আমার প্রিয় পোস্ট

http://raehatshuvo.blogspot.com/

ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়াতল থেকে গনগনে রোদেলা যুক্তির পথে আমার যাত্রা...

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

ক্লাস থ্রি/ফোরে পড়ি, খুলনার খালিশপুরে থাকি। প্রতিবেশীরা মোটামুটি সবাই বিহারী।

"এএএ মিস্টার...লাড্ডান ভাই...গুড্ডুউউউ"

বলে রোজ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে যাবার সময় আমাদের আশপাশের কয়েকটা বাসার যুবক বয়সীদের নামাজ পড়ার জন্য ডাক দিতেন তাদেরই সমবয়সী একজন। ভোরবেলার ডাকটাই শুনতে পেতাম সবচে জোরে। এই ডাক শুনে আমিও কোনোকোনো দিন উঠে ফজরের নামাজ পড়তাম বাসাতেই। বাসার পরিবেশ কট্টর ইসলামী না হলেও ইসলামী। বুঝতে শেখার পর থেকে বাবাকে কখনও দেখিনি নামাজ কাজা করতে। মা, বোন সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। দাদা-দাদীকে দেখিনি। তবে নানা- নানু, মামা সবাইকে দেখেছি নামাজ পড়তে। নানা মৃত্যুর আগেও নামাজ পড়েছেন।

আমি শৈশব পার করেছি একই সাথে কোরান আর বিভিন্ন প্রকার বই পড়ে। এর মধ্যে সেবা, প্রগতি প্রকাশনী, শরৎচন্দ্র, বিভুতিভুষণ যেমন ছিলো তেমন ছিলো নানার ধর্মীয় বই এর কালেকশন।

বিভিন্ন ওলি আউলিয়াদের জীবনী পড়তে পড়তে মনে হলো তাদের মতো আমাকে হতে হবে। শুধু মনে খটকা লাগতো একটাই যে ওলি আউলিয়ারা সময়ে অসময়ে কিভাবে নানান মজেজা দেখান? আমার নানাও তো উনাদের মতো নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন, আল্লা কে ডাকেন তাহলে নানা কেন কোন মজেজা পারেন না?
একটা সময় আসলো যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি, কোরান তেলওয়াত করি, কোরানের মানে জানার চেষ্টা করি। এভাবে ক্লাস নাইনে উঠলাম।

ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটলো এসময়। আমি প্রবল ভাবে একটা জিনিস চাচ্ছিলাম। যানতাম বারবার ইনশাআল্লাহ পড়লে আল্লা ভবিষ্যতের ব্যাপারে নিজে জিম্মাদার হয়ে যান। অগুনিতবার ইনশাআল্লাহ জপ করলাম, আল্লা সহায়তা করলো না। বয়ঃসন্ধিক্ষণে ঘটনাটা মনে খুবই তোলপাড় তুললো। তাহলে আল্লা নিজে যেটা বলেছেন সেটা তাহলে সব সময় কাজ করেনা। তবুও মনকে সান্তনা দিলাম এই বলে যে আমার পড়ায় মনে হয় কোন গলদ ছিলো। ছোট্ট ঘটনা তবে মনে দাগ কেটে আছে।

কোরান হাদীস পড়া বাড়িয়ে দিলাম। জানার আশায়। সাথে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বই পড়া তো আছেই। দেখলাম বিজ্ঞানের অনেক কিছুই কোরান হাদীসে যেভাবে বর্ণিত আছে তার সাথে ঠিক মেলে না। খটকা। নানার কাছে নেয়ামুল কোরান নামের একটা বই ছিলো, বাসায় ছিলো মকসুদুল মো্মেনীন। মকসুদুল মো্মেনীন পড়তাম আব্বু আম্মুকে লুকিয়ে। আমার যৌন বিষয়ক সুরসুরি জাগানিয়া প্রথম বই। নেয়ামুল কোরান, তাতে কোরানের বিভিন্ন আয়াত দিয়ে তার ফজীলত বর্ণনা করা ছিলো। সেগুলো বাস্তব জীবনে ব্যবহার করা শুরু করলাম। কলেজে উঠেছি তখন। নেয়ামুল কোরানের কোন আয়াতেরই ফজীলত পাইনা। নামাজ পড়া চলছে পুরোদমে। কিন্তু মন উঠে গেছে অনেক খানিই।

কিছু সাধারন ধর্ম সম্বন্ধীয় প্রশ্ন মাথায় আসে। উত্তর পাইনা। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে গেলাম একটা প্রশ্ন নিয়ে। যিনি আবার আমাদের স্কুলের ধর্ম স্যার।

খুবই সাধারণ প্রশ্ন; আল্লার হুকুম ছাড়া যদি গাছের একটা পতাও না নড়ে, তাহলে আমার পাপের জন্য কে দায়ী হবে? আমি না আল্লা?
স্যার উত্তর দিলেন- আল্লা তোকে জ্ঞান বুদ্ধি দিয়েছেন ভালো মন্দ আলাদা করে চলার জন্য। অতএব তোর পাপের জন্য তুইই দায়ী থাকবি।
আমি বললাম- তাহলে স্যার, আল্লা যদি এটুকু থেকেই তার সবচে প্রিয় সৃষ্টিকে রক্ষা করতে না পারে তাহলে কিভাবে সে সর্ব শক্তিমান?
স্যার আমাকে মারতেই বাকী রেখেছিলেন।

দেখলাম ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়া, রোদের ভিতর চোখে ঠুলি পরিয়ে একজনকে দাঁড়া করিয়ে রাখা ছাড়া আর কিছুই না। যাতে সে ভাবতে বাধ্য হয় "চারদিকে যেহেতু আঁধার আঁধার লাগছে তাহলে নিশ্চয়ই ছায়ার ভিতরে আছি। রোদের উত্তাপ? সেটা আসলে আল্লা আমার পরীক্ষা নেবার চেষ্টা করছেন, আমার বিশ্বাস কতটা পোক্ত সেটা দেখার জন্য।"

ওহো বলতে ভুলে গিয়েছিলাম গীতা, বাইবেল, মহাভারত, রামায়ন স্কুল জীবনেই পড়েছি ঐ ধর্মগুলো কতটা ভুল আর ইসলাম কতটা সঠিক তা প্রমানের জন্য।

আরো বেশি বেশি পড়া শুরু করলাম, যুক্তি প্রয়োগ শুরু করলাম, কার্যকারণ দেখা শুরু করলাম। দেখলাম তখনকার সময়ের হিসাবে বিচার করলে ধর্মগুলো যথেষ্ট আধুনিক ছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এখন আর ঐসব উদ্ভট অলৌকিক কাহিনীতে পরিপুর্ণ ধর্ম গুলোর কোনো প্রয়োজনই নেই।
ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা/আল্লা/ভগবান/গড/ঈশ্বর/সুপ্রীম বিইং, স্বর্গ/বেহেশত, জাহান্নাম/নরক, পরকাল/পরজন্ম আসলে মানব মনের উইশফুল থিংকিং ছাড়া আর কিছুই না।

ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে আমার পথচলা...

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩
মেঘবাজি বলেছেন: ফাটায়ে ফেলছেন গো গোল্লায় আটকা কবি!!

এইটা চালায়ে যান
+
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: হ ভাই। অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম মেটামরফোসিসটা দেবো হয়ে উঠছিলো না। আজকে দিয়েই দিলাম...

২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: বস আপনার গোপন-খবরা-খবর জেনে গেলাম। আপনার এইরকমভাবে বেড়ে উঠা আমাদের দেশের আরো অনেকের মতই। কিন্তু আপনি অপকটে স্বীকার করে ফেললেন।

ভাল থাকা হোক।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: বস অকপটে স্বীকার করার ভিতরে ভীষণ স্বস্তি আছে...

৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৮
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: হুম,
রোদেলা পথে যখন হাপিয়ে উঠবেন তখন কি করবেন?

লেখাটা ভালো লেগেছে। যদিও পুরোটা একমত নই।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: বিলিভ মি আপু, যুক্তির রোদেলা পথে আপনি কখনই হাঁপিয়ে উঠবেন না...

৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১
আবু সালেহ বলেছেন:
"গীতা, বাইবেল, মহাভারত, রামায়ন স্কুল জীবনেই পড়েছি ঐ ধর্মগুলো কতটা ভুল আর ইসলাম কতটা সঠিক তা প্রমানের জন্য।"


কিন্তু কোনটা সঠিক তার হদিস কিন্তু পেলেন না......যুক্তি দিয়ে এইকালে পার পেয়ে যেতে পারেন.. পরকাল কিন্তু না.....

তবে অকপট স্বীকারোক্তি ভালো লেগেছে....
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: শেষ প্যারাটা পরেন নাই?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: পাল্টা হুমম...

৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
মিশু মিলন বলেছেন: ভাল লেগেছে। ভাল থাকুন।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: আপনি আস্তিক হইলেও বা কি না হইলেও বা কি ;) কোন লাভ নাই;);)
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: সেটাই। আপনার কোনই লাভ নাই।
বরং আমি আস্তিকদের মতো পরকালের চিন্তায় একটা বিরাট সময় না কাটিয়ে সেই সময়টা ভালো কিছু করার কাজে লাগাই...

৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪২
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ধন্যবাদ বৃত্তবন্দী। সে তো বটেই, যুক্তির পথ তো কখনোই হাপানোর মত না, শুধু যুক্তিরা হয়তো রূপ পাল্টাতে পারে।
এমন ভাবে আপু বললে, মনে হল ভুল করে জটিল এর ব্লগে চলে এসেছি কিনা।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: যুক্তির রূপ পাল্টায় না, শুধু বিশ্বাসের সাথে যুক্তির বিক্রিয়ায় বিচিত্র একটা জিনিস তৈরী হয়।



নাহ। তবে জটিলের সাথে আজকে দেখা হয়েছিলো।;)

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আচ্ছা...

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

১১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২
এইচ. ইমরান বলেছেন: যানতাম বারবার ইনশাআল্লাহ পড়লে আল্লা ভবিষ্যতের ব্যাপারে নিজে জিম্মাদার হয়ে যান।

সবকিছু পাওয়ার এই সহজ পথ কোরআন হাদীসে উল্লেখ আছে জানতাম না!
কিছু পেতে হলে অবশ্যই চেষ্টা এবং যোগ্যতা থাকতে হবে।


আপনি বলেছেন
আল্লার হুকুম ছাড়া গাছের একটা পতাও নড়ে না,

এই লাইনটি আপনি কোরআন হাদীস থেকে পাইছেন
নাকি নিজে নিজেই নাজিল করছেন?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: কোনো কিছু শুরু করার প্রাক্কালে/কোন কিছু করবো এরকম ডিসাইড করলে ইনশাআল্লাহ বলারই তো নিয়ম তাই না?


কোরানে যদি এরকম থাকে আল্লা সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, তার অজানা কিছুই নেই সেটাকে আপনি কিভাবে ইন্টারপ্রেট করেন?

১২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৬
বিডি আইডল বলেছেন: যুক্তির আরো কিছু নমুনা থাকা উচিত ছিল...ছোটবেলার ধারনাই যুক্তির সব কিছু নয়
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: ছোটবেলার ধারনা ছিলো কিন্তু আমি ওলি আউলিয়া হবো। যুক্তি আসা শরু হয় কলেজ জীবন থেকে...

১৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৯
এইচ. ইমরান বলেছেন: আমি আজ সন্ধ্যায় মুভি দেখতে যাব ইনশাআল্লাহ।
আপনি বলতে চান এই কাজে আল্লা আপনাকে সাহায্য করবে । বা বিকেলে বেড়াতে যাব।
অথচ আপনি শুয়ে রইলেন। আল্লা আপনাকে ডেকে তুলবে
আজব যুক্তি...


সৃষ্টিকর্তা শর্বশক্তিমান প্রমানের জন্য আপনাকে গাদি গাদি বই পড়তে হবে না।
আপনি এই সৃষ্টিজগত নিয়ে ভেবে দেখুন। এই জগত সৃষ্টির পিছনে একজন মহান, সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমানের হাত আছে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ভাইরে যে সময়ের কথা বলেছি সে সময় মুভি দেখতে যাওয়া বা বিকেলে বেড়াতে যাওয়া জাতীয় কাজে ইনশাআল্লাহ বলার মত ছিলাম না সেটা কি পুরো লিখাটা পড়ে বোঝেন নাই?

আর আমি সর্বশক্তিমান প্রমাণ করতে যাই নাই।
সর্বশক্তিমান এটা মেনে নিয়ে যে খটকা লাগছিলো তা দুর করার জন্যই গিয়েছিলাম।

১৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৩
বিষাক্ত আলো বলেছেন: অনেক বড়। আস্তে আস্তে পড়ি...
১৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪
তামিম ইরফান বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগছে।
১৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বৃত্তবন্দী ভাইয়া, আমি হয়তো ভিন্নভাবে দেখি সবকিছুকে।

আপনি অনেকবার ইনশাল্লাহ বলে কিছ পাননি। এরকম অনেক জিনিস আমিও পাইনি। কিন্তু অধমের জীবনে এমন কিছু ঘটেছে যা হয়তো আমাকে বিশ্বাসী হতে বলে। আসলে আমরা কতটুকুই বা জানি? আমাদের জ্ঞান আসলে সত্যিই সীমাবদ্ধ।

যাই হোক...আপনার পথ চলা সুন্দর হোক...এই কামনা।
১৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: তখনকার সময়ের হিসাবে বিচার করলে ধর্মগুলো যথেষ্ট আধুনিক ছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এখন আর ঐসব উদ্ভট অলৌকিক কাহিনীতে পরিপুর্ণ ধর্ম গুলোর কোনো প্রয়োজনই নেই।
ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা/আল্লা/ভগবান/গড/ঈশ্বর/সুপ্রীম বিইং, স্বর্গ/বেহেশত, জাহান্নাম/নরক, পরকাল/পরজন্ম আসলে মানব মনের উইশফুল থিংকিং ছাড়া আর কিছুই না।

ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে আমার পথচলা...




পুরা পাংখা! সরাসরি শোকেজে।


১৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫
বিষাক্ত আলো বলেছেন: হুম, মোকসেদুল মোমেনিন নিয়ে একটা ভালো কথা কহিছেন ...

ছোটোকালে আমিও অনেক ধর্মের বই পড়তাম, তার মধ্যে সেরা কমিক বইখান ছিল ইস্লামিয়াত মডেল টেস্ট এর রেজাল্ট এ ধর্ম স্যার এর কাছ থেকে পাওয়া "নারী জীবনের সেরা উপহার"- বইখান।

:|:|

থাক, আর কিছু কইলে আমার উপর ফতোয়া জারি হইতে পারে ;);)
১৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৭
কঁাকন বলেছেন: শিরোনামটা দারুন কিন্তু আপনার কাছ থেকে আরো সলিড কিছু আশা করেছিলাম
ঠিক জমলোনা, বৃত্ত অতিক্রম হোলো না

ভালো থাকুন
২০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২২
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: মনে পড়ে স্কুলে পড়ার সময় তর্ক করতাম বন্ধুদের সাথে।কয়েকবার হাতাহাতির অভিজ্ঞতাও হয়েছিলো বইকি,যীশুর মাকে আপত্তিজনক গালি দেয়ার জন্যে।





পরে শুধরে গেছি।বুঝেছি এটা কোন তর্কের বিষয়ই না।আমি যা জানি তা ই ঠিক।অন্যদের প্রতি করুণাবর্ষন করি মাত্র।

২১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩০
ঘনাদা বলেছেন: ভালো লাগ্লো।
২২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৪
সুদীপ্ত বলেছেন: নো কমেন্ট। নো রেটিং।

কেমন আছেন?
২৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
২৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২০
আতিকুল হক বলেছেন: "আরো বেশি বেশি পড়া শুরু করলাম, যুক্তি প্রয়োগ শুরু করলাম, কার্যকারণ দেখা শুরু করলাম।" - এরপরের টুকু জানারই আগ্রহ ছিল বেশি। সেই যুক্তিগুলোই আসলে গুরুত্বপূর্ণ, কারন সেই যুক্তিগুলোর উপরই দাড়িয়ে থাকার কথা নাস্তিকতার ভিত। যেখানটায় এসে লেখাটা সত্যিকার অর্থে শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এসেই শেষ হয়ে গেল।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: আর বড় করতে চাইনি...
আমি কিন্তু অন্য কারো লেখা পড়া শুরু করেছি অনেক দেরিতে, নিজে যেটা বুঝেছি সেটাই করেছি...

২৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগছে ... যদিও আরেকটু ডিটেইলস আশা করেছিলাম

ভালো থাকবেন
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
আমি অবিশ্বাসী হওয়া সত্ত্বেও আপনার যৌক্তিক আলোচনার ভক্ত...

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস...

২৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
আমি ও আমরা বলেছেন: এই ব্যাপারটা আড্ডায় টাচ দিছিলা। মনে আছে। কিন্তু এভাবে যে লিখায় বের হয়ে আসবে ভাবতে পারিনাই। গ্রেট

নতুন শব্দ বের করার চিন্তায় আছি। লাপাডাস চুরি হয়ে গেছে ভাড়াখাটে বেশ্যাপাড়ায়।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: হ তুমার লাপডাস চুরি করছে দেখছি...

৩০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
আন্দালীব বলেছেন: আমার মনে হয়- এইটা এই বিষয়ক মেটামর্ফোসিস এর প্রথম খন্ড হতে পারে।

অনেক কথাইতো আপনার বলা বাকী রয়ে গেলো...
এইটা চলুক।

না চল্লে একে অসমাপ্ত বলে মনে হতে পারে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: চলবে...
কনটেন্ট মনে পড়বে আর চলবে...

৩১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
আমি ও আমরা বলেছেন: গোল্লায় আটকা কবি!!


হাহাহা এই নামডা ভালো লাগছে আমার। কবিতা লেইক্ষা পাইক্কা তুমি ঝুনা নাইরকল হইয়া গেছ আর এখনো তোমার অতিক্রম শেষ হয়না। শুনো এই রকম লিখা আরো চলুক। দরকার আছে। কবিতার পাশাপাশি এইগুলান ও চাই।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: নামটা আমারো পছন্দ হইছে...

হেহ আমি বলে ঝুনা নাইরকল ;)

৩২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
একমত @ আন্দালীব

চলুক @ বৃত্তবন্দী

অফটপিক:
বন্দী দশা থাইকা মুক্তি পাওনের পরও কেন বন্দী হিসেবে নিজেরে পরিচয় দ্যান?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: বন্দী দশা থেকে মুক্তি পেয়েছি সত্যি কিন্তু নিজের অন্তর্মূখিতার কারনেই নিজেকে বন্দী হিসেবে পরিচয় দেই।

৩৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
ক-খ-গ বলেছেন:
ফাটায়ে ফেলছেন গো গোল্লায় আটকা কবি!!

"গোল্লায় আটকা কবি" নামটা দারুন লাগছে
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: কি ফাটাইছি? কই ফাটাইছি? ;)

৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
বর্ণ. বলেছেন: ০১. আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটি পাতাও নড়েনা বলতে আল্লাহর 'নিয়ন্ত্রণ' বা ক্ষমতার বাহিরে বা জ্ঞাত বহির্ভুত কোন কাজই হয়না।

০২. 'আমার পাপের জন্য কে দায়ী হবে? আমি না আল্লা?"

খুবই চমৎকার প্রশ্ন। জবাব হচ্ছে- আমাকে পাপ ও সাওয়াব উভয় কাজ করার মত ক্ষমতা আল্লাহ দিয়েছেন। সেই সাথে, কোনটি ভাল এবং কোনটি খারাপ তাও তিনি বলে দিয়েছেন, বুঝিয়ে দিয়েছেন। এখন বেছে নেবার দায়িত্ব আমার। খারাপটি বেছে নিলে কি পরিনাম তাও জানিয়ে দিয়েছেন, ভালটি বেছে নিলে কি পুরস্কার তাও জানিয়ে দিয়েছেন।

এরই নাম পরীক্ষা। পরীক্ষা থাকলেই পাস ফেলের প্রশ্ন। ফেরেশতাদের পরীক্ষা নেই অর্থাৎ ভাল মন্দ বেছে নেবার এখতিয়ার নেই, তাই তাদের জন্য পাপ সওয়াবের বিষয় নেই, শাস্তি পুরস্কারের বিষয় নেই।

এ বিষয়ে কি আপনার আর কোন জানার আছে? অবশ্য ইতিমধ্যে "গণগণে রোদেলা পথে" হাটার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে ভিন্ন কথা।
৩৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @বর্ণ.-তাহলে আপনার থিওরি অনুযায়ী আমি নাহয় ফেরেশতা হইলাম
৩৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
বর্ণ. বলেছেন: আপনাকে যা করে বানানো হয়েছে, তার বাহিরে কিছু হবার ক্ষমতা আপনাকে দেয়া হয়নি। দুঃখের সাথে বলতে হয়, আপনি মানুষ হিসেবেই বেচে থাকতে বাধ্য।
৩৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: তাহলে কুপমুন্ডুকতা মুক্ত মানুষ হিসেবেই বেঁচে থাকি আর মারা যাই কি বলেন?





অফপিক- আপনে এখনও আমারে আপনার ব্লগে ব্লক করে রাখছেন।
৩৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: করড়া হইসে জিনিষটা ...
পরের পর্বের আশায় আছি ...
৩৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
বর্ণ. বলেছেন: আপনি আমার ব্লগে ব্লক?? আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি- স্রেফ নোংরা গালাগালির দায় ছাড়া কাউকে আমি ব্লক করিনা।

এবার কাজের কথায় আসি। আপনি কুপমন্ডুকতামুক্ত মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকুন তা আমার একার নয় সকলের প্রত্যাশা। তবে কুপমন্ডুকতার সজ্ঞাতো সকলের কাছে এক নয়। কেউ দরজা কপাট বন্ধ করে আলোকে অস্বীকার করার মধ্যে যৌক্তিকতা খুঁজে পায়, কেউ দরজা-জানালার পর্দা সরিয়ে আলো গ্রহণ করার মধ্যে যৌক্তিকতা খুঁজে পায়। আমি নিজের জন্য কোন পন্থা বেছে নিয়েছি তার উপর নির্ভর করছে আমার সিদ্ধান্তের সফলতা।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমি আপনাকে আপনার জামাতী ঘরানার লেখার জন্য গালি দিয়েছিলাম।


আপনাদের কে একটা ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে এটাই পুরো বিশ্ব, ঐযে জানালা দিয়ে একটু রোদ আসছে ঐটাই সূর্য। আপনারা সরল ভাবে সেটাই বিশ্বাস করে বসে আছেন।
আমরা যারা চিন্তা ভাবনা করে বের করেছি ঐটুকু আলোই সূর্য হতে পারেনা, সূর্য আরো বিশাল কিছু। এই চিন্তাটাকে নিয়ে আমরা ঐ বদ্ধ ঘরটা থেকে বের হয়ে বিশাল পৃথিবীটাকে দেখার চেষ্টা করছি, সূর্যের বিশালতা দেখার চেষ্টা করছি।
মাঝে মাঝে ঘরের জানালায় এসে সবাইকে ডেকে দেখাতে/বুঝাতে চাচ্ছি ঐ ঘরটাই পুরো পৃথিবী না।

৪০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮
আমি ও আমরা বলেছেন: ওহে গোল্লায় আটকা কবি তুমি কি জাননা বর্নকে যা করে বানানো হইছে তার বাহিরে যাইবার তার একটুও ক্ষমতা নাই। তিনি তোমাকে আনব্লগ করিতে পারিবেন না।
৪১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
বর্ণ. বলেছেন: ওহে আমিও আমরা, আমাকে ব্লক করার এবং পুনরায় আনব্লক করার এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। আর স্মরণ রাখা যেতে পারে, আমি ফেরেশতাদের অন্তর্ভুক্ত নই।
৪২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
বর্ণ. বলেছেন: আগেই বলেছি আপনি যদি ইতিমধ্যেই "গণগণে রোদেলা পথে" হাটার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তবে যুক্তিখণ্ডনের চেষ্টা বৃথা বরং পণ্ডশ্রম। আর যদি নিতান্তই জানার ইচ্ছে থাকে, তবে জ্ঞানের আলোকে সাধ্যমত জবাব দেবার আগ্রহ রয়েছে।

তবে জেনে রাখা দরকার, ঐ বিশাল মার্তণ্ডকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, তাঁর দেখানো পন্থায় যে উহাকে চিনতে চায়, তারচয়ে অধিক চিনবার ক্ষমতা অন্য কাউকে দেয়া হয়নি। আমি গর্ব করে বুক ফুলিয়ে ঘোষণা করছি, ঐ আলোর স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমে তারই দেখানো পন্থায় আলোকে চেনার পথের যাত্রি আমি। তাই, অস্বীকারকারীদের চেয়ে আমি অধিক আলোর নিকটবর্তী। এ কারণে অস্বীকারকারীরা যতই হর্ষ করুক, তাদের আত্মদাবী কিংবা কুৎসায় আমার কোন পরোয়া নেই।
৪৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: মানছি আপনি ঘরে বসে জানালা দিয়ে যতটুকু রোদ আসে সেটাকেই সূর্য বলে মানতে যারা রাজি তাদের দলে। আমার কোনো কথা নেই সে ক্ষেত্রে। মাঝে মাঝে আসল সূর্য দেখার অভিজ্ঞতা বলবো তাতে তো সমস্যা নেই, তাইনা।

আর আমিও গর্ব করি এই ভেবে যে আমার চিন্তা আমাকে বদ্ধ ঘর থেকে মুক্তি দিয়েছে।
৪৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
বর্ণ. বলেছেন: আপনি খামোখাই যদি মানেন যে আমি ঘরে বসে জানালা দিয়ে আসা রোদকেই সূর্য বলি, তবে আমার আর কিই বা বলার আছে। কেননা এমন কোন কথা বলিনি। আমি বলেছি- গনগণে সূর্যকে তারাই সবচেয়ে ভাল চিনতে পারে, যারা এই সূর্যের স্রষ্টার জানানো পন্থায় সূর্যকে চেনার চেষ্টা করে। যেহেতু আমি সেই স্রষ্টার উপর আস্থা রেখে তারই প্রদর্শিত নকশায় সূর্য চেনার যাত্রী, তাই আমি নিশ্চিন্ত ঘোষণা করছি- আমিই জমকালো সূর্যের সর্বাধিক রোদ পাওয়াদের সহযাত্রী। আর যারা খোদ সেই সূর্যের স্রষ্টাকে অস্বীকার করে সূর্যের রোদ খুঁজতে চেষ্টা করছে, তারা প্রকৃতপক্ষে অন্ধকার বিবরের যাত্রী। আমি না তাদের সঙ্গি, না তাদের দাবীকে করি পরোয়া।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: দেখা যাক কে সূর্যকে পায়। যে ঘরে বসে কাল্পনিক স্রষ্টার জানানো কাল্পনিক পন্থা অবলম্বন করে সে, নাকি যে ঘরের বাইরে এসে সরেজমিনে তদন্ত করে সূর্যকে চেনার চেষ্টা করে সে।

৪৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
বর্ণ. বলেছেন:
দেখা যাক, কে মস্তিষ্কপ্রসূত পন্থায় সূর্যকে খূঁজতে গিয়ে ব্লাকহোলের গ্রাসে পড়ে আর কে সরল পথে সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে সূর্যের বুকে বিজয় কেতন উড়ায়।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: সূর্যের বুকে বিজয় কেতন উড়াতে পারবেন না কোন দিনই কারণ সূর্য পৃষ্ঠে যে তাপমাত্রা তাতে আপনি তার কাছে যাবার আগেই ভষ্ম হয়ে যাবেন।

৪৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০২
বর্ণ. বলেছেন: এ্যাবস্ট্রাকশন থেকে হঠাৎ কনক্রিটে আসলে তো বিপদ। আমি তো এ্যাবস্ট্রাকট ফরমেটে কথা বলছিলাম।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: কি ভালো?

৪৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
ক-খ-গ বলেছেন: বৃত্ত অতিক্রমন..........
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: কই আর অতিক্রমণ করলাম

৪৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৪
আতিকুল হক বলেছেন: এই পোষ্টের ব্যাপারে আপনার মতামত আশা করছি।

Click This Link
৫০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
নির্ভিকতা বলেছেন: কমেন্টে ভাল লাগে নাই।
৫১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
রিসাত বলেছেন: জটিল পোষ্ট!!!

স্যারে মাইর দেয় নাই এইটা আমার কাছে বিস্ময়:O
৫২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন: পোস্ট জটিল কিনা জানিনা তবে সরল ভাবেই তো লেখার চেষ্টা করলাম...
৫৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: উপলব্ধিগুলো জানলাম!
৫৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: পার্টি! কাম জয়েন আ রোদেলা ডিপ মউজিক আর্থলি ডিভাইন গ্লাস অব পিউরিটি এন্ড াক অফ ইশ্বর অর হিজ প্রোফেশনাল কলিগস।


(এটা তোমার জন্য না, সেগুলানের জন্য..........যেগুলি এখনও আরকি........)
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস পার্টি

৫৫. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:

ওহে বৃত্ত, আছুইন কেমুন?
পুরাপুরি মাঠে নাইমা গেছেন; ভালো হইছে... আমিও আসাতাছি।



========

হুনছি, কাউয়া নাকি ইদানিং ময়ুর হ্ইতে চায়; খবর জানেন নাকি কিছু?;)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন:
কাউয়া??? ময়ুর???
কি বলছেন এসব??? ;)

৫৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
জটিল বলেছেন: ওহো বলতে ভুলে গিয়েছিলাম গীতা, বাইবেল, মহাভারত, রামায়ন স্কুল জীবনেই পড়েছি ঐ ধর্মগুলো কতটা ভুল আর ইসলাম কতটা সঠিক তা প্রমানের জন্য।

আরো বেশি বেশি পড়া শুরু করলাম, যুক্তি প্রয়োগ শুরু করলাম, কার্যকারণ দেখা শুরু করলাম। দেখলাম তখনকার সময়ের হিসাবে বিচার করলে ধর্মগুলো যথেষ্ট আধুনিক ছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, এখন আর ঐসব উদ্ভট অলৌকিক কাহিনীতে পরিপুর্ণ ধর্ম গুলোর কোনো প্রয়োজনই নেই।
ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা/আল্লা/ভগবান/গড/ঈশ্বর/সুপ্রীম বিইং, স্বর্গ/বেহেশত, জাহান্নাম/নরক, পরকাল/পরজন্ম আসলে মানব মনের উইশফুল থিংকিং ছাড়া আর কিছুই না

বেশ !
৫৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
ক-খ-গ বলেছেন: আইছো নাকি??
৬০. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: হুমম ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে .......
৬১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০১
turborx15 বলেছেন: @ all..........apnar muslim vai apanara jara allah ke believe koren tara nastik theke dure thakun...nastikra sudhu udvrot prosno kore manus ke bipode fele...nastik der hajar vuleo kaj hobe na...tara sudhu jamelar jonnoi eisob udvrot qus kore.... tai tader eisob udvrot qus er ans na diye nastik der bolun....tomader kotha ami mene nibo...tar age bolo tomader eisob tothakothito sotter subidah ki?....dekhben nastikra okopote ans dibe seisbo kajer ....jar sobi onnnay...ottachar,,,,bavichar...julum...!!! ..karon jar kno voy nai...tar darai sokol onnnay...ottachar,,,,bavichar...julum...somvob...

tai muslim vai der ke amr unorod apnara nastik der kothay bicholito hobe na.....



Muhammad (S.A.V) ekbar sahbider bolen.... keyamoter age muslim der oneek boro boro gunah map kore deya hobe oneek choto uchilay...tokhon sahabia bolechilo kno?...
Muhammad (S.A.V)...utttore bolen....karon tokhon islam er upore chola hobe gorom tawer upore thaka....r tomra amake dekhe mano...r tara amake na dkehe manbe.....!!!

ei gorom tawer fol ta amara ekhon dekhtasi...islam er nitior upore cholte gelei ashe...nastik der badha....muhammad (s.a.v) er sunnot mante giye je aj amra dari ta rakhbo ...sei dari ta rakhte gelei 1st badha dey oi lokeri wife...je tar sathei thake...tar mane ekhon badaha to suru hoyeceh nijer ghor thekei,,, tarporo apnara allah ke bissash koren......islam er nitior upore cholte jeno paren...sei doa kori....Amin.....allah sokol nastik der tumi hedayet dau....


Muslim vaiye ra apnare nastik der dekhe bicholi hoyen na....Allah tala quran e oneek ageo bolechen...keyamoter age islam er upore oneek akkromon asbe...R ekhon apnara ta dekhtesen ....muslim der opore nastik der akkromon...tai quran er kotha jokhon nijei dekhlen tai apnader uchit iman ke aro mojbut kora ..karon keyamot tokhoni hobe jokhon allah er nam neyar moto kew thakbe na....... mumin ra nastiker kotha sune vul pothe jay na...nastik der kotha sune mumin der iman aro mojbut hoy sei kotha ta nastik der jana uchit....!!!

@ Duniar sokol nastik......manus jokhon kno company te chkuri kore tokhon oi loker kaj thake company aro establish kora...tar unnoti kora...r er binimoye malik take beton dey...kormocharir kaj thake na je malik company ta kivabe banaise....?????.....r ei kaj jodi office bose kore tahole oi kormocharir beton to durer kotha chakuri koy din thake seita vabar bishoy....R apnar nastikera sei company kivabe banano hoise sei kothai vabtesen....chakuri r koydin apnader ache sei chinta ekhon koren!!!!

“Allah sokol nastik der tumi hedayet dau....sobai bolun Amin……”
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: ভালো হইছে। তা দুরে থাকতে কয়া আপনি আবার আইছেন কেন?

৬২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৪৯
পরতেচাই বলেছেন: বৃত্তবন্দী ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মত আমার অনেক প্রশ্ন আছে পক্ষে এবং বিপক্ষে।

ভাই একটা প্রশ্ন করি আপনার জ্ঞান সিমীত, না অসিম ?

আপনে আকাশে যখন ঘুড়ি উরান তখন আকাশের ঘুরি কেন আপনার কথাশুনে না কেন সে এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করে।
ঘুরির সুতাত আপনার হাতে । তাহলে এটা কি আপনার দোশ না ঘুরির দোশ।

আবার সুতায় টান দিলে ঠিকয় আপনার কথা শুনে।

সবকিছুর একটা সময়ের ব্যপার আছে।

ভাই উত্তর দিয়েন তয় ভাল লাগতো।
৬৩. ১৪ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:৪৯
শাহরিয়ার কবির ড্যানি বলেছেন: ধর্মের সু-শীতল ছায়ার ঠুলি খুলে ফেলে শুরু হলো যুক্তির গনগনে রোদেলা পথে আমার পথচলা...

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তবে তাই হোক...

© এই খানে প্রকাশিত সকল লেখার এবং অন্যান্য হাবিজাবি সমুহের সর্বসত্ত্ব লেখকের...©



raehatuzzahar(এ্যট)জিমেইল(ডট)কম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ