জাশির হইয়া তো সরাসরি কিছু বলা যায় না তাই ঘুরায়ে পেচায়ে নিউমার্কেটে থেকে কুত্তা মারার ওষুধ দিয়া নেশা করা আদম ও এখন শরিয়ার চাই বলছে। :p মানুষ বয়স হইলে জ্ঞান-বুদ্ধি বাড়ে, বুইড়া বয়সে আইসা ব্লগে এই ইতরামি করে? শা** আমারে কয় আমি নাকি মাথা পাগলার মাল্টি, যার মনে যা, আরেক জনেরে মনে করে তা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:১২
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: কি করবেন বলেন! পরিবারতন্ত্রের বিশাক্ত মাফিয়া রাজনীতিতে পিষ্ট এই দেশের গরিব মানুষের ভুতাত্ত্বিক জটিল রাজনীতি , পরাশক্তির লোভ ও স্বার্থসিদ্ধি ইত্যাদি বুঝার ক্ষমতা কোথায়!! চোখের সামনে দৃষ্যমান দুর্নীতিবাজ মাফিয়া রাজনীতিবিদদের ভিসা নিশেধাজ্ঞার আওতায় আসতে দেখতে পারলে আমরা খুশি হই। গনঅভ্যূত্থানে সরকারের পাখির মত গুলি করে নিজ দেশের মানুষ মারাকে পরাশক্তি নিন্দা করতে দেখলে আমজনতার বুকে সাহস ও স্বস্তি ফিরে আসে। আমাগোর মত ব্লাডি সিটিজেনদের পরাশক্তির আসল উদ্দেশ্য বুঝতে হলে আগে দেশকে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর হইতে দেন। তারপর নিশ্চই আপনার পোস্টের মর্মার্থ বুঝতে আমরা সমর্থ হব!!