নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খুবই সাধারন একজন ছেলে । স্বপ্ন দেখি অনেক কিছু করার । হয়তো করা হয়ে উঠবে না , তাও দেখি । স্বপ্ন দেখতে তো আর দোষ নেই।

Silent Listener

❇❇❇খুবই সাধারন একজন ছেলে । স্বপ্ন দেখি অনেক কিছু করার । হয়তো করা হয়ে উঠবে না , তাও দেখি । স্বপ্ন দেখতে তো আর দোষ নেই✌✌✌

Silent Listener › বিস্তারিত পোস্টঃ

রার্ষ্ট্রধম ও ধর্ম নিরপেক্ষতা

০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:১৮


স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিটি দেশের কিছু একান্ত নিজস্ব জাতিসত্তা পরিচয় বহনকারী বিভিন্ন প্রতীক, বস্তু, ধারণা থাকে। যেমন জাতীয় পশু, জাতীয় পাখি, জাতীয় ফুল, জাতীয় মাছ, জাতীয় ফল, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা, জাতীয় ভাষা ইত্যাদি। এগুলো একটি জাতীর সামগ্রিক চেতনাকে লালন করে।
এধরণের জাতীয় কোন কিছু চয়ন করার ক্ষেত্রে একটি দেশের জনগনের কাছে ঐ জিনিসের গ্রহনযোগ্যতা, আবেদন, ভালবাসা, ঐতিহ্য ইত্যাদি প্রধান্য পেয়ে থাকে। যেমন "আমার সোনার বাংলা" গানটিকে জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে এই গানের সাবলীলতা, আবেগ, মাধুর্য,সার্বজনীনতা ও অকপট মাতৃভূমি প্রেমের জন্য। জাতীয় পশু বাঘ, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় মাছ ইলিশ, জাতীয় ফল কাঠাল, জাতীয় বিভিন্ন দিবস-- এগুলোও নির্বাচনের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য।

যখন আপনি জাতীয় ফল হিসেবে কাঠালকে নির্বাচন করলেন তখন এর মানে এই নয় যে আপনি আর আম বা কলা খেতে পারবেননা। রাষ্ট্র ভাষা বাংলা মনেই এই নয় যে চাকমা, মারমা, সাওতাল বা গারোরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় কথা বলতে পারবে না। "রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" মানে এই নয় যে আপনি একজন হিন্দু কিংবা খৃস্টান হতে পারবেন না। তাহলে শতকরা ৯০ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত একটি দেশে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকতে বাধা কোথায়?

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বলা হচ্ছে ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম করলে নাকি অন্যান্ন ধর্মকে খাটো করা হয়, এটা নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী, অসাম্প্রদায়িকতার পরিপন্থী! সুতরাং তারাতারী সংবিধান থেকে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম কে কেটে "ধর্ম নিরপেক্ষ" লাগাতে হবে!

তাই যদি হয় তা হলেতো সংবিধানে আরো কিছু স্থানে অস্ত্রোপচার চালাতে হবে। প্রথমে "রাষ্ট্র ভাষা বাংলা"র স্থলে লিখুন "ভাষা নিরপেক্ষ"! তা নাহলে উপজাতি সহ অন্যান্য ভাষাকেই যে ছোট করা হয়ে যায়(ফল,পশু, মাছ, সংগীত, দিবস এগুলোর কথা নাহয় বাদ দেন)। এভাবে লিখতে থাকুন আমরা বাংলাদেশীরা "সংগীত নিরপেক্ষ", "ফল নিরপেক্ষ", "মাছ নিরপেক্ষ", "গাছ নিরপেক্ষ", "দিবস নিরপেক্ষ", "ফুল নিরপেক্ষ", -------আর যদি না পারেন তবে নিজেকে অসাম্প্রদায়িক দাবী করেন কোন মুখে?

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:১৫

ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট বলেছেন: রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকা না থাকায় মানুষের ধর্ম পালনে কোন প্রভাব পড়বেনা কিন্তু সরকারের এই সময়ে এই স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়া ঠিক নয়, আমাদের আগে দেশ মানব উন্নয়নের দরকার, মানব উন্নয়ন হলে মানুষ নিজেই বুঝতে পারবে কোনটা দরকার আর কোনটা দরকার নেই, তখন সরকার কোন আইন প্রণয়নে জনগণের গলা চেপে ধরতে হবেনা। এত বিতর্ক সৃষ্টি হবেনা, তাই আমি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম সরিয়ে ফেলার সাথে একমত নই।

২| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৮:২৮

Silent Listener বলেছেন: সহমত ভাই ডাইরেক্ট টু দ্যা হার্ট

৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৫৪

কবীরুল ইসলাম ২৩ বলেছেন: কিছুদিন আগে পত্রিকায় পড়েছিলাম যে হিন্দু খ্রিষ্টানদের একটি সংগঠন থেকে বলা হয়েছে, যে বাংলাদেশে গরু জবাই করা বন্ধ করতে হবে। এসব আবদার করে কি ভাবে ।

৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:১২

তট রেখা বলেছেন: রাস্ট্র ধর্ম ইসলাম সরকারের একটা কার্ড। এই কার্ডের চারটা লাইফ আছে, তার মধ্যে একটা চলে গিয়েছে। আরো তিনটা লাইফ বর্তমান। এই লাফ গুলো দিয়ে সরকার যখন সুবিধা তখন আবার কার্ডটি খেলবে। যেমন এবার এক ঢিলে অনেক গুলো পাখী মারলো এই কার্ড খেলে। রিট কারী প্রতিষ্ঠানের লোকাস স্ট্যান্ডি না থাকার কারণে রিট খারিজ, একটা লাইফ শেষ। এই লাইফ বিসর্জনের মাধ্যমে ঝিমিয়ে জনগনের প্রতিরোধ প্রতিবাদ সংক্রান্ত অবস্থানের একটি পরিমাপ করল এবং অবশেষে মানুষকে দেখাল সরকার ইসলাম বান্ধব। দ্বিতীয় লাইফ টি হলো এই রিটে খারিজের আদেশের বিরূদ্ধে আপিল করা। আরো দুইটি লাইফ হচ্ছে লোকাস স্ট্যান্ডি আছে এমন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান দিয়ে রিট করানো এবং তা হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগে যাচাই করা। এটাই হলো রাজনীতি, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.