নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সন্ত্রাসী অধ্যাপক ড.ইউনূস!

১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬


গত সোমবার নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইলচেয়ারে বের হওয়ার সময় অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তা করার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে৷ এতে দেখা যায়, অধ্যাপক ইউনূসের দিকে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন লোক উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন৷ এ সময় বিক্ষোভকারীরা তাঁকে উদ্দেশ করে ‘হোয়াই ইউ কাম হেয়ার' (আপনি কেন এখানে আসেন), ‘ইউ ডেস্ট্রয়ড বাংলাদেশ' (আপনি বাংলাদেশ ধ্বংস করেছেন) ‘ইউ টেররিস্ট' (আপনি সন্ত্রাসী) -সহ নানা অপবাদসূচক কথা বলে চিৎকার করছিলো৷ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আম্লিগের কয়েকজন প্রবাসী সমর্থক। আম্লিগ যেখানেই থাকবে সেখানেই এরা সমস্যা তৈরি করবে এটাই এদের চরিত্র।

১ আপনি কেন এখানে আসেন? তার মানে বাংলাদেশকে যেমন পৈতৃক সম্পদ মনে করতো সন্ত্রাসীরা তেমনি আমেরিকাকেও মনে করছে।

২ আপনি বাংলাদেশ ধ্বংস করেছেন! ৫টি ব্যাংক দেউলিয়া করলো, আম্লিগ আমলে গত ১৫/১৬ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে তারপরও অন্যকে বলে আপনি দেশ ধ্বংস করেছেন!

৩ আপনি সন্ত্রাসী! জাতিসংঘের মতেই ১৫০০ মানুষ হত্যা করেছে তার সংগে গুম তো আছেই সেই সন্ত্রাসীরাই অন্যকে সন্ত্রাসী বলে!

কথায় আছেনা আম্লিগ আম্লিগই ওরা মানুষ না।

এই সন্ত্রাসীরা কিন্তু রেমিট্যান্স যোদ্ধা না এরা দেশের সম্পদ লুটকারী। উচ্চশিক্ষিত যারাই বিদেশে কাজ করছে এরা কেউই দেশে টাকা পাঠায় না এরা আরো দেশ থেকে অর্থ চুরি করে বিদেশে নিয়ে যায়। যারা অল্প শিক্ষিত এরা দেশে ফিরে আসে এবং এরাই রেমিট্যান্স নিয়ে আসে। এই ব্লগেও কয়েকজন আছেন যারা দেশকে চিরতরে বিসর্জন দিয়ে বিদেশি পাসপোর্ট নিয়েছে উহারাই এখন ব্লগে বিদ্যাসাগরীয় জ্ঞান বিতরণ করছে। এরাই দেশে যে সম্পদ আছে তা বিক্রি করে অথবা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে। এরাই আবার আমাদের নসিহত করছে সভ্য হওয়ার। হাউ ফানি!!! :(

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আওয়ামী লীগের সাথে যা করা হয়েছে, তারপরও আওয়ামী লীগ সুযোগ পেলে কিছু করবে না? সালাম দেবে? ব্রেন কি পশ্চাৎদেশে রাখেন? ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হলো, শত শত আওয়ামী লীগ কর্মীর ওপর নিপীড়ন করা হলো আর আওয়ামী লীগ চুপ থাকবে? সুদখোর ও বিশ্ব বাটপার আপনাদের আদর্শ বলে সবারই আদর্শ হবে?

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: (খারাপ কথা দিয়ে শুরু করলাম) আপনি কি ইউনূসের একটা বালের সমতুল্য? সেটা বাদ দেন যে বাল কেটে ফেলে দেয় তার সমতুল্য? একটা চাকুরী জোটাতে পারেননি এই হলো আপনার শিক্ষা তা নিয়ে আবার গর্ব করেন? নিজেকে প্রশ্ন করুন ইউনূস কে এবং কি? ইউনূস বাংলাদেশকে ডিলাইটেড করেছে আপনি কি করেছে? আপনাদের সমস্য আম্লিগকে নিয়ে নয় আপনাদের সমস্য বাংলাদেশ কেন ভারতের তাবেদারী করছেনা এটা হলো আপনাদের সমস্যা, তার বহিপ্রকাশ ঘটাচ্ছেন আম্লিগের কাধে বন্দুক রেখে।

আম্লিগের খুনি , ধর্ষক, লুটপাটকারী ও সাংগপাংগকে আপনাদের দেশ ভারতে খেদিয়ে দেওয়া পর ঐসময় দেশের হাল ধরার জন্য অনেককে বলা হলেও তারা রাজি হয়নি সেই সময় একমত্র একমাত্র ইউনূসই রাজি হয়েছিলেন তাও তার হাতেপায়ে ধরে রাজি করাতে হয়েছে।

আপনি বর্ডার ক্রস করে ভারতে যেতে পারবেন আর কোথাও যেতে পারবেন? না পারবেন না। ইউনূসের জন্য পুরো পৃথিবী অবারিত। আপনার মগজে গোমাতার গোবর নিয়ে কি এগুলো উপলব্ধি করতে পারবেন?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙ্গা হলো বিগত ১৫/১৬ বছরের আম্লিগের অত্যাচারের ফল। আপনার কথায় শত শত আওয়ামী লীগ কর্মীর ওপর কথিত নিপীড়ন তো কিছুই না হত্যা করা উচিত ছিলো। হত্যা ছাড়া এরা যত অপকর্ম করেছে তার কোন মাসুল আদায় হবেনা।

আমার সংগে কথা বলতে হরে মেপে কথা বলবেন। এর আগেও উল্টাপাল্টা কথা বলেছিলেন আমি যখন কাউন্টার দিলাম তখন আপনার আর কোন খোঁজ নেই!

সুদ কি বাংলাদেশে আইনে অবৈধ? না কি আন্তর্জাতিক আইনে অবৈধ? বলদের মতো কথা বলেন?

২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউনুস সাহেব কি কারণে আমেরিকা গিয়েছেন ? তিনি তো আমেরিকাতেই ছিলেন যতটুকু জানতাম।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: উনি বাংলেশেও থাকেন বিদেশেও থাকেন।

৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৫

অপলক বলেছেন: সংবাদটা সত্যিই দু:খজনক। সারা দুনিয়া যার একটা স্পিচ বা লেকচার পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে, তাকে এতটা অসম্মান করা ঠিক না।

ইন্টেরিম সরকারের সময় যা করেছেন, তার বেশির ভাগ কাজ করতে তিনি পরিস্থিতির শীকার ছিলেন। ড. ইউনুস অন্তত কুত্তালীগের আপার মত নয়। জনগন কুত্তালীগ বলে আওমিলীগকে, আসলে তাতে কুকুর জাতিকে ছোট করা হয়। আওয়ামিলীগের তুলনা শুধুই আওয়ামিলীগ। ওরা দেশেও যেমন প্রবাসেও তেমন। আচ্ছা, কুত্তার তো লেজ কখনও সোজা হয়না, আওয়ামিলীগের কি সোজা হয় না? ভাবছি, বিচ্ছুর সবজান্তার কাছে প্রশ্নটা পাঠাবো কি না !!!

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আওয়ামিলীগের তুলনা শুধুই আওয়ামিলীগ। ওরা বাংলাদেশকে যেমন পৈতৃক সম্পদ মনে করতো তেমনি আমেরিকাকেও মনে করতে পৈতৃক সম্পদ।

৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মাথা পাগলা বলেছেন: এই সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে ৩২ নং এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি কি ইউনূসের একটা বালের সমতুল্য? সেটা বাদ দেন যে বাল কেটে ফেলে দেয় তার সমতুল্য?

৫| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সারা দুনিয়া যার একটা স্পিচ বা লেকচার পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে,
তাকে এতটা অসম্মান করা ঠিক না।

....................................................................................................
উনার ধান্দাবাজী জানার পর এখন আর আগের মত সম্মান করেনা ।
১১০০ শিশু হামে মারা যাবার কারনে তাকে জার্মানীর অনুষ্ঠানের
আমন্ত্রন ও লেকচার বাতিল করেছে ।
সেই দু:খে আমেরিকা গেছেন সেরা লবিষ্ট ঠিক করতে ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কয়েকদিন আগে পত্রিকাতে দেখলাম হামের জন্য টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন ইউনূসের সরকার কিন্তু সেই টাকা নানা জটিলতায় ব্যয় করতে পারেনি। দেড় হাজারেরও বেশি আন্দোলনকে সামাল দেওয়া অনেক কঠিন ছিলো একটা অনির্বাচিত সরকারের জন্য।

৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: অপলক বলেছেন: সংবাদটা সত্যিই দু:খজনক। সারা দুনিয়া যার একটা স্পিচ বা লেকচার পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে, তাকে এতটা অসম্মান করা ঠিক না।

ইন্টেরিম সরকারের সময় যা করেছেন, তার বেশির ভাগ কাজ করতে তিনি পরিস্থিতির শীকার ছিলেন। ড. ইউনুস অন্তত কুত্তালীগের আপার মত নয়। জনগন কুত্তালীগ বলে আওমিলীগকে, আসলে তাতে কুকুর জাতিকে ছোট করা হয়। আওয়ামিলীগের তুলনা শুধুই আওয়ামিলীগ। ওরা দেশেও যেমন প্রবাসেও তেমন। আচ্ছা, কুত্তার তো লেজ কখনও সোজা হয়না, আওয়ামিলীগের কি সোজা হয় না? ভাবছি, বিচ্ছুর সবজান্তার কাছে প্রশ্নটা পাঠাবো কি না !!!


দেশে থাকেন? দেশের পরিস্থিতি বোঝেন? শুধুমাত্র জাশি আর বিম্পির লোকজন ছাড়া আর কে ভালো আছে দেখান। চাঁদাবাজি, খুন-ধর্ষণ ছাড়া একটা দিন গেছে? এত দলীয়করণ আগে কখনো হয়েছে?

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৫

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কুত্তালীগের লেজ হয়ে বাঁচার চেয়ে মৃত্যু হাজার গুন ভালো।

৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


সৈয়দ মশিউর রহমান, আপনার পোস্টটি সমসাময়িক বাংলাদেশের রাজনীতি, রাজনৈতিক দ্বিচারিতা এবং প্রবাসে রাজনৈতিক আচরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এনেছে। বিশেষ করে কাউকে অপছন্দ করার কারণে তাঁকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া, দেশের সব সমস্যার জন্য একজন ব্যক্তিকে দায়ী করা কিংবা নিজের রাজনৈতিক পক্ষের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা এড়িয়ে অন্য পক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর প্রবণতা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি গুরুতর সমস্যা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করার অধিকার সবারই আছে। তাঁর কোনো সিদ্ধান্ত দেশের স্বার্থবিরোধী মনে হলে তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ বক্তব্য দেওয়া যেতে পারে। তাঁর সরকারের কোনো নীতি ব্যর্থ হলে সেটির সমালোচনা করা যায়, এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তোলা যায়। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে কাউকে ‘সন্ত্রাসী’ বলে চিৎকার করলেই সেই অভিযোগ সত্য হয়ে যায় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে প্রমাণ, আইন এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে—কণ্ঠের উচ্চতা কিংবা স্লোগানের তীব্রতা দিয়ে নয়।

একই নীতি সাবেক ও বর্তমান সব রাজনৈতিক নেতা এবং সরকারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হওয়া উচিত। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, নির্যাতন, দুর্নীতি কিংবা অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠলে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলেই বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে অপরাধী ঘোষণা করাও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। রাজনৈতিক পরিচয় অপরাধের দায় থেকে কাউকে মুক্তি দিতে পারে না, আবার রাজনৈতিক বিরোধিতাও কাউকে অপরাধী বানানোর যথেষ্ট ভিত্তি হতে পারে না।

আপনার পোস্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, যারা দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের অভিযোগ অন্যের বিরুদ্ধে তুলছেন, তাঁদের নিজেদের রাজনৈতিক অতীত ও কর্মকাণ্ডও একইভাবে যাচাই করা উচিত। অতীতে কোনো সরকারের আমলে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, ঋণখেলাপি, দুর্নীতি কিংবা অর্থ পাচার হয়ে থাকলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করা দরকার। কিন্তু এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট অঙ্ক উল্লেখ করার সময় নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন, তদন্তের ফলাফল ও প্রামাণ্য নথির উল্লেখ থাকা জরুরি। যেমন, ২৩৪ বিলিয়ন ডলার অর্থ পাচারের যে পরিমাণ আপনি উল্লেখ করেছেন, সেটির উৎস, হিসাবের পদ্ধতি এবং সময়কাল স্পষ্ট করলে পাঠক আপনার বক্তব্য আরও ভালোভাবে যাচাই করতে পারবেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে যখন আবেগের পাশাপাশি যাচাইযোগ্য তথ্যও থাকে।

প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়েও আপনার বক্তব্যের সঙ্গে আলোচনার অবকাশ রয়েছে। বিদেশে বসবাসকারী প্রত্যেক বাংলাদেশিকে একই রাজনৈতিক পরিচয়ে চিহ্নিত করা কিংবা তাঁদের সবাইকে দেশের সম্পদ পাচারকারী হিসেবে বিবেচনা করা ন্যায্য হবে না। বহু প্রবাসী কঠোর পরিশ্রম করে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠান, পরিবারের ভরণপোষণ করেন এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন। আবার বিদেশে অবস্থান করে কেউ দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালে বা অপরাধে জড়িত হলে তাঁর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কারও বিদেশি পাসপোর্ট, উচ্চশিক্ষা কিংবা প্রবাসজীবন নিজে থেকেই তাঁর দেশপ্রেম বা নৈতিকতার প্রমাণ কিংবা অপপ্রমাণ নয়। বিচার হওয়া উচিত ব্যক্তির কাজ ও আচরণের ভিত্তিতে।

একইভাবে, বিদেশে অবস্থানরত কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতামত দিলেই তাঁর বক্তব্যকে বাতিল করা যায় না। তিনি দেশের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশের নাগরিক, সমাজ ও রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর মতামত থাকতে পারে। তাঁর বক্তব্যের ভুল থাকলে যুক্তি দিয়ে ভুল প্রমাণ করতে হবে। তাঁর বক্তব্য সঠিক হলে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সেটি প্রত্যাখ্যান করাও যুক্তিসংগত নয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রকৃত পরীক্ষা হলো—আমরা শুধু নিজের পছন্দের মানুষের বক্তব্যের অধিকারকে সম্মান করি, নাকি বিরোধী মতের মানুষের অধিকারও স্বীকার করি।

নিউইয়র্ক বিমানবন্দরের ঘটনাটি নিয়েও একটি প্রশ্ন তোলা যায়: বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একজন সাবেক বা বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ঘিরে বিক্ষোভ করার ক্ষেত্রে কী ধরনের আচরণ কাম্য? শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকার। কেউ চাইলে স্লোগান দিতে পারেন, প্রশ্ন তুলতে পারেন, নীতির সমালোচনা করতে পারেন কিংবা জবাবদিহি দাবি করতে পারেন। কিন্তু অপমানজনক গালিগালাজ, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শন কোনো বক্তব্যকে অধিক গ্রহণযোগ্য করে না। বরং এতে প্রতিবাদকারীদের বক্তব্যের গুরুত্ব কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতিবাদ যত তথ্যনির্ভর ও শালীন হবে, তার নৈতিক শক্তিও তত বেশি হবে।

আমার মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো একই নৈতিক মানদণ্ড সবার জন্য প্রয়োগ করা। নিজের দলের অপরাধকে ছোট করে দেখা এবং প্রতিপক্ষের ছোট ভুলকে বিরাট অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা আজ প্রতিবাদ করছি, ক্ষমতায় গেলে নিজের পক্ষের কেউ সেই অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধেও একইভাবে কথা বলতে হবে। নইলে ন্যায়বিচারের দাবি রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের হাতিয়ারে পরিণত হয়।

সবশেষে বলব, আপনার পোস্টের মূল বক্তব্য—রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে যাচাই না করে অপরাধী আখ্যা দেওয়া এবং নিজের পক্ষের কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি এড়িয়ে যাওয়া—নিয়ে আরও গভীর আলোচনা হওয়া দরকার। তবে সেই আলোচনা আরও শক্তিশালী হবে যদি প্রত্যেকটি গুরুতর অভিযোগের সঙ্গে নির্ভরযোগ্য সূত্র যুক্ত করা হয় এবং ব্যক্তি, দল ও সরকারের কর্মকাণ্ড আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হয়। ড. ইউনূসের সমালোচনা হোক, সাবেক সরকারের সমালোচনাও হোক; কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই তথ্যের মানদণ্ড যেন বদলে না যায়।

রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি বা দলের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; রাষ্ট্র জনগণের। তাই রাষ্ট্র পরিচালনাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ও দলকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আর রাজনৈতিক মতপার্থক্য যত গভীরই হোক, সত্য অনুসন্ধান, আইনের শাসন, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমাদের একই মানদণ্ড বজায় রাখতে হবে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৮| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৭

অধীতি বলেছেন: ৫ই আগস্টের পরে ওদের যতটুকো আশা ছিল ইউনুস সাহেব তাও কবর দিয়েছিল জাতিসংঘের দ্বারা রিপোর্ট করানোর মাধ্যমে। ওরা এখন আন্তর্জাতিক ভাবে লাড্ডু হয়ে গেছে। কোন লবিং-ই কাজ করতেছে না। ঐ পিশাচের দল কখনই ভালো হবেনা। ইতর দেশেও ইতর বাইরেও ইতর।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অতি চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানবেন। জাতিসংঘের দ্বারা রিপোর্ট করানোর মাধ্যমে ওদের কবর রচিত হয়েছে।

৯| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন:

ব্লগেও বসে যারা ছদ্মনামে লীগের দফাদারী করে , তারাও উপরোক্ত প্রজাতির লোকজন। ক্ল্যমোফেজ হিসাবে ব্যবহার করে জামাত ট্যগিং ! বিরুদ্ধমত দমনে লীগের আমলেও এই কাজ করত , এখনও করছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৯

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: তুই মানষ না তুই আম্লিগ এই কথা জনগণের মুখে মুখে ছিলো।

১০| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
"নোবেল লরিয়েটের অপমানে যদি না কাঁদে তোর মন_
জামায়াত-এনসিপি নয়, মুনাফেক তুই
নোবেল লরিয়েটের দুশমন"

এই অপমানের তীব্র নিন্দা জানাই.....

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মি. দফাদার। কথায় আছেনা যে দেশ গুনির কদর জানেনা সে দেশে গুনির জন্ম হয় না।

১১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩১

নাহল তরকারি বলেছেন: পড়লাম।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: জানলাম।

১২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

কামাল১৮ বলেছেন: ছোট হয়ে আসছে ইউনুসের পৃথিবী।

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: তা আপনার মনের ভ্রান্ত ধারণা।

১৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

অপলক বলেছেন: @শঙ্খচিল : ইউনিসেফের (UNICEF) তথ্য অনুসারে, আমেরিকায় প্রতি বছর গড়ে আড়াই লাখেরও বেশি শিশু হামের প্রথম ডোজ থেকে বাদ পড়ে। চলমান এই অনীহার কারণে গত দুই বছরেও কয়েক লাখ শিশু সুরক্ষার বাইরে রয়ে গেছে, যা দেশটিকে গত ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হামের ঝুঁকিতে ফেলেছে। সে কারনে ২০২৫ সালে ৩ জন শিশু মারা গেছে। ২০২৬ সালে ৪০হাজার শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

অন্যদিকে ২০২৬সালে বাংলাদেশে প্রায় ১১০০ শিশু মারা গেছে, কারন তারা পূর্ববর্তী ২০২২-২০২৩ বছরে এবং এমন কি ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরেও কোন হামের টিকা নেয়নি। আর যারা '২৬ সালে মারা গেছে তাদের মধ্যে বড় একটি অংশের, কিছু শিশু অপুষ্টিজনিত কারনে মারা গেছে এবং টিকা নেবার বয়স না হবার কারনেও মারা গেছে। সরকারী হাসপাতালে টিকা সংকট ছিল গত ৪ বছর, কিন্তু বেসরকারী ভাবে এই সব টিকা ফার্মেসিগুলোতে যথেষ্ট পরিমানে ছিল। বস্তুত গাফলতি ছিলাে বাবা মায়ের ভেতরে। কিন্তু আমরা হৈ হৈ করছি ড. ইউনুস কে নিয়ে। আবার ব্যাংকে টাকা না থাকলে ইউনুস কি ওপারের দাদার ধুতি বেঁচে ওষূধ কিনবে? আপনি তো জানেন, ফ্যাসিস্ট সরকার দেশটাকে উঁইয়ের ঢিবি বানিয়ে রেখে গেছে। স্বজ্ঞানে কিভাবে শুধুই ইন্টেরিম সরকারকে দোষারোপ করেন?

১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ব্লগার শঙ্খচিলকে সুন্দর উত্তর দিয়েছেন। উনি এখান থেকে উনি আরো তথ্য জানবেন হয়তো।

১৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

কলাবাগান১ বলেছেন: @অপলক,

সজ্ঞানে কি ইন্টারিম এর গাফিলিতি কে সাফাই গাইলেন??? বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা ইন্টেরিম এর হাত-পা ধরা বাকী ছিল (উনাদের বক্তব্য সবখানেই আছে- মিথ্যা বলে চালিয়ে দিতে পারবেন না) যাতে টিকা কিনা বন্ধ না করে..

@মহাজাগতিক চিন্তা,

আপনার বুদ্ধির স্হর যে কত নিচে নেমেছে তা আপনার এই কন্টিনিউয়াস কপি-পেস্ট/নকলবাজ মার্কা মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে আপনি বুঝতে পারছেন না। আপনার কমেন্ট দেখলেই না পড়ে দ্রুত স্ক্রল করে নিচে নেমে আসি। আপনার কমেন্ট পড়া মানে নিজেকে প্রতারিত ভাবা (মেশিন এর ভাবনা কে একজন চিন্তাশীল মানুষ এর আসনে বসানো মানেই প্রতারনা)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.