নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম পরে, আগে আল্লাহ্‌কে মনে রাখো

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩৭

প্রিয় শাইয়্যান,
পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌কে তুমি যখন সবার আগে স্থান দিবে, তখন কি হবে জানো? আল্লাহ্‌ও তোমাকে সবার আগে স্থান দিবেন। আল্লাহ্‌ যদি তোমার সহায় হোন, তোমার আর চিন্তা কি?

পৃথিবীতে অনেক মানুষ। প্রায় ৭০০ কোটি। এতো এতো মানুষের মাঝে তুমি একজন। আল্লাহর লিস্টে সেই ৭০০ কোটি মানুষের সবার আগে স্থান পাওয়াটা কি খুব সম্মানের ব্যাপার নয়?

একটা ঘটনা বলি।

একবার মুসা নবী অসুস্থ্য হলেন। যথারীতি, তিনি আল্লাহর কাছে গিয়ে সাহায্য চাইলেন। আল্লাহ্‌ তাঁকে বললেন তিনি যেন একটা গাছের পাতা খান। মুসা নবী সেই পাতা খাওয়ার পরে সুস্থ্য হয়ে গেলেন।

কিছু দিন পরে, মুসা নবী আবারও অসুস্থ্য হলে, সেই পাতা খেলেন। কিন্তু, এইবারে আর সুস্থ্য হলেন না। তিনি তখন আল্লাহর কাছে গেলে, আল্লাহ্‌ বললেন - 'হে মুসা, প্রথমবার তুমি অসুস্থ্য হওয়ার সময়ে আমার শরণাপন্ন হয়েছিলে। আমি তোমাকে ঐ পাতা দিয়ে সুস্থ্য করেছিলাম। কিন্তু, এইবারে তুমি অসুস্থ্য হয়ে পাতার শরনাপন্ন হলে! তাই, আমি তোমাকে ঐ পাতার গুনের উপরে ছেড়ে দিয়েছিলাম।'

ধর্ম আল্লাহর নির্দেশ মানার একটি কলাকৌশল মাত্র। কিন্তু, কলাকৌশল নিজের এবং অন্যদের উপরে প্রয়োগ করতে গিয়ে তুমি যখন খোদ ধর্মের স্রষ্টাকে ভুলে যাও, তখন কি সেই ধর্ম তোমার কোন কাজে লাগবে?

তাই, বলছি, আল্লাহ্‌কে সবার আগে স্থান দাও।

ইতি,
তোমার মন



মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: হক কথা বলেছেন ।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ধন্যবাদ, এম এ আলী ভাই।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

২| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ধর্ম আল্লাহর নির্দেশ মানার একটি কলাকৌশল মাত্র।
................................................................................
দ্বি-মত পোষন করছি ,
আমরা মোটেই মনে প্রানে আল্লাহ ভক্ত নই,
মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ি, সমাজে নিজকে জাহির করি
আর অতপর অনৈতিক ধান্ধায় নেমে পড়ি ।
অথচ এমন মানুষও দেখেছি , আল্লাহর বিধি বিধান মানবতার সব
কাজই করছে, সৎ এবং প্রচন্ড পরোপকারী কিন্ত কলেমা পড়ে নাই ।
........................................................................................
এসব দেখে আমি খুব দ্বিধায় পড়ে যাই, মানুষ বড় না
মানবতা বড় । সত্যিকার অর্থে মানবতাকে ধারন করছে ???

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ধন্যবাদ। দ্বি-মত থাকতেই পারে।

আমরা কি ঠিক ভাবে তাঁদের মনের কথা জানি, ধর্ম পালন না করলেও, মনে মনে খোদাকে ডাকে না ঐ সব মানুষ যাদের কথা আপনি বলেছেন?

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৩| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: সুন্দর যুক্তি আছে ভাল থাকবেন

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ধন্যবাদ, লিটন ভাই।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৪| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মুসা আ আল্লাহর ধর্ম(আইন) মানুষের মধ্যে প্রচার করতেন দেখে তিনি আল্লাহর পেয়ারা বান্দা ছিলেন।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



মুসা নবী সম্পর্কে আপনি যা বলেছেন তা সঠিক।
তবে, আমরা শেষ নবী ও রাসূলের উম্মত।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৫| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬

নতুন বলেছেন: এই কাহিনি কি হাদিসে আছে? সম্ভবত না।

তাহলে সৃ্টিকর্তা এবং তার নবীদের নিয়ে কাহিনি বানানো কি নৈতিক?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



সব কথা কি ইন্টারনেটে খুঁজলে পাওয়া যায়? সম্ভবত না। :)

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৬| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

মুসলামনদের ৫ ওয়াক্ত নামাজ মুসা নবীরই অবদান।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.