| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুহাম্মদ তমাল
একুশ শতকের অদৃষ্ট,সুপথের সন্ধানী তবু পথভ্রষ্ট,পূর্নতায় হৃদয় সিক্ত,রজক জয়ন্তী পূর্ন বন্দি অবশেষে মুক্ত।
প্রিয় আকাশ,
মাঝে মাঝে তোমার দিকে তাকিয়ে মনে হয়, তুমিই সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে নিঃশব্দ প্রাঙ্গণ। তাই আমার সমস্ত অভিযোগ, অনুযোগ, ক্ষোভ, দীর্ঘশ্বাস আর অব্যক্ত আর্তনাদ তোমার দিকেই ছুড়ে দিই। তুমি নির্লিপ্ত, অবিচল, অনন্ত। সহস্রাব্দ ধরে মানুষের সুখ, শোক, পরাজয়, বিশ্বাসঘাতকতা আর প্রার্থনার নির্বাক সাক্ষী হয়েও তোমার কোনো উচ্চারণ নেই।
আমার সমস্ত অন্তর্দহন, সমস্ত ব্যর্থতার ইতিহাস, সমস্ত নিষ্ফল পথপরিক্রমা-সবকিছুর সাক্ষী তুমি। আমি বারবার পরাজিত: কখনো নিয়তির কাছে, কখনো মানুষের নিষ্ঠুরতায়, আর সবচেয়ে বেশি নিজের ভেতরের ভাঙনের কাছে। প্রতিবার ভেবেছি, এবার বুঝি নিজেকে খুঁজে পাব, অথচ প্রতিবারই নিজেকে আরও দুর্বোধ্য, আরও অপরিচিত লেগেছে।
একসময় অশ্রুও তার দায়িত্ব ভুলে যায়। চোখ শুকিয়ে আসে, কিন্তু বুকের ভেতরকার বিপর্যয়ের প্রতিধ্বনি থামে না। পাঁজর ভাঙার শব্দ বাইরের পৃথিবী শুনতে পায় না, অথচ আত্মা সেই শব্দে প্রতিনিয়ত বিদীর্ণ হয়। তবুও অভিযোগ করিনি- কারণ বুঝে গেছি, সৃষ্টির কিছু নির্মম সমীকরণ আছে, যার ব্যাখ্যা মানুষের অভিধানে লেখা নেই। কখনো মনে হয়, সৃষ্টিকর্তা কি সত্যিই এত নির্দয়? নাকি নির্দয় আসলে সময়, নিয়তি আর অস্তিত্বের এই অমোঘ পরিহাস? যাকে হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিই, সে-ই একদিন মহাশূন্যের দূরতম নক্ষত্রের মতো দূরবর্তী হয়ে যায়। যে স্বপ্নকে বুকে ধারণ করি, তারই মৃত্যু ঘটে সবচেয়ে নিঃশব্দে।
আমরা এতবার কেন পরাজিত হই?
জীবন, তুমি আকাশের ভবঘুরে মেঘের মতো এত উদাসীন কেন?
কেন তোমার প্রতিটি প্রতিশ্রুতির অন্তরালে লুকিয়ে থাকে অনিশ্চয়তার অতল গহ্বর?
কেন প্রতিটি আলোর শেষে তুমি আরও দীর্ঘ অন্ধকারের আয়োজন করো?
অনুপ্রেরণার সন্ধানে বহুবার শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভিজেছি। সেই ভেজা বিকেলগুলোতে নিজেকে দিকশূন্য মনে হয়েছে। তখনই উপলব্ধি করেছি, মানুষ উত্তর খুঁজে বড় হয় না, বরং উত্তরহীনতার ভার বহন করেই পরিণত হয়।
যে প্রশ্নের কোনো সমাধান নেই,
সেগুলোকে বুকে নিয়ে পথ চলার নামই হয়তো জীবন।
প্রিয় আকাশ,
তুমি প্রতিদিন সূর্যাস্তের বিলুপ্তি দেখো, আবার সূর্যোদয়ের পুনর্জন্মও প্রত্যক্ষ করো। তাই আজ তোমার কাছে সুখ প্রার্থনা করি না, অলৌকিক কোনো মুক্তিও চাই না। শুধু এইটুকু চাই-যখন আবার বিপর্যয় আমাকে গ্রাস করবে, তখন যেন আত্মার অস্তিত্ব হারিয়ে না ফেলি, যখন আবার ভেঙে পড়ব, তখন যেন ভস্মস্তূপের ভেতর থেকেও পুনর্জন্মের সাহস খুঁজে পাই।
যদি কোনোদিন আমার অস্তিত্ব পৃথিবীর স্মৃতি থেকে মুছে যায়, তুমি শুধু এটুকু মনে রেখো-এক পথিক ছিল, শত পরাজয়ের পরও যে আকাশের দিকে তাকিয়ে বিশ্বাস করত,
নৈঃশব্দ্যেরও একদিন ভাষা হবে, আর সমস্ত অন্তর্দহনের ওপারে হয়তো অপেক্ষা করে আছে কোনো অনন্ত প্রশান্তি। কারণ,
"আমাদের প্রতিপালক আমাদের কখনো নিরাশ করেন না"।
-মুহাম্মদ তমাল
২|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৩৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি জার্মান ভ্রমন করছি বর্তমানে,
আপনি কোথায় আছেন ???
.......................................................
আমি ও একজন প্রকৌশলী !
মেসেজ দিতে পারেন [email protected]
ধন্যবাদ !
৩|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬
কামাল১৮ বলেছেন: আত্মার অস্তিত্বের কোন প্রমান নাই।আছে একটি ধারণা।
৪|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭
রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আপনি কি বলতে চান?
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৩২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জীবন, তুমি আকাশের ভবঘুরে মেঘের মতো এত উদাসীন কেন?
.............................................................................................
এটাকি শুধু মুসলিম সমাজের জন্য ?
ইউরোপে দেখছি এদের সেই সমস্যা নাই ।
বরং জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে বিধায় চিন্তিত ।
ইউরোপে একটা বাচ্চা বড় হওয়া থেকে বাস্তব জীবনে পদার্পন
পর্যন্ত সরকারের অনেক ইভেন্ট আছে ।
..............................................................................................
প্রশ্ন হলো আমাদের নাই কেন ???
সরকার স্হিতিশীল নয় এবং জ্ঞানের অভাব ও অধিক জনসংখ্যার চাপ ।