| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায়।
বিএনপির অতীত রাজনীতির ইতিহাস ভালো নয়। এরা ক্ষমতায় থাকলে দূর্নীতি বেশি হয়। চাদাবাজি বেশি হয়। জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। এরা ক্ষমতায় থাকলে তেল, পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দেয়। খুন, ধর্ষণ, চুরী ছিনতাই বেশি হয়। সব মিলিয়ে দেশে খারাপ অবস্থা। সত্যিকার অর্থে দেশের মানুষ ভালো নেই। দেশে শান্তি নেই। দেশে বেকারের সংখ্যা আগের চেয়েও বেড়েছে। এমনকি রাস্তায় ভিক্ষুকের সংখ্যাও বেড়েছে। চাকরি সৃষ্টি করার মতো মেধা বিএনপি সরকারের নেই। আমাদের দেশে যে পরিমাণ সম্পদ আছে, সেটুকু দিয়ে পুরো জাতির ভালো থাকা সম্ভব। দেশের টাকা চলে যায় বিদেশে। দূর্নীতিবাজরা জাতির কপাল পুড়ে দিয়েছে।
আজ আমাদের বাসায় সকাল থেকেই গ্যাস নেই। রান্না বন্ধ।
বাসায় বসে আরাম করে কাপ চা খাবো সেই উপায় নেই। রেস্টুরেন্টে গিয়ে চা খেয়ে আসিব সেই উপায়ও নেই। গতকাল অনেক বৃষ্টি হয়েছে। সব রাস্তায় পানি জমে আছে। বাইরে গজব অবস্থা। আওয়ামী লীগের আমলে কখনও গ্যাস, পানি আর বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা হয়নি। আমরা জনগণ চাই এই দেশে সুন্দর ভাবে বেচে থাকতে। জুলাই মাসে ক্যু হয়েছে। অথচ তারা নিজেদের বিপ্লবী বলে দাবী করছে। অযথাই কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলো জুলাই যাদুঘর করতে গিয়ে। নুন্যতম লজ্জাবোধ থাকলে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা বলে দাবী করতো না। পুলিশ হত্যা করে, থানায় আগুন দিয়ে, পুলিশের অস্ত্র লুট করে, ৩২ নম্বর ভেঙে, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙে এবং সারা দেশে জ্বালাও পোড়াও কোন আক্কেলে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা দাবী করে!
বিএনপি দেশ পরিচালনা করতে জানে না।
এরা শুধু সংসদে চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলবে। কাজের কাজ কিচ্ছু হবে না। এখন আগের চেয়ে বেশি দূর্নীতি হচ্ছে। খুব শিঘ্রই দেশ আবার দূর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে। দীর্ঘদিন আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় ছিলো। ১৭ বছর পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। এরা এখন প্রতিশোধ নিচ্ছে। খুন করছে, চাদাবাজি করছে, ফুটপাত দখল করছে, মন ভরে দূর্নীতি করছে। আওয়ামী নেতা কর্মীদের মারছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠাচ্ছে। বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে। তারা এখন মন্দ কাজের উৎসব করছে। বিএনপি ভালো হলে সবার আগে পুলিশ হত্যার বিচার করতো। তারা নিরপেক্ষ হলে ৩২ নম্বর ভেঙে ফেলার বিচার করতো। ছাগলের বাচ্চারা আবার জুলাই সনদ দাবি করে! এদের সাইজ করার জন্যই অন্তত আর একবার শেখ হাসিনার আসা উচিত।
খাম্বামিয়া দেশে এসে বলেছেন, তার একটা প্লান আছে।
কি প্লান সেটা বুঝতে পারছি না। ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কিছু দিন মাতামাতি করলেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশে এখন পর্যন্ত ভালো কিছু হতে দেখিনি। পুলিশের লোকজন ট্রাফিক কন্ট্রোল করতেই হিমশিম খাচ্ছে। এরা আসামি ধরবে কি! পুলিশের লোকজনের জুলাই মাসেই মনোবল ভেঙে গেছে। অনেক পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ মেরে উল্টো করে বীজে জুলিয়ে রেখেছে। থানায় আগুন দিয়েছে। এসবের বিচার হয়নি। এসবের বিচার হওয়াটা জরুরি ছিলো। ৩২ নম্বরে সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে গেলে, তাদের ধরে অপমান অপদস্ত করা হচ্ছে। প্রশাসন নির্বিকার। দেশে কি কোনো আইন নেই? যার উপরে রাগ ক্ষোভ আছে, তাকে ধরে পিটানো হচ্ছে আর বলা হচ্ছে আওয়ামীলীগের দোসর। বাহ কি সুন্দর। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিরোধী দল হচ্ছে জামাত। যে জামাত স্বাধীনতা বিরোধী।
এদিকে এনসিপি হচ্ছে জারজদের দল। এরা জামাত শিবির এবং এনসিপি হচ্ছে বাংলাদেশের অভিশাপ। এরা যতদিন থাকবে ততদিন বাংলাদেশের ভালো হবে না। শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে ইউনুস। ইউনুস ক্ষমতা নেওয়ার পর জামাত শিবির মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। কারাগার থেকে সমস্ত দাগী আসামি বের হয়ে যায়। ইউনুস চেয়েছে বলেই, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ভেঙে ফেলা সম্ভব হয়েছে। দেশটাকে শেষ করে দিচ্ছে জামাত শিবির। এরা এতটাই ভয়ংকর যে কবর থেকে লাশ উঠিয়েও পিটায়। জামাত শিবিরের বাপ হচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান এদের দিয়ে ৭১ এর প্রতিশোধ নিচ্ছে। জামাত শিবিরকে বিএনপি থামাতে পারবে না। এদেরকে থামাতে পারবে শেখের বেটি।
জাতির ভালোর জন্য দরকার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ।
জুলাই মাসে শুধু আওয়ামিলীগ নয়, পুরো জাতির সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। জামাত শিবির কঠিন এক খেলা খেলেছে। হাসিনা খেয়াল করেন নাই। এদিকে জামাত দেশের প্রতিটা সেক্টরে তাদের লোক ঢুকিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জামাতকে সাপোর্ট করে। সেনাবাহিনী চেয়েছে বলেই, আওয়ামীলীগের পতন হয়েছে। সেনাবাহিনী কিছুটা করুনা করেছে বলেই তারা সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে পারেনি। দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে কেউ দেশের ক্ষতি করতে পারে না। দেশকে ভালোবাসুন। দেশের উন্নয়নে সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। পাকিস্তান আমাদের চিরশত্রু। ভারত নয়। শত্রু এবং বন্ধু চিনতে হবে। জয় বাংলা। যারা ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে তাদের মগজ বানরের।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০১
রাজীব নুর বলেছেন: ছোট ভাই, না বললেও চালিয়ে যাবো।
২|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩৭
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এক সময় ওয়াসিম নামে ঢাকাই সিনেমায় এক জন নায়ক ছিলেন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০২
রাজীব নুর বলেছেন: আমি দেখতে কি ওয়াসিমের মতোন।
৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৫
Aivon বলেছেন: Have a great reference image but no idea how to turn it into a video? reference-to-video AI tool transforms sample images and creative concepts into dynamic videos while preserving key visual details, characters, and overall style. Bring static photos to life with AI-generated movement and engaging scenes for social media, storytelling, marketing, and creative projects—no advanced video production skills required.
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৪
রাজীব নুর বলেছেন: এআই দিয়ে আমার পরিচিত একজন ৯০ দশকের রাজিব তৈরি করেছেন।
৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কথার চেয়ে ছবি বেশি দিবেন , ছবি যেন শুধু ছবি নয়
সে যেন নীজের চেয়ে দেশের কথা বেশী বলে ।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫
রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।
৫|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১০
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
১। ভাইয়া মনে হয় বেশী দিন গদির আরাম উপভোগ করতে পারবেন না।
মানুষ খেপে যাচ্ছে।
২। আমাদের দেশের বড় বড় কোম্পানীগুলো বানায় চানাচুর আর ঝালমুড়ি।
বিদেশের বড় বড় কোম্পানী বিমান পর্যন্ত বানায়।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক আছে চালিয়ে যান ।
।