আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

সীড ব্যারেটঃ শাইন অন!

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৪

শেয়ারঃ
0 5 0

গরম পড়ে গেছে কিছুদিন হলো। তখন শরতের শেষ প্রায়, বাতাসের হুটোপুটি চলে। আমাদের রুমের দরজা জানালা খুলে দিলে প্রচুর বেদুইন বাতাস ট্রেসপাসিং করে। আমরা অবশ্য নিজেদের সম্পত্তি বিষয়ে উদাসীন। পৃথিবীতে আরো প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে খেয়াল রাখার। বাতাসে ভিজতে ভিজতেই আমার কম্পিউটারে 'গীটারিক' একটা গান ছাড়ে। প্রথম কয়েক মুহূর্ত কিছুই শোনা যায় না। তার পরে খুব মৃদু একটা কর্ড। আমি কান খাড়া করি, সে ভলিয়্যুম বাড়িয়ে দেয়। বাতাসের ভাঁজে ভাঁজে মিশে কিছু শব্দ আমার কানে সুর হয়ে আসে। শুনতে শুনতে একটু বেখেয়াল হয়েছিলাম, মিনিট দুই কি তিন পরে দেখি বাতাসের চেয়ে তীব্র সেই সুর। ভয়ানক দুঃখী, করুণ আতঙ্ক ধরিয়ে দেয়া সুরটা আমাদের রুমের ভেতর পাক খেতে থাকে। পাক খেয়ে ভেতরের বাতাসকে ঘোলা করে দেয়। আমি শুয়েছিলাম আধশোয়া হয়ে, উঠে বসতেও ভুলে যাই। গীটার, আর নাম-না-জানা যন্ত্রের যন্তর-মন্তর ঘুরতে থাকে প্রবল আকর্ষণে আমাকে বেঁধে নিয়ে।

তারপরে ধীরে ধীরে সুরের স্রোত একটু ধীর হয়ে আসে। আমার সজাগ হয়ে ওঠা ইন্দ্রিয়ের বার্তা পাইঃ এটা হয়তো আবারও ঝড় ওঠার পূর্বাভাস। একটু পরেই খুব নীরবতার মতো কেউ একজন কোমল অথবা কাতর স্বরে বলে ওঠে,
Remember when you were young, you shone like the sun.
মনে রেখো, তুমি যখন তরুণ ছিলে, সূর্যের মত প্রখরতায় জ্বলেছিলে।
Shine on you crazy diamond.

আমার শুনতে ভুল হয়। আমি গায়কের পেছনে, সুরের পেছনে একটা হালকা হাসির আওয়াজ পাই। আমার কৌতূহল তখন তুঙ্গে! হে উন্মাদ হীরক, তুমি জ্বলো। এমন ভাবে কেউ বলে নাকি? এমন উন্মূল কাতরতা ঝরে ঝরে পড়ছে হালকা ড্রামের সাথে।
Now there's a look in your eyes, like black holes in the sky.
Shine on you crazy diamond.

আমার মাথায় ভাবনার গুটিপোকারা চলাচল শুরু করে। কার চোখে এমন দৃষ্টি, যার মাঝে কৃষ্ণগহ্বরের ছায়া! মনে হয় কোন সত্যিকারের পাগলের কথাই বলছে গানে। আমি ভাবতেই থাকি, কারণ আর কোন গান আমাকে ভেতরের মানুষ নিয়ে এভাবে আগ্রহী করে তুলেনি। গীটারিক তখন মাথা নিচু করেই শুনছে, হাতে ওর অ্যাকুয়স্টিকটা ধরে আলতো আলতো হাত বুলাচ্ছে। এটা যদি আমার আগ্রহের সীমা হয়, তবে তা মুহূর্তেই পেরিয়ে গেল পরের কথাগুলো শোনার পরে।

You were caught on the crossfire of childhood and stardom,
blown on the steel breeze.
Come on you target for faraway laughter,
come on you stranger, you legend, you martyr, and shine!

এই কথা তো বন্ধু ছাড়া কাউকে নিয়েই বলা যায় না। কাউকে এমন আপন করে না চিনলে, না জানলে কীভাবে গায়ক টাকে এমন আহ্বান করবে?

তারপরে আমি এই গানের মানুষটিকে খুঁজতে শুরু করি। ইন্টারনেট দারুণ জায়গা, রহিম, করিম, মকবুলকেও খুঁজে পাওয়া যায়। আর আমার সামনে অচিরেই যে মানুষটা উঠে এলো, সে ধীরে ধীরে আমার চিন্তা-চেতনার জগতে একটা বড়ো ঢেউ ফেলেছে সামনের কিছু দিন।

এই গানটার নামঃ Shine On You Crazy Diamond। গানের সুর রজার ওয়াটার্স, ডেভিড গিলমোর আর রিচার্ড রাইটের লেখা। কথা লিখেছে ওয়াটার্স। পুরো ট্র্যাকটির দৈর্ঘ্য মাত্র তেইশ মিনিট। প্রথমে প্ল্যান ছিল পুরোটা একসাথে রাখার। পরে ঠিক করা হলো এই একটা গান দিয়েই অ্যালবাম শেষ ও শুরু করতে হবে। তাই দুইভাগে ভাগ করে ফেলা হলো পুরো গানটিকে। মোট নয়টা অংশের মাঝে ১ থেকে ৫ নম্বর ভাগ নিয়ে হলো প্রথম অংশ। আর ৬ থেকে ৯ পর্যন্ত ভাগগুলো নিয়ে হলো দ্বিতীয় অংশ। নয়টা ভাগের ব্যাপার হলো, এক একজন এক একসময়ে কম্পোজ করেছে। পরে সেই পীসগুলোকে জুড়ে দেয়া হয়েছে। পিঙ্ক ফ্লয়েড ব্যাণ্ডের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড়ো গান। এবং এটাই সম্ভবত তাদের সবচেয়ে মহান সৃষ্টি।


কিন্তু এসব তো বইপত্রের কথাবার্তা। একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলেই পাওয়া যায়। সেগুলো নিয়ে আজকে এই ঘোর রাত্রিতে আমি কেন ক্ষেপে উঠলাম? শাইন অন য়্যু ক্রেজি আমি যখন প্রথম শুনেছিলাম, আমি বারবার শুনছিলাম। বারবার তেইশ মিনিট করে পেরিয়ে যেতে লাগলো, আমি কিছুতেই মনস্থির করতে পারছি না। গানের সুর আর কথা আমার হৃদয়ে গেঁথে গেঁথে যেতে থাকলো। ঐ যে বললাম, "পৃথিবীতে আরো প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে খেয়াল রাখার।", আমি তেমনই এক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের নেশায় তখন বুঁদ হয়ে গেছি। এ কোন মানুষের কথা বলা হয়েছে গানের ভেতর? তাকে বার বার বলেই যাচ্ছে তুমি জ্বলতে থাকো? কী তার কাহিনী?

You reached for the secret too soon, you cried for the moon.
Shine on you crazy diamond.
Threatened by shadows at night, and exposed in the light.
Shine on you crazy diamond.
Well you wore out your welcome with random precision,
rode on the steel breeze.
Come on you raver, you seer of visions,
come on you painter, you piper, you prisoner, and shine!

এই লাইনগুলোতে আমার সামনে ধীরে ধীরে একটা অবয়ব পরিষ্কার হয়ে উঠতে থাকে। যেন কেউ খুব আলতো করে একটা পর্দা সরিয়ে নিচ্ছে একজন মানুষের মুখের ওপর থেকে। আমার চোখে ভাসে উদ্‌ভ্রান্ত, খেয়ালি একটা মুখ। মনিটরে খোঁজ লাগাই, আসলেই তো! উশকো খুশকো চুলের একটা সাদা-কালো ছবি ফুটে ওঠে। ঈষৎ বসে যাওয়া চোয়ালে একজন তাকিয়ে আছে। চোখের দৃষ্টিতে রাতের ছায়ার ভয়, আবার সূর্যের আলোয় ঝলসে যাওয়া অতীত! নির্বাক চোখের ভাষা কত তীব্র, প্রচণ্ড!


সীড ব্যারেট। পিঙ্ক ফ্লয়েডের প্রাণ ভোমরা। রজার, সীড, নিক মেসন, আর রাইট- চারজনের দল তৈরি হয়েছিল সেই '৬৫তে। সীড একইসাথে গান লিখতো, কখনো কখনো সুর দিত, গাইতোও। মূলত সেই সাইকেডেলিক রক মিউজিককে তুলে এনেছিল পিঙ্ক ফ্লয়েডের গানের মধ্যে। সীড ড্রাগ নিতো– সাইকেডেলিক ড্রাগ বলে পরিচিত এল.এস.ডি। বিষের মত রক্তনালী বেয়ে বেয়ে সীডের মস্তিষ্কের ভেতরে ঢুকে যেত কালকূট। যে ধরনের জীবনাচরণ সীডের ছিল, খামখেয়ালিপনায় ভরা, উচ্ছৃঙ্খলতায় ঘেরা; তাতে বেশি সময় লাগলো না প্রভাব পড়তে। ড্রাগের প্রভাবে অথর্বের মত জড় হয়ে যেতে লাগলো সে। একটা সময়ে ব্যাণ্ডের বাকিদের সাথেও সমস্যা শুরু হলো। একটা গানের দলের সদস্যদের মাঝে যে সমঝোতা থাকা দরকার, তাতে চিড় ধরে গেল। শেষমেশ সীড নিজেই দলত্যাগ করলো, ঠিকমত বাজাতেও পারছিলো না যে শেষদিকে!

যে ড্রাগের প্রভাবে অপার্থিব সুর সৃষ্টি হতো, কী অদ্ভুত খেয়ালে সেই ড্রাগই কেড়ে নিলো সবঃ গান, সুর, ছন্দ, সৃষ্টি, চিন্তা। এর পরের গল্পটা সরল। সীড নীরব হলো, নিশ্চুপ হয়ে এলো তার গীটার, নিথর হলো লেখার কলম। পিঙ্ক ফ্লয়েডের যাত্রা অবশ্য থামেনি। আরেক বন্ধু ডেভিড গীলমোরকে নিয়ে ব্যাণ্ডের কাজ আবার শুরু হলো। একে একে বেশ কয়েকটি অ্যালবাম বের হলো তাদের। অবশেষে '৭৫-এ এসে মুক্তির মুখ দেখলো Wish You Were Here । এই অ্যালবামের গান মাত্র চারটা, যার মাঝে একটা গানই তেইশ মিনিটের "শাইন অন য়্যু ক্রেজি ডায়মণ্ড"। গানের প্রতিটি লাইন সীডকে নিয়েই লেখা। একজন বন্ধু, সহযাত্রী, সমমনা সাথী আমাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে। সীড ব্যারেট চলে যাবার পরে পিঙ্ক ফ্লয়েডের বাকি সদস্যেরা আর কখনই তার প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সে ছিল তাদের বন্ধুর চেয়েও বেশি একজন, ভাবাদর্শিক নেতা!

দ্বিতীয় অংশের কথাগুলো এরকমই প্রমাণ করেঃ
Nobody knows where you are, how near or how far.
Shine on you crazy diamond.
Pile on many more layers and I'll be joining you there.
Shine on you crazy diamond.
And we'll bask in the shadow of yesterday's triumph,
sail on the steel breeze.
Come on you boy child, you winner and loser,
come on you miner for truth and delusion, and shine

কী দূর্দান্ত পংক্তি। কী অস্বাভাবিক কবিতা। আমি যতবারই পড়ি, শিউরে উঠি। একজন রক্তমাংসের মানুষের জীবন কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে তার চারপাশের সবার কাছে। আমরা হয়তো কখনও খেয়ালও করি না কারা আমাদের দিকে অনুগত দৃষ্টি দিয়ে রেখেছে।

শেষে একটা অসামান্য ঘটনা না বলে পারছি না। এই গানটির স্টুডিওর রেকর্ডের সময়ে, '৭৫ সালের কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সীড ব্যারেট এসে চুপচাপ বসেছিলো এক কোণে। সম্পূর্ণ মাথা কামানো, একটু স্থূল শরীরের জবুথবু বসে থাকা মানুষটিকে কেউই চিনতে পারেনি। বাকি সবাই তখনও বাজনা, গাওয়া এসবে মগ্ন। অনেকক্ষণ পরে রেকর্ডিং শেষ হলে তাদের ম্যানেজার জানালেন, সীডের কথা। ততক্ষণে সে চলেও গেছে স্টুডিও ছেড়ে। যাদের সাথে তার প্রায় পাঁচ-সাত বছর যোগাযোগই নাই, তাদের সাথে দেখা করতে কেন সীড ঐ দিনটাই বেছে নিলো? সেদিনে তো সকলে তাকেই মনে করছিলো, তার জন্যেই গাইছিলঃ
"কাম অন ইউ বয় চাইল্ড, ইউ উইনার, ইউ লুজার
কাম অন ইউ মাইনার ফর ট্রুথ অ্যান্ড ডিলিউশন, অ্যান্ড শাইন!"


***
- অনীক আন্দালিব
১৭.৭.৯


**মূল গানটি ইস্নিপ্‌স-এ খুঁজে পেলাম না। এখানে অন্য দু'টি কভার-এর অডিও লিঙ্ক দিচ্ছি, আগ্রহীদের সংগ্রহের জন্য প্রথম অংশ এবং দ্বিতীয় অংশ

* গানটির লাইভ ভিডিওঃ

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): Syd BarrettPink FloydShine On You Crazy Diamond ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
শান্তির দেবদূত বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন, আগে এদের গান শুনা হয়নি। এখনি শুনছি, তারপর গান নিয়ে কমেন্ট করবো। তবে এদের বন্ধুত্বের যে বর্ননা দিলেন ! অবাক হয়ে গেলাম ...."দোস্ত হো তো এসা" -- আর কিছু বলার নাই
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান আর সবধরনের গান থেকে পুরোপুরি আলাদা। খুব অন্যরকমের সুর, কথা ( এদের গানগুলোকে অনায়াসে কবিতা বলে দেয়া যায়)।

এখানে যে গানটার কথা বলেছি, সেটার ভিডিও দিলাম, দেখে নিয়েন। আর ইউটিউবের রিলেটেড ভিডিওতে প্রচুর গান পাবেন ওদের!:)

সীড ব্যারেটের প্রভাব আসলে তারা কখনই কাটাতে পারে নাই। সে প্রকৃতই তাদের নেতা ছিল।

২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: + চিরকালীন ব্যান্ডের একটি ...
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৯

লেখক বলেছেন: আসলেই পিঙ্ক ফ্লয়েড চিরকালীন। এবং কালের সীমারেখা ভেঙে ফেলা একটা ব্যাণ্ড।

ধন্যবাদ জুবায়ের ভাই।

৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩১
ফেরারী পাখি বলেছেন: লেখার ভূমিকা থেকে উপসংহার পর্যন্ত একটুও মনোযোগ বিঘ্নিত হয়নি। কি দারুন করে যে ছবিটা এঁকেছিস বলার নয়।

তবে গানগুলো/গানটা শোনা হয়নি। এমন করে লিখলে না শুনে কি পারা যায়?

ভালো থাকিস, ক্ষুদে বন্ধু।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১১

লেখক বলেছেন: মজার ব্যাপার এটা পুনর্লিখিত পোস্ট। প্রথম যখন লিখেছিলাম, আমার কম্পিউটার হ্যাঙ খেয়ে পুরো লেখাটাই হারিয়ে গিয়েছিল। এখানে এডিটরে লেখা বেশিদূর সেভ হয় না। খুব সমস্যা কারেন্ট গেলে।
এটা আবার লিখতে বেশ কষ্ট হয়েছে। তবে এখন সেই কষ্টটা আর গায়ে লাগছে না। :)

গানটা শুইনো। অনেকদিন ধরে মনে থাকবে।

৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯
আগলিআগলি বলেছেন: বাও টু পিংক ফ্লয়েড ,বাও টু সিড ব্যারেট ।

কত মানুষের মাথা খারাপ করেছে এই গান । বেশ কয়েক বছর আগের নিজের স্মৃতি মনে
পড়ে গেল।রাতের পর রাত সম্মোহিতের মতো শুনেছি shine on your crazy diamond,
coming back to life ,high hopes .....

গল্প গুলো আগেই শুনেছি । লেখা পড়তে ভালো লাগল তারপরও ।চমৎকার ছবি এঁকেছেন
পুরো গানটার ।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতাটাই বর্ণনা করলাম। আসলে পুরো পিঙ্ক ফ্লয়েডেরই অনেক গানের পেছনে এমন জাদুকরি অভিজ্ঞতা হয়েছে। তার মাঝে এটার বেলাতেই সবচেয়ে বেশি দাগ কেটে গেছে আমার মনে।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ আগলিআগলি

৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩২
আহসান জামান বলেছেন: খুব ভালো লাগলো; শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আহসান ভাই।

৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে ---


যেমনে লেখসেন --গুজ বাম্পস!

এই ধরনের আরো পোষ্ট চাই --

ইনফ্যাক্ট -- আমরি এমন কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করসে --
কিন্তু এত ভালো তো লিখতে পারমু না :(

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অনেষ্টলী -- "সাইন অন ইওর ক্রেজি ডায়মন্ডস" আমি শুনসি অনেক বার । মাগার কি কইতে চাইতাসে বুঝতে পারি না নাই ।

সমীকরন না মিল্লে এই মোটা মাথায় ঢোকে না কিছু । তাছাড়া এত কাহিনী জানা ছিলো না বলে ধরতে পারাও কথা না ।

প্লাস ফেবরিট গানও না যে এটা নিয়া ঘাটাঘাটি করবো ।

পিংক ফ্লয়েড আমি শুনি আমার গান শোনার মধ্যম লেভেলে তাই ঠিক বাচ্চা কালের আবেগটা ছিলো না যে -- পাগল হয়ে খোজা খুজি শুরু করবো ।


তবে -- ষ্টুডিওতে এসে বসার ঘটনাটা শুনেছিলাম আগেই ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

বাংলা কবিতা বুঝতে ত্রাহি রব ছোটে । আর এত সাইকোডেলিক পোয়েট্রি !


মজার ব্যাপার হৈলো -- এল এস ডি বা নেহাত গান্জা না খাইলে এই ভাবের স্তরে পৌছানাও সম্ভব না ;)

তাই পুরা মজাটা পাওয়া সম্ভব না ।


১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: *এইটা তো প্রিয় কমেন্টের শোকেস থাকলে সেখানে রেখে দিতাম! :)

এই ধরনের পোস্ট আরো লিখতে পারবো কিনা জানি না। আমার ভবিষ্যতের কোনকিছুরই ঠিক নাই। এটা লেখার পেছনে মূল প্রণোদনা হলো স্মৃতি হারিয়ে ফেলার আগেই গ্রন্থনার। আমার আশংকা ধীরে ধীরে আমি ভুলে যাবো অনেক কিছু। তার আগেই সেগুলো লিপিবদ্ধ থাকুক। আবেগটুকুকে একটা বয়ামে পুরে রেখে দিতে চাই।

আপনি লিখে ফেলেন না। আপনার মতো করেই সেটা দারুণ হবে। আমার কিন্তু আপনার ডিসকাস করার স্টাইলটা দারুণ লাগে। সমকামিতার মত স্পর্শকাতর বিষয়ও যেভাবে আলোচনা করেন! :)
===
গানটা আমাকে খুব বেশিই "মুভ" করিয়েছিল। এ কারণেই পেছনের কাহিনী জানার প্রয়াস ছিলো। আর হুট করেই ভিএইচ১-এ সীড ব্যারেটকে নিয়ে করা ঘন্টাব্যাপী একটা প্রোগ্রাম দেখে ফেলেছিলাম। সেটাতে সবাই তাকে নিয়েই কথা বলেছে। মালমশলা ঐখানেই পেয়েছিলাম!
আর লিরিকের কাব্যময়তা পেলে আমার হুশ থাকে না। মূলত পিঙ্ক ফ্লয়েডের সুর বা বাজনার চাইতে এই কথা-ই আমাকে বেশি টানে। (সুরের জ্ঞান নেই বলে ঝাপসা ঝাপসা বুঝি)
===
"মজার ব্যাপার হৈলো -- এল এস ডি বা নেহাত গান্জা না খাইলে এই ভাবের স্তরে পৌছানাও সম্ভব না"
আমি তাই ঠিক করেছিলাম এলএসডি নিবো। পরে জোগাড় করতে পারি নাই। আমার বন্ধুমহলে একটা এডিক্টও নাই, এলএসডি তো দূরের কথা! :(

তবে আমি একটা চেষ্টা করেছিলাম সাইকেডেলিক কবিতা লেখার (ড্রাগ না নিয়েই;))। পড়ে দেখতে পারেন!

ছিন্নস্বর

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর, শিমুল। কেমন আছেন?
আপনার পোস্টে যাবো। কিন্তু আপনি আমার পোস্টটি নিয়েও কথা বলতে পারতেন।

৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
অদ্রোহ বলেছেন: পরীক্ষার গ্যাড়াকলে কিছু ভাল্লাগছিলনা,হঠাৎই এদিক ওদিক মাউস ক্লিক করতে করতে আপনার এই পোস্ট চোখে পড়ল........আর একনিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম ।গানের বড় সমঝদার নই,তবে পিঙ্ক ফ্লয়েড আমার অলটাইম ফেভারিট।

পোস্টটাকে প্রিয়তে না নিয়ে উপায় নেই(দারুণ লেখনীর জন্য তো আছেই,দারুণ কমেন্টগুলোর জন্যও বটে।)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: আমার নিজের জীবনের সবচেয়ে বাজে সময়টা, ২০০৭ এর মাঝামাঝি থেকে ২০০৮ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত পিঙ্ক ফ্লয়েড আর কিছু আত্মার বন্ধুই ছিল একমাত্র ভরসার স্থল। "গীটারিক" তাদেরই একজন, মূলত ও-ই আমাকে এই গানগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।

প্রিয়তে নেবার জন্য ধন্যবাদ অদ্রোহ। ভালো লাগছে আপনার মন্তব্য পেয়ে!

৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
অন্যরকম বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে....
আমার চিরকালীন প্রিয় ব্যান্ড..... পিংক ফ্লয়েড..... আর ওয়াটার, ব্যারেট, গিলমোর, ম্যাসনদের কথা, গান, বাজানো, শিল্প সব... এসব কিছুর আমি পূজারী.... এমন কোন সময় নেই যে পিংকের গান শুনতে ভাল লাগে না.....

পিংক ফ্লয়েড ফরএভার.....

অনেকদিন ধরেই একটা ইচ্ছা ছিল পিংক ফ্লয়েড নিয়ে একটা পোস্ট দিবো.... কিন্তু আপনি যা পোস্ট করলেন..... তাতে আমার আর পোস্ট দিতে হবে না..... রীতিমত আমার কাজকে অণেক কঠীন করে ফেললেন......

+

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: হা হা, আরে এটা কোন ব্যাপার না। শূন্য আরণ্যকও এটা বলছিলেন। আসলে একটা ভালোলাগার গ্রাউন্ড থাকলে সেটা সবাই মিলেই চরে বেড়ানো যায়। আপনি লেখেন, আমি পড়ে আপনার ভার্সনটা জানবো। ব্লগে তো আসলে এটাই সবচেয়ে অভিনব আদান-প্রদান। :)

আমার পার্সোনাল ফেভারিট গীলমোর!

১০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: পিংক ফ্লয়েডের গান নিয়ে নতুন কিছু বলার নাই।আমি পিংক ফ্লয়েডের লাইফ এট পম্পেই প্রথম যখন দেখি তারপর অত্থর্ব হয়ে গিয়েছিলাম আধাঘন্টা।পরে পালস,ডেলিগেট সাউন্ড অব...,ওয়াটার্সের বার্লিন ওয়াল,দি ওয়াল ফিল্ম একে একে গিললাম-

এ গানটাতে গিলমোরের লিড যতবার শুনি ততবার চমকে উঠি।খুবই প্রিয় একটি গান।

যাই হোক-সিড ব্যারেট কি সাইকেডেলিক প্যাটার্ণের ছিলো? আমি কিন্তু জানতাম যে সিড ব্যারেট থাকাকালীন সময়ে পিংক ফ্লয়েড প্রগ্রেসিভ রক মেটাল ব্যান্ড ছিলো,কেননা ব্যারেটই তা প্রনয়ন করেন।ভুল হলে শুধরে দেবেন। তবে পিংক ফ্লয়েডকে কোন জেনরা-তে ফালানো যায় এটা একটা বিশাল সংকট-একটা সাইটে দেখেছিলাম পিংক ফ্লয়েড নাকি পপ!হাহাহাহাহাহহা! এ নিয়ে আমি অনেক তর্ক দেখেছি-তাই আমি শিওর না।তবে সাইকেডেলিক শব্দটা পিংক ফ্লয়েডের সাথে সুন্দর শোনায়। :)

ভাল লাগলো আপনার বিশ্লেষন ও লেখা।ধন্যবাদ।
প্রিয়তে রাখলাম।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি যদ্দুর ইতিহাসটা জানি, সেটা হলো সীড, রজার, মেসন আর রাইট ব্যাণ্ড ফর্ম করার সময়ে তারা প্রগ্রেসিভ রকটাকেই অনুশীলন করতো। তখনকার যে কয়টা ব্যাণ্ডে তেমন মিউজিক হতো, তাদেরকে ফলো করতো। পরিবর্তনটা ঘটে লণ্ডনের একটা নতুন তৈরি হওয়া নাইটক্লাবে পারফর্ম করতে গিয়ে। গীটারের মধ্যে ধাতব পাত দিয়ে ঘষে সীড একটা দারুণ লাউড, হন্টিং সুর বের করেন। উপস্থিত দর্শকেরা সেটা খুব পছন্দ করেছিলেন। পরে ক্লাবের ম্যানেজার তাদেরকে স্থায়ীভাবে বুক করেছিলেন শুধুমাত্র সীডের ঐ ভিন্নধর্মী বাজনার কারণে, যেটা প্রগ্রেসিভ রকের আমেজের সম্পূর্ণই বাইরে (পরের কাজের মধ্যে ইকোস এর কথা বলতে পারি)।

এই নতুন সুরকে নাম দেয়ার সময়ে সবাই সাইকেডেলিক রক বলা শুরু করেছিল সীডের সাইকেডেলিক ড্রাগ ব্যবহারের কারণেই। সে নিজে এটাতে মূখ্যভূমিকা পালন করেছিল।

আর গানের জঁরা তো একেবারে কাঁটায় কাঁটায় মিলানো যায় না। বীটলসের কিছু গান পিঙ্ক ফ্লয়েডের মত সাইকেডেলিক টোনের, তা বলে তাদেরকে কেউ সেটা বলবে না, রক ব্যাণ্ডই বলবে! :)

আপনার কমেন্টের জন্য অপেক্ষা ছিল মুয়ীয। ধন্যবাদ!:)

১১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: কারেকশন
*লাইভ এট পম্পেই,
*আমি কিন্তু জানতাম যে সিড ব্যারেট থাকাকালীন সময়ে পিংক ফ্লয়েড প্রগ্রেসিভ রক মেটাল ব্যান্ড ছিলো,কেননা ব্যারেটই তা প্রথম প্রনয়ন বা প্রবর্তন করেন।
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: বুঝেছি সেটা...

১২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
অন্যরকম বলেছেন: শুধুমাত্র অডিও যারা শুনতে চান... (১-৫): Click This Link

(৬-৯) : Click This Link
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে অন্যরকম। গানদুটোকেও পোস্টের সাথে যোগ করে দিবো ভাবছি। ইউটিউব আসলেই দেশের নেট কানেকশনে দেখা মুশকিল!

১৩. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আবার পড়লাম পোষ্টখানা ।

আসলে গিললাম । খেতে খেতে পড়ছিলাম তো ।
আপনি অনেক আবেগ দিয়ে লিখতে পারেন । ভেংগে ভেংগে গানটার চমৎকার একটা ছবি ফুটিয়েছেন ।

~~~~~~~~~~~~~~~~``

মাঝে মাঝে কিছু কিছু গান একবারে ক্যাপচার করে ফেলে । গানপাগলাদের অভিজ্ঞতা সবই একরকমই ।

আসলে -- সাইন অন এর দূর্বোধ্য পার্ট টুকু ছিলো -- ক্রেজি ডায়মন্ডস । এটাই বুঝতাম না ।
এখন মনে হচ্ছে আমাদের ভিতরের দূর্বোধ্য যেসব পাগলামী গুলো আছে -- যেগুলো নতুন কিছু সৃষ্টি করে -- সেসবই বুঝানো হয়েছে ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~

গানটা হয়তো সিড ব্যারেটের উদ্দেশ্যে লেখা -- এখন তো মনে হচ্ছে আমাকে উদ্দেশ্য করেই ওরা গেয়েছে এই গান ।

B-)
আসলেই কি তাই না -- সবার সাথেই রিলেট করা যায় গানটা।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার কমেন্তের উওরে আপনার পোষ্ট দেয়া কারনের বর্ননাটা আমার সাথে অদ্ভুতভাবে মিলে গেলো !
আমার ব্লগের শিরোনামই "ভবঘুরে সব স্মৃতি জমানো"

লিরিকের ব্যাপারে আমিও পাগলা । গানের লিরিক ভালো না হলে গান ভালো লাগে না ।
শুধু সুরের জন্য শুনতে হলে অনেক বাদ্যযন্ত্র, টেকনো ইত্যাদি আছে ।

আর এল এস ডি র কথা শুনে মজা পাইসি । এসব করা ঠিক না । হয়ত কিছু সৃষ্টি হবে । কিন্তু মূল্য চুকাতে হবে অনেক ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মুয়ীজ মাহফুজের কমেন্ত আর তার উত্তরও পছন্দ হয়সে ।
জেনারে আসলে সব ব্যান্ড বা মুভি বা বই এর সাথে চলে না ।
কালজয়ী কিছু কিছু জিনিস জেনারের ধরা ছোয়ার বাইরে ।

পিংক ফ্লয়েডরে সাইকোডেলিক রক বলাটাই আমার শুদ্ধ লাগে । বিটলসের গান গুলো সাইকোডেলিকই -- গান গায় অথচ ড্রাগ খায় না এমন চীজ খুব কমই আছে ।

~~~~~~~~~~~~~~~
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: গানটার মাঝে 'ক্রেজি ডায়মন্ড' শব্দ দুটো যেমন আলাদা করে বলে, সেটাই আমাকে প্রথমে আকৃষ্ট করেছিলো। বেখাপ্পা উপমাটির পেছনে নিশ্চয়ই "কিছু" বা "কেউ" লুকিয়ে আছে! অনুমান বৃথা যায়নি দেখাই যাচ্ছে।

এলএসডি নিয়ে নিরীক্ষার সুযোগ পেলেও হয়তো করতাম না। আমি কখনই সৃষ্টিশীলতার নেগেটিভিটিকে সাপোর্ট করি না। কোন সৃষ্টি কেন এমন বিধ্বংসী হবে যে তার সৃষ্টিকর্তাকেই ধ্বংস করবে? সেটা অনুসরণ উপযোগীও নয়। খেয়াল করবেন, সীড ব্যারেট আর পিঙ্ক ফ্লয়েডের ক্ষেত্রেও তার সময়কালের গানের চেয়ে পরের গান (যেখানে সে শুধুমাত্র প্রেরণা হিসেবে উপস্থিত) বেশি জনপ্রিয়, শ্রোতার পছন্দের এবং শেষমেশ দীর্ঘজীবী। এটাই প্রমাণ করে সাইকেডেলিয়া একটা অসাধারণ জঁরা, কিন্তু সেটার যাপনকে জীবনমুখীও করে তোলা যায়। (বাকিরা কেউ এলএসডি ছাড়াই এমন মিউজিক বানিয়েছে!)

ব্লগিং নিয়ে অনেক কথাই বলা যায়, বলতে ইচ্ছাই করছে। দেখি সামনে হয়তো বলবো। :)

১৪. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা...প্রিয়তে নিলাম...
১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পেন্সিল, প্রিয়তে নিলেন লেখাটি, জেনে খুব খুশি হলাম।

ভাল থাকবেন।

১৫. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার বিষয়।
গান শুনে সুর ভালো লাগলে দেখি আবার পড়বো। :)
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: ভালো লাগবে মোটামুটি নিশ্চিত। :)

পিঙ্ক ফ্লয়েডের সুর "অন্যরকম"!

১৬. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২২
পারভেজ বলেছেন: ক্লাসিক মিউজিক!!! লাইভটা শুনলাম।
পিঙ্ক ফ্লয়েডের সেই সিগনেচার গানের পর(Another....wall) অন্য কিছু তাদের নামের সাথে মাথায় ছিলোনা। কিন্তু এটার রিদম জোশ!!
১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: মজার ব্যাপার, "এনাদার ব্রিক ইন দ্য ওয়াল"-কে আমার কাছে পিঙ্ক ফ্লয়েডের ঘরানার মনে হয় না। গানটা অসাধারণ সৃষ্টি, কিন্তু এটা দিয়ে পিঙ্ক ফ্লয়েড-কে বিচার করলে (বেশিরভাগই তা করে!:() ঠকবেন। আপনি Wish You Were Here এলবামটা দিয়েই শুরু করেন, দেখবেন পুরোপুরি অন্যরকমের মিউজিক।

১৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৮
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: উইশ ওয়্যার হেয়ার লিডসহ কভার করছি অনেক আগেই- :) Intro-G Em,G Em G A7 G A7
গান শুরু হয় G থেকে
ওয়াল করছি Dm G(hey teacher) F(alll and all...) C( another brick...),(কর্র্ডিং বাদে লিড তোলা হয় নাই)
কম্ফোর্টেবলি নাম্ব করছি(Bm home),কর্র্ডিং বাদে লিড তোলা হয় নাই)
ইজ এনিবডি আউক দেয়ার Am(একস্টিক গিটার পার্ট টা)
টাইম
ইকো-স Bm থেকে আমি করছি,কিন্তু লিরিক গাইতে গেলে লিরিক আউলায় যায়- :(

আরো কি কি জানি করছিলাম,সব ভুইলা খায়া আছি :(
১৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৯
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: Correction,
*লিডসহ কভার করছি অনেক আগেই- :) Intro-G Em,G Em G A7 G A7
গান শুরু C হয় থেকে
১৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: মুয়ীয, আমাকে তো বিপদে ফেলে দিলেন! আমি গীটারের, তেমন বেশি কিছুই বুঝি না। পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান সে কারণেই আমার কাছে রহস্যময় জাদুর মত লাগে!

আপনি তো ভালো ভালো গানের কথা মনে করিয়ে দিলেন! :)
২০. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৪১
সোহানা মাহবুব বলেছেন: একটা গানের ব্যবচ্ছেদ যে এমন চমৎকার করে করা সম্ভব, আপনার পোস্ট না পড়লে বুঝতে কষ্ট হত।

চমৎকার।
+++

শুভকামনা।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সোহানা। গানটার সাথে আসলে অনেক স্মৃতি আর আবেগ জড়িয়ে গেছে। সেগুলোই বলার প্রয়াস ছিলো। আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: স্টোনড্‌ হলে কেমন লাগে? আমি ঠিক জানি না।

২২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০২
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: এতো কাহিনী তো জানা ছিলো না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৬

লেখক বলেছেন: সেটা জানানোর জন্যেই তো লিখলাম! :)

২৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: এইখানে আগেও একটা কমেন্ট দিছিলাম।

কেন গেল না বুঝলাম না।

দারুণ পোস্ট।

তখন কী লিখছিলাম, খেয়াল নাই।

নতুন করেই বলি, দারুণ পোস্ট।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ। আগের কমেন্ট মনে হয় বাগে খেয়েছে।

২৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪০
দ্রোহি বলেছেন:
সীড ব্যারেট ও বন্ধুরা!!!

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: সীড ব্যারেট আপনারও প্রিয় তাহলে! ... :)

২৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
জন রাসেল বলেছেন: সত্যিই পিংক ফ্লয়েড এক অনন্য নাম। আমিও আমাদের ব্যান্ডের লেইরিকগুলো ওদের মত অর্থবহ করে লেখার চেষ্টা করি। আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোষ্ট দেয়ার জন্য।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ জন রাসেল। সঙ্গীত নিয়ে আবেগ থেকেই এই লেখার জন্ম। আপনার ভালো লাগছে জেনে খুশি হলাম।

২৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
জন রাসেল বলেছেন: আমি লক্ষ্য করে দেখেছি যে, খুব সৃষ্টিশীল এবং হৃদয়স্পর্শী ব্যাপারগুলোর পেছনে কেমন যেন একটা অপূর্নতার গল্প থাকে। জ়ানি না কেন। হয়তো এটা প্রকৃ্তির খেয়ালী মনের ছোট্ট একটা অংশ তবু কেন জানি মেনে নিতে পারিনা। খুব কষ্ট হয়। আমার ব্যান্ড বানানোর পেছনেও এমন একটা ইতিহাস আছে। আর সেজন্যই আপনার পোষ্টটা পড়তে পড়তে কখন যে চোখ বেয়ে দু'ফোটা নোনা জল নেমে গেছে টেরই পাইনি। সেই জলের কথা অবশ্য কাউকে বলিনি। আজ আপনাকে কেন জানি বলতে ইচ্ছে করল তাই হড়বড় করে বলে ফেললাম।

আপনাকে আরো একবার ধন্যবাদ, শুধু মুখে নয় অন্তর থেকেই।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: অন্তর থেকেই আমার ভালোবাসা নিন রাসেল ভাই। গানের শক্তি অনেক- মানুষকে কতটা কাছে টানে! এই দ্যাখেন আজকে এই গান আমাদের কাছাকাছি নিয়ে এলো...

এই লেখায় তাহলে আমি যাদের যাদের পেলাম তারা অমূল্য আমার কাছে। এই গানটাও সীড ব্যারেটের বন্ধুদের কাছে অমূল্য নিশ্চয়ই! তাই না?

আমার খুব খুব ভালো লাগছে আপনার মন্তব্যটা পড়ে।

২৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭
জন রাসেল বলেছেন: আমি স্বপ্ন দেখি যে একদিন বাংলাদেশেও সীড ব্যারেটের মত কেউ জন্ম নেবে। সারাবিশ্ব তাকিয়ে দেখবে অবাক হয়ে। আন্তর্জাতিক কনসার্টে রাজত্ব করবে বাংলাদেশের সঙ্গীত ব্যক্তিত্বরা কিন্তু কোনদিন কি সেই দিন আসবে সত্যিই? কিন্তু কোন প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আসবে? এই প্রচেষ্টারঃ এটি একটি ইংলিশ গান যার মেলোডী নকল করে "ডাক দিয়াছে দয়াল আমারে" (বাই ফুয়াদ) গানটি বানানো হয়েছে

এমন হলে তো আর তা কোনদিনই সম্ভব নয়।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় কি জানেন? বাংলায় এমন প্রতিভার জন্ম বা বিকাশের পরিবেশ নাই। আমাদের সকল প্রতিভাবান ও সৃষ্টিশীল গায়ক ও শিল্পীই পশ্চিম থেকে ধার করেই এখন মিউজিক করছেন। সেই লিরিক ও সুর মেরে দেয়া (এটারে নাকি এভাবে না বলে কী একটা সুশীল নামে প্রকাশ করতে হয়) গান নিয়ে মিউজিকে সীড ব্যারেট হওয়া তো দূরের কথা, তার কাছাকাছিও যাওয়া যাবে না।

খেয়াল কইরেন সেই ব্রিটেনেই সীড ব্যারেটের মিউজিক তখন সেভাবে সমাদৃত হয় নাই যতটা বীটলসের গান হতো! অর্থাৎ এমন প্রথাভাঙা শিল্পী তৈরির জন্যে সেই অভ্যাস আর চর্চাটাও থাকতে হবে। আরো দরকার মৌলিকত্বের প্রতি আপোষহীনতা। দুঃখের বিষয় সেটা আমাদের কারো মাঝেই দেখি না...

২৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
অন্যরকম বলেছেন: আমার সামান্য অভিজ্ঞতায় লেখা ফ্লয়েড নিয়ে একটা লেখা! সময় পেলে ঘুরে আসবেন! :)
৩০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬
জন রাসেল বলেছেন: ভাইয়া অনেকদিন পর আবার আপনার পোষ্টটা ওপেন করলাম। দারুন লিখেছেন সত্যিই। ভাইয়া আমরা আমাদের একটা নতুন গান আপ্লোড দিয়েছি। শুনে দেখলে খুশি হবঃ
http://www.mediafire.com/?j5ba5qts6pkx7is

 

মোট সময় লেগেছে ১.৬৪৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই