নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আসসালামু আলায়কুম

আসসালামু আলায়কুম

আব্দুস সালাম আজাদী

আসসালামু আলায়কুম

আব্দুস সালাম আজাদী › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেষ পর্যন্ত উর্দু ই আমাদের রাস্ট্রের ভাষা হয়ে গেল

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩৩

আমাদের অলি আহাদ সাহেবের আত্মজীবনী মূলক বইটা পড়ে খুব আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে বিস্তারিত লিখেছেন। এক যায়গায় উল্লেখ করেছেন কায়েদে আযম ঢাকায় এলে ছাত্র নেতাদের সাথে মিটিং করেন। সেখানে অলি আহাদ ও ছিলেন। কায়েদে আযম মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ সেদিন বুঝাতে চেয়েছিলেন উর্দু ভাষা মুসলিমদের যত্নে গড়া ভাষা, যা পশ্চিম পাকিস্থানের কোন এলাকার ভাষা নয়, বরং এর মাতৃভূমি হলো ভারত। মুসলমানরাই একে লালন পালন করে উৎকর্ষিত করেছে। একে রাস্ট্র ভাষা করলে পাকিস্থান প্রতিষ্ঠার জযবার সাথে মিল খায়।



ছাত্র নেতৃবৃন্দ তার এই কথায় কর্ণপাত না করে হৈ চৈ করে ওঠে। এবং জিন্নাহ সাহেব ক্ষেপে যান। অলি আহাদ কারাগারে যান এই ভাষার বিরুদ্ধে যেয়ে, এবং বাংলাকে রাস্ট্র ভাষার দাবি করতে যেয়ে। এমন কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিস্কৃত ও করা হয়।



আজ সমস্ত ইতিহাস সব কথায় গেলো?! জিন্নাহ সাহেব রাজনৈতিক শক্তি প্রয়োগ করে কিছুই করতে পারেন নি। আমাদের ভাষা দিবস পালন করে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে দারুন একটা আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সুযোগ করে দিয়েছেন মাত্র। আমাদের ভাইদের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারিকে কী সুন্দর ভাবে পালনের উপলক্ষ্য হয়ে গেল। এটাই হলো কায়েদে আযমের ব্রেইন এবং মুসলমানি রক্তের জযবা।



অথচ ভারতের হিন্দু ভায়েরা কত সহজে মাত্র ২০ বছরে বাংলাদেশে আপামর জন সাধারণের ভাষাকে উর্দুতে পরিণত করে দিলেন। সেদিন এক কলেজের বাংলা বিভাগের এক বোন আমার কাছে একটা ই মেইল পাঠিয়ছেন একটা বিষয় জিজ্ঞেস করে। তিনি গোটা মেইলটা উর্দুতে লিখেছেন। তবে ইংলিশ প্রতিবর্ণায়নে। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ মা, তুমি এত সুন্দর উর্দু কোত্থেকে শিখলে। সে লিখলোঃ চাচু, কেয়া বাত হেই, এহ তু হিন্দি যবান হেই। মেই উরদু নেহি জানতি, মাগার মেরি হিন্দি বাংলা সে ভি বিহতার হেই’।



আমি হো হো করে হেসে উঠলাম। বল্লাম, জিন্নাহ সাহেব, আপনার মাথায় ব্রেইন ছিলো না, ছিলো কিছু হাড় হাড্ডি। আমার হিন্দু ভাইদের বুদ্ধি দেখেন। হিন্দি সিরিয়াল ও হিন্দি গানের মাধ্যমে কিভাবে আমাদের ভাষা উর্দুতে পরিবর্তিত হয়ে গেলো।ছয় ভায়ের রক্ত লাগলো না, হাংগামাও তৈরি হলো না, নিরবে নৈশবদে।



কাভি কাভি মেরা দিল মে খায়াল আতা হেই, কে জেইসে হিন্দি কো বানায়া গায়া উর্দু কে লিয়ে...............

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৪৪

প্রামানিক বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট। বর্তমানে ছোট ছোট পিচ্চিরাও হিন্দিতে কথা বলে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:৩৬

আব্দুস সালাম আজাদী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইজান

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ২:০৬

নতুন বলেছেন: কাভি কাভি মেরা দিল মে খায়াল আতা হেই, কে জেইসে হিন্দি কো বানায়া গায়া উর্দু কে লিয়ে............... :) ++

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৩:৩৭

আব্দুস সালাম আজাদী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নতূন বনধু

৩| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:০৭

মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন:


@ আব্দুস সালাম আজাদী :


উর্দু আর হিন্দি ভাষার বিষয়ে আমার জ্ঞান একেবারে শুণ্যের কোঠায়।

মানে আপনার সেই বাংলা বিভাগের বোনের চাইতেও কম।


এই দুটির মধ্যে সাদৃশ্য আর পার্থক্যটা আসলে কি?

দুটি একই হলে আলাদা আলাদা নাম কেন হবে?

২৬ শে মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৬

আব্দুস সালাম আজাদী বলেছেন: কোন পার্থক্য নেই। শুধু তৎসমে হিনদী হয়, আরবি ও ফারসির আধিক্যে উরদু হয়।
যেমন পার্থক্য ঢাকার বাংলা আর কোলকাতার বাংলার মধ্যে, যেমন পার্থক্য নজরুল ও রবীনদরে, যেমন পার্থক্য মধুসুদন ও আলমাহমুদে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.