নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞানী লোকের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। অজ্ঞের থেকে শেখার কিছু নেই। সম্মান যতটুকু দিবেন ততটুকু ফেরত পাবেন।

এম ডি মুসা

আমি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নই। আমি কোন কবিও নই।কবিতা লেখি, শখের বিষয়। জানি ছন্দ জানি মাত্রা এই নিয়ে আমার পথ যাত্রা।। কুসংস্কার এবং অন্যায় বিরুদ্ধে সোচ্চার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমার বুকের ভেতর মজুদ করা।

এম ডি মুসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার প্রতিকৃতি
শহীদের স্মৃতির দেয়ালে করে আবার অধিকার?

ওহে বিবেক, আজ তুমি কোথায়?
কোন লজ্জার কুয়াশায় ঢেকেছ তোমার চোখ?
যে দেয়ালে থাকার কথা
শহীদের স্বপ্ন,
সেখানে কেন ইতিহাসের পরাজিত ছায়ার শোক?

এই লাল-সবুজ কেবল কাপড় নয়
এ এক নদীভরা রক্তের দলিল,
এ এক মায়ের অশ্রু,
এ এক ভাইয়ের অসমাপ্ত চিঠি,
এ এক জাতির বুকের ভেতর জ্বলা অনির্বাণ শিখা।

যারা চেয়েছিল ছোট্ট ঘর,
ধানের গন্ধ, শিশুর হাসি,
সন্ধ্যার শেষে আপনজনের মুখ
তারাই একদিন জীবন দিয়ে লিখে গেল
স্বাধীনতার অমর মহাকাব্য।

তাদের কবরের মাটিতে আজও
ঘুমিয়ে আছে অগণিত প্রশ্ন...
“আমাদের রক্তের বিনিময়ে
কেমন স্বাধীনতা গড়েছ তোমরা?

আমি সেই প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে
মাথা নত করি,
তারপর মুঠি বাঁধি
কারণ নত হওয়া শ্রদ্ধার,
কিন্তু অন্যায়ের সামনে নত হওয়া কাপুরুষতার।

আমি ঘৃণা করি সাম্রাজ্যের শোষণ,
ঘৃণা করি জুলুমের জাল,
ঘৃণা করি সেই রাজনীতির কালো নখর
যে মানুষের স্বাধীনতাকে বানায় পায়ের জুতো।

ক্ষুদিরামের ফাঁসির দড়ি,
প্রীতিলতার অগ্নিশপথ,
সূর্যসেনের অদম্য পদচিহ্ন,
বাঘা যতীনের বজ্রহৃদয়
এসব কি তবে ইতিহাসের পাতায় বন্দী শুধু?

না!
এসব আমাদের রক্তের অভিধান,
এসব আমাদের মেরুদণ্ডের উচ্চারণ,
এসব বলে...
শোষকের মুখ বদলালেই শোষণ মরে না,
জেগে থাকে মানুষের বিবেকেই তার প্রতিষেধক।

আমি ঘৃণা করি একাত্তরের হানাদারিত্ব,
ঘৃণা করি নিরপরাধ মানুষের ওপর জুলুম,
ঘৃণা করি সীমান্তে মানুষের প্রাণহানি,
ঘৃণা করি সেই সব শক্তিকে
যারা মানুষের জীবনের চেয়ে ক্ষমতাকে বড় করে দেখে।

হে শহীদ,
আমাদের ক্ষমা করো
তোমাদের রক্তের অক্ষর পড়েও
যদি আমরা অন্যায়ের কাছে নীরব হই!

তোমরা ফিরবে না
কোনো ক্ষমতার মঞ্চে,
কোনো শাসকের ঘোষণায়,
কোনো প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরিতে
তোমাদের হারানো জীবন ফিরবে না।

তাই প্রতিশোধ নয়
চাই সত্যের বিচার,
চাই ইতিহাসের মর্যাদা,
চাই মানুষের অধিকার,
চাই স্বাধীনতার অর্থের পূর্ণতা।

মুছে দাও না ইতিহাস
ইতিহাসের কালো অধ্যায়ও থাকুক,
যাতে আগামী প্রজন্ম দেখে
কীভাবে অন্যায় জন্মায়,
কীভাবে মানুষ তার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।

এই ক্যাম্পাস কারও ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য নয়
এ জ্ঞানের প্রাঙ্গণ,
এ প্রশ্নের প্রাঙ্গণ,
এ মুক্ত চিন্তার প্রাঙ্গণ।

এখানে ভয়ের পতাকা নয়,
উড়বে বিবেকের পতাকা।
এখানে দখলের ভাষা নয়,
উচ্চারিত হবে সত্যের ভাষা।

শুনে রাখো...
লাল-সবুজের মানচিত্র কোনো খেলনা নয়,
কোনো দেয়ালের ছবি কোনো জাতির আত্মা নয়।
জাতির আত্মা জেগে থাকে।
তার মানুষের স্মৃতিতে,
তার ন্যায়ের লড়াইয়ে,
তার স্বাধীন কণ্ঠে।

যতদিন অন্যায়ের ছায়া থাকবে,
ততদিন প্রশ্ন উঠবে-
যতদিন ইতিহাস বিকৃত হবে,
ততদিন বিবেক জাগবে;
যতদিন স্বাধীনতার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে,
ততদিন কণ্ঠে কণ্ঠে বজ্রধ্বনি উঠবে

স্বাধীন ক্যাম্পাস চাই!
স্বাধীন চিন্তা চাই!
ইতিহাসের মর্যাদা চাই!
ন্যায়ের বাংলাদেশ চাই!

শহীদের রক্তের কাছে
এ আমাদের অঙ্গীকার
কালো ছায়া যতই দীর্ঘ হোক,
সূর্যের জন্ম থামানো যায় না।

লাল-সবুজের বুকের ওপর
আবার উঠুক সত্যের সূর্য
মুক্ত হোক মানুষের কণ্ঠ,
মুক্ত হোক বিবেক,
মুক্ত হোক ক্যাম্পাস,
মুক্ত থাকুক বাংলাদেশ...

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
.................................................
মেঘের আড়ালে সূর্য যেমন,
লুকিয়ে হাসে এক ফালি রোদ,
বিবেক তো ভাই হারিয়ে যায় না,
জাগিয়ে তোলে আপন বোধ।

দিনের আলোয় স্বার্থের টানে,
চোখ দুটো যদি বুজেই থাকো,
রাতের আঁধারে মনের আয়নায়,
নিজের আসল রূপটা দেখো।

মিথ্যে কথার জমকালো সাজ,
টিকবে না আর বেশি ক্ষণ,
ন্যায়ের আলোয় ধুয়ে যাবে সব,
শান্ত হবে আকুল মন।

মিথ্যা চাদর সরিয়ে ফেলে,
সত্যের পথে বাড়াও পা,
বিবেকের বাণী শুনলে পরে,
ভয়ের ব্যাপার থাকবে না।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮

এম ডি মুসা বলেছেন: যারা আমাদের স্বাধীনতা চায়নি,
যারা আমাদের মাতৃভাষার অধিকার স্বীকার করতে চায়নি,
যারা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মকে প্রতিহত করতে চেয়েছিল—
তাদের রাজনৈতিক ভূমিকা ও ইতিহাস আমাদের নিজেদের ইতিহাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
​আমাদের ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু আমাদের এই মাটি, এই মানুষ এবং আমাদের স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রাম। সিরাজউদ্দৌলা থেকে তিতুমীর, মাস্টারদা সূর্যসেন থেকে প্রীতিলতা—বাংলার মাটি বহু সংগ্রামী মানুষের আত্মত্যাগের সাক্ষী। এই ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের শিকড় গড়ে উঠেছে।
​১৯৪৭ সালের দেশভাগ ছিল মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ক্ষমতা হস্তান্তরের ফল; এটি ১৯৭১ সালের মতো স্বাধীনতার যুদ্ধ ছিল না। দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হলেও পূর্ব বাংলার মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে সংকট তখনই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আমরা সব জাতি মিলে একসঙ্গে থাকতে পারি, আমরা দ্বিজাতিতত্ত্বের পরোয়া করি না।
​পাকিস্তান নিজেদের মুসলমান দাবি করে, অথচ তাদেরই সৈন্যবাহিনী দেশের মানুষের ওপর নির্যাতন ও ধর্ষণ করল কীভাবে? মানুষ হত্যা করল কীভাবে?
​তখন তারা ভেবেছিল বাঙালিদের কাছে কোনো অস্ত্র নেই। পরবর্তী সময়ে ভারত আমাদের শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছিল—আমাদের আপন কেউ নয়। এই দেশের স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন কৌশলে আমাদের শোষণ করেছে। কিন্তু এদেশের স্বাধীনতা-বিরোধীরা কেবল এই আফসোস করে যে, ভারত যদি বাংলাদেশের পাশে না দাঁড়াত, তবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেত না। তাদের এই ধারণার পেছনে রয়েছে তীব্র ক্ষোভ; যেন সব বাঙালিকে মেরে দেশকে পাকিস্তান বানিয়ে রাখাটাই তাদের লক্ষ্য ছিল। অথচ তারা বোঝে না যে, মুক্তিযুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে কে বাংলাদেশকে সাহায্য ও অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছিল।
​একটি স্বাধীন ও রক্তে ভেজা দেশের মাটিতে, যারা স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি—তাদের কোনো দোসর বা ব্যক্তির ছবি আমাদের দেশে থাকা বাঙালি জাতির জন্য চরম লজ্জা ও ঘৃণার বিষয়। দ্বিজাতিতত্ত্ব যদি সঠিক হতো, তবে এদেশের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা কিংবা খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে আপনারা কোন হিসেবে ভাগ করবেন? দ্বিজাতিতত্ত্ব মানেই হলো হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। আমাদের মহানবী (সা.) ইহুদিদের সঙ্গে একই দেশে পাশাপাশি বসবাস করেছেন। নবীর সুন্দর আচরণ দেখে ইহুদিরা ইসলাম গ্রহণ করত; তিনি কখনো দ্বিজাতিতত্ত্ব দিয়ে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করেননি। ওই গাদ্দাররাই দ্বিজাতিতত্ত্বের নামে দেশ ভাগ করে মানুষের মধ্যে আরও বিদ্বেষ ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ আজও অনেক দেশে হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে মিলে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।
​একসময়ের ‘পূর্ব বাংলা’ নামটি ১৯৫৫ সালে জোর করে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ করা হয়। কিন্তু নাম পরিবর্তন করে মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি কিংবা আত্মপরিচয় মুছে ফেলা যায়নি। রাষ্ট্রকাঠামোর ভেতরে বৈষম্য ও অধিকারহীনতার প্রশ্ন ক্রমেই তীব্র হয়েছে।
​পাকিস্তানের রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাঙালির ভাষা ও স্বাধিকারের প্রশ্ন সামনে আসে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং শেষ পর্যন্ত ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ—সবকিছু মিলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথ তৈরি করেছে।
​তাই ইতিহাস জানতে হবে—কিন্তু অন্ধ আনুগত্যের জন্য নয়, বরং সত্যকে বোঝার জন্য। যারা আমাদের অধিকার অস্বীকার করেছিল, তাদের ভূমিকা ইতিহাসে অবশ্যই থাকবে, তবে সেই ইতিহাস আমাদের আত্মপরিচয়ের বিকল্প হতে পারে না।
​আমাদের পরিচয় কোনো আরোপিত তত্ত্বের উত্তরাধিকার নয়।
আমাদের পরিচয় এই বাংলার মাটি, ভাষা, সংস্কৃতি, মানুষ এবং স্বাধীনতার সংগ্রামের উত্তরাধিকার।
​বাংলাদেশের ইতিহাস তাই বাংলাদেশের মানুষের ইতিহাস।
অধিকার থেকে আত্মপরিচয়,
আত্মপরিচয় থেকে স্বাধীনতা,
আর স্বাধীনতা থেকে একটি সার্বভৌম বাংলাদেশের ইতিহাস।

২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৬

জিনাত নাজিয়া বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে লেখা টা, লেখক কে কি বলে ধন্যবাদ দিব বুঝতে পারছিনা।আপনার এরকম দেশাত্মবোধ জাতি কে আশান্বিত করবে। আপনার লেখক জীবন স্বার্থক হোক।ভালো থাকবেন।

৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৮

সামছুল আলম কচি বলেছেন: অনেক বড় লেখা...
কবিতার এক জায়গায় লিখেছেন; ইতিহাসের মর্যাদা চাই !!! কিন্তু বাস্তবে মূর্খের দল তো যার যার বানানো আর পছন্দের ইতিহাস গড়তে ব্যস্ত !!! অতীতের যেটা যার পছন্দ না, সেটা সে ইতিহাসে রাখতে চায় না- বেকুবের দল লর্ড ক্লাইভ-কে মুছে ফেলে এরা শুধুই সিরাজ-কে রাখতে চায়...!!!!!

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬

এম ডি মুসা বলেছেন: যে পাকিস্তান বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাটা চাইনি। বাংলাদেশ নামক একটা ভিন্ন রাষ্ট্র হোক সেটা চাইনি। এই পাকিস্তানের কোন ইতিহাস বাংলাদেশে ঠাঁই হবে এর চেয়ে লজ্জাজনক, নিকৃষ্ট চিন্তা আর হয়না। পাকিস্তান রাষ্ট্র ভাগ না হলে, আমাদের পূর্ব বাংলা আমরা আরো অন্যান্য বাংলা গুলো কি মিলে আমরা আর একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করতে পারতাম যদিও সেটা ওই ব্রিটিশ ক্লাইভের কোটনামি আছে এখানে।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

এম ডি মুসা বলেছেন: ভারত, পাকিস্তান ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যকার সীমারেখা নির্ধারণ করেছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ। রেড ফ্লিক আমাদের পূর্ব বাংলাকে ছোট করে দিয়েছে। আপনি কি আপনার ঘরে, শত্রুকে জায়গা দিবেন? আপনি নিজস্ব একজন স্বাধীন মানুষ হন! আপনার একটা ঘর হবে বাড়ি হবে আবার সেই স্থল হবে। সেটা যারা চায়নি। তাদের বংশধর কে কি আপনি জায়গা দিবেন?

৪| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: জিন্নাহ না হলে কি আজ বাংলাদেশ হতো? বাংলাদেশ হায়দারাবাদ অথবা সিকিম অথবা কাশ্মির হতো।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৫

এম ডি মুসা বলেছেন: ব্রিটিশ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছি নাকি?? ভারত থেকে পাকিস্তান স্বাধীনতা পেয়েছে নাকি পাকিস্তান থেকে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছে? দ্বিজাতি না হলে কি আমাদের কি ক্ষতি হতো ? আর আপনি কি জানেন যে রেড ফ্লিক সীমানা নির্ধারণ করেছেন? তখনই এইসব ভাগ করা হয়ে গেছে? ভারত কখনই হিন্দু মুসলিম একসাথে রাখতো না! কারণ হিন্দু-মুসলিমের দাঙ্গার খবর আপনি নিশ্চয়ই জানেন।
বাংলাদেশ যদি ভারতের সাথে থাকতো। তাহলে যুদ্ধ করা লাগবে না কারণ তারা ভিন্ন ধর্মে থাকার কারণে। ৪৭-এর মতো শুধু চুক্তির মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়ে যেতাম। কিন্তু পাকিস্তান জানোয়ারদের কারণে এর রক্তকে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে!
আপনি কোন পাকিস্থানের কথা বলছেন পাকিস্তানটা জন্ম হয় ভুল ছিল।

৫| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের ইতিহাস এত সোজা রেখায় চলে নাই ।
মাথায় রাখতে হবে , বৃটিশ বা হিন্দুরা আজীবন মুসলিমদের
কোনঠাসা করে রেখেছে এবং এখনও সারা বিশ্বে মুসলমি ছাড়া
কোথাও থেকে সাহায্য আসেনা ।

.....................................................................................
মনে রাখবেন ভারত ঈসরাইলের পরম বন্ধু, গোপনে অস্ত্র, সৈন্য
সবই পাঠাচ্ছে , ভারতের মাঝে সর্বদা প্রতিবেশীকে গিলে খাবার
প্রবনতা আছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.