| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের লোকজন ঢাকায় আসতেছে। নারায়ণগঞ্জের মাদ্রাসায় থাকতেছে। বুড়িগঙ্গায় নৌকা ভাসাইতেছে।
মোল্লা নুর আহমদ নুর, তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফার্স্ট পলিটিক্যাল ডিভিশনের মহাপরিচালক, গেল ডিসেম্বরে এক সপ্তাহ ধইরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের মাদ্রাসা ঘুইরা গেছেন। বিমানবন্দরে রিসিভ করছেন আবু সায়েম খালেদ, যার বিরুদ্ধে হুজির নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির হওয়ার অভিযোগ আছে। উনি অস্বীকার করছেন, যেইটা সাধারণত অস্বীকার করার জন্যই বলা হয়। হুজি মানে ২০০৫ সালে নিষিদ্ধ হওয়া সেই সংগঠন যার দেশজুড়ে বোমা হামলার ইতিহাস রয়েছে । সেই সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকা একজনের মাদ্রাসায় তালেবানের শীর্ষ কূটনীতিক সপ্তাহব্যাপী অবস্থান করলেন, আর রাষ্ট্রের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া নাই। এইটা কেমন উদাসীনতা?
মামুনুল হক গেল সেপ্টেম্বরে সাত আলেম নিয়া কাবুল গেছেন। ফিরা আইসা জানাইছেন তালেবান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কে কাজ করতে বলছেন। মানে তালেবান তাঁরে অনানুষ্ঠানিক দূত বানাইতে চাইতেছে, আর উনি সেই ভূমিকা নিতে আপত্তি করেন নাই। ব্যক্তি মামুনুল হকের বিতর্কিত অতীত সবার জানা। উনি এখন কাবুলফেরত গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে গণমাধ্যমে কথা বলতেছেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আছে এমন নেটওয়ার্কের হাত ধইরা যদি বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধি দেশে ঘুইরা বেড়ান, সেইটা যেকোনো সরকারের জন্যই বিপদঘণ্টা হওয়ার কথা। এই সরকারের কানে সেই ঘণ্টা পৌঁছাইতেছে কিনা সেইটাই প্রশ্ন।
৮০-র দশকে এই দেশেই প্রকাশ্যে বিদেশি যুদ্ধের জন্য লোক সংগ্রহ করা হইছিল। সেই সংগ্রহের ফলাফল বাংলাদেশ দেখছে পরের তিন দশক ধইরা। এই ইতিহাস আমরা ভুইলা গেলে চলবেনা।
২|
২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৩২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি এই বিষয়টি নিয়ে লিখেছিলাম সামুতে।
৩|
২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই সরকারের কানে সেই ঘণ্টা পৌঁছাইতেছে কিনা সেইটাই প্রশ্ন।
.........................................................................................
ডার্ক ওয়েবে এমনিতর ভয়ংকর তথ্য আসে
প্রমানের অভাবে লিখতে পারিনা ,
ওদিকে শিশু সরকার বলে সকলে,
ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে ।
৪|
২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:১৮
সামছুল আলম কচি বলেছেন: এ দেশের সবচেয়ে ভালো বন্ধু কে ??? বড় শত্রু কে ?? এটা চেনা-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ !! জনগন যতদিন এ ব্যাপারে অজ্ঞ থাকবে; ততদিন দেশ, দেশের জনগন বাঁশডলা খেতেই থাকবে !!!
৫|
২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
নতুন বলেছেন: দেশে কিছু ছাগলের বাচ্চা আছে যারা আমরা সবাই তালেবান, বাংলা হবে আফগান বলে লাফায়। সরকারের উচিত এগুলিরে বন চটকানা মাইরা দাত ফেলে দেওয়া।
আরেটকা জিনিস হইলো এই সব মাদ্রাসা চলে মানুষের কাছে হাত পেতে, এরা কখনোই অস্র কিনতে ব্যায় করবেনা। শুধুই মিছিল ই করবে।
তবে ভারত, আমেরিকা বাংলাদেশকে ব্যার্থ রাস্ট দেখাতে এই জঙ্গিকার্ড ব্যবহার করার চেস্টা করবে সব সময়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইনটেরিম আমলে যেটা হুয়েছে সেটাকে বলে জিহাদি diplomacy ; শুনলাম মিলিটারিতেও জিহাদের অনুপ্রবেশ করেছে ।