| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
ইসলাম বুঝতে আপনি কার আদর্শ বেশি অনুসরণ করবেন - নবীজির বংশধর নাকি তাঁদের বাইরের কারো? নবীজির কথা যারা ভুলে গিয়েছেন এবং আমাদের ভুলে যেতে অযাচিতভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তারাই দিনের পর দিন বড় ভুল করে যাচ্ছেন, আর, নবীজির উপর দোষ চাপাচ্ছেন।
শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) বলেছেন - "আমি তোমাদের জন্যে সমান গুরুত্বপূর্ন দুইটি বস্তু রেখে যাচ্ছি - একটি হচ্ছে আল্লাহ্র কোরআন এবং আরেকটি হচ্ছে আল-ইতরাত।" ১০৮টি সুন্নী হাদিসের কিতাবে এই হাদিসটি সংকলিত আছে। প্রশ্ন হচ্ছে 'আল ইতরাত' অর্থ কী?
আল-ইতরাত হচ্ছে নবীজির বংশধর।
এই প্রসঙ্গে, আরেকটি হাদিস হচ্ছে - "আমার আহলে বায়াতের আগে যেও না, বেশি পিছনেও যেও না।"
এই থেকে বুঝা যায়, নবীজির 'আহল' অর্থাৎ বংশ থেকে বেশি বুঝা উচিৎ নয়।
ইসলামের সকল জ্ঞানের উৎস হচ্ছে পবিত্র কোরআন - আল্লাহর বাণী। কোরআনের জ্ঞান যারা ধারণ করেন, তাঁরাই আমাদের মুসলিম সমাজের অগ্রগণ্য ব্যক্তি।
এখন, প্রশ্ন হচ্ছে, কোরআনের জ্ঞানের অধিকারী কে? কোরআন সংকলন করার দায়িত্ব নবীজি কাকে দিয়েছিলেন? এই প্রসঙ্গে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলো থেকে উত্তর নেওয়া যায় - 'কোরআনের জ্ঞানের অধিকারী হযরত আলী (আঃ) কোরআন সংকলনের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কারণ তিনি ছিলেন জ্ঞানের দরজা'।
পবিত্র কোরআনের সাথে সংঘর্ঘিক হাদিস নবীজি আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করতে বলেছেন।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সুস্থ্য মস্তিষ্কের কেউই করতে পারবেন না।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
অগ্নিবাবা বলেছেন: আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (ইবনে কাসীর)
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলা অনুবাদ, সপ্তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৩২–৩৩
পত্রে পত্রে ছত্রে ছত্রে হিংসা, মারামারি, খুন, কোরানের সংকলনকারী ওসমান, ইসলামী রাষ্ট্রের তৃতীয় খলিফা (রাষ্ট্রপ্রধান)। তাকেই ছাড়া হয়নি, দাড়ি ধরে টানতে টানতে এনে তাকে খুন করা হয়েছে, কারন তিনি নাকি কোরান বিকৃত করেছেন। আর কোথাকার দীপু টিপু (কাফের)।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপনি এই বর্ণনা কতটুকু বিশ্বাস করেন?
ধন্যবাদ।
৩|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮
অগ্নিবাবা বলেছেন: ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে শুধু কোরআনের অনুবাদ পড়াই যথেষ্ট নয়।
প্রথমে হাদিস ও ক্লাসিকাল তাফসির থেকে জানতে হয়—
কোন আয়াত কখন, কী পরিস্থিতিতে এবং কোন প্রশ্ন বা ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছে।
এই ঐতিহাসিক টাইমলাইন ও প্রেক্ষাপট বোঝার পর কোরআন পড়লে
আয়াতের ভাষা, উদ্দেশ্য ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়।
নচেৎ সময়-নির্দিষ্ট নির্দেশকে সার্বজনীন নৈতিক আইন ভেবে নেওয়ার ঝুঁকি থাকে।
অতএব, প্রেক্ষাপট → পাঠ → বিশ্লেষণ—এই ধারাতেই
ইসলাম আসলে কী বলেছে, তা পরিষ্কারভাবে বোঝা সম্ভব।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ক্লাসিকাল তাফসির বলতে আপনি কি বুঝেন? সবচেয়ে পুরনো তাফসির কত সালের? সুন্নাহ থাকতে তাফসিরের প্রয়োজন কেন?
ধন্যবাদ।
৪|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: অগ্নিবাবা@"এই কারণেই আমি বনী ইসরাঈলের প্রতি এই বিধান দিলাম যে, নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কাজ করা ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন দুনিয়ার সব মানুষকেই হত্যা করল। আর যে কারো জীবন রক্ষা করল—সে যেন সব মানুষের জীবন রক্ষা করল..."(সূরা মায়িদা, আয়াত: ৩২)
অগ্নিবাবা@নবীজী (সা.) বলেছেন, "আল্লাহর কাছে কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে বড় হলো—আল্লাহর সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করা এবং কোনো প্রাণকে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করা।" (সহীহ বুখারী)
অগ্নিবাবা@যদি কেউ কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয় (যেমন ব্যভিচার বা কুফর), তবে ইসলামি আইনে উল্টো সেই অপবাদদানকারীকেই বেত্রাঘাত বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। একে বলা হয় 'হদ'।
অগ্নিবাবা@পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ১৯১ এবং ২১৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে— "ফিতনা হত্যা অপেক্ষাও গুরুতর অপরাধ" (আল-ফিতনাতু আশাদ্দু মিনাল কাতল)।
অগ্নিবাবা@রাসূলুল্লাহ (সা.) ফিতনা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন:"অচিরেই এমন এক ফিতনা (অশান্তি) আসবে, যখন বসে থাকা ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির চেয়ে নিরাপদ থাকবে...।" (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)।
৫|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩
অগ্নিবাবা বলেছেন: কুতুবভাই, আমি বলে বলে মুখে ফেনা তুলে দিয়েছি যে কোরানের আয়াত পড়ে আসলে কিছুই বোঝা যায় না, যতক্ষন না আপনি হাদিস আর ক্লাসিক্যাল তফসির পড়ছেন। আপনি কোরানের নাসেক মানসুখ বিষয়ে পড়াশুনা করে, একবার কাছের আলেমের সাথে একবার আলাপ করে আসেন। আমি মদের উপকারিতার আয়াতও আপনাকে দেখাতে পারি, খাবেন মদ আমার সাথে? দাওয়াত দিলাম।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
কোরআন পড়ে কিছু বুঝা যায় না!!!
এইটা কী বললেন!!!
তাহলে, যারা কোরআন পড়ে বা শুনে মুসলমান হয়েছেন, তাঁরা কীভাবে কনভার্ট হলেন?
আমি প্রথম যুগের মুসলিমদের কথা বলছি।
ধন্যবাদ।
৬|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: ফিতনা ফিতনা করছেন, ফিতনা কি? সবচেয়ে বড় ফিতনা কারা করে? শুধু এইটা বুঝে আবারো আপনার লেখা আয়াতগুলো পড়ে দেখেন, অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে যাবে।
৭|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৯
নতুন বলেছেন: সমাজে কিছু মানুষ ব্লাসফেমী, নাস্তিকদের ফাসি দাবী করে। তারা কি আইডিয়ার ভিক্তিকে করে থাকে?
অনেক ওয়াজবাজ হুজুর আছে যারা ব্লাসফেমীর ফাসি দাবী করে। তাদের অনুসারীরা এমন কাজের সমর্থন করে।
বাংলাদেশ বিরোধীরা এই রকমের মূর্খদের আরো উসকে দেয় যাতে দেশে ভিন্ন ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নাই। জঙ্গিবাদ আছে এই নেরেটিভ প্রচারে সুবিধা হয়।
৮|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: অগ্নিবাবা@আপনার কাছে explanation চেয়েছিলাম ।
।
অগ্নিবাবা@আপনি যে মদের আয়াতের কথা বলছেন সেটা আমি জানি । ![]()
৯|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: অগ্নিবাবা ভারতীয় সনাতনী, তার কাছ থেকে ইসলাম শিখতে হবে?
@ সত্যপথিক, রাসুল সঃ কে ভবিষ্যৎ ফিতনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল, সে জন্য তিনি মুয়াবিয়া এবং আলী (রাঃ) বিরোধের নিস্পত্তি করার জন্য আহলে বাইতকে সমর্থন করার বিষয়ে বলেছেন বলে আমার মনে হয়।
ঐ হাদিস সার্বজনীন অর্থে ব্যবহার করলে সমূহ বিপদঃ প্রথমদ শিয়াদের দাবীর সঠিকতা প্রকাশ পায যা সত্য নয়
দ্বিতীয়তঃ আহলে বাইতদের মধ্যেও মতবিরোধ আছে, সেই হিসেবে আমার এই হাদিসের সার্বজনীনতা নিয়ে সন্দেহ আছে...
উল্লিখিত হাদিসের বর্ণনার পরিবর্তে আরো একটি বর্ণনা পাওয়া যায় তা হলো “....আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ...’ এই ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন
আল্লাহর কোরআন কিন্তু আহলে বাইতের ব্যাপারে কিচু বলে না বরং রাসুলের সুন্নাহ ব্যাপারে আল্লাহ কয়েক আয়াতে তাগিদ দিয়েছেন, যেমন, রাসুল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ কর আর যা থেকে বিরত থাকতে বলে তা থেকে বিরত থাকো...
হাদিস ছাড়া ইসলাম অসম্পূর্ণ, আল্লাহ কোরআনে নামায কায়েম করতে বলেছেন কিন্তু কিভাকে সেটা বিস্তারিত বলেন নাই..
নামাযে কি বলতে হবে তা্ও না..
আমার মনে হয় আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে
ভাই, দুইজন মুসলিম শ্রমিকের খুনের বিষয়ে কোন আপডেট আছে? কাউকে কি বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল?
মব যখন উত্তেজিত হয় তখন শান্ত করা কঠিন, দীপু ক্ষমা না চাওয়াতে জনতা তাকে আইনি প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর না করে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে, ইহা কি সত্যি?
নবী (সঃ) এর সমালোচনা তাঁর সময় অনেকেই করত কিন্তু সবাইকে তিনি শাস্তি দেন নি। কাবের উপহাসমূলক কবিতার বিষয়ে আল্লাহর নিকট হতে হত্যার অনুমতি ছিল।
আরেকটি ক্ষেত্রে রাসুল(সঃ)কে গালাগালি করা এক দাসীকে হত্যাকারীর বিচার না করাতে স্পষ্ট যে, ইসলামী রাষ্ট্রে রাসুল সঃ কে উপহাস/টিটকিরী/গালাগালি যা ক্রোধের উদ্রেক করে এমন কাউকে মৃত্যুদন্ড দেয়া যায়। তবে যারা অবিশ্বাসী তারা টিটকিরী/গালি ব্যতীত বিরুদ্ধভাবাপন্ন সুচিন্তিত মতামত দিলে তা ব্লাসফেমী হবে না, কারণ রাসুল (সঃ) বিশেষ ক্ষেত্র ব্যতীত বাকী সকল সমালোচনাকারীদের বিষয়ে কোন অ্যাকশন নেন নি।
যে কোন রাষ্ট্রে বসবাস করতে হলে তার আইন কানুন মানতে হবে, আমেরিকার কোন এক ব্যাংক হতে হ্যাকিং এর মাধ্যমে টাকা লুট করাতে এক ফিলিস্তিনিকে কয়েকশ’ বছর কারাভোগের শাস্তি দেয়া হয়েছে।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপনি যা লিখেছেন, তা পয়েন্ট আকারে লিখলাম।
১) অগ্নিবাবা ভারতীয় সনাতনী, তার কাছ থেকে ইসলাম শিখতে হবে?
<<< ভাই গিরিশ চন্দ্র কি কনভার্ট হয়েছিলেন? তারপরও, তাঁর লেখা অনেক মুসলিম পড়েন।
২) রাসুল সঃ কে ভবিষ্যৎ ফিতনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছিল, সে জন্য তিনি মুয়াবিয়া এবং আলী (রাঃ) বিরোধের নিস্পত্তি করার জন্য আহলে বাইতকে সমর্থন করার বিষয়ে বলেছেন বলে আমার মনে হয়।
<<<< আপনি লিখেছেন – “আমার মনে হয়”, তাই আর কিছু বললাম না। মানুষ ভুল করতে পারে।
৩) ঐ হাদিস সার্বজনীন অর্থে ব্যবহার করলে সমূহ বিপদঃ প্রথমদ শিয়াদের দাবীর সঠিকতা প্রকাশ পায যা সত্য নয়
<<<< নবীজির শিয়ারা সত্য নয়, এটা আপনাকে কে বললো বাঁ এটা আপনি কীভাবে বুঝলেন?
৪) আহলে বাইতদের মধ্যেও মতবিরোধ আছে, সেই হিসেবে আমার এই হাদিসের সার্বজনীনতা নিয়ে সন্দেহ আছে
<<<< আহলে বায়াতদের মধ্যে এই হাদিস বিষয়ে বিরোধ আছে কি?
৫) উল্লিখিত হাদিসের বর্ণনার পরিবর্তে আরো একটি বর্ণনা পাওয়া যায় তা হলো “....আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ...’ এই ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন
<<<<< এই বর্ণনাটা কি সিহাহ সিত্তাহ-তে আছে? প্রমাণ করুন, প্লিজ।
৬) আল্লাহর কোরআন কিন্তু আহলে বাইতের ব্যাপারে কিচু বলে না
<<<<< আপনি কিন্তু এইবার কোরআন সম্পর্কে বেখেয়াল অবস্থার প্রমাণ দিচ্ছেন। আপনি আহলে বায়াতদের বিষয়ে প্রমাণসহ ইমাম সুয়ুতী (রহঃ)-এঁর লেখা বইটি পড়ুন, প্লিজ। ইন্টারনেটে পাবেন।
৭) হাদিস ছাড়া ইসলাম অসম্পূর্ণ, আল্লাহ কোরআনে নামায কায়েম করতে বলেছেন কিন্তু কিভাকে সেটা বিস্তারিত বলেন নাই
<<<< সুন্নাহের কথা বলা হয়েছে হাদিসে। কাড় সুন্নাহ? রাসূল (সাঁ)-এঁর পরিবারের সুন্নাহ। পড়ে দেখুন।
৮) নবী (সঃ) এর সমালোচনা তাঁর সময় অনেকেই করত কিন্তু সবাইকে তিনি শাস্তি দেন নি। কাবের উপহাসমূলক কবিতার বিষয়ে আল্লাহর নিকট হতে হত্যার অনুমতি ছিল।
<<<<<< এই বিষয়টি আমার জানা নাই। জেনে লিখবো।
৯) ইসলামী রাষ্ট্রে রাসুল সঃ কে উপহাস/টিটকিরী/গালাগালি যা ক্রোধের উদ্রেক করে এমন কাউকে মৃত্যুদন্ড দেয়া যায়।
<<<<< আজগুবি তথ্য। পুরাই গারবেজ।
ধন্যবাদ।
১০|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: দিপু দাস কে মেরেছে, ধার্মিকেরা। অর্থ্যাত মুসলমানরা।
আমি এই হত্যার বিচার চাই।
১১|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৭
মাথা পাগলা বলেছেন: নবীকে প্রকাশ্যে গালি দিলে দেশের অধিকাংশ মুসলিমের রিয়েকশন-অ্যাকশন কি হতে পারে বলে মনে হয়?
১২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০
আলামিন১০৪ বলেছেন: @ মাথা পাগলা, ছিল্লা কাইট্রা লবণ লাগায়ে দেওয়ার জন্য উম্মুখ থাকবে যদি না রাষ্ট্র আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেয়
@ সত্যপথিক, আমি আপনার কথয় আবারো সার্চ করলাম কিন্তু আলকোরআনে আহলে কিতাব নিয়ে সেরকম কিছু পাইলাম না
আহলে কিতাব, কোরআনে?
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
জানতে চাওয়ার জন্যে ধন্যবাদ। ইবনে জাবির তাবারি (রহঃ) তাঁর পবিত্র কুরআনের তাফসিরে ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে একটি বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। কুরআনের এই আয়াত সম্পর্কে—
“আর শীঘ্রই তোমার প্রতিপালক তোমাকে এমন কিছু দান করবেন, যাতে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।”
(সূরা আদ-দুহা, ৯৩:৫)
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন:
“রাসূলুল্লাহ (সা.) তখনই সন্তুষ্ট হবেন, যখন তাঁর পরিবারের একজন সদস্যকেও জাহান্নামে প্রবেশ করতে না হবে।”
ইমাম সুয়ুতী (রহঃ) তাঁর একটি বইয়ে এই বর্ণনাটি দিয়েছেন।
শুভেচ্ছা।
১৩|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১১
আলামিন১০৪ বলেছেন: বানান ভুল, আহলে বাইত হবে*
১৪|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
মাথা পাগলা বলেছেন: আলামিন১০৪ বলেছেন: @ মাথা পাগলা, ছিল্লা কাইট্রা লবণ লাগায়ে দেওয়ার জন্য উম্মুখ থাকবে যদি না রাষ্ট্র আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেয়
সহমত ভাই! ![]()
১৫|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার বর্ণনার সাথে অমিল, সহীহ মুসলিমের বর্ণনা
রাসুলুল্লাহ(ﷺ) একদিন মক্কা ও মদীনার মাঝামাঝি ‘খুম’ নামক স্থানে দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে বক্তৃতা দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও সানা বর্ণনা শেষে ওয়ায-নাসিহত করলেন। অতঃপর বললেনঃ শোনো হে লোক সকল! আমি তো কেবল একজন মানুষ, অতি সত্ত্বরই আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত দূত (মৃত্যুর ফেরেশতা) আসবেন, আর আমিও তাঁর আহ্বানে সাড়া দেবো। আমি তোমাদের নিকট ২টি ভারী জিনিস রেখে যাচ্ছি। এর প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব (কুরআন)। এতে পথনির্দেশ এবং আলোকবর্তিকা আছে। অতএব তোমরা আল্লাহর কিতাবকে অনুসরণ করো, একে শক্ত করে আঁকড়ে রাখো। তারপর তিনি কুরআনের প্রতি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিলেন। এরপর বলেন, আর [অন্যটি হলো] আমার আহলে বাইত (পরিবারের লোক)। আর আমি আহলে বাইতের (অধিকারের) বিষয়ে তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। আহলে বাইতের ব্যাপারে তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আহলে বাইতের বিষয়ে তোমাদের আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।
উপরের বর্ণনাটি গাদির খুম নামক স্থানের ঘটনা
আর বিদায় হজ্বের ভাষণে বর্ণিত
“আমি তোমাদের মাঝে দু’টি জিনিস রেখে যাচ্ছি; যা তোমরা আঁকড়ে ধরে রাখতে পারলে কখনও পথভ্রষ্ট হবে না; সেই বস্তু দু’টি হল: আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাহ।” — (ইমাম মালেক, মুয়াত্তা, মানাকিব অধ্যায়, হাদিস নং- ৩৭৮৬
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ইমাম মালেকের বইটি সিহাহ সিত্তাহের মাঝে পড়ে না।
সিহাহ সিত্তাহ বলতে ইসলামের হাদিস শাস্ত্রের ছয়টি সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থকে বোঝানো হয়, যা 'আল-কুতুবুস সিত্তাহ' নামেও পরিচিত।
এই ছয়টি গ্রন্থ হলো সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনান আবু দাউদ, সুনান আত-তিরমিযী, সুনান আন-নাসাঈ এবং সুনান ইবনে মাজাহ।
ধন্যবাদ।
১৬|
১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৬
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৬
বাজ ৩ বলেছেন: এরকম হত্যাকান্ডকে আমি কোনোভাবেই সাপোর্ট করিনা