| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
গতকাল রাত ১২ টায় খুব মেজাজ খারাপ হয়েছে।
বাসায় এসে বসেছি মাত্র। আর গলির ভিতর ঢুকেছে মিছিল। ধানের শীষের মিছিল। রাত ১২ টায় কেন মিছিল করতে হবে? ফাজলামোর একটা সীমা থাকা উচিৎ। আমি যদি ধানের শীষের সাপোর্ট করতাম, শুধু মাত্র রাত ১২ টায় মিছিল করার জন্য, ধানের শীষে ভোট দিতাম না। রাতে খেতে বসেও মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে! সুরভি রান্না করেছে মূরগী। অথচ আমি আশা করেছিলাম সুরভি মিনি মাছ রান্না করবে পালং শাক দিয়ে। আমি নিজে বাজারে গিয়ে মিনি মাছ নিয়ে এসেছি। দেশী মাছ। পেট ভরতি ডিম। আট শ' টাকা কেজি। অথচ সুরভি রান্না করেছে মূরগী! আমি ভদ্র লোকের সন্তান। তাই চিল্লাচিল্লি করলাম না। শুধু বললাম- মূরগী খাবো না। একটা ডিম ভেজে দাও। সুরভি ডিম ভাজি করে দিলো। হায় আল্লাহ! ডিম খেতে গিয়ে দেখি মরিচ দেয়নি। কাচা মরিচ ছাড়া ডিম ভাজি ভালো লাগে? ফ্রিজে সম্ভবত কাচা মরিচ নেই। আমার ভাগ্যটাই খারাপ!
আমি পাশের ঘরে ঘুমাতে গিয়েছি।
কিছুতেই ঘুম আসছে না। এপাশ ওপাশ করছি। ঘুম কেন আসছে না? কারণ আজ অনেক কাপ চা খেয়েছি। যাইহোক, দুটায় বিছানা থেকে নেমে এক গ্লাস পানি খেয়ে আবার বিছানায় গেলাম। এবং ঘুমিয়ে গেলাম। ঠিক তিনটায় ঘুম ভেঙ্গে গেলো। অনেক ভয় পেয়েছি। স্বপ্নে কি দেখে ভয় পেয়েছি কিছুতেই মনে করতে পারছি না। মনে হচ্ছে ঘরে কেউ একজন আছে। এটা ভেবেই ভয় লাগছে। ভয়ে ভয়ে সাড়ে চারটা বেজে গেলো, ঘুম আর আসে না। আকাশ ফর্সা হতে শুরু করেছে! বুঝে গেলাম ঘুম আর আজ আসবে না! ইচ্ছা করছে এক কাপ চা খাই। সুরভিকে এখন যদি ডেকে বলি, এক কাপ চা দাও? সুরভি মনে হয় আমার গলা টিপে ধরবে। অথচ সুরভি কথা দিয়েছিলো, আমি চা চাইলেই চা পাবো। কেউ কথা রাখে না। আসলে মানুষ কথা দেয়, কথা না রাখার জন্য।
প্রতিদিন সকালে আমাকে একটা করে 'কমেট এক্সআর' খেতে হয়।
ওষুধটা খেতে আমার একেবারেই মনে থাকে না। ওষুধের কথা মনে পরাতে রুবা'র কথা মনে পড়লো। রুবা আমাদের সাথে পড়তো। খুব সুন্দর একটা মেয়ে! রুবা ওষুধ খেতে পারতো না। এত বড় একটা মেয়ে অথচ ওষুধ পানি দিয়ে গিলে খেতে পারে না। এই রুবা যখন আমাদের ক্লাসে প্রথম আসে, আমি তার সাথে সবার আগে ভাব করতে যাই। আমি ছিলাম আমাদের কলেজের হিরো। যাইহোক, ক্লাশ শেষে রুবা চলে যাচ্ছিলো। আমি দৌড়ে রুবার কাছে যাই। গিয়ে বলি- এটা হয়তো আপনার রুমাল। এই নিন। রুবা অবাক হয়ে আমাকে দেখলো। একটু হেসে বলল, এটা আমার রুমাল না। আমি রুমাল ব্যবহার করি না। আমি বললাম, আপনি সিউর, এটা আপনার রুমাল না? কথা বলতে বলতে আমরা হেঁটে চলেছি।
রুমালের টেকনিকটা অনেক পুরানো।
আমি শিখেছি একটা হিন্দি মুভি থেকে। মুভির নামটা এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। তবে সিনেমায়- নায়ক অমিতাভ। নায়িকা রেখা। রেখা হেঁটে যাচ্ছিলো। অমিতাভ দৌড়ে গিয়ে বলে, আরে ম্যাডামজ্বী আপকা রোমাল গিরগায়া। রুমাল দিয়ে প্রথম আলাপ। তারপর ঘটনা অনেক দূর যায়। আমি জানি না আজ রুবা কেমন আছে? কোথায় আছে? রুবাকে দেখতে মন চায়। রুবা কি আমাকে দেখলে চিনতে পারিবে? আমাদের দেখা হলে বেশ হতো। দুজনে চা খেতে খেতে পুরোনো দিনের গল্প করতাম। আহ কত না আনন্দ হতো! ঘুরেফিরে পুরোনো মানুষদের সাথে দেখা হলে ভালো লাগে।
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৪
বাকপ্রবাস বলেছেন: মিছিলটা জয়বাংলার হলে কিছুটা স্বস্থি দিত হা হা হা...........
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
চায়ের তেষ্টা বড় তেষ্টা।
একবার লাগলে ছাড়াছাড়ি নাই!
আমার মাঝে মাঝে রাতেরবেলা খেতে ইচ্ছা করে। আমি বানাতে পারি। কিন্তু, রাহমিন যেভাবে বানান, সেইরকম মজার হয় না। তাই, বানাই না।
শেষে পানি গরম করে হরলিক্স গুলিয়ে খেয়ে ফেলি। ![]()
৪|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আসলে মানুষ কথা দেয়, কথা না রাখার জন্য।
............................................................................
আমরা মানুষের পর্যায় পড়িনা , কথা রাখব কি করে ।
দেখে এলাম ইউরোপ, যে কথা সেই কাজ
একটুও নড়চড় নেই !
সুতরাং আগে আমাদের বাস্তবিক মানুষ হতে হবে
তারপর মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন করুন ।
.............................................................................
মনের গোপন কোন যে ইচ্ছা বাসা করে , তা সবার অজান্তে
অনুকূল সময়ে আবার জানান দেয়, তারমানে হলো মেয়েটি
তখন একটু পাত্তা দিলে সম্পর্ক অনেক দূর গড়াত, অথচ এই
এই না পাওয়া মনের গভীরে দাগ কেটে আছে ।
৫|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৬
সামরিন হক বলেছেন: ভাবি জানে ?!! লল
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮
আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: একনিঃশ্বাসে পড়লাম । আমিও হারিয়ে গেলাম কিছুটা কিংবা মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই আশির দশকে সেই কলেজ জীবনে । তখন মনে মনে একটা গান আওড়াই- “ মনে হয় হাজার বছর ধরে দেখিনা তোমায়..,উড়ছে শুধু স্মৃতির ধুলো পথের হাওয়ায় হাওয়ায়..দেখিনা তোমায়..।”- শাম্মি আখতারের গাওয়া !