আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

প্রকৃত অনুভূতির চরিত্র বিষয়ক

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২

শেয়ারঃ
0 1 0


বিষাদকে একটা চরিত্র ধরা যাক। ধরা যাক তার হাত মুখ নাক চোখ গলা গ্রীবা চুল সবই আছে। তার সাথে আমার প্রায়ই দেখা হয়। পথে, ফুটপাতে, রিকশা ঠিক করার সময়ে, পাবলিক বাসে ঝুলতে ঝুলতে ঘামে ভিজভিজে হতে থাকলে। মাঝে মাঝে পরিচিত ঘরে ফিরে জুতোজামা খুলতে খুলতেও তার মুখ দেখি। সে এসে বসে থাকে বিছানার প্রান্তে। চুপচাপ। বেশি জ্বালায় না। আগে অনেক বিব্রত করতো। এখন আমিও ঘাগু হয়ে গেছি। ওকে আলটপকা চিৎপটাং করে দিতে পারি। তখন দেখা যায় সে থতমত খেয়ে বেকুব হয়ে গেছে।

হর্ষকেও আরেকটা চরিত্র দেই। সে বেশ ধুরন্ধর-গোছের। সবটুকু সময়ে আসবে না। মাঝে মাঝে দেখা দিবে। খুব অপ্রত্যাশিত কোন সময়ে একেবারে চমকে দেয়ার মতোন। মাঝেমাঝে তাকে টের পেতে সমস্যা হয়। মজার ব্যাপার, বিষাদকে আমার যতটা ভয় লাগে, যতটা আমি সন্তর্পণ সজাগ হয়ে থাকি কখন কোন চোরাগোপ্তা আক্রমণ করবে সে, ঠিক সেরকম আতিথেয়তায়, আমি হর্ষের জন্য অপেক্ষা করি। কখন সে আমাকে উন্মাতাল আবেশে মাতিয়ে দিবে। দিনের সূর্যরশ্মির মতো অকৃত্রিম প্রবাহে আমার চরাচর ভাসিয়ে দিবে।

আরেক চরিত্র দুঃখ। না, কোন সাদামাটা দুঃখ নয়, যেগুলো আমি রোজ দেখি, পাই, আত্মপীড়নের সুখের মত উপভোগ করি। তারা নয়, সেগুলো নয়। দৈনন্দিন সেসব দুঃখ খর্বাকৃতি বামনের মত অনেকটাই যাপনের অনুষঙ্গ। মাঝে মাঝে একটু'র জন্যে বাস মিস করে আধা ঘণ্টা দেরি হওয়া, অফিসে ঢোকার ঠিক আগেই ঝুপঝুপে বৃষ্টিতে ভিজে একসা হওয়া, অফিস ছুটি একটু আগে একগাদা কাজ এসে হাজির হওয়া, ফেরার পরে বাসার ইলেকট্রিসিটি না থাকা, ঘুমানোর আগে টের পাওয়া যে এমাসের বাড়ি ভাড়া দেয়া হয়নি আর সেটা কালকেই দিয়ে দিতে হবে, আর দিয়ে দিলেই অনেকগুলো টাকা বের হয়ে যাবে- এরকম ছোটখাট দুঃখেরা মশারির মাঝে গুপ্তচর মশার মত বসবাস করে।

আমার মনোযোগ অন্যরকম দুঃখের দিকে। তিনি বড়ো ভয়াবহ খদ্দের, ঝোলাভর্তি ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে আসেন। আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই অবিবেচকের মতো একটার পর একটা বাণে আমাকে জর্জরিত করে। অশ্বত্থামা মারা গেছে শুনে দ্রোণাচার্যও এতটা রেগে ছিল না! তাঁর রুদ্ররূপে আমার কেবলই মায়ের মুখ মনে পড়ে! এরকম দুঃখের সাথে মৃত্যুসাধ আর গ্লানি আর বিষণ্ণতা মিশে থাকে। এরকম দুঃখদের তোড়ে আমি ভেঙে যেতে থাকি, দুমড়ে যেতে থাকি, ক্ষয়াটে হয়ে উঠতে থাকি, বিলীন হয়ে নামতে থাকি। আমার চেহারা আর আচরণেও তাদের গভীর ছাপ পড়ে যায়। যে কেউ, চেনা-অচেনা বা রাস্তার পেরিয়ে যাওয়া মানুষ, আমাকে দেখলেই বুঝে ওঠে আমি সেই দুঃখবোধে বুঁদ হয়ে আছি। নেশার মতোই আমার ধমনীতে তারা খোড়ল কাটছে।

আমি জানি না ঠিক কীভাবে মানুষ দুঃখবোধ কাটিয়ে ওঠে। প্রতিনিয়ত আমরা নখের আঁচড়ের মত আক্রান্ত হই, সেই অবস্থা কী করে উপশমিত হয়, এভাবে 'সেরে ওঠা'র প্রক্রিয়াটা কেমন তা বুঝে উঠতে চাই আমি। আশে পাশের অনেক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াই আমি বুঝি না। কীভাবে একটা গাছ ক্ষুদ্র চারা থেকে লকলকিয়ে বেড়ে ওঠে, কীভাবে ঋতুরা নিয়মিত বিরতিতে ফিরে ফিরে আসে, কীভাবে পিঁপড়ের সারি টের পায় যে ঝেঁপে বৃষ্টি নামবে, এরকম আরো হাজার প্রাকৃতিক নিয়মের পেছনের কারণ আমার অজানা থাকে। তাতে কিছু যায় আসে না কারণ এসব প্রক্রিয়া আমাকে ছাড়াও সুন্দর চলেছে, আমি চলে যাবার পরেও সুন্দর চলবে। আমার জীবনেও তারা নীরবে প্রচ্ছন্ন-প্রভাব খাটিয়ে যাবে অজান্তেই। তবে দুঃখবোধ কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটা আমার বুঝে নেয়া দরকার। খুব জরুরি না হলে আমি এভাবে ভাবতাম না।

বিষাদ বেশ চালাক। আজকাল আমাকে এভাবে ভেঙে পড়তে দেখে পর্যুদস্ত হতে দেখে সে ক্রূর হাসে। ঠা ঠা করে খ্যাক খ্যাক করে হো হো করে হাসে। আর মাঝে মাঝে উন্মাদের মত লাফিয়ে আমার ঘাড়ে চড়ে বসে। আমাকে গলাধাক্কা দেয়। নির্মমভাবে লাথি কষায় আমার পাঁজরে। আমি বিষাদের ওপর তীব্র ক্রোধ অনুভব করি। "শালা কুত্তার বাচ্চা! শয়তান! শুয়োরের বাচ্চা!" এরকম গালি ছিটকে ছিটকে প্রস্রাবের মত বের হতে থাকে। অধিক যন্ত্রণায় মানুষ কেমন পশু হয়ে যায়, তাই না? পাশবিক মাংশ ঢেকে রাখা সভ্য-ভব্যতার খোলশটা খসে পড়ে। গোঁ গোঁ করতে করতে আমি উঠে দাঁড়াই।

এক নাগাড়ে দুঃখ আর বিষাদের সাথে যুদ্ধ করি। মাঝে একটু হর্ষ এসে ফিক করে হেসে আমার দিন-রাত-দিগন্ত-দেহ ঝলমলিয়ে যায়। তারপরও অবিশ্রান্ত আঘাতে আমি ক্লান্ত হতে থাকি মনে মনে। এরকম লড়াইয়ের শেষ আমার মৃত্যুতেই, এই বোধটা আমার কোষের মাতৃকায় ঢুকে যায়। পেরেকের ধারে সেই চিন্তাটা আমাকে কষ্ট দিতে থাকে। নিরর্থক মনে হয় তাবৎ লড়াই, সকল ক্রোধ। বেমালুম ফাঁকিবাজি মনে হয় এই নিঃশ্বাস, এই হেসে ওঠা, এই চুমু-দীর্ঘশ্বাস-সঙ্গম-রাত্রিযাপন-দিনপালন। শূন্যতার আসল অর্থ আমরা জানি না বলেই ভ্রান্ত বিশ্বাস নিয়ে বাঁচি। একবার ঝলক দিয়ে দেখা দেয় নিরতিক্রম্য ব্যর্থ সমাপ্তি। তখনই চট করে বুঝে যাই এখানে সুখের নামে, দুঃখের নামে, বিষাদ কিংবা হর্ষের নামে আমাদের জীবনের বেচাকেনা হয়ে যায় চোখের পলকে, আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই।

ছলকে এক ফোঁটা পানি বেয়ে নামে পাপড়িমূল থেকে। এত বিষাদাক্রান্ত যাপিত জীবন আমাকে কাঁদাতে পারেনি, কিন্তু দূর্লঙ্ঘ্য এই অর্থহীনতা আমাকে উন্মূল করে দেয়। জানি, এই জীবনের মাঝে দুঃখ-বিষাদ-হর্ষ চরিত্রেরা আমাকে মনে রাখবে না। তাদের সাথে মিতালির জীবন একরকম কেটে যাচ্ছে। মৃত্যুর পরেও তারা এই নশ্বর পৃথিবীর বুকে অন্য মানুষের হৃদয় খুবলে খুবলে খাওয়ার সময়ে এক পলকের জন্যেও আমার কথা মনে করবে না।



***
২১.১.৯


\\টু-বি কন্টিনিউড //

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কিছু নাপ্রকৃত অনুভূতির চরিত্র বিষয়ক ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮
লিপিকার বলেছেন:

চমৎকার লেখা......অসাধারণ....
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: পড়লেন বলে খুশি হলাম লিপিকার।

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: আমি এখন কায়েসের আত্মহত্যা পরবর্তি বিভ্রান্তি সমুহ পড়ছিলাম! এখন আপনি এটা পড়লেন। এ যেন উঁকি দিয়ে দেখা "কি হে? কেমন আছো?" ধরনের কিছু।

৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৫
অন্যসময় বলেছেন: ওরে - তোর গদ্য অনেক শক্তিশালী - আমি খুব অধীর হয়ে অপেক্ষা করে আছি কখন তুই যেমন টা চাইছিশ তেমন লিখতে পারবি।কেন যেন মনে হয় তুই খুব আঁকুপাকু কছ্ছিস সেখানটায় পৌছতে।ওটা খুব বেশি দুরে নয় বন্ধু।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: কী আর বলি, তোর কথায় 'বেশি খুশি'-টাইপ দশা হইল। নতুন একটা লেখা দে তোর, পড়ি।
কেমন আছিস?

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ।

৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: গদ্য- কবিতা সবখানে পুরোপুরি দখল নিয়ে নিলা তো!!! কিছু ছাড়বা না কারো জন্য ?! X(

" তখনই চট করে বুঝে যাই এখানে সুখের নামে, দুঃখের নামে, বিষাদ কিংবা হর্ষের নামে আমাদের জীবনের বেচাকেনা হয়ে যায় চোখের পলকে, আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই।" ... উপলব্ধিটা অসাধারন!!! অনুভূতির চরিত্রগুলো বেশ ব্যক্তিত্বপূর্ণ! গ্রেট গোইং স্যার! :P
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: লোভী এবং উদ্বিগ্ন মানুষ, তাই দখল নিচ্ছি। ;)

স্যার সম্বোধন শুনে তোমার কমেন্টে মাইনাচ দিতে ইচ্ছা করতেছে!X(

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আন্দালীব বলেছেনঃ নেটের কানেকশনের মত, স্লো।

৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: তিনটি চরিত্রের কথা বলি। বিষাদ, হর্ষ আর দুঃখ। বিষাদ চরিত্র আর হর্ষ চরিত্র রুপায়ন করতে গিয়ে তুমি যথেষ্ট নির্মোহ থেকেছো। তোমার এ নির্মোহ ভাব বেশ উপভোগ করেছি। তবে দুঃখ চরিত্র রুপায়ন করতে গিয়ে সেই নির্মোহ ভাব ধরে রাখতে পারো নি।

তবে শেষ দুই প্যারা বেশি ভালো লেগেছে। বিশেষ করে একদম শেষ প্যারাটা।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: কারণ সে দুঃখ বলে। নির্মোহ একটা ভার্সন আছে দুঃখের তিন প্যারা বর্ণনার। আমার পছন্দ হয় নাই লেখাটুকু, পরে মুছে আবার লিখলাম।

শেষ প্যারার কথাগুলো এই জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যি বলে মানি, জানি।

৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
"আমি জানি না ঠিক কীভাবে মানুষ দুঃখবোধ কাটিয়ে ওঠে। প্রতিনিয়ত আমরা নখের আঁচড়ের মত আক্রান্ত হই, সেই অবস্থা কী করে উপশমিত হয়, এভাবে 'সেরে ওঠা'র প্রক্রিয়াটা কেমন তা বুঝে উঠতে চাই আমি। আশে পাশের অনেক স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়াই আমি বুঝি না। কীভাবে একটা গাছ ক্ষুদ্র চারা থেকে লকলকিয়ে বেড়ে ওঠে, কীভাবে ঋতুরা নিয়মিত বিরতিতে ফিরে ফিরে আসে, কীভাবে পিঁপড়ের সারি টের পায় যে ঝেঁপে বৃষ্টি নামবে, এরকম আরো হাজার প্রাকৃতিক নিয়মের পেছনের কারণ আমার অজানা থাকে। তাতে কিছু যায় আসে না কারণ এসব প্রক্রিয়া আমাকে ছাড়াও সুন্দর চলেছে, আমি চলে যাবার পরেও সুন্দর চলবে। আমার জীবনেও তারা নীরবে প্রচ্ছন্ন-প্রভাব খাটিয়ে যাবে অজান্তেই। তবে দুঃখবোধ কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটা আমার বুঝে নেয়া দরকার। খুব জরুরি না হলে আমি এভাবে ভাবতাম না। "

এই প্যারাটা বেশ কিছু ভাবনার খোরাক দিলো। :)
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: আমি খুব ভাবছি এখন এটুকু নিয়ে। জানলে আমাকে জানিয়ে দিও।

৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৩
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন: আমার দুঃখগুলো রিনিউএবল পেয়াঁজের খোলসের মত, একটা খোলস ছাড়ালে মুখোমুখি হই পরবর্তী দুঃখের, সবসময় ভাবি, একদিন এর শেষ আমি দেখবই, কিন্তু ঐযে রিনিউএবল!...দুই থেকে দুই গিয়েও এটা আমাকে শুন্যে পৌছাতে দেয়না...

লেখাটা ভাল হয়েছে, সবসময়ের মতই, ভাল থাক ভাইয়া...
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: তোমার দুঃখের মতো দুঃখেরা তবু ভাল, পরিচিত কিন্তু নবরূপে। আমার কাছে মনে হয় কোন কোন সময়ে তাঁর চেহারা বড়ো নৃশংস, হিংস্র। অপরিচিত দুর্বৃত্তের মতোন!

১১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: না স্যার, মানে স্যার, হলো কি স্যার...দুঃখিত স্যার। প্লিজ স্যার মাইনাস দিবেন না, স্যার। :( :P
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: দিলাম না তাইলে, দয়া মানব ধর্ম! :P

১২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

হুমম। ছন্ন এখন কেবলই ছাড়াইতেছে.....নিজেরে ছাড়াইয়া.....উর্দ্ধমুখি হইতেছে.....
বেশক !!
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: উর্ধ্বমুখি ভ্রমণের সমস্যা হইল, যে একটা সময়ে তারে নিচে নামতে হয়। আমি সেই নিচে নামার পথটাও সশব্দে পার হইতে চাই।

১৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
...অসমাপ্ত বলেছেন: বাহ... সকালবেলাতেই ব্লগের একজন প্রিয় লেখকের চমৎকার লেখা পড়ে ফেললাম। :)

আশাকরি দিনটা আপনার আজকে হর্ষের সাথেই কাটুক। বাকি চরিত্রগুলো ছুটিতে থাক।

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: ডট, আপনি দিন দিন আমার প্রিয় পাঠক/লেখক (মানে ব্লগার)-এ পরিণত হচ্ছেন, এটা কি জানেন?

আপনার জন্যেও একই শুভকামনা রইল। দুঃখ-বিষাদ দূরে থাক।

১৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
আমি ও আমরা বলেছেন: ভালো লাগলো। এই লিখার চর্চারা চিন্তাকে অনেক বিকশিত করে। এরকম অনেক চিন্তা মাথায় আসে কিন্তু এতোবড় লিখা লিখতে হাত ব্যাথা করে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: অসুবিধা নাই বাপ্পী ভাই, আপনি ছোট ছোট করেই লিখে ফেলেন। তারপর, আর খবর কী? ভালো তো?

১৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
আমি ও আমরা বলেছেন: আজ ভিসার জন্য ডকুমেন্ট পাঠালাম বাংলাদেশ এ। সব ঠিক থাকলে দাদরা রা সাম্নের মাসেই চলে আসবে এখানে। আপাতত এটাই খবর।
মুখ বই এ তোমার কিছু ছবি দেখলাম। খালিতো খাওয়া দাওয়ার উপর আছো।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: হা হা হা! খাওয়া ছাড়া আপাতত আর গুরুত্বপূর্ণ কাজ খুঁজে পাচ্ছি না!

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ভাই।

১৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
অদৃশ্য বলেছেন: অনীক ভাই...................এককথায় চমৎকার। আমার কাছে লিখাটি খুবভালো লেগেছে। শেষে এসে আমিও বিষাদে পতিত হলাম।


অনেক ভালো থাকুন।
১৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
অদৃশ্য বলেছেন: অনীক ভাই...................এককথায় চমৎকার। আমার কাছে লিখাটি খুবভালো লেগেছে। শেষে এসে আমিও বিষাদে পতিত হলাম।


অনেক ভালো থাকুন।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: [গতকাল হঠাৎ নেট ডাউন হয়ে যাওয়ায় পোস্ট করা মন্তব্যটা হাওয়া হয়ে গেছে।]

বিষাদ কাটিয়ে ওঠেন। হর্ষেরা খেলা করুক অমলিন আনন্দে!

১৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪১
অন্যসময় বলেছেন: মুশকিল এ আছি।আমি লিখতে পারছিনা,লেখার জন্যে যে তাড়না সেটা অনুভব করি না।ছাঁইপাশ লেখার মানে হয়না।আমি বিন্দু বিন্দু জীবনকে অনুভব কছ্ছি।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: এটা অবশ্য ঠিক ছাইপাঁশ লেখার মানে হয় না।

অপেক্ষা করে দেখ, লেখার তাড়না আবার ফিরে আসবে।

২০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কি আর বলবো ....... এক কথায় বলতে, "আপনার গদ্যের হাত অসাধারন".........

গদ্য ও পদ্য দুইটাতেই আপনার হাত ব্যাতিক্রম
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: প্রশংসায় আপ্লুত হলাম। :)

২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।

[এটাও কি আপনার পেটেন্ট শব্দটার মতো হচ্ছে?]

২২. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: নাহ...


আছেন কেমন? আড্ডাইতে ইচ্ছা হয়...
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: আছি ভাল। ইচ্ছা আমারও হচ্ছে, কিন্তু আজ ব্যস্ত অনেক। সন্ধ্যার আগে সময় নাই। :(

২৩. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: যদি ভাল লাগল, বোঝানো যাবে কি কতটুকু ভালো লাগল! কোয়েষ্ট ফর হ্যাপিনেস বইটার কথা মনে পড়ল। মানুষের অনুভূতিগুলোর বিচিত্র বর্ণনা আছে সেখানে। আপনার লেখাটি চিন্তার খোরাক যোগাবে আমাদের।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: বইটা পড়া হয়নি, দেখি জোগাড় করে নেব। আপনার মন্তব্যের এই দিকটা আমার বেশ লাগে, অনেক নতুন নতুন উৎস পাই আরো চিন্তার খাদ্য জোগাড়ের!

২৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৮
সাইফুর বলেছেন: জটিল এনালাইসিস...
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: আরে সাইফুর ভাই! ধন্যবাদ আপনাকে, ভালো লেগেছে তো? :)

২৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
সাইফুর বলেছেন: অবশ্যই...

এই ব্লগের লেখাগুলো অন্যরকম
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: ওরে ওরে! বিরাট লজ্জা পেলাম!!

২৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২
ইমরান মাঝি বলেছেন: "যন্ত্রনা গুলোকে অন্য কিছুতে রুপান্তর করাই জীবনের মূল কাজ ভাবি।"

কী করা যাবে বলেন। আপনার লেখায় বেদনা আছে। আমি তো বেদনাত্ব হয়েও আনন্দ পেলাম। লেখকের যে কী হবে....ভালো থাকবেন।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: উচ্ছন্নে চলে যাবে সম্ভবত। আপনার এই উদ্বিগ্নতার পেছনের যতনটুকু খুবই ভাল লাগলো!

২৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: ওহে মশা মারা হুকুইন এসব করছ কি? বেজায় লিখছ তো!

মশককূলকে ধ্বংস করে তুমি দেখি দিন দিন হু-কুইন থেকে অতুলনীয় কিং হয়ে যাচ্ছ।

বেশ বেশ!
৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: হুকুইন কী বস্তু!! মাথার উপর দিয়ে শব্দটা উড়ে উড়ে যাচ্ছে আর আমি অর্থ বুঝতে না পেরে বেকুব সাজছি। :| :|

লেখা ভালো লেগেছে জেনে আমি বেজায় খুশ! নাও ধন্যাপাতা নাও। :)

২৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
টংকেশ্বরী বলেছেন: কি যে অসম্ভব সুন্দর লেখা................. প্রিয়তে রাখলাম
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: এইটার পরের পর্ব এই মাসেই লিখেছি, শিরোনাম- "ভোরঃ আমদের, আমার, তোমাদের একান্ত-"

পুরনো লেখায় মন্তব্য পাওয়াটাই এক অভিনব আনন্দ। তার উপরে প্রিয়তে! :)

অসংখ্য ধন্যবাদ দিলাম আপনাকে!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই