| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গোলাপী ফানুস
গ্রাম ছাড়া ওই রাঙ্গা মাটির পথ আমার মন ভুলাইরে...........
ঔষধ জিনিষটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত । এর মধ্য সবচেয়ে বেশী পরিচিত ট্যাবলেট । ট্যাবলেট দেখে নাই বা খাই নাই এমন মানুষ পাওয়া কঠিন । কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না এটি কি, কোথা থেকে আসল, কি দিয়ে তৈরি। কিভাবে তৈরি , আর এটির কাজই বা করে কিভাবে এমন নানা কিছু। শুরু করা যাক ট্যাবলেটের কি এই সংজ্ঞা দিয়ে।
ট্যাবলেট কি ?
এটি একটি সলিড (কঠিন) ডোজেজ ফরম যাতে এক বা একাধিক মূল উপাদান বা ড্রাগ এবং কিছু এক্সিপিয়েন্ট বা ফিলার (যা ট্যাবলেটটিকে একটি আকার প্রদানে সাহায্য করে) থাকে প্রত্যেকটা ট্যাবলেট নিদিষ্ট পরিমান উপাদান নিদিষ্ট পরিমান চাপ দিয়ে তৈরি করা হয় । এটি মুখের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। ব্যবহারের নানা রকম সুবিধা থাকার সুবাদে ঔষধ প্রযুক্তিতে এটি সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
ট্যাবলেট তৈরির ইতিহাস
১৮৪৩ সালের ডিসেম্বর এক ব্রিটিশ নাগরিক ইউলিয়াম ব্রোকডন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন। যার মাধ্যমে পাউডার জাতীয় উপাদানকে একটি ডাইতে (ছাঁচ) চাপের মাধ্যমে একত্রিত করে শক্ত আকার দেয়া যায়। ধাতু দিয়ে তৈরি এই যন্ত্রটিতে দুটি সিলিন্ডার আকৃতির পাঞ্চ থাকে। এটিকে বলা হয় আপার বা উপরের পাঞ্চ এবং অন্যটিকে লোয়ার বা নিচের পাঞ্চ। লোয়ার পাঞ্চটি ডাইয়ের সাথে নির্দিষ্ট গভীরতায় এবং আপার পাঞ্চটি যন্ত্রের উপরের অংশে ডাইয়ের মুখোমুখি সংশ্লিষ্ট থাকে, যা কি-না হাতুড়ির মতো কাজ করে। আপার পাঞ্চটি ডাইয়ের উপর জমা পাউডারকে প্রবলভাব্লেচাপ দেয়। সেই চাপের পাউডারগুলো একটি শক্ত আকার ধারণ করে, যা নামই হলো ‘ট্যাবলেট’।
প্রথম পর্যায়ে এই যন্ত্রটি শুধুমাত্র পটাশিয়াম বাই কার্বনেটকে একটি শক্ত আকার দেয়ার কাজে ব্যবহৃত হতো। পরে এই যন্ত্রটি বিভিন্ন ঔষধ শিল্প প্রতিষ্ঠানের লোকজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ‘ওয়েলকাম’ নামক একটি ব্রিটিশ ঔষধ ফেক্টরি পাউডারকে এমন শক্ত রূপ দেয়ার নামকরণ করেন ট্যাবলেট।
ট্যাবলেটের প্রকারভেদ
যুগের পবির্তনের সাথে সাথে মানুষের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেটের আর্বিভাব ঘটে ট্যাবলেট প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে।
১। আনকোটেড ট্যাবলেট এবং
২। কোটেড ট্যাবলেট।
আরো কিছু বিশেষ ফরম হলো
১. এফারডোসেন্ট ট্যাবলেট (পানিতে বুদবুদ তৈরি করে)
২. সলিউবল ট্যাবলেট (পানিতে মিশ্রিত হয়)
৩. ডিসপার্সিবল ট্যাবলেট (পানিতে ট্যাবলেট কণাগুলো ছড়ানো থাকে অর্থাৎ দ্রবীভূত হয়ে যায় না)। এই ধরনের ট্যাবলেটগুলোকে খাওয়ার আগে পানিতে গুলিয়ে নিতে হয়।
আরো কিছু বিশেষ ফরম হলো
৪. গেস্ট্রো রেজিসটেন্ট ট্যাবলেট (পাকস্থলীর গেস্ট্রিক জ্যুস-এ দ্রবীভূত হব্লেনা এমন)
৫. টাইম রিলিজ ট্যাবলেট (নির্দিষ্ট সময় পরপর ড্রাগ ট্যাবলেট থেকে রিলিজ হবে)
৬. মুখেই এবজর্ব হব্লেএমন ট্যাবলেট।
©somewhere in net ltd.