| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
শুধুমাত্র মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে শুভেন্দু। তার বক্তব্যের মূলপ্রতিপাদ্য হলো হিন্দু খতরে মেঁ! আশ্চর্যের বিষয় হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুরা নাকি মুসলিমদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছে, কিছুদিন পরেই নাকি পশ্চিমবঙ্গ সহ পুরো ভারতে হিন্দুরা সংখ্যা লঘিষ্ঠ হয়ে উধাও হয়ে যাবে। বাংলাদেশের শিক্ষিত সুশীলরা পশ্চিমবঙ্গের দাদাদের সেকুলার হিন্দু বলে আনন্দে গদগদ এদিকে তারা বাংলাদেশে মৌলবাদীর উত্থানে হইচই কেঁদেকেটে গলা ফাটাচ্ছে।
কিছুদিন আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রী গদগদ হয়ে প্রধান মন্ত্রীর পত্র নিয়ে মোদি ও বিজেপি প্রধান নাড্ডা না বালডা কি নাম তার সংগে দেখা করতে গিয়েছিল কিন্তু উহারা কোন পাত্তাই দেয়নি অগত্যা কোন এক যদুর হাতে পত্র দিয়ে বিদায় নিয়েছে। নেপাল সবদিক দিয়ে বাংলাদেশের পিছনে তারপর নেপালের প্রধানমস্ত্রী বালেন্দর শাহ মেরুদন্ড সোজা করে ভারতকে বলে দিয়েছে সমমর্যাদার কথা: তার সংগে দেখা করতে হলে প্রধানমন্ত্রী অথবা পররাস্ট্র মন্ত্রীর নীচে কেউ দেখা করতে পারবেনা এবং এখন থেকে পরিচয়পত্র ছাড়া ভারতীয়রা নেপাল যেতে পারবেনা। ইহাকেই বলে মেরুদন্ড সোজা।
নেপালের একজন নাগরীককে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী গুলি করে হত্যা করলে পুরো নেপাল অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল অবস্থা বেগতিক দেখে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল অন্যদিকে আমাদে সীমান্তে বলতে গেলে প্রতিদিনই মানুষ হত্যা করছে কিন্তু আমরা মেরুদন্ড সোজা করে কথা বরতে পারছিনা।
ভারতে কোন বাংলাদেশের দালাল নেই কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো মোদির পয়দা করা ভারতের দালালের অভাব নেই বাংলাদেশে।
শুভেন্দু ক্ষমতায় আসার পরপরই পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নির্যাতন বেড়ে গেছে কয়েকগুন যদিও পুরো ভারতে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত সেগুলো আমাদের দালাল মিডিয়াগুলোতে আসছেনা, ছেটেফোঁটাও আসছেনা।
মোদির পয়দা করা সন্তানগুলো ভারতের ভিসা নিয়ে খুবই চিন্তিত যদিও গত ২ বছর ভারতে না যাওয়ায় বাংলাদেশের কোন ক্ষতিই হচ্ছেনা। ভাবুন ভাবুন ভাবা প্রাক্টিস করুন।
২|
১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি এখন তাহলে কী করতে বলছেন? বর্তমান সরকার কোনোভাবেই ভারতঘেঁষা নয়, বরং বাংলাদেশের পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বাড়ছে। Nartocis-এর জন্য DGFI-ISI MoU স্বাক্ষর হয়েছে । আপনি কি ঘুমিয়ে ছিলেন নাকি? বালেন্দ্র শাহ শুধু ভারতীয় কূটনীতিকদের সাথেই এমন করেননি। তিনি আমেরিকান কূটনীতিকদের সাথেও দেখা করবেন না বলেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের নিচে কারও সাথে সাক্ষাৎ করবেন না বলেছেন। আর বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে জিতে গেছে, এটা নিয়ে বাংলাদেশের ৬০ শতাংশ মানুষ চিন্তিত। সেক্যুলাররাও চিন্তিত, যদিও আমি এই চিন্তার কোনো কারণ বুঝিনি। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের পর পশ্চিমবঙ্গে বড় ধরনের প্রতিবাদ হয়েছিল। বাংলাদেশ থেকে এনসিপিসহ সব ছাত্রনেতা তখন মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এসবই নির্বাচনে প্রভাব ফেলেছে। আর ফরহাদ মজহার সরাসরি বলেছেন, ইউনূস সরকারের কারণে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জিতেছে। ফরহাদ মজহার এনসিপির তাত্ত্বিক গুরু। সভা সেমিনারে তাদের একসাথে দেখা যায়।
৩|
১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩
কিরকুট বলেছেন: এশিয়ার তিন বিষবৃক্ষ ভারত বাংলাদেশ পাকিস্থান। আরবের দুই বিষবৃক্ষ ইজরায়েল, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান। এই ছয়টা দেশ পুরা পৃথিবীর জন্য অপ্রয়োজনীয়। এদের বয়কট করা হোক।
৪|
১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: narcotics* হবে ।
৫|
১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
রাজীব নুর বলেছেন: শুভেন্দু দুষ্টলোক।
৬|
১৩ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভাবুন ভাবুন ভাবা প্রাক্টিস করুন।
..........................................................
ও দি য়ে কাজ হবে না,
গরু, ছাগল, পে য়াঁজ বন্ধ হয়ে গে লে
বানি জ্যি ক ব্যালে ন্স টালমাটাল হয়ে যাবে,
শুরু হবে হাউ কাউ,
.............................................................
এখনই বলা হচ্ছে কেন মাংস আমদানী করতে হবে ?
বিগত ৪/৫ বৎসরে বাংলাদেশ গবাদী পশু পালনে
এখন স্বয়ং সম্পূর্ণ ।
এরপর শুরু হবে কালোবাজারী, কাচাঁ টাকার লোভে
এই মোদীর দালালরাই চোরাকারবারী ব্যবসা শুরু করবে ।
৭|
১৩ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:৪১
গোবিন্দলগোবেচারা বলেছেন: খানকি লীগের ৩০০০০ এর উপরে নেতা-নেত্রী ৩৬ জুলাই এর পর ভারতে হানিমুনে যায়ে চুরি বাটপারি ধর্ষণ সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত। পালের গোদা সহ সবগুলারে ফেরত পাঠিয়ে দিলে ভারতের হিন্দুরা নিরাপদ থাকবে।
বিজেপি ভুল মুসলমানদের পাকড়াও করছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫
অরণি বলেছেন: দিন দিন ভারতের হিন্দুরা ভিষন উগ্র হচ্ছে তাদের আদর্শ এখন ইসরাইল। এরা আবার বাংলাদেশকে সংখ্যালঘু নিয়ে সবক দেয়। এদের নেই কোন লজ্জা নেই কোন নীতিবোধ।