আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

পিঙ্ক ফ্লয়েড অথবা সীড ব্যারেট অথবা বাইক!

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৯

শেয়ারঃ
0 0 0

"আই'ভ গট এ বাইক,
ইউ ক্যান রাইড ইট ইফ ইউ লাইক
ইট'স গট এ বাস্কেট,
এ বেল দ্যাট রিঙস
অ্যান্ড থিঙস টু মেইক ইট লুক গুড
আই'ড গীভ ইট টু ইউ
ইফ আই কুড,
বাট আই বোরো'ড ইট।"

কী শিশুতোষ, আমাদের অমল শৈশবের মত সরল কথামালা! এক অবুঝ কিশোরের একটা সাইকেল, বেণী করা আর ফ্রক পরা মেয়েটির সামনে গিয়ে তার সাইকেলের এহেন আধো-বিজ্ঞাপন আমাকে মজা দেয়। মনে পড়ে, বয়ঃসন্ধির সময়কাল, হালকা গোঁফের রেখার সাথেই লজ্জা আর ব্রীড়া কতটা অসহায় করতো। মনে পড়ে গোলাপি ফ্রকের ফুলে থাকা কুঁচিগুলো আমাকে অসহায় করে দিতো।

"You're the kind of girl
that fits in with my world
I'll give you anything
Everything if you want things."

এই কথাগুলোও বেশ সাধারণ। এই প্রতিশ্রুতি যে কোন আকাঙ্ক্ষিত মানুষের প্রতিই দেয়া যায়। "তুমি এমন একটা মেয়ে যে আমার এই ছোট জগতে দারুণ মানাবে, তুমি যা চাইবে, আমি তোমাকে তাই-ই দিবো।" এরকমভাবে কথাগুলো যুগে যুগে কতজনেই না বলেছে, সামনে বসে থাকা মেয়েটির গাঢ় ত্বকে তখন কি একটু খুশির ঝিলিক জমে উঠেছিলো? সাথে মিশে ছিলো অনাগত ভবিষ্যতের সুখ, হর্ষ আর গান!

এমন সাধারণ কথা দিয়ে একটা গান, নাম- "বাইক"। গানটাও ছোট, মাত্র পৌনে দুই মিনিট। তাহলে এই সাধারণ কথার সাধারণ গানের কথা কেন বলছি? গানটির অসাধারণত্ব টের পাওয়া যায় পরের স্তবকে। আসলে ভালো জিনিসের জন্য বোধহয় একটু বেশিসময় অপেক্ষা করাটা জগতের রেওয়াজ!

"I've got a cloak
It's a bit of a joke
There's a tear up the front
It's red and black
I've had it for months
If you think it could look good
Then I guess it should."

শুনতে শুনতেই আমি আবার অবাক হলাম। পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান শোনার মজাটাই হলো, লিরিকের এই খাপছাড়া সৌন্দর্য শ্রোতাকে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ফলে দিবে। ও আচ্ছা, বলা হয়নি, এটাও পিঙ্ক ফ্লয়েডেরই গান। বিশেষ করে বললে, সীড ব্যারেট জমানার পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান, আরো বিশেষ করে বললে, এটা তাদের প্রথম অ্যালবামের শেষ গান। অ্যালবামটির নামঃ "দ্য পাইপার অ্যাট দ্য গেইটস্‌ অফ ডওন" (The Piper At The Gates of Dawn)। নামটাকে বাংলা করা যায় কি? কেমন দাঁড়ায়ঃ "ভোরের দরজায় দাঁড়ানো বাঁশিওয়ালা!" কী চমৎকার শিরোনাম! আমি যখন প্রথম পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান শোনা শুরু করি, তখন সবার আগে এই অ্যালবামটাই খুললাম। শুনতেই যখন হবে, শুরু থেকেই শুনি!

[আগ্রহীরা অ্যালবামের একটি ভালো রিভিউ পাবেন এখানে]

তারপরে শেষ গানটার সময়ে আমি মনে হয় অন্য কোন কাজ করছিলাম... ঢুংঢাং করে বেখাপ্পা তালে ড্রাম শুরু হলে মনোযোগ চমকে ফিরে আসে। শিশুতোষ ভাবনা নিয়ে গাওয়া শুরু করলো সীড, গলায় আধো মাতলামির ছোঁয়া। তৃতীয় স্তবকে এসেই উপরের ধন্দে ফেলে দেয়া লাইনগুলোঃ "আমার একটা ক্লোক্‌ আছে। যেটা একটা মস্ত তামাশা। সামনের দিকে একটু ছেঁড়া। লাল আর কালো রঙের মেশানো। আমার কাছে আছে বেশ কয়েকমাস ধরে। যদি তোমার মনে হয় এটা তোমাকে মানাবে, তাহলে মনে হয় সেটাই ঠিক।"
আবারো কি মনে হয় না, এমন অসংলগ্ন কথা কেনই বা মেয়েটির সামনে সে বলছে! একটু হেসেও ফেলি আমি, আহা বেচারা অর্বাচীন কিশোর। সুন্দরীর সামনে এসে এলোমেলো কথা বলছে, যা মনে আসে তা-ই।

আমি যদি চলি পাতায় পাতায়, তাহলে সীড তারচেয়েও বড়ো কোন গাছের ডালে ডালে চলে বেড়ায়! পরের প্যারাটা শুনি--

"I know a mouse
And he hasn't got a house
I don't know why
I call him Gerald
He's getting rather old
But he's a good mouse।"

মাথা কি পুরাই খারাপ হয়ে গেলো আমার! বলে কি ব্যাটা। ইঁদুর পালে, তার নাম কিনা জেরাল্ড! বাড়ি নাই, ঘর নাই, বুড়াও হয়ে গেছে। ঠিকঠিকানাবিহীন কথা সব! আমার হাসি মুছে যায়, আমি আরো 'বেকুব' হয়ে পড়ি।

পরের কথাগুলো একইরকম ধোঁয়াশা-মাখা--
"I've got a clan of gingerbread men
Here a man
There a man
Lots of gingerbread men
Take a couple if you wish
They're on the dish."

এবারে আমি মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যাই যে বেচারা সীডের অবস্থা আসলেই গেছে (আসলে যায় নাই)। কিন্তু আমার ভুল ভাঙে যখন শুনি সুরের বদল। এতক্ষণ গীটার বাজছিল, সুর বদলে ঝনঝনিয়ে ওঠে নাম-না-জানা বাদ্যযন্ত্র। আমি আসলে নিশ্চিত হতেও পারি না যে আদৌ সেগুলো কোন বাদ্যযন্ত্র কী না। একেবারেই আলাদা বাজনা, সুরের দমকা হাওয়া চারপাশ হতে ঘিরে ধরে, মাতাল প্রবল আলোড়ন!

(পরে জেনেছি এটাকে "মিউজিক কংক্রিট্‌ " বলে। এলেক্ট্রো-অ্যাকুয়স্টিক বাজনা। সীড ব্যারেটের উদ্ভিন্ন স্বভাবের মতোই সুর আর যন্ত্র নিয়ে তার নিরীক্ষার একটা চমৎকার উদাহরণ!)

এটাই হয়তো আভাস ছিলো। শেষ স্তবকের কথাগুলো বলার আগে প্রস্তুতি। একটা অ্যালবামের শেষ গানের শেষ স্তবকের আগে, শ্রোতাকে একটু বাজিয়ে নেয়া, ঝেড়ে জাগিয়ে দেয়া-- শোনো হে, সুরের মাতোয়ারা বাজি শেষ হতে চললো, এখন একটু মন দিয়ে শোনো!

"I know a room full of musical tunes
Some rhyme
Some ching
Most of them are clockwork
Let's go into the other room and make them work.

সীড ব্যারেট বা পিঙ্ক ফ্লয়েডের আকর্ষণ এখানেই যে শেষ পর্যন্ত তারা গভীরভাবে মিউজিক নিয়ে ভাবে। পৃথিবীর বাকি সকল প্রাত্যহিক জঞ্জাল আর দৈনন্দিন ব্যর্থতার মাঝেও তারা সুরসৃষ্টি নিয়ে কতটা গভীর নিবেদিত-প্রাণ। কী বললো তারা, কী বললো সে? "আমি তোমাকে এমন এক ঘরে নিয়ে যাবো, যেখানে সুরের সুরেলা জাদু ঘুরে বেড়ায়, ঘড়ির কাঁটার মত ধ্রুবক সুর, নির্লঙ্ঘ্য অমোঘ সুর! চলো! আমরা সেই ঘরের ভেতরে গিয়ে সুরগুলোকে নিয়ে কাজ করি।"

আমি ততক্ষণে অনেকটাই জড়, স্থবির। ভাবছি এভাবে কেন বললো সীড, কী কারণ থাকতে পারে সাধারণ শিশুতোষ ক্লিশে কথার একটা গানে এমন সুর আর বাক্য ভরে দেয়া। কবিতার মতো যার দুই বা বহু-অর্থ। খুঁজে খুঁজে পেলাম এটাকে অ্যাবসার্ডিটি বলে। দর্শনের বিরাট শাখা হেনোতেনো। পড়তে পড়তে জেনে গেলাম নিহিলিজম, সহ গোটা দুই তিন ইজম। কয়েকটা জানালা আর চশমা খুলে গেলো চোখের সামনে। শাদা চোখে পৃথিবীকে যেভাবে দেখি, বিচার করি, তাতে আরেকটু রঙ লেগে গেলো। মাথায় ঘুরতে লাগলো বাইকের সামনে দাঁড়ানো ছেলেটির মুখ। তাতে নির্বিকার আবেদন, ধার করা বাইকটি সে কেনই-বা মেয়েটিকে দিয়ে দিতে চায়? কেন তার ঘরে পালছে ইঁদুর, চারপাশে কেন ঘুরছে ছোট ছোট জিঞ্জারব্রেড ম্যানগুলো? আমার ঔৎসুক্যের পালে হাওয়া দিয়ে শেষের অনুরণন সুরটা ঘরের মাঝে বন্দী হয়ে থাকে!...


*গানটির পুরো লিরিক এখানে

**ডাউনলোডের জন্যে এখানে ক্লিকান। :)

*** সবশেষে ইউটিউব ভিডিওঃ


নোটঃ এই গানের লিরিকের একটা সুন্দর অনুবাদ করেছেন ব্লগার হাসান মাহবুব। এই পোস্টে দেখুন !

আগের পর্ব// সীড ব্যারেটঃ শাইন অন!


***
- অনীক আন্দালিব
১৯.৮.৯


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পিঙ্ক ফ্লয়েডবাইকসীড ব্যারেটPink FloydBikeSyd Barrett ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৬
হমপগ্র বলেছেন: পিংক ফ্লোয়েড বলে কথা...............

অসাধারণ। উইস ইউ ওয়ের ইয়ার!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: হুম, পিঙ্ক ফ্লয়েড বলে কথা! :)

প্রতিটা গানই এত চমৎকার, নেশা ধরানো!

(উইশ ইউ ওয়্যার হিয়ার নিয়ে লেখার ক্ষমতা নাই!:()

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: বুঝেছি বস।

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্ক ইউ! :)

টেক এ বাউ

ফ্রম মি! :)

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: শিওর, কুইকলি ডাউনলোড করেন। ;)

শুনে মজা পাবেন, চিন্তার খোরাকিও পাবেন!

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২২
অদ্রোহ বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েডের আসলেই কোনো জবাব হয়না।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই গানটা শোনা আছে তো?

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১২
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: হুম!!


......................
>>>>>>

অন্ধের সাথে দাবা খেলতেছিলেন
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: দাবা খেলা ভালু। প্রতিপক্ষের উপরে নির্ভর না করেও এই খেলায় উন্নতি করা যায়, নিজের বুদ্ধির ধার বাড়ানো যায়।

তবে এখনতরি তেমন ভালো কুনু আলেম পাইলাম না যার লগে খেইলা মজা। :(

৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৮
স্বপ্ন-বয়ান বলেছেন: ডাউনলোড-এ দিলাম। হায়রে স্পিড...!!! যামু কই??

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: বেশি স্পীড না থাকলে অডিওটা নামিয়ে নেন, পরে না'হয় ইউটিউবের ভিডিওটা নামাবেন।

স্পীডের আসলেই একটু সঙিন অবস্থা। তবে ধৈর্য্য ধরা যায় ভালো জিনিসের জন্য, নাকি?

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১
অপরিচিত_আবির বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান শোনার মজাটাই হলো, লিরিকের এই খাপছাড়া সৌন্দর্য শ্রোতাকে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও দ্বিধাদ্বন্দ্বে ফলে দিবে।

দারুণ বলেছেন ভাইয়া। বেশিরভাগের মতো আমিও পিঙ্ক ফ্লয়েডের ব্রিক অন দা ওয়াল প্রথম শুনি এবং এখন পর্যন্ত যে কতবার তাদের লিরিকগুলো কোট করেছি তার ইয়ত্তা নেই। দারুণ ভালো লাগল পড়ে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, বেশিরভাগ গানেই এমন চমৎকার অভিনব চিত্রকল্প খুঁজে পাই আমিও!

When I was a child I had a fever.
My hands felt just like two balloons.

অথবা

We're just two lost souls swimming in a fish bowl

অথবা

Outside the rain fell dark and slow
While I pondered on this dangerous but
I took a heavenly ride through one silence
I knew the moment had arrived
For killing the past and coming back to life

অথবা

To martyr yourself to caution
Is not going to help at all
Because there'll be no safety in numbers
When the Right One walks out of the door

এমনই অসংখ্য অজস্র পংক্তি!...

৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: এই গানটা আগে সারাদিন শুনতাম। ম্যান..আপনি এই গানটা বাইছা লৈলেন দেইখা খুব ভালো লাগলো। আমাদের এখানে পিংক ফ্লয়েডের কমন কিছু গানই বেশি প্রচলিত।

লেখা সুপার্ব হৈসে। অনুবাদ করতে মন চাইতেসে গানটা (ভয় নাই করুমনা!)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: এই গান আমার খুবই জোশ লাগে! আসলে একটু অপরিচিত কিন্তু গভীর অর্থবোধক অনেক কিছুই আমার দারুণ লাগে। মনে হয় সবাই তেমন মনোযোগ দেয়নি বলে তার ভেতরে হয়তো অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে!

আমি আগেই বলছিলাম আপনার আমার গানের পছন্দ অনেক মিলে, আর আজকে তো এই পোস্টে কাকতালীয়ভাবে সেটাই প্রমাণিত হলো! ;)

অনুবাদ কইরা ফেলেন। পিলিঝ লাগে! :)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: :)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০৩

লেখক বলেছেন: হুম, দেখলাম। ভালো লাগছে। একটা লেখা থেকে মন্তব্য পাওয়া আর আরেকটা আনকোরা লেখা পাওয়া'র ব্যাপারটা পুরোপুরি অন্যরকম আনন্দ দেয়! হাসান ভাইকে ধন্যবাদ! :)

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
অন্যরকম বলেছেন: +

গানটা আগে শুনি নাই!!!!
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: এটা পিঙ্ক ফ্লয়েডের একটু অপরিচিত গানের একটি। কিন্তু আমার খুব ভালো লাগে। উচ্ছল সুরের গান। আবার পাশাপাশি অনেক গভীর তাৎপর্যের। যেটা ইচ্ছা সেটা নেন! :)

১৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান তো তেমন শোনা হয়নি... তবে আপনার লেখাটা দারুণ লাগলো! :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: শোনা হয়নি, তো এখন তো সুযোগ হয়েই গেল! :)

উপরে সবরকমের লিঙ্ক আছে। ডাউনলোড করে নেন। তারপরে শুনে জানাবেন কেমন লাগছে গানটা।

১৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০২
ত্রেয়া বলেছেন: বহু আগে খুব কাছের একজনকে দেখতাম পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান শুনতে।গানের বাংলা ট্রান্সলেট করে কথাগুলোতে কি বলতে চেয়েছে তা বুঝিয়ে দিয়ে সেই আমাকে প্রথম আগ্রহী করে তুলে এই লোকের গানের প্রতি।আজও যখন এর গান শুনি দূরের অপরিচিত এক কন্ঠের সূরে চিরচেনা এক অবয়ব স্পষ্ট হয়ে উঠে চোখের সামনে।
আপনার লেখা পড়ে মনে হল এর গান শুনে নিজের অনুভূতিগুলো সবসময় এতো প্রাধান্য পেয়েছে যে গানগুলো কখনোই মনযোগ দিয়ে শুনা হয় নি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৯

লেখক বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েড আসলে ব্যাণ্ডটার নাম। সেই ব্যাণ্ডের ভোকাল এবং গীটারিস্ট ছিলেন সীড ব্যারেট। পরে ড্রাগসেবনের অসুস্থতায় তিনি ব্যাণ্ড ছেড়ে দেন, যদিও তার প্রভাব পিঙ্ক ফ্লয়েডের গানে সবসময়ই বিরাজ করেছে।

আসলে সব গানের সাথেই অনেকদিন শ্রোতা হয়ে থাকলে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অনেকদিন পরে গানটা আবার শুনলে সেই স্মৃতি জেগে ওঠে হয়তো। আমারও প্রিয় বন্ধুই পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান শুনতে দিয়েছিল! তখনকার অনুভূতির কথাই আবার বলে চলেছি।

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩
পেন্সিল বলেছেন: হা...হা...'পিঙ্ক ফ্লয়েড আসলে ব্যাণ্ডটার নাম। সেই ব্যাণ্ডের ভোকাল এবং গীটারিস্ট ছিলেন সীড ব্যারেট।' পুরাই বোল্ড। হা..হা..
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: না না। আসলে জানার ভুল থাকতে পারেই। এটাকে নিয়ে কিছু বইলেন না। :)

১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
তাজা কলম বলেছেন: ভাল লাগলো পোষ্টটি। ++++++
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: জেনে খুশি হলাম তাজা কলম।

১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮
মুক্ত বয়ান বলেছেন: সর্বনাশ!!! একটা লেখা থেইকা আরো দুই-দুইটা লেখা.. জট্টিল। :)

আরো আরো লেখেন.. আরো অনেক কিছু জানা যাইবে। :)

++
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: এটা বেশ ভালো প্রক্রিয়া। ব্লগে এই মিথস্ক্রিয়া খুব ভালো লাগে আমার। একটা পোস্ট থেকে আরো অনেকগুলো লেখার জন্ম। আমার নিজেরই জানা ছিল না বাইক নিয়ে এটা লিখবো। সীড ব্যারেটের আগের পোস্টের পরে আগ্রহ পেয়ে লিখলাম! :)

আর লিখবো দেখি, সামনে।

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: চমৎকার লাগলো আপনার বিশ্লেষণ...অসাধারণ...ধুর প্রকাশ করতে পারছি না ঠিক...:(
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: হা হা! ব্যাপার না শ্রাফু। এই প্রকাশেও অপ্রকাশিত অংশ আমি ঠিকই বুঝে নিচ্ছি। শুভেচ্ছা নিয়েন। :)

১৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৪
আকাশচুরি বলেছেন: আহ! পিঙ্ক ফ্লয়েড!

ছন্ন'হে লেখাটা খুউব ভালো লেগেছে:)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তারিক ভাই। মাঝে কিছুদিন দেখিনি আপনাকে! কেমন আছেন?:)

২০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪১
আন্দালীব বলেছেন: সিড ব্যারেটের কাহিনী তো আপনার জানাই আছে...

তাই বুঝেশুনে নিজ দায়িত্বে ফ্লয়েডিয়ান হৌন :)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: এই গভীর রাতে আপনি কোত্থেকে!:-*

২১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: ভালো লাগলো অনেক,ধন্যবাদ।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: (নেট বিভ্রাটে মন্তব্যটা মুছে গিয়েছিল)

আমারও বেশ ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে মুয়ীয। একজন সাধারণ শ্রোতা হিসেবে (যার গানের ব্যাকরণ বা সুর নিয়ে তেমন ধারণা নেই) আমার গান নিয়ে লেখা যদি আপনার ভালো লাগে, তাহলে সেটা অবশ্যই আলাদা গুরুত্ব পায় আমার কাছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

২২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
ত্রেয়া বলেছেন: আমি আসলেই জানতাম না ভদ্রলোকের নাম কি তবে এটা কিন্তু জানতাম যে পিঙ্ক ফ্লয়েড শুধু তার ব্যন্ডেরই নাম।
আমার কথায় যে ভদ্রলোকের নাম পিঙ্ক ফ্লয়েড মনে হতে পারে এটা সত্যি মাথায় আসেনি।
তার নাম এবং পুরো ব্যপারটা সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়ার জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ছন্ন। ভালো থাকবেন।

@পেন্সিল,,,,,আমি বোল্ড হলে তুমি অত খুশি কেন!! ইরেজার তো নেই এবার কিন্তু শার্পনারটাও নিয়ে যেতে বলবো।বুঝসো!! ;) ভালো থেকো।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ইন্টারনেটে সব যোগাযোগ টেক্সটে বলে অনেক সময়ে বুঝে ওঠা মুশকিল। যাক্‌, এটা মাইনর ঘটনা।

[[পেন্সিলকে দেয়া হুমকিতে আমিও বেশ ভয় পেলাম। (আফটার অল আমি নিজেও আরেক পেন্সিল!:| ]]

২৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
পারভেজ বলেছেন: কলেজ জীবনে পিঙ্ক ফ্লয়েড ছিলো ক্রেজ। কিন্তু তখন যে কিছুই বুঝতাম না সেটা আজ টের পেলাম।
থ্যাংকস।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: কী যে বলেন পারভেজ ভাই!

আসলে গানের আবেদন তো এক এক জনের কাছে এক এক রকম। আমি হয়তো একটু বেশিই 'মুভ্‌ড' হয়েছিলাম পিঙ্ক ফ্লয়েডের গানে।

মানসিকভাবে সেইসময়ে (যখন প্রথম শুনেছি) খুবই ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিলাম। এই গানগুলো শুধু খড়-কুটো না, আমার আরো বড় অবলম্বন ছিল। এখন শুনলে হয়ত এভাবে অনুভব করতাম না!...

২৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১
ত্রেয়া বলেছেন: এমা আপনি ভয় পাচ্ছেন কেন!!
পেন্সিলের তো ইরেজার নিয়ে গেছে তাই ভয় পেলেও পেতে পারে কিন্তু আপনার ইরেজারটা রয়েছে এখনো আসা করি।
তাছাড়া ছন্নছাড়া পেন্সিলের ইরেজার, শার্পনার খুজে পাওয়াও বেশ মুশকিল বটে।
আপনাকে তাই ভয় দেখানোটাও সহজ হওয়ার কথা না।
হুমম,,,,,,পেন্সিলে পেন্সিলে তো বেশ বন্ধুত্ব দেখি। :(
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: ভয়টা অমূলক জেনে স্বস্তি পেলাম।

আর পেন্সিলেরা একজোট হউক, তলোয়ারেরা দূরে থাকুক!

২৫. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৪
কিষান বলেছেন: +++...তয় আমার জীবনে শোনা সেরা গান হইলো কমফোর্টেবলি নাম্ব.....
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: কমফোর্টেবলি নাম্ব তো অবশ্যই অন্যতম সেরা গানের একটা। পিঙ্ক ফ্লয়েডের ভালো গানের লিস্ট আসলেই অনেক লম্বা!

পোস্ট পড়ার জন্যে ধন্যবাদ কিষাণ। আরেকটা লেখা আছে, "সীড ব্যারেটঃ শাইন অন!" শিরোনামে, পড়ে দেখতে পারেন।

২৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: ধন্যবাদ। এই গনটা, সত্যি কথা হলো আমি শুনেছি তবে, ভালোমত না। তাই মন্তব্য ভালোভাবে করার আগে আরো কয়েক বার শুনে নিতে হবে।

আসলে আমি প্রথম পি. এফ. শুনি ২০০২ সালে। তাও আবার, দা ডিভিশন বেল, বুঝেন তাইলে??!!!! নিজের আর র্দুবলতা আর প্রকাশ না করি।

আবারো ধন্যবাদ।
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: আমি নিজেও অনেক পরেই শুনেছি। ফ্লয়েডের গান একটা নির্দিষ্ট ধরনের শ্রোতারাই বেশি পছন্দ করে। এজন্যে হয়তো... অনেকেই তেমন মনোযোগ দিয়ে শোনেন না।

আপনাকে বিলম্বিত ধন্যবাদ তারিক।

২৭. ১৪ ই জুন, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
সুবিদ্ বলেছেন: এতদিন পরে চোখে পড়লো..........

দারুন লিখেছ........পিংক ফ্লয়েড, আহা!!
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: থেংকু ভাই। :)

২৮. ১৮ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:৫০
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: সবসময়ের প্রিয় অনন্য পিঙ্ক ফ্লয়েড , অসাধারণ অনুভূতির লেখার সাথে।

স্যালুট !
১৮ ই জুন, ২০১০ ভোর ৫:২৪

লেখক বলেছেন: আমারও।

এই গানগুলো আজকাল শুনি না। কারণ স্মৃতিগুলো উস্কে দিতে ভালো লাগে না। আপনার মন্তব্যে লেখাটা নিজেই আরেকবার পড়লাম...

ধন্যবাদ। আন্তরিক ধন্যবাদ।

২৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৮:৪২
হাসান মাহবুব বলেছেন: সেইরকম একটা পোস্ট ছিলো
৩০. ০১ লা নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৬
মেঘেরদেশ বলেছেন: পিঙ্ক ফ্লয়েড।গান শুনে কত রাত চলে গেসে।ভাল লাগ্ল আপনার পোস্ট :) আমার প্রিয় কিছু গান :)
Click This Link
৩১. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩২
াহবুব বাবুই বলেছেন: পিংক ফ্লয়েড আমার ইশ্বর, আমি গানের লিরিক শুনলে অস্থির হয়ে যাই, উন্মাদ হয়ে যাই । প্রিয়তে

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই