| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
আ ন ম সিরাজুর রহমান (১৯৩৪ – ১ জুন ২০১৫) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাংবাদিক, যিনি দীর্ঘ চৌত্রিশ বছর বিবিসি বাংলা বিভাগে অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করেছিলেন. ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস তথা বিবিসি বাংলা থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান ও সংবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে তিনি অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তে বিবিসি বাংলার বিশেষ অনুষ্ঠানটি তিনিই উপস্থাপনা করেছিলেন।
১৯৭২ সালের ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন লন্ডনের ক্লারিজ হোটেলে পৌঁছান তখন সিরাজুর রহমানসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করেন। সেখানে তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দেন। সিরাজুর রহমান বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন যে বিভিন্ন সূত্রের হিসাব মতে মুক্তিযুদ্ধে আনুমানিক "তিন লাখ" (৩,০০,০০০) মানুষ মারা গেছেন।
এরপর বঙ্গবন্ধু যখন প্রখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্টকে সাক্ষাৎকার দেন, তখন তিনি বলেন, "Three millions of my people" (তিন মিলিয়ন বা ৩০ লাখ মানুষ) পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে।
২০১১ সালের ২৪ মে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান (The Guardian) পত্রিকায় সিরাজুর রহমানের একটি চিঠি প্রকাশিত হয়। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন যে, মুক্তিযুদ্ধে "৩০ লাখ শহীদ" হওয়ার বিষয়টি মূলত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাষাগত ভুল বা বিভ্রান্তি (Confusion) থেকে এসেছে।
২|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২
অর্ক বলেছেন: পৃথিবীর কোনও গণহত্যারই সঠিক সংখ্যা কোনও সিরাজুলের পক্ষে বের করা সম্ভব নয়। এটা অনুমান নির্ভরই হয়ে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো ছবি দেখেননি, পুকুর ভরা লাশ, লাশ বিছানো সড়ক, লাশের স্তুপ। সারা দেশেই এভাবে গণহত্যা চালানো হয়। সিরাজুল সাহেব একাই সাংবাদিক ছিলেন না? তিনি বলেন মাঠের সংবাদ কর্মীও ছিলেন না। তিনি তার জানার মাঝে তিন লাখ দাবি করে থাকবে। সেটাকেই অটল সত্য ধরছেন কেন! ক্যান্টনমেন্টগুলো তখন পাকিস্তানিদের দখলে। কোথায় কার লাশ কিভাবে কি করেছে, তা কোনওদিনও জানা যাবে। সারাদেশে গণহত্যা চালানো হয়। সে সময় পুকুর নদীভরা তাজা রক্ত, জখমওয়ালা লাশ খেতে খেতে মাছও নরখাদক হয়ে উঠেছিলো। যুদ্ধের পরেও সেখানে গোছল করতে নামলে, মাছেরা গায়ের কাছে চলে আসতো। নড়াচড়া দেখে জীবিত মানুষ বুঝতে পেরে পালাতো। মানুষের ভয় কেটে গিয়েছিলো। ভাবতো রক্ত জখমওয়ালা মরা মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা। আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
ধন্যবাদ।
৩|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৭
অর্ক বলেছেন: পৃথিবীর কোনও গণহত্যারই সঠিক সংখ্যা কোনও সিরাজুলের পক্ষে বের করা সম্ভব নয়। এটা অনুমান নির্ভরই হয়ে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো ছবি দেখেননি, পুকুর ভরা লাশ, লাশ বিছানো সড়ক, লাশের স্তুপ। সারা দেশেই এভাবে গণহত্যা চালানো হয়। সিরাজুল সাহেব একাই সাংবাদিক ছিলেন না? তিনি সেভাবে মাঠের সংবাদকর্মীও ছিলেন না। তিনি তার জানার মাঝে তিন লাখ দাবি করে থাকবে। সেটাকেই অটল সত্য ধরে নিচ্ছেন কেন! ক্যান্টনমেন্টগুলো তখন পাকিস্তানিদের দখলে। কোথায় কার লাশ কিভাবে কি করেছে, তা কোনওদিনও জানা যাবে না। সারাদেশে গণহত্যা চালানো হয়। সে সময় পুকুর নদীভরা তাজা রক্ত, জখমওয়ালা লাশ খেতে খেতে মাছেরাও নরখাদক হয়ে উঠেছিলো। যুদ্ধের পরও গোছল করতে নামলে, মাছেরা গায়ের কাছে চলে আসতো। নড়াচড়া দেখে জীবিত মানুষ বুঝতে পেরে পালাতো। মানুষের ভয় কেটে গিয়েছিলো। ভাবতো রক্ত জখমওয়ালা মরা মানুষ। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে জানা। আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
ধন্যবাদ।
(আগের মন্তব্যে ভুল আছে। ডিলিট করে দিন প্লিজ।)
৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪২
রাজীব নুর বলেছেন: আপনারা সব পারেন।
মৃত ব্যাক্তিকে কবর থেকে তুলে লাঠি দিয়ে মারতে পারেন। আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিতে পারেন। সেই তুলনায় মরণোত্তর মামলা করা তো কঠিন কিছু না।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে আনুমানিক কত লোক মারা গেছে , এটা কি
বর্তমান দেশের জন্য অপরিহার্য ???
.......................................................................
আমরা আজ সারা বিশ্বে, মীর জাফরের জাতি হিসাবে পরিচিতি
লাভ করেছি । আমাদের অসভ্য আচরনের জন্য একে একে বহু
দেশ ভিসা প্রদান কঠিন করছে বা বন্ধ করে দিচ্ছে ।
আমাদের সম্মান কিভাবে উত্তরণ হবে সেই চিন্তা করুন ।
.......................................................................................
সারা দেশে বিদ্যুৎ বিল কোন ব্যাখ্যা ছাড়াই ২গুন/ ৩গুন হলো,
জনগন ভাবছে, বিদ্যুৎ অফিস চোর না ডাকাত হয়ে গেছে ।
এসবের প্রতিকার কিভাবে হবে বলুন ???
বর্তমানে ঘুষ দূর্ণীতির কথা বলার কারনে উল্টো হুমকি দেয়া হচ্ছে
বেতন বাড়ার পরও ঘুষ কমবে কেউ কি গ্যারান্টি দিতে পারছে ?
তাহলে আমরা কি পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জাতিতে পরিনত হচ্ছি ?
এর প্রতিকার কিভাবে করবেন ভাবুন !