| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
Silent Listener
❇❇❇খুবই সাধারন একজন ছেলে । স্বপ্ন দেখি অনেক কিছু করার । হয়তো করা হয়ে উঠবে না , তাও দেখি । স্বপ্ন দেখতে তো আর দোষ নেই✌✌✌

অবহেলিত, সুবিধা বঞ্চিত ও পিছিয়ে পরা নিরীহ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেয়াই কোটা প্রথার মূল উদ্দেশ্য। কোটা ব্যাবস্থা হচ্ছে শোষিতকে শোষনের হাত থেকে রক্ষা করার একটা প্রয়াস। কিন্তু এমন সেলুকাস দেশে বাস করি যেখানে কিনা "কোটা" নামক শোষিত কে বাচানোর "রক্ষা কবচ" হয়ে দাঁড়িয়েছ শোষনের ভয়াবহতম হাতিয়ার হিসেবে!
একটি রাষ্ট্রীয় প্রথম শ্রেণীর চাকরি গুলো মূলত প্রশাসনিক দায়-দায়িত্ব সংক্রান্ত। প্রশাসনিক কাজের মত গুরু দায়িত্বের কাজ গুলো সর্বোত্তম মেধাবী ও যোগ্যরাই অলংকৃত করবে- এটাই প্রত্যাশীত এবং এটাই উচিতও বটে। এমন একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কোটা নীতি অনুসরণ করা আর নিজ পায়ে কুড়াল মারা একই কথা। সেখানেই কিনা কাগজেকলমে ৫৫% নিয়োগ হচ্ছে কোটার মাধ্যমে (৩০% মুক্তিযোদ্ধা, ১০% মহিলা, ৫% উপজাতি, ১০% জেলা কোটা)। আর মন্ত্রী কোটা, ছাত্রলীগ কোটা, মামা-খালু কোটা ও ঘুষ কোটা বাদ দিলে সাধারণের জন্য তো কিছুই থাকে না।
একটা ক্ষুদ্র শ্রেণীকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে মাথায় তুলুন, ঠিক আছে, কিন্তু বাকী নব্বই ভাগকে পায়ের নিচে ফেলে আছার দিবেন- এটা কেমন কথা? এভাবে আর কদ্দিন? ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে দেখুন, শ্রেণী বৈষম্য (অর্থাৎ কোটা ব্যবস্থা)-ই কিন্তু বারবার পৃথিবীর বুকে জন্ম দিয়েছে ভয়াবহতম ফরাসী বিপ্লব, রুশ বিপ্লব থেকে শুরু করে এমনকি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত। কাওকে ৩০% কোটা দিবেন, সেইজন্য বা সেই আশায় কিন্তু আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ বীর সন্তানেরা জীবনকে বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেনি। তারা দেশ স্বাধীন করেছিল শ্রেনীহীন শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে। জেনে রাখুন, ৩০% নাতি-পুতি কোটা কিন্তু কখনোই ৩০ লক্ষ শহীদের পবিত্র আত্মাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না! মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ ছিল সাম্য ও ঐক্য। আমার দেশে না কেও উপজাতি, না কেও মুসলিম, না কেও হিন্দু, না কেও সবল, না কেও দুর্বল- আমরা সবাই বাঙ্গালী, আমরা সবাই বাংলাদেশী, এটাই ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের মূলমন্ত্র।
মুক্তিযোদ্ধারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের ঋন আমরা কখনোই শোধ করতে পারবো না। তারপরেও যেটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ দিয়ে আমাদের চেষ্টা করা উচিত। তাদের প্রচলিত ভাতা চতুর্গুণ করুন। তাদের জন্য আলাদা হাসপাতাল করুন। তাদের সন্তান ও বংশধরদের জন্য আলাদা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করুন। সেখান থেকে উপযুক্ত করে রাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় পদে তাদের নিয়ে আসুন। তবে ছাগল দিয়ে হাল-চাষ করানোর মত আত্মঘাতী বোকামী করলে মুক্তিযোদ্ধারা কোনদিনই আমাদের প্রজন্ম কে ক্ষমা করবে না।
২|
০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:০০
বিজন রয় বলেছেন: হায় হায়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৯:৫৬
তট রেখা বলেছেন: কোটা প্রথার ধারক- বাহক তারাই যারা কখনো মুক্তিযুদ্ধ করেনি, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ লিমিটেড নামক কোম্পানী খুলে তার প্রোপাইটর সেজেছে। তাই আজ মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা ধুলোয় লুন্ঠিত।