নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ও বলতে চাই !

ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন

ব্লগিং হউক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।

ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুরভীর রিমান্ড প্রমান করে প্রশাসনের অন্দরে পুরোনো ভূতের অস্তিত্ব

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০২

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন মহাকাব্যের নাম। দীর্ঘদিনের বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার এই বিস্ফোরণ কেবল একটি সরকারের পতন ঘটায়নি বরং রাষ্ট্র সংস্কার এবং ন্যায়বিচারের এক নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। রাজপথের সেই উত্তাল দিনে যেসব তরুণ বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, আমরা তাদের ভালোবেসে নাম দিয়েছি ‘জুলাইযোদ্ধা’। কিন্তু সেই অভ্যুত্থানের রেশ কাটতে না কাটতেই যখন কোনো জুলাইযোদ্ধা রাষ্ট্রেরই আইনি মারপ্যাঁচে পড়ে প্রশ্নবিদ্ধভাবে কারাবরণ করেন, তখন তা গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। এটি কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা নয় বরং অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক কতটা আন্তরিক সে প্রশ্নই সামনে আসে। যে তরুণরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রকে বদলানোর সাহস দেখিয়েছিল, তাদের প্রতি যদি রাষ্ট্র মানবিকতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে ‘নতুন বাংলাদেশ’ এর প্রতিশ্রুতি অর্থহীন হয়ে দাড়াঁয়। জুলাইযোদ্ধাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয় এটি জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতি রাষ্ট্রের দায়। তবে আজ আমাদের রাষ্ট্র তার সেই দায় পূরনে সম্পুর্ন ভবেই ব্যর্থতার প্রমান দিচ্ছে তার প্রমান সম্প্রতি জুলাইযোদ্ধা তাহরিমা জান্নাত সুরভীর সাথে ঘটে যাওয়া রাষ্ট্রের অমানবিক আচরণ।

তাহরিমা জান্নাত সুরভী ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী একজন শিক্ষার্থী। ২০২৪ এর গনঅভ্যুত্থানে সুরভী ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত মুখ, তার সাহসেরকে আর্দশ ভেবে হাজারো কিশোর কিশোরী রাজপথে জুলাইয়ের গনঅভ্যুত্থানে রাজপথে এসে শরিক হয়ে অনেকেই নিজের জীবন পর্যন্ত উৎসর্গ করেছেন। চব্বিশের জুলাই গনঅভ্যুত্থানে অগ্নিকণ্যা সরভী রাজপথের পাশাপাশি ছিলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয়। সেই পরিচয়ই আজ যেন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় দায়ের হওয়া একটি কথিত চাঁদাবাজির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। প্রথম দর্শনে এটি একটি ‘আইনের স্বাভাবিক প্রয়োগ’ বলে মনে হলেও, মামলা ভালভাবে খতিয়ে দেখলে একের পর এক গুরুতর অসংগতি, আইন লঙ্ঘন ও প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ চোখে পড়ে, যা যেকোনো সচেতন নাগরিককে শঙ্কিত করে তুলতে বাধ্য। সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্নটি আসে সুরভীর বয়স নিয়ে। তার জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী জন্ম ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর। অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তার বয়স ১৭ বছর ১ মাসের কিছু বেশি। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি নিঃসন্দেহে একজন শিশু। শিশু আইন, ২০১৩ এ স্পষ্টভাবে বলা আছে, ১৮ বছরের নিচে যে কেউ শিশু হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার, হেফাজত, বিচার সব ক্ষেত্রেই বিশেষ বিধান প্রযোজ্য। অথচ পুলিশের প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে সুরভীর বয়স দেখানো হয়েছে কখনো ২১, কখনো ২০ বছর। এজাহারে এক তথ্য, ফরোয়ার্ডিং প্রতিবেদনে আরেক তথ্য এই অসংগতি কোনো সাধারণ ভুল নয় বরং এটি হয় চরম গাফিলতি নয়তো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিকৃতি। আজকের বাংলাদেশে জন্মনিবন্ধন একটি ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত। একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করলেই কয়েক সেকেন্ডে বয়স যাচাই করা সম্ভব। সেখানে একজন শিক্ষার্থীর বয়স ‘অজ্ঞাত’ দেখানো, কিংবা অনুমাননির্ভরভাবে বয়স বাড়িয়ে আদালতে উপস্থাপন করা পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অথবা কারো ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের ই নগ্ন প্রকাশ। বয়সের বিষয়টি কোনো তুচ্ছ তথ্য নয় এটি একজন আসামির মৌলিক অধিকার, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ববোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বয়স ভুল দেখানোর অর্থ হলো একজন শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো, যা সরাসরি সংবিধান ও শিশু আইনের লঙ্ঘন।
শিশু আইন, ২০১৩ কেবল একটি আইনি দলিল নয় এটি রাষ্ট্রের নৈতিক অঙ্গীকার। এই আইনে বলা হয়েছে কোনো শিশুকে সাধারণ কারাগারে রাখা যাবে না, তাকে রিমান্ডে নেওয়া যাবে না, এবং তার বিচার হবে শিশু আদালতে, যেখানে সংশোধনমূলক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পাবে। কিন্তু সুরভীর ক্ষেত্রে এই আইনের প্রতিটি স্তম্ভ ভেঙে পড়েছে। তাকে গভীর রাতে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সাধারণ প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং দুই দিনের রিমান্ডও মঞ্জুর করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি শুধু আইন লঙ্ঘনই নয়, এটি রাষ্ট্রীয় সহিংসতার এক নীরব রূপ। রিমান্ড নিজেই একটি বিতর্কিত বিষয়। এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যা অভিযুক্তের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানে। তাই রিমান্ড মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে আদালতের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশিত। তদন্তের অগ্রগতি, প্রাথমিক আলামত, জব্দ তালিকা, আসামির বয়স ও শারীরিক-মানসিক অবস্থা সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই রিমান্ড দেওয়া উচিত। কিন্তু সুরভীর ক্ষেত্রে এই বিবেচনার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীকে, যার বিরুদ্ধে মামলাটি এখনও তদন্তাধীন, তাকে রিমান্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত বিচারিক প্রজ্ঞার ঘাটতিরই ইঙ্গিত দেয়।


মামলার অভিযোগের দিকেও তাকালে অসংগতি আরও প্রকট হয়। মামলার বাদি একজন তথাকথিত সাংবাদিক যিনি এজাহারে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। অথচ গ্রেপ্তারের পর পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম অতিউৎসাহী হয়ে এমনই অপপ্রচার শুরু করলো যে সুরভী নাকি আড়াই কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা চাঁদাবাজির একটি বিশাল চক্রের হোতা। এই দুই দাবির মধ্যে ব্যবধান শুধু অঙ্কের নয় এটি বিশ্বাসযোগ্যতার। একটি তদন্তাধীন মামলায়, যেখানে অভিযোগের পরিমাণ নির্দিষ্ট, সেখানে এমন অতিরঞ্জিত ও প্রমাণবিহীন তথ্য ছড়ানো এক ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’। এতে একজন অভিযুক্তের সামাজিক মর্যাদা ধ্বংস হয়, বিচারপ্রক্রিয়া প্রভাবিত হয় এবং রাষ্ট্র নিজেই ন্যায়বিচারের পথ থেকে সরে যায়। বাংলাদেশের বিশেষ বিশেষ গণমাধ্যমের দায়িত্ব এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই কাউকে ‘চক্রের মূল হোতা’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া সাংবাদিকতার নীতিমালার সম্পুর্ন পরিপন্থী। এটি শুধু ব্যক্তির মানহানি নয় এটি আদালতের এখতিয়ারেও হস্তক্ষেপ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন অগ্র সৈনিককে এভাবে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা কি কেবলই সংবাদমূল্য, নাকি এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক উদ্দেশ্য আছে এটাই আজ প্রশ্ন। গ্রেপ্তারের পদ্ধতিও মানবাধিকারসম্মত ছিল না। গভীর রাতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে একজন শিক্ষার্থীকে ঘুমন্ত অবস্থা থেকে তুলে আনা, সেই দৃশ্য ভিডিও করে প্রচার করা এসব কোনো সভ্য রাষ্ট্রের চর্চা হতে পারে না। একজন নাগরিকের গোপনীয়তা, সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষা করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। বিশেষ করে যখন অভিযুক্ত একজন নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক, তখন এই দায়িত্ব আরও বেশি সংবেদনশীল হওয়া উচিত ছিল।


এই মামলায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। সুরভী দাবি করেছেন, চারজন আসামির মধ্যে কেবল তাকেই টার্গেট করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াই তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি জানা যায়, চাঁদাবাজির মামলার দুদিন পর সুরভী নিজেও বাদির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করেছিলেন, যা পরে একপ্রকার ধামাচাপা পড়ে যায়। উভয় মামলা একই থানায় রেকর্ড হওয়া সত্ত্বেও একটি মামলায় যে তৎপরতা, অন্যটিতে তার ছিটেফোঁটাও নেই। এটি কি কেবল কাকতালীয়, নাকি ক্ষমতার ভারসাম্যের প্রতিফলন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।
সুরভীর বয়স সংক্রান্ত বিভ্রান্তির ঘটনায় আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শোকজ আদেশ দিয়েছেন এটি একটি ইতিবাচক দিক। আদালত স্পষ্টভাবে বলেছেন, বয়সের এই অসংগতি চরম গাফিলতি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার প্রতিফলন। তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জন্মনিবন্ধন বা এনআইডিসহ সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, বিচারব্যবস্থার ভেতরেই কিছু সংশোধনী শক্তি এখনও সক্রিয় আছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হস্তক্ষেপে সুরভীর জামিন পাওয়া ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা কিছুটা হলেও ফিরিয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায় যদি এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন না তুলত, যদি ছাত্রসমাজ সহ দেশের সাধারন মানুষ রাস্তায় না নামতেন, নেটিজেনরা যদি সক্রিয় না হতেন, যদি বিষয়টি জাতীয় আলোচনায় না আসত তবে কি একজন ১৭ বছরের কিশোরী এই আইনি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতেন? নাকি নীরবে কয়েকদিন রিমান্ডে থেকে, মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে তার জীবন অন্য একদিকে মোড় নিত?

এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন ছিল না এটি ছিল একটি ‘রিসেট’ এর দাবি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে ‘রিসেট বাটন’ এর কথা বলেছিলেন রাষ্ট্রের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদী মানসিকতা, দলীয়করণ ও দুর্নীতির অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু সুরভীর ঘটনা দেখায়, সেই রিসেট এখনও অসম্পূর্ণ। পুরোনো দোসররা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনও প্রভাবশালী, এবং সময় ও সুযোগ পেলে তারা প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করছে না। তাই সুরভীর ঘটনা কোনো ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয় এটি একটি সতর্কবার্তা। আজ সুরভী, কাল অন্য কোনো জুলাইযোদ্ধা। রাষ্ট্র যদি তার তরুণ প্রজন্মকে, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তাদেরই নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। ন্যায়বিচার মানে কেবল অপরাধীর শাস্তি নয় ন্যায়বিচার মানে নির্দোষ যেন শাস্তি না পায়, এবং অভিযুক্ত যেন তার আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। সুরভী কারামুক্ত হয়েছেন, কিন্তু যে ব্যবস্থার ভেতরে তিনি অন্যায়ভাবে আটকে পড়েছিলেন, সেই ব্যবস্থার সংস্কার এখনও বাকি। শিশু আইন বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি, পুলিশের জবাবদিহি, বিচারকদের সংবেদনশীলতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা সবকিছু একসঙ্গে নিশ্চিত না হলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি থামবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছিল বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক একটি সমাজ গঠন। সেই চেতনা রক্ষা করতে হলে, সুরভীর ঘটনা যেন কেবল একটি খবর হয়ে হারিয়ে না যায় বরং এটি হোক রাষ্ট্র সংস্কারের এক অনিবার্য পাঠ। আইনের শাসন তখনই সার্থক হবে, যখন ক্ষমতার দাপট নয়, বরং সত্য ও ন্যায়বিচারই শেষ কথা বলবে। সেই সাথে রাষ্ট্র যদি সত্যিই বদলাতে চায়, তবে তাকে প্রমাণ করতে হবে জুলাইযোদ্ধারা কেবল ইতিহাসের পাতার নাম নয় বরং তারা ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের জীবন্ত বিবেক। আর তাদের অধিকার রক্ষা রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিকতা দায়িত্ব।

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সাংবাদিক নামের সাংঘাতিকদের আগে সাইজ করতে হবে । এরা মানুষের মান সমমান নিয়ে খেলা করে ।

২| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সাংবাদিকেরা কোন না কোন সংবাদপত্র বা সংবাদ সংস্থার পক্ষ থেকে কাজ করে । সাংবাধিক নামের সাংঘাতিক
সহ যে সমস্ত সংবাদ মাধ্যম সাংঘাতিকদের সংবাদ প্রকাশ করে তাদের কার্যকলাপ নিয়ে ভাবতে হবে যেন তারা
কোন মানহানিকর সংবাদ প্রচারের আগে সংবাদটির সত্যতা/যতার্থতা সংবাদ প্রকাশের পুর্বে যাচাই করে দেখে ।

৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: বাঙ্গালীদের মহাকাব্য একবারই রচিত হয়েছে সেটা ১৯৭১ সালে। এরপরে যা রচিত হয়েছে সেগুলি শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান কিংবা রস গুপ্তের মহাকাব্য!

৪| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: মেয়েটার রিমান্ড হলে আমি খুশি হতাম।
কারণ এই মেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলেছিলো, লীগ পিটাতে বের হইছি।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০১

ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন বলেছেন: আপনার মত একজন নিকৃ*ষ্ট ব্যক্তি কে জু*তা মা*রাই শ্রেয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.