| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী কে দু:খী তাও দেখেনা ।
হাম, পোলিও ও যক্ষ্মাসহ ৬ ধরনের টিকার মজুদ শেষ :
জন্মের পর থেকে ১৫ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুর ১২টি রোগ প্রতিরোধে দেওয়া হয় ৯ ধরনের টিকা। এসব টিকার মধ্যে হাম-রুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া-ধনুষ্টার, হেপাটাইসিস-বি এর মজুদ শেষ হয়েছে। যদিও অধিদপ্তর বলছে, মাঠ পর্যায়ে এসব টিকা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনার প্ল্যান (ওপি) বাতিল হলে টিকা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
তথ্য বলছে, রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি বছর প্রায় ৫০০ শিশু হাম নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ১৯ শিশু মারা গেছে। হাসপাতালটির সেবা তত্ত্বাবধায়ক ডা. তানজিনা জাহান কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১১ দিনে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩৩টি শিশু মারা গেছে। এর মূল কারণ ছিল ভেন্টিলেটরের অভাব বা যান্ত্রিক ত্রুটি। আমি এবং আমার সচিব, প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি আগে জানতে না পারায় অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করছি।’
এদিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দিন দিন বাড়ছে হাম আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা। চলতি মাসে এই রোগে আক্রান্ত ১০৬ জন ভর্তি হয়েছে; তাদের মধ্যে পাঁচ শিশু মারা গেছে।
নূরজাহান বেগম গ্রামীণ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গ্রামীণ শক্তি, গ্রামীণ শিক্ষার মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ইউনূসের মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছিলেন এবং ব্যাংকিং ও সামাজিক উদ্যোগে অগ্রগণ্য অবদান রেখেছেন। তাঁর নিযুক্তি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ তাঁর প্রধান ক্ষেত্র ছিল আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক উদ্যোগ।
সামুর ব্লগার সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রথম আলোতে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে এখন পর্যন্ত ৪১জন মারা গেছে হামের, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে ইউনূস সরকার যাকে বসিয়েছিল তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগম। নুরজাহান বেগমের আন্ডারে থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কি করেছে জানেন? স্বাস্থ্য জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচিতে থাকা মাধ্যমে টিকা কেনার যে ব্যবস্থা ছিলো সেটা বাতিল করে দিয়েছে! ফলে এখন আমাদের কাছে কোনো টিকা নাই। নূরজাহান বেগম, আপনি যে হামের থেকে শুরু করে বাকি ভ্যাক্সিনগুলো কেনার ব্যবস্থাটার দফারফা করে দিলেন, এতে আপনার কি লাভ হলো?
এখন এতগুলো শিশুর জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় আপনার পার্টসিপেশনকে আমরা কি হিসেবে দেখবো?
আপনার মতো মানুষরা যাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না পায়- সেজন্য আমাদের সাধারণ মানুষদের কোন টিকাটা নিতে হবে?
বাংলাদেশে কোন রোগের জন্য কোন টিকা?
বাংলাদেশে ১২ টি রোগের জন্য ৯টি টিকা দেওয়া হয়৷
রোগগুলো হলো- ১. যক্ষ্মা, ২. পোলিও, ৩. ডিপথেরিয়া, ৪. হুপিং কাশি, ৫. ধনুষ্টংকার, ৬. হেপাটাইটিস-বি, ৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, ৮. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া, ৯. হাম, ১০. রুবেলা, ১১. টাইফয়েড ও ১২. হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
(জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে)৷
টিকাগুলো হলো- ১. বিসিজি : যক্ষ্মা প্রতিরোধে, ২. ওপিভি : পোলিও প্রতিরোধ, ৩. আইপিভি : পোলিও প্রতিরোধে, ৪. পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা : এতে ৫টি রোগের (ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি) প্রতিষেধক থাকে, ৫. পিসিভি : নিউমোনিয়া প্রতিরোধে, ৬. এমআর : হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে, ৭. টিসিভি : টাইফয়েড প্রতিরোধে, ৮. টিডি : কিশোরী/প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের জন্য ধনুষ্টংকার ও ডিপথেরিয়া, ৯. এইচপিভি : জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে (নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের জন্য)৷
বৈষম্য কোথায় নয় ?
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গী হলেন নিজ এলাকা চট্টগ্রামের চারজন। তাঁরা হলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আলোচিত অভিযান চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ‘অপারেশন জ্যাকপটে’ অংশ নেওয়া নৌকমান্ডো ফারুক-ই আজম বীর প্রতীক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন, কৃষি বিষয়ক গবেষণা সংস্থা উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক চন্দনাইশের ফরিদা আখতার, গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক এমডি ও গ্রামীণ শিক্ষার এমডি হাটহাজারীর নুরজাহান বেগম। এছাড়া পাহাড় থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা রয়েছেন ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে।
কোটা চাইনা , বৈষম্য হবেনা এই চটকদার কথা বলে পাবলিকের সাথে প্রতারনা করে একটি চলমান সরকার অচল করে
হালুয়া রুটি খেলেন হাতে গোনা কয়েকজন । আবার বৈষম্য করে উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন ? কেন বাংলাদেশে
আর কোন অন্চলে যোগ্য লোক ছিলনা ?
তথ্যসূত্র বলছে : বাংলাদেশে প্রতি বৎসর :-
১) কুকুর ,বিড়াল বা জলাতংকে প্রায় ৫ লক্ষ জনসাধারণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যায়।
২) সাপের কামড়ে এন্টিভেনোম প্রয়োজন পড়ে প্রায় ৬ লক্ষ রোগীর জন্য ।
এসবের যথাযথ ব্যবস্হা না থাকাটাকে সরকারের অপরাধ বিবেচনায় কতটুকু ? আপনি নির্নয় করুন ।
০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০
আমরা গোলামী আর প্রতারনা পসন্দ করি !
গোলামের পুত! গোলামী করেই জীবনটা পার কর!!!
০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০
সর্বশেষ ফিরে দেখা : স্বাস্হ্য অধিদপ্তর থেকে বক্তব্য :-----
সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যে বাংলাদেশ হামসহ অন্তত ১০টি রোগের টিকার ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য পরিষেবা বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।
"সরকার টিকা সংগ্রহের জন্য ইউনিসেফকে ইতিমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে এবং শীঘ্রই সরবরাহ পাওয়ার আশা করছে," আজ (৩১ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (আরএমসিএইচ) পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
"ডোজগুলো এসে গেলেই টিকাদান কর্মসূচি পুনরায় শুরু হবে।
তিনি আরও বলেছেন, দেশজুড়ে হাম-প্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হামের প্রকোপ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে, কর্তৃপক্ষ হাম-বহির্ভূত শিশু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য হাসপাতাল ব্যবহারের কথা বিবেচনা করছে।
সচিব বলেছেন, হামের নতুন কোনো ধরন শিশুদের আক্রান্ত করছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য তিন বিশেষজ্ঞের
একটি উচ্চ-পর্যায়ের দল কাজ শুরু করেছে।
***চলছে তৎপরতা , আরও আপডেট আসছে :
দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সরকার এখন ৯ মাসের পরিবর্তে ছয় মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির বৈঠকে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক হালিমুর রশিদ।এতদিন দেশে ৯ মাস
বয়সে শিশুদের হামের প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হত।
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এভাবে আমাকে কোট করা সঠিক হয়নি ।
...................................................................
বিষয়টির সত্যতা অনেক দূর ।
আজ টিভি , পত্রিকা, ওয়েভ সাইটের সব ইলেকট্রনিক মিডিয়া সাইটে
পর্যালোচনা চলছে ।
২|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৭
ক্লোন রাফা বলেছেন: সৈ.কু. আর কিছু বলেন নাই ! উপসংহারে , সব দোষ শেখ হাসিনার বলা উনার একটি বৈশিষ্ট। অথচ শেখ হাসিনা নেই ২ বছর হোতে চললো। শেখ হাসিনার মজুদ খাদ্য দিয়ে অন্ন সংস্থান চলছে এখনও।সব কিছুই বার্ষিকভাবে নবায়ন যোগ্য। তাহলে কি দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনাই একমাত্র যোগ্য !
জানি আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এই বয়ান চলতেই থাকবে। মাঝখানে সুদী মহজনের সরকারকে দুধভাত হিসেবে গণ্য করে চর্বিত চর্বন বিতরন করবে সরকার, সরকারি দল, রাজাকার সমৃদ্ধ তথাকথিত বিরোধী দল, লালবদরের এলসিপি, আর যত দালাল চাটুকার আছে‼️
২০২৪ হলো বাংলাদেশের জন্য কালো ইতিহাস। ২০২৪ প্রতারণার ইতিহাস হিসেবে একটি উদাহারণ হয়ে থাকবে, ঠিক ৭৫-এর মত। দেশটা আরো কুড়ি বছর পিছিয়ে দিয়েছে তথাকথিত জুলাই ম্যাটিকুলাস ডিজাইন।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: 10 Nov 2025, 08:03 PM
সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৭ হাজার ১৫০ কোটি ৯০ লাখ টাকায় ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক।সোমবার পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
.............................................................................................................................................................
এরপরও গুরুতর জনস্বাস্থ্য খাতে টিকা ও ইনজেকসন ক্রয়ের টাকা হয়না ।
ফলে এখন যে সব শিশু চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে, তাদের উচিৎ
ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা ।
৩|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৩১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার লেখাটিতে থাকা সংবাদসমুহ একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকটের ইঙ্গিত বহন করছে। অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে এটি
কেবল একটি টিকার ঘাটতির খবর নয়, বরং স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা, নীতিগত ব্যর্থতা এবং সমন্বয়হীনতার
একটি স্পষ্ট প্রতিফলন।আপনি ঠিকই বলেছেন ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
বাংলাদেশে শিশুস্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি টিকাদান কর্মসূচি আজ এক ভয়াবহ সংকটের মুখে। হাম, পোলিও,
যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়া-ধনুষ্টঙ্কার এবং হেপাটাইটিস-বি—এই ছয়টি প্রাণরক্ষাকারী টিকার মজুদ শেষ হয়ে
যাওয়ার খবর শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার গভীর সংকটের বহিঃপ্রকাশ।
ঠিকই বলেছেন স্বাস্থ্যখাতে এই বিপর্যয় হঠাৎ ঘটেনি এটি ইন্টারিম সরকারের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনা,
নীতিগত দুর্বলতা এবং সমন্বয়হীনতার ফল। টিকা সরবরাহের মতো একটি মৌলিক ও ধারাবাহিক কর্মসূচি যদি
অপারেশনাল প্ল্যান বাতিলের কারণে স্থবির হয়ে পড়ে, তবে তা কেবল প্রশাসনিক ত্রুটি নয় এটি পরিকল্পনার
চরম ব্যর্থতা। প্রশ্ন উঠতেই পারে: একটি দেশের শিশুদের জীবনরক্ষাকারী কর্মসূচিকে কেন এতটা নড়বড়ে
ভিত্তির উপর কেন কোন স্বার্থে এমনভাবে দাঁড় করানো হলো ?
আপনার লেখায় উঠে এসেছে, রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চলতি বছরে প্রায় ৫০০ শিশুর হাম আক্রান্ত
হওয়া এবং ১৯ জনের মৃত্যু। একইভাবে রাজশাহী ও ময়মনসিংহেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই পরিসংখ্যানগুলো
কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এগুলো একটি আসন্ন জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়ের পূর্বাভাস, যা যথাসময়ে গুরুত্ব পায়নি বা
সচেতনভাবে উপেক্ষিত হয়েছে।
আরও উদ্বেগজনক হলো জবাবদিহিতার অভাব। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্যে যখন আগে জানা ছিল না ধরনের
মন্তব্য শোনা যায়, তখন তা শুধু অপ্রস্তুত প্রশাসনের পরিচয়ই দেয় না, বরং জনগণের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
একটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে তথ্যের ঘাটতি বা অজ্ঞতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই সংকটের পেছনে কয়েকটি মৌলিক কারণ স্পষ্ট: দুর্বল পরিকল্পনা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, আন্তর্জাতিক
সরবরাহের উপর অতিনির্ভরতা, এবং সর্বোপরি তদারকি ও জবাবদিহিতার অভাব। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে
রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে নীতির ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়া।
এখন প্রশ্ন এর সমাধান কী?
প্রথমত, জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চালু করতে হবে। দ্বিতীয়ত, টিকা সরবরাহ ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের
আওতায় এনে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, দীর্ঘমেয়াদে স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা
গড়ে তোলা জরুরি, যাতে বৈশ্বিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলেও দেশ স্বনির্ভর থাকতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং এই খাতকে রাজনৈতিক অস্থিরতার বাইরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবচেয়ে বড় কথা, এই সংকট আমাদের মনে করিয়ে দেয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা শুধু অবকাঠামো বা বাজেটের বিষয় নয়;
এটি একটি রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধ, দূরদর্শিতা এবং মানবিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন। শিশুদের জীবন রক্ষার মতো
মৌলিক দায়িত্বে ব্যর্থতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এখনই সময় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার। ব্যর্থতার জন্য দায়িদেরকে কালবিলম্ব না করে জবাবদিহিতার আওতায়
আনার , কারণ প্রতিটি বিলম্বিত পদক্ষেপের মূল্য দিচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।
মুল্যবান পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ
সবগুলো পয়েন্টে ব্যর্থতা গুলো উল্লেখ করেছেন, যা
আমার কাজ সহজ করে দিয়েছেন ।
........................................................................................
তবুও তথ্য ভিত্তিক কথা বরার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি ।
অধিদপ্তর বলছে, মাঠ পর্যায়ে এসব টিকা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপারেশনার প্ল্যান (ওপি) বাতিল
হলে টিকা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
ফলে টিকাদান হার কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকাবঞ্চিত হয় অনেক শিশু। পরে সব ধরনের টিকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয় হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু শিশুদের টিকায় রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা। সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারেও টিকা কেনার সিদ্ধান্ত হয়।তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই প্রক্রিয়া শেষ করা
এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কেটে যায় দীর্ঘ সময়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, ইউনিসেফের কাছ থেকে টিকাগুলো সরাসরি কেনা হতো। পরে অর্ধেক ইউনিসেফের কাছ থেকে এবং অর্ধেক ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার সিদ্ধান্ত হয়। যে কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, ‘বিকল্প কিছু হাতে না রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সেটা আবার পরিবর্তন করার ফল আমরা ভোগ করছি। এখন পরিকল্পনা চলছে আবারও সরাসরি ক্রয় করতে পারি কি না।
যদি হয় বাকি অর্ধেক টাকা আমরা সরাসরি ক্রয়ে ব্যয় করতে পারব।
তাহলে এই ভ্যাকসিন মজুদ থাকবে।
দপ্তরের হিসাব অনুসারে সারাদেশে ২০২৪সালে টিকাদান কর্মসূচী ছিল , কিন্ত ইন্ট্রীম সরকার তা গুরুত্ব না দেওয়ায়
এই কর্মসূচী মুখ থুবরে পড়ে ।
৪|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:২২
মাথা পাগলা বলেছেন: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অথচ গতকাল সংসদে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যখাতে কোন টাকা নাই। সরকারি হিসেবে ৪১ জন মারা গেছে। তেলবাজরা বলবে মহামারীতে মারা গেছে, কিন্তু আসল কথা হলো - ইউনুস সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরজাহান বেগমের অধীনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপির মাধ্যমে যে টিকা কেনার ব্যবস্থা ছিল, সেটা বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে এখন আমাদের কাছে কোনো টিকা নেই।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইন্ট্রীম সরকারের সময় টিকাদান হার কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকাবঞ্চিত হয় অনেক শিশু।
পরে সব ধরনের টিকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয় হাজার কোটি টাকা।
এর মধ্যে শুধু শিশুদের টিকায় রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা।
......................................................................................................................................
সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারেও টিকা কেনার সিদ্ধান্ত হয়।তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়
সেই প্রক্রিয়া শেষ করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় , নূতন বন্দোবস্হ না হওয়ায় দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়।
উল্লেখ্য, সারা দেশেই শুরু হয়েছে হামের প্রকোপ।
প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।
যোগ হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যাও।
৫|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৪:২৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: আইসিইউ না থাকলে নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন ডিভাইস যেমন সিপেপ বাইপেপ ব্যবহার করে জীবন বাঁচানো যেত...এদেশের ডাক্তাররা কি সেটা জানে না? এগুলোর দাম খুব বেশি না।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইউনিসেফের কাছ থেকে টিকাগুলো সরাসরি কেনা হতো। পরে অর্ধেক ইউনিসেফের
কাছ থেকে এবং অর্ধেক ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার সিদ্ধান্ত হয়।
..................................................................................................................
কিছু কি বুঝতে পারছেন ?
টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার কাহানী কেন আসল ?
নতূন বন্দোবস্হ ও সমাঝোতা না হওয়ায় , বিষয়টি ঝুলে গেল ।
এদের সবাইকে ফাঁসির কাঠগড়ায় দাড়ঁ করানো উচিৎ ,
৪১জন ++ শিশু মৃত্যুর জন্য ।
৬|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: দোষ স্বীকার করার লোক আমাদের দেশে নেই। সৎ সাহস নেই।
সব শালা চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলে। কিন্তু ভুল স্বীকার করার মানসিকতা নেই।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: গোলাম কখনো দোষ স্বীকার করে ?
ধরা পড়লে মাথা নিচু করে থাকে ।
..........................................................................
আর বেশী গুরুতর হলে , পা জড়িয়ে ধরে মাপ চায়,
"হামারা গলতি হো গিয়া, মাফ কিজিয়ে "
আমরা তো সেই ধারায় আছি, ।
দেশে জারজ সন্তানেরা বাড়ছে, আগাছাও বাড়ছে;
এসব পরিস্কার করতে হবে, নাহলে
সাপের কামড় খেয়ে মরতে হবে ।
৭|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: ভয়াবহ ঘটনা!
ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সত্যি যদি টিকা কার্যক্রম বন্ধ করে থাকে, যার কারনে এতগুলো শিশু মারা গেল, তাহলে ইউনূস গংয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৪২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যাহা সত্য,
তাহার প্রকাশ ঘটবেই ।
...........................................................................
আমি একসময় নোবেল বিজয়ীর খুব ভক্ত ছিলাম ।
এরপর আর কি থাকতে পারে ???
এমন পর্যায়ে এসে নোংরা ঘাটাঘাটির কোন মানসিকতা থাকে ?
কেন তিনি যা পারবেনা তাতে জড়াতে গেলেন ?
...................................................................................
সারা দেশের মানুষ আজ উনাকে সুদখোর, লোভী বলে,
যা আমাকে মানসিক যন্ত্রনা দেয় !
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে আমাকে কোট করা সঠিক হয়নি । এটা একটা সোশাল মিডিয়ায় একজন কমেনটস করেছিিলেন । আমি এই ঘটনা কেবল সোশাল মিডিয়ায় দেখেছি। হাছা-মিছা জানি না ।