| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
একালে কি কেউ কেউ সাতসকালে এখনো অপেক্ষায় থাকেন কখন আসবে সংবাদপত্র?
একদা যিনি সংবাদপত্র বয়ে আনতেন তার সাথে কতো মান- অভিমানের খেলা!
এমনও হয়েছে বিলম্ব দেখে তার আগমনী পথে দলবদ্ধ অপেক্ষা!
সাইকেলের পেছনে সারি সারি সাজানো থাকতো হরেকরকমের সংবাদপত্র।
সংবাদপত্রের সংবাদ দেখার আগেই পেয়ে যেতাম কালির ঘ্রাণ!
প্রথমেই সংবাদপত্র চলে যেতো বয়োজ্যেষ্ঠদের মালিকানায়!
পেছনে বা পাশ থেকে উঁকিঝুঁকি মেরে গ্রোগাসে গিলতাম-
যেনবা প্রাতঃকালের নাস্তা!
এখনকার মতো রঙচঙে নয় নেহায়েতই সাদামাটা ও বিবর্ণ কাগজ।
তারপরও একদা সকালের সংবাদপত্র ছিলো আমাদের নিখাঁদ বিনোদন।
এখনো সকালেই আসে বটে সংবাদপত্র!
কেউ আর শোনার অপেক্ষায় থাকে না সাইকেলের ঘণ্টা!
এখন আর বাড়িতে বাড়িতে আতিথেয়তা পায় না সংবাদপত্র।
সংবাদ চলে এসেছে হাতের মুঠোয় মুঠোয়!
রূপ-লাবণ্য বাড়িয়েও এখন আর সংবাদপত্র জয় করতে ব্যর্থ মানুষের মন।
মুঠোফোনে মুঠোফোনে চলাচল করে এখনকার সংবাদ!
সংবাদ হবার আগেই সংবাদ চলে আসে সংবাদে!
এখনো কি আসেন আলেক ভাই প্রতিদিন সকালে?
পূর্বপুরুষের পেশার তিনিই শেষ উত্তরপুরুষ!
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: পত্রিকার চাহিদা অনেক কমে গেছে।
এখন সবাই মোবাইলে অনইলাইন ভার্সন পড়ে।
২|
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সাইকেলের পেছনে সারি সারি সাজানো থাকতো হরেকরকমের সংবাদপত্র।
..........................................................................................................
সেই দিনগুলো হারায়ে গেছে ।
উপরন্ত সচেতন পাঠকরা রাত ১২টার আগেই অনলাইনে জরুরী সংবাদ পেয়ে যায়
আর হলুদ সাংবাদিকতাও সংবাদপত্রর চাহিদা ও আস্তা হারায়েছে ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩০
রাজীব নুর বলেছেন: বাসা বাড়িতেও এখন পত্রিকা রাখে না।
৩|
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সংবাদপত্রের মালিক ও সাংবাদিকরা রাজনীতি করার কারণে তাদের নীতিনৈতিকতার বড্ড ঘাটতি হয়েছে বিধায় মানুষ সংবাদপত্রের ওপর আস্তা হারিয়েছে। তারপর আরেকটি কারণ হলো অনলাইনে সব খবর আগেই মানুষ জানতে পারে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পয়েন্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ন।
৪|
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যারা পেপার বাসায় রাখতেন তাদের আগে ক্লাসি ধরা হতো । এখন সব হলুদ হয়ে গেছে ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪
রাজীব নুর বলেছেন: রাইট।
৫|
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৮
অধীতি বলেছেন: প্রতিদিন বিকেলে পত্রিকার দোকানে যেতাম। যত পত্রিকা অবিক্রিত থাকতো তা পড়ার অনুমতি ছিল। সাহিত্য, খেলা, বিনোদন ছিল প্রধান পড়ার বিষয়। যদিও ছোট বিধায় বিনোদনের পাতা লুকিয়ে পড়তে হতো।
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:১৯
রাজীব নুর বলেছেন: একটা সময় শুধু বইপত্র আর ম্যাগাজিন পড়ে কাটিয়েছি।
৬|
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:১৪
নাহল তরকারি বলেছেন: ওসমান ভাই এর কথা মনে পড়ে গেলো। তিনি পেপার বিক্রি করতেন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২০
রাজীব নুর বলেছেন: এখন উনি কি করেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৬
কামাল১৮ বলেছেন: অনলাইনে সংবাদবত্র দেখি।