নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজস্ব ভাবনা চিন্তা নিয়ে আমার ভার্চুয়াল জগত!

এস.এম. আজাদ রহমান

মানুষ

এস.এম. আজাদ রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেখ হাসিনা\'র আন্তর্জাতিক খেলা

৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫২



শেখ হাসিনা- একটি নাম, একটি ইতিহাস। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন খুব কম নেতাই আছেন, যাদের নাম উচ্চারিত হলে সমর্থন ও বিরোধিতা- উভয়ই এত প্রবলভাবে সামনে আসে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি যেমন রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্ব দিয়েছেন, তেমনি নানা সংকট, আন্দোলন ও বিতর্কেরও কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করেছিলেন, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগ হয়তো দীর্ঘ সময়ের জন্য রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন চিত্রও দেখাচ্ছে। নানা প্রতিকূলতা, মামলা- মোকদ্দমা, সাংগঠনিক চাপ এবং রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও দলটি নিজেদের পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে সংগঠনের কার্যক্রম সচল করার উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক শক্তির একটি বড় দিক হলো তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং দলীয় কর্মীদের মধ্যে প্রভাব। দেশের বাইরে অবস্থান করেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং বিভিন্ন মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তার দেশে ফেরার ঘোষণাকে সমর্থকরা নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন, আর বিরোধীরা এটিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরা হচ্ছে। তাদের দাবি, দেশে গণতান্ত্রিক চর্চা, রাজনৈতিক অধিকার এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল, মানবাধিকার সংস্থা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে এসব বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া পক্ষগুলো এসব অভিযোগের সঙ্গে একমত নয় এবং নিজেদের অবস্থানকে বৈধ ও জনসমর্থিত বলে দাবি করে।

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাস বলে, কোনো বড় রাজনৈতিক দলকে শুধু প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক চাপের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করে রাখা সহজ নয়। আওয়ামী লীগও সেই বাস্তবতার বাইরে নয়। দলটির সামনে যেমন সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি রয়েছে নিজেদের ভাবমূর্তি পুনর্গঠন ও জনসমর্থন ফিরে পাওয়ার প্রশ্ন। আর এই প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনার ভূমিকা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা, আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান রাজনৈতিক প্রচারণা- সবকিছু মিলিয়ে আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত জনগণের সমর্থন, রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ পথচলা।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১৩

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: " শেখ হাসিনা একটি নাম ,একটি ইতিহাস " । শেখ হাসিনার নাম স্বর্নাক্ষরে ইতিহাসে লেখা থাকবে একজন শক্তিশালী নেত্রী হিসেবে। যিনি কিনা দেশ টিকে দ্রুত নিয়ে গিয়েছেন মধ্য ইনকামের দেশে, 'এশিয়ার টাইগার' হতে শুরু করেছিল বাংলাদেশ ,মাথা পিছু ইনকাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল । দুর্নীতি সরকার কে নাজেহাল করে দিয়েছিল এবং যা কিনা এখনো চলমান । এই দলের ফিরে আসা নুতুন মাত্রা যোগ করবে কিন্তু দলকে পরিবর্তন করতে হবে অনেক কিছু। আগের ভুল গুলো যেন না হয় ।

৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪০

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন:




নেত্রী এখনো ১৪-১৫ ঘন্টা অনলাইলে/টেলিফোনে কথা বলেন তৃণমূল পর্যায়ে, দলীয় নেতাদের সাথে, দেশে ও বিদেশে - সেটা নিশ্চয়ই নতুন করে সাজাবেন বলেই করেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২| ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:২৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


উনার ভালো দিকঃ
১) প্রথম সারীর দেশপ্রেমিক।
২) খুব শক্ত ডিসিশন নিতে পারেন।
৩) নিজের বাবাকে খুব ভালোবাসেন।

উনাকে যে দিকগুলো আরও ভালো ভাবে শিখতে হবে-
১) তিনি পলিটিক্স ভালো বুঝেন না।
২) কিছুটা একরোখা।
৩) পার্টিতে কিছু বাজে লোককে স্থান দিয়েছিলেন।

৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩০

এস.এম. আজাদ রহমান বলেছেন:


থন্যবাদ

উত্তর- উনাকে যে দিকগুলো আরও ভালো ভাবে শিখতে হবে-
১) না বুঝেই একটা দেশ একটানা ১৭ বছর চালিয়েছেন, যা বাংলাদেশ রেকর্ড
২) আপনার ভাল দিকের ২) নং টা চেক করুন- খুব শক্ত ডিসিশন নিতেন, এটা একরোখা না হলে নিতে পারতেন না।
৩) এতো বড় একটা দলে ভাল লোকের পাশিাপাশি কিছু স্বার্থপর মানুষ ঢুকে যাবে এটাই সাভাবিক।

৩| ৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:২৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শেখ হাসিনার রাজনৈতিক শক্তির একটি
বড় দিক হলো তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা

..................................................................
অভিজ্ঞতা কোন কাজেই আসেনা যখন তিনি
মানুষ চিনতে ভূল করেন । উনার পিতাও একই
ভূল করে ছিলেন ।
রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ক্ষতায় থাকলে অহংকার জন্ম নেয়
সাধারন ভূল গুলো চোখে পড়েনা এবং জনবিচ্ছিন্ন হয়ে
পড়েন । যা উনার মধ্যে দেখেছিলাম ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.