নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শেহজাদ আমান। আমার লেখা ভালো লাগলে ফেসবুক প্রোফাইলের সাথে যুক্ত হতে পারেন। প্রোফাইল লিংকঃ https://www.facebook.com/shuvo.shokti/

শেহজাদ আমান

একজন সাংবাদিক, একটিভিস্ট ও সৃষ্টিশীল লেখক। আমার লেখা ভালো লাগলে ফেসবুক প্রোফাইলের সাথে যুক্ত হতে পারেন। প্রোফাইল লিংকঃ https://www.facebook.com/shuvo.shokti/

শেহজাদ আমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্রেফ \'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি\' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই আপনারাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গালাগাল করেন, তাঁকে কেবল 'বাকশাল' দিয়েই চিহ্নিত বা মূল্যায়ন করতে চান, আবার এদিকে জিন্নাহকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বা সম্মান জানান, তখন সেটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য কোনো কাজ হতে পারে না।

মোটাদাগে জিন্নাহ যদি পাকিস্তানের জাতীর পিতা হন, তবে বাংলাদেশে সেটা বঙ্গবন্ধুকে বলাই যায়। এমনকি আমেরিকার মতো বাংলাদেশে 'ফাউন্ডিং ফাদার্স' হিসেবে যদি বেশ কয়েকজনের নাম আনেন, তবে সবচেয়ে বড় নামটা কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরই!

কাজেই, স্রেফ জিন্নাহকে সম্মান দিবেন, আর বঙ্গবন্ধুকে কালিমালিপ্ত করবেন-- সেটাকে কি স্রেফ পাকিস্তানপন্থী মানসিকতা হিসেবেই ধরে নেবে না মানুষ?

২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশের বাড়বাড়ন্ত ডানপন্থী ও পাকিস্তানপন্থী জনগোষ্ঠী আশা করি ভেবে দেখবেন বিষয়টা!

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০২

নতুন বলেছেন: এইসব জাসীদের পাকি প্রেম সবাই জানে। B-)

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩

শেহজাদ আমান বলেছেন: হুম, অত্যন্ত কষ্টকর এই বিষয়টা।

২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৫

নিমো বলেছেন: এভাবে নূতন স্বাদীনতার দাবিদার লাল বদরদের লজ্জা দিবেন না।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৪

শেহজাদ আমান বলেছেন: এরপরও কি লজ্জা হবে? এরা তো নিজেদেরকে সঠিক মনে করে, যেটার চেয়ে বড় দুঃখজনক ব্যাপার আর নাই! :)

৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২০

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: নিজের বাপ ছেড়ে অন্যের বাপকে বাপ ডাকে যে জন, কে বলে মানুষ তাঁকে রাজাকার সে জন।

এন আই ডি তে এদের যে বাপের নাম আছে তা কি আসল? আসলে এদের বাপ কে? প্রকৃত biological father কে?

কিন্তু তারচেয়েও এখন যে প্রশ্ন গুরুতর হয়ে দাড়াচ্ছে তা হলো “নিজের প্রকৃত পিতৃ পরিচয়কে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, স্বপ্রণোদিত হয়ে অস্বীকার করা, কাউয়া হয়ে নিজেকে ময়ূরের সন্তান দাবি করা”, কেনো?

পিতৃ পরিচয় না থাকা এক বিষয়, যেখানে জারজ সন্তানের কিছু করার নেই, তার কোনও দায়ভার নেই। আর যে স্বেচ্ছায় নিজের প্রকৃত পিতৃ পরিচয় অস্বীকার করে তার দায় কার? মানুষ যে স্বঘোষিত বেজন্মা/জারজ হতে পারে তা জাশিদের না দেখলে বিশ্বাস হতো না।

নিজেদের প্রকৃত বাপকে যারা বাপ মানে না এমন প্রজন্ম কি স্বাভাবিক নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন, বিকৃত মস্তিষ্ক?

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৫

শেহজাদ আমান বলেছেন: "পিতৃ পরিচয় না থাকা এক বিষয়, যেখানে জারজ সন্তানের কিছু করার নেই, তার কোনও দায়ভার নেই। আর যে স্বেচ্ছায় নিজের প্রকৃত পিতৃ পরিচয় অস্বীকার করে তার দায় কার? মানুষ যে স্বঘোষিত বেজন্মা/জারজ হতে পারে তা জাশিদের না দেখলে বিশ্বাস হতো না।"

- সুন্দর বলেছেন!

৪| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে এই ধরনের রাজনীতি নতুন নয়। যে দলই ক্ষমতায় এসেছে, তারা অন্য দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও রাজনৈতিক প্রতীককে অসম্মান করেছে। কে সঠিক, কে ভুল, সেই বিতর্কে এবার যাচ্ছি না। কিন্তু সব দলের মধ্যেই এই প্রবণতা আছে। জামায়াত শিবির কি শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান করবে? না। তারা জিন্নাহকে কেন এত গুরুত্ব দেয়? জিন্নাহ কি তাদের ধর্মীয় বা রাজনৈতিক আদর্শের নেতা আবুল আলা মওদুদীর মতো কেউ? তাও নয়। আসলে জিন্নাহকে তারা অখণ্ড পাকিস্তানের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে এক ধরনের রাজনৈতিক নস্টালজিয়া থেকে। কারণ তাদের রাজনৈতিক পূর্বসূরিদের সঙ্গে যে পাকিস্তানি রাজনীতির সম্পর্ক ছিল, সেই জায়গা থেকে জিন্নাহ তাদের কাছে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। অন্তত তাঁর বিরুদ্ধে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেই। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এই ধরনের পাকিস্তানি ন্যারেটিভ সহজে গ্রহণ করে না। তাই ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হলো, সেটাকে আদর্শিক কোনো বড় বিজয় হিসেবে দেখার কারণ নেই। এটা অনেকটাই অপ্রয়োজনীয় বিশৃঙ্খলা। বরং ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতির তুলনা করলে আরেকটি বিষয় চোখে পড়ে। শিবির অনেক বেশি কৌশলী। তারা অনেক সময় ছাত্রদের পক্ষে দাঁড়ানোর মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা তৈরি করে, আর ছাত্রদল এমন কিছু ইস্যুতে অবস্থান নেয় যেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়। ফলে জিন্নাহর ছবি ভাঙা বা অপসারণের মতো ঘটনায় ছাত্রদল আসলে কী অর্জন করতে চাচ্ছে, সেটাই প্রশ্ন। সামনে ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের জয়ের সম্ভাবনা বেশি। কারণ রাজনীতিতে শুধু আদর্শ থাকলেই হয় না, মানুষের মনস্তত্ত্বও বুঝতে হয়। শিবির সেই জায়গায় অনেক বেশি হিসাবি। গতকাল পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছিল, সেগুলো হঠাৎ করে কোথায় গেল? একদিকে আসিফ নজরুলের ছাগল ঘিরে বিতর্ক, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্য, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের নানা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা চলছিল। তারপর হঠাৎ জিন্নাহর ছবি নিয়ে এমন এক ইস্যু সামনে এলো, যা পুরো আলোচনার কেন্দ্র বদলে দিল। তাই শুধু যারা জিন্নাহর ছবি ভাঙল তারা কার উদ্দেশ্য পূরণ করল, সেটাই দেখার বিষয় নয়। এই ঘটনার রাজনৈতিক ফলাফল শেষ পর্যন্ত কার পক্ষে গেল, সেটাও দেখা দরকার। রাজনীতিতে অনেক সময় যে ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি হাউকাউ হয়, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নয়। বরং আসল প্রশ্ন হলো, এই হাউকাউয়ে লাভ হলো কার?

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

শেহজাদ আমান বলেছেন: "সামনে ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের জয়ের সম্ভাবনা বেশি"

-- মনে হয় না; বাংলাদেশে মৌলবাদীদের ওস্তাদ ইউনুস বাপ ও জামাইত্যা ভিসি নিয়াজ আর নাই। আর এখন তো বিএনপি ক্ষমতায়১

৫| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩২

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: কোন দুনিয়ায় আসলাম । আর কত কিছু দেখতে হবে !

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

শেহজাদ আমান বলেছেন: হুম, রঙ্গভরা বঙ্গদেশ! :)

৬| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

এটা তো অনেক আগেই ঢাকা দেওবন্দ মাদ্রাসায় পরিণিত হয়েছে।
এটা বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে কে বলেছে?

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

শেহজাদ আমান বলেছেন: একদম! যারা আধুনিক জীবনযাপন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের, এরাও বেশিরভাগই মৌলবাদী! :)

৭| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৫

কলাবাগান১ বলেছেন: পাকি রাজাকারদের আস্ফালন

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১

শেহজাদ আমান বলেছেন: এরা কে কবে একটু বুঝবে? :)

৮| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশের বাড়বাড়ন্ত ডানপন্থী ও পাকিস্তানপন্থী
জনগোষ্ঠী আশা করি ভেবে দেখবেন বিষয়টা!

...........................................................................................
আর কদিন পর , বাংলাদেশকে জঙ্গী পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বে
স্হান করে নেবে ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

শেহজাদ আমান বলেছেন: কে জানে কী হবে? তবে, তেমনটা না হোক, এমনটাই প্রত্যাশা! :)

৯| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: জিন্নাহ না থাকলে বাংলাদেশ আজ হায়দাবাদ হতো। হায়দারাবাদ বাংলাদেশের চেয়েও বড় রাস্ট্র ছিল।

মজিবরকে অশ্রদ্ধার কারণ হলো আওয়ামী তাকে ইশ্বর বানাতে গিয়েছিল।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮

শেহজাদ আমান বলেছেন: আবার, ওদিকে জিন্নাহকে ঠিকই শ্রদ্ধা করব-- এটাই রাজাকারি মানসিকতা ভায়ে! :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.