| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

হা ভোট পক্ষের নাগরিক'রা কি এখন ছবির এ বিপ্লবীটির মতই একা ??!!
দীর্ঘ ১৮ বছর লুটপাট, গুম, খুন, নির্যাতনের রাজত্ব। অতঃপর জুলাই-আগস্ট'২০২৪ এর অন্দোলনে রাজপথে স্বৈরাচারের বুলেটের সামনে দাড়িয়ে হাজার হাজার শিশু-কিশোর-যুবক-বৃদ্ধ এবং নারীর রক্ত ঝড়ানো, অমূল্য প্রাণের আত্মাহুতি, শত শত ছাত্র-জনতা হারালো চোখের জ্যোতি !! বিনিময়ে কি কেউ কিছু পায়নি ?
ড. ইউনুসের বিরেুদ্ধে শ্রম ও অন্যান্য আদালতে করা মামলা, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলা সহ পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক ২৩,৮৬৫টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, তারেক রহমান সহ অনেক বড়-ছোট মিয়ার দেশে ফিরে আসা; কত কত মহান আত্মা উৎসর্গের ফসল ??!!
স্বৈরাচার মুক্তির এ অর্জনের পিছনে বিএনপি’র টপ লেভেল নেতাদের কোনও অবদান আছে কী ?? না, নেই ! বরং মির্জা ফখরুল -এ আন্দোলনে বিএনপি’র কোনও সম্পৃক্ততা/সমর্থন নেই- বলে মিডিয়ায় তখন সরাসরি বক্তব্য দিয়েছে !
জুলাই’২৪ আন্দোলনের পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের; বিশেষতঃ বিএনপিরও হাজার হাজার নিরীহ কর্মী বছরের পর বছর জেল-এ অবর্ননীয় নির্যাতন সয়ে ৫ আগস্ট’২০২৪ পরবর্তী মুক্তি পেয়েছে !!
লাভ-ক্ষতি কার বা কাদের হলো ?? এখন বিএনপি- সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ ; সংবিধানে নেই- সে দোহাই দিয়ে শপথ গ্রহন করলো না ?? রাজনীতির কত নোংরা গেম !! চেয়ারে বসেই জাতিকে পিঠ দেখালো !! বিশ্বাসহন্তা একেই বলে !! জাতীয় বেইমান পার্টি তো প্যান্ট খুলে না ভোটের পক্ষ নিয়েছে !! সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো; যে ১২ টি আসনে না ভোট বেশী পরেছে- তার সব কয়টাতেই কিন্তু বিএনপি জিতেছে !!!
বাস্তবতা এটাই, পৃথিবীর কোনও দেশে যদি সবচেয়ে বেশী বিদেশীদের পা চাটা গোলাম থেকে থাকে; তা একমাত্র বাংলাদেশেই আছে !!
এখন কালো কোট পরা কাক-পেঙ্গুইন মার্কা উকিল গুলো গনভোট, জুলাই সনদ বাতিলের জন্য রীট করে !! এ পাঠা’রা কুদে কার জোরে ?? বিএনপি নির্বাচনে জেতার ১ দিন পরই কি অদ্ভুত ভাবে ভ্যাম্পায়ারগুলো অন্ধকার ছেড়ে বেরিয়ে আসছে !!
মিডিয়া গুলোর নির্লজ্জ চাটামী তো দেখার মতোই !!
জাতীয় বেইমানদের যেন সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে !!!
২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১
আব্দুল হাদী আল নাফী খান বলেছেন: বিএনপি এর এত কাহিনীর পরও যদি মানুষ বিএনপিকে বিশ্বাস করে কিংবা তারা যদি ক্ষমতায় আসতে পারে- তবে এটা মানুষের সমস্যা। বিএনপির নৈতিক জোর থাকলে লীগ এত বছর থাকতে পারত না- চুরির দিক দিয়ে কৌশলে ভিন্নতা থাকলেও চোর্যবৃত্তির আদর্শে দুই দলে ভিন্নতা নাই। দেশে মানুষ প্রথমে দুর্বৃত্ত হওয়ার চিন্তা করে, এরপর দল নির্বাচন বা পরিবর্তন করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এক চোর যদি জানে যে পাজামা-পাঞ্জাবী পড়লে তার চক্ষুদানে সুবিধে হয়, কিসে তাকে ওই লেবাস ধারণে আটকাবে?
তবে জুলাই এর পর যারা নেতা হিসেবে সামনে এসেছেন, তারাও (অনেকেই) প্রতারক হিসেবেই প্রতীয়মান হয়েছেন। তাদের সমর্থনের সরকার দেশকে আরও পিছনের দিকেই ঠেলেছেন। বিশ্ব শান্তির দূত জনগণের জন্য দিগন্তপ্রসারী বাঁশবাগানের ব্যবস্থা করে যখন নির্বাচনের ব্যবস্থা করেছেন- তখন মানুষের সামনে দুইটা রাস্তাই খোলা ছিল- এন্টি জামায়াত অথবা এন্টি বিএনপি।
৩|
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১২
রাজীব নুর বলেছেন: খাম্বামিয়া সব ঠিক করে দিবেন। অপেক্ষা করেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিএনপির টপ লেভেলের বেশিরভাগ নেতা ৫০০ মামলার আসামি । শেখ হাসিনার শাসনামলে তারা যদি জেলে না যেতেন , তারা যদি প্রতিবাদ না করতেন তাহলে আর ২৪ দেখা লাগতো না । সবাই আওয়ামি লিগে যোগ দিলেই বাকশাল একেবারে সোনায় সোহাগা হয়ে যেত ।
বিএনপি জুলাই সনদ কিংবা হা ভোট কোনোটা নিয়েই ডিনাই করে নি। সময় চেয়েছে এগুলোকে সংবিধানে এড করার ।