কফি আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি পানীয়। তবে একে আত্নীকরণ করি ২০০২ থেকে। বেশি দিন আগের কথা নয়। মাত্র অনার্স ফাস্ট ইয়ার ফাইনাল'র প্রস্তুতি নেবার কোশেশ করছি। আমার ঘুম মাশাল্লাহ একখান জিনিস, কোন ভাবেই তারে ঠেকাইতে পারি না, পরীক্ষা আইলে তো তার গতি স্রেফ দ্বিগুণ হয়। তাই এটাকে ঠেকাতে মহা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শুরু করি ব্লাক কফি পান। চা এর জায়গায় কফি গিলতে থাকি।
এর তৈরী প্রক্রিয়া নিয়ে আগ্রহ বাড়ে। এমন কি এর আদ্দপান্ত জানার চেষ্টা এখনও জারি আছে। আমি নিজে বিভিন্ন স্বাদের কফি তৈরী করতে পারি, এবং আমার এক্সপেরিমেন্ট চালু আছে।
সমস্যা হলো বাইরে কফি পান নিয়ে। বন্ধুদের অনেকে একে নেতিবাচক ভাবে দেখে, সাম্রাজ্যবাদী পানীয়, বড়লোকের পানীয় ইত্যাদি নানাবিধ বাক্যবানে বাধা দেয়। কালের আবর্তে আবিষ্কার করি যে এটি প্রাচ্যেরই পনীয়। তবে এটা সত্য যে, এটা খানিকটা দামি। কিন্তু জিনিসটা তো স্বাদের, তাই না !
কফি শব্দের জন্ম আরবী কাহওয়া শব্দ থেকে। ক্বাফ+হা+ওয়া। এটি ইথোপিয়া বা ইয়েমেনে জন্ম নেয়। পানীয় হিসেবে ইয়েমেনেই এর প্রাচীন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। ১৪ শতকে ইয়েমেনে এর বানিজ্য আকারও ধারণ করে।
মাজার বিষয় হচ্ছে কফি কে পানিয় হিসেবে পরিচিত করান তৎসময়ের সুফি সাধকগণ। রাতজেগে ইবাদৎ করার জন্য, নিদ্রা দূর করে সতেজ ভাবে জেগে থাকার পবিত্র পানিয় হিসেবে একে পান করা হত। আল- জাযীরীতে প্রাপ্ত তথ্য মতে পানীয়টির প্রবর্তকরুপে
আলী ইবনে উমার আশ-শাযিলীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বাকী অংশ পরে আপডেট দিব।
বি.দ্র.- এখানে ব্যবহৃত তথ্য গুলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত বিশ্ব কোষ হতে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





