আমার প্রিয় পোস্ট
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- ইভটিজিং লইয়া ইহা কোন আলগা আলোচনা না। অপ্রিয় সত্যের আঘাতে আহত হইতে পারেন। (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দেইল্যা রাজাকার ওরফে দেলোয়ার হোসেন সাইদী - পঙ্খিরাজ
- বিবর্তনের ফলে মানব দেহে রয়ে যাওয়া কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং মাস্ল। - হোরাস্
- বর্ষা-বরণ ও কতিপয় ব্লগারগণ - অন্যমনস্ক শরৎ
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- বাধ্যতামূলক ধর্মশিক্ষা এবং একজন নাস্তিক পিতার অসহায়ত্ব - সন্যাসী
- মেঘবাজি সমগ্র-১ - মেঘবাজি
- আমরা যা বলতে পারি না, সেখানে নীরবতাই উত্তম কথক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- এ ধরনের যুদ্ধশিশুদের জন্য আমাদের করনীয় কি - শয়তান
- THE P A U S E . - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- আমার রাজ রাজেশ্বরী - ফেরারী পাখি
- গটমট ডায়েরী - অনাহুত আগন্তুক
- আমি তোমাকে উপর থেকে দেখি - অন্যমনস্ক শরৎ
- ~ রুপকথা ২ ~ - ~স্বপ্নজয়~
- অপ্রকাশিত জীবনানন্দ - সুদীপ চৌধুরী
- কোন এক পশ্চিমা শহরের কবিতা বা গল্প - জামাল ভাস্কর
- আমিও লিখলাম - আকাশ_পাগলা
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- অস্পষ্ট শেষ পৃষ্ঠার হাসি - মুক্তি মণ্ডল
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- বন্ধু, তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও - রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত
- একজন অপ্রকৌশলীর বুয়েট প্রেম - সাহোশি৬
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা (দুটি বেঞ্চিতে মুখোমুখি চারজন) - বৃত্তবন্দী
- অলৌকিক বৃষ্টি - প্রতিধ্বনি, তুমিতো
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- * * ছ .*. ন্ন .* * ত .*. র ** . ঙ্গ . ** * - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
নাগরিক সনদপত্র এবং-
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
সকাল
ভোর নিয়ে আমার ভেতরে প্রবল কাঙ্ক্ষা সচল!
সকাল নিয়ে ততটা নয়। সকালে ঘুম কেটে যায়, চোখের কোণে জমে ওঠা পিঁচুটির মত ক্লান্তি ঝরে যায়। মুখের ওপরে বালিশের দাগ আর ঘুম ঘুম ওম মুছে যায়। সকালে আমরা ব্যস্ত, সকালে আমরা দ্রুত হয়ে উঠি। তাই সকাল অনেক সময়েই আমার প্রিয় সময় না। তবে মাঝে মাঝে সকাল খুব কামনার হয়। চুলের গন্ধ মাখা বালিশে মুখ ডুবিয়ে সকাল আসে। এলোমেলো পায়ে এসে বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরে। সকালের আগমনে জানালা চৌকাঠ ভেসে যায়।
ভোর তখন অভিমানী শরৎ, মেঘের মত চলনশীল। স্মৃতিহীন স্রোতের মত ভেসে চলে গেছে সে'সময় একটু আগেই। সকালের দাপটে।
সকালে বেণীগুলো থরে থরে সেজে ওঠে। ফ্রকের কুঁচিগুলো ফুলে ওঠে। শাদা জুতোর আঁকিবুকি ফিতে গোল গোল পাঁকে ফুলের মত হাসতে থাকে, দুলতে থাকে। গাঢ় নীল হাফ-প্যান্টেও ঝলমলে রোদ্দুর জমা হতে থাকে। কালরাতে খুব বৃষ্টি হয়েছে। কারা যানো দরজার বাইরে পানির ছোট একটা হ্রদ জমিয়েছে রাতের ঘুমে। সবাই অচেতন ছিলো যখন, তখন তারা এসে রেখে গেছে হ্রদ আর রোদ। পানির আয়না ভেঙে যায় দাপুটে জুতোর লাফানোয়। ছিটে ছিটে ওঠে হাসিমুখো বিন্দু রোদের শরীরে ঝিকিয়ে ওঠা ছুরির ফলার মতো। আমাদের ক্লান্তি ধুয়ে মুছে যায়।
দুপুর
দুপুর খুব সাধারণ। আটপৌরে হয়েছে তখন সকালের রোদ। থরে থরে জমে ওঠা বেণী আর হাফ-প্যান্ট ফিরে গেছে বাসায়। দুপুরের বুড়োটে ঝিমে তারা বাইরে ঘোরে না। বাউণ্ডুলে রোদ হা হা করে দৌড়ে বেড়ায় খালি ফুটপাতে, ময়লাটে বারান্দায়। শুকাতে দেয়া কাপড় থেকে চুমুর চুমুকে বাষ্প শুষে নেয় চকিতেই। গ্রীলের লোহায় মাঝে মাঝে কিছু রেখেও যায়- দুপুরের রোদ বড়ো খেয়ালি!
এই রোদে চকচকে ত্বকও পুড়ে তামাটে হতে থাকে, তামাটে থেকে কালো হতে থাকে। আমাদের সবার চামড়ায় রোদের পরশ খুব ছাপ রেখে গেছে গ্রীষ্মে। এখন শরতের রোদ, পুরোনো স্বভাব পুরোপুরি ছাড়েনি বলে আমরা পুড়ি, ধীরে ধীরে বার-বি-কিউ হয়ে উঠি নধর কুক্কুটের মাংসের মতো। আমাদের মেরিনেশন ঘটেছে নোনা-ঘামে। লবণে ঝলসে গেছে শার্টের ভাঁজ, নিভৃত আস্তিন। সেখানে শাদা শাদা নোনাদাগ পড়ে গেছে অনেকের, যারা বেশি ঘামে। শরীর শীতলের কত রকমারি উপায়...
এখন দুপুরগুলো দীর্ঘ। অচল পাথরের মত চেপে বসে, শ্লথগতিতে গড়িয়ে চলে, স্বল্পঢাল রাস্তায় যেভাবে ভারি-চাকা গড়ায়...
বিকেল
বিকেল এলেও উষ্ণতা কমে না। রোদের ঝাঁজ কমে আসে, রাগের তীব্রতা। আমাদের মনে তবু স্বস্তি নেই। আর কত বাকি দিনের, রাত এলো না কেন এখনও? এমন প্রশ্নে আমরা পেঁচিয়ে যেতে থাকি। সাপের মত কুণ্ডলি-পাকানো গরম বাতাস আমাদের জামায়, হাতে, মুখে জড়িয়ে থাকে। বিকেল অস্থির। সবার তাড়াহুড়োয় আমরা সবাই কোনো না কোনো জরুরি কথা ভুলে যাই। আজকে হয়তো কারো সাথে দেখা করার কথা, কাউকে কোনো জরুরি কিছু ফেরত দেবার কথা। কারো কাছে আমরা আজই টাকা পেতাম অনেকগুলো। এরকম টুকিটাকি চিন্তাগুলো গলে পড়ে যায় ফুটো পকেট দিয়ে। মাঝে মাঝে হঠাৎ মনে পড়ে যাবার দুরন্ত-ভুলে আমরা মনেও করে ফেলতে পারি, আজকে বাসার গ্যাসের বিলটা দেয়া হয়নি! এরকম অস্থির বিকেল দৌড়ে চলে যায়। যাবার সময়টাতে আমরা অস্থিরতায় তাকে বিদায় জানাতেও ভুলে যাই। খেয়ালও করি না, বিকেলের রোদ মরে যাবার সময় কী করুণ চোখে তাকিয়ে ছিল। সেই চাহনির কোলে, চোখের পাঁপড়ির ভেতর আমাদের ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফেরা কৈশোরের গল্পটা ছিল।
যেদিন খেলতে গিয়ে আমরা মারামারি করেছিলাম।
যেদিন জুতো ছিঁড়ে গেলো বলে বাসায় ফিরে বকা খাওয়ার ভয় ছিলো।
যেদিন গোলাপি ফ্রকের মেয়েটার সামনে সাইকেল নিয়ে ঘ্যাঁচ করে ব্রেক কষেছিলাম আমরা।
যেদিন মহল্লার বড়োভাই ধাম ধাম করে আমাদের পিঠে কিল ঘুষি দিয়েছিলো হাতাহাতির সময়ে।
সেই সময়টা গোল, নিষ্পলক চোখ মেলে বিকেলের কোলে শুয়েই থাকে। আমাদের অস্থিরতায় খুব দ্রুতই হারিয়ে যায়।
সন্ধ্যা
সন্ধ্যা বড়ো রূপসী। নীলের ভেতর হলুদ আর কমলা, লাল আর গোলাপি গুলে সন্ধ্যা আসে। আর চলে যায়। সন্ধ্যায় বাতাসে যে পোকাগুলো ওড়ে, তাদের নাম আমাদের জানা নেই। ঠিক কখন ট্র্যাফিকের লাইটগুলো জ্বলে ওঠে তাও আমাদের খেয়াল করা হয় না। আমাদের ঘামে ভেজা শরীরগুলো শুকিয়ে উঠতে থাকলে আমরা স্থবির হই। বিকেলের সেই বিজাতীয় অস্থিরতা কমে আসতে থাকে। রক্তের ভেতর ঘাম শুকিয়ে আসে। টান জাগে চাঁদের। টান পড়ে বাড়ির। কেউ কেউ এসময়ে গোপনেই বেরিয়ে পড়ে। কেউবা এ'সময়ে খুব অসময়ের অনিয়ম-ঘুম থেকে উঠে বিপন্ন হয়ে যেতে থাকে অযথাই! কালো হয়ে আসতে থাকা আকাশে আরও বেশি কালো পাখিরা জোরে জোরে উড়তে থাকে। সশব্দে। আমরা নাগরিক মাথা হেলিয়ে এক পলকের জন্যে তাদের দিকে তাকিয়ে বিরক্তই হই হয়তো। 'এত চেঁচামেচির কী আছে?'- এই ভাবনা বাসের হর্নের মতো আমাদের মনের মাঝে ছুটে বেড়ায়। সন্ধ্যা নেমে চুল এলিয়ে ঢলে পড়ে রাতে। আমাদের নিশাচর চোখ জ্বলে, নিভে- গাড়ির অবিশ্রাম হেডলাইটের মতো
রাত
রাতের কোনো গল্প নেই। বাইরের রাত আর ভেতরের রাত আলাদা। ভেতরে প্রথাগত জীবন, মানবিক সম্পর্ক। সকালে ছেড়ে যাওয়া আধবোনা উলের সোয়েটার আমরা হাতে তুলে নেই। সুতোর এক মাথায় মা ছিলেন, আরেকপাশে বাবা, নিচের দিকে এক কোণে বোনেরা, ভাইয়েরা। তাদের সুতোগুলো গুটিয়ে আবার বুনতে শুরু করি। ফেলে রাখা সুতোতে কথা জমে আছে। আমরা কথা বলি।
ওদের কথা আমরা সারাদিন ভাবি নাই। আরো ভাবি নাই চারপাশে অচল, নিথর গাছগুলোর কথা। তারাও সারাদিন আমাদের মতোই আলো মেখেছে, আঁধার মেখেছে। থোক থোক রঙ তাদের শরীরেও জমেছিলো, আমরা দেখিনি বোধহয়। ওরা রাতে কী করে? ঘুমায়? নাকি জেগে জেগে কথা বলে আমাদের মতোই! এখানেই ভেতর বাহির ফেড়ে ফেলা তরমুজের ফালি ফালি হয়ে যায়। আমরা ভেতরে বসে সুতো বোনার ফাঁকে টের পাই না, গাছেরা ফিসফিস করে। তাদের পাতা আর ডালের মাঝে নিঃশব্দ আগুন ধরে যায়। আগুনে অদৃশ্যে পুড়তে থাকে ছাল, বাকল, কাঠ। কাঠের গভীরে কান্না জমানো ছিলো যে! সেই কান্না আগুনের ভেতরে হু হু করে কাঁদতে থাকে। গাছেদের পুরোনো স্বপ্ন আর চিন্তাগুলোও চলাচল করতে করতে পুড়ে যেতে থাকে। আমরা বাইরে তাকালে এগুলো দেখি না। দেখার চোখ আমাদের বুজে গেছে, যেদিন আমরা ভেতরে চলে গেছি সেদিনই।
সেইদিনের স্মৃতিও আমরা ভুলে গেছি। বৃক্ষের সাথে মানবের বিদায়ের ক্ষণে কী কথা হয়েছিলো কে জানে! কে বলতে পারে! সে'সময়ে তারা কেঁদেছিলো, নাকি হাসিমুখে একে অপরকে বিদায় জানিয়েছিলো, তা আমাদের পুরোপুরি অজ্ঞাত। আমরা কেবল এখন ভেতরে বসে নিথর, দোদুল্যমান ছায়াটে গাছ দেখতে পাই। আগুনের ঘ্রাণ এলেও, তা আমাদের কাছে অচেনা লাগে।
তবে কেউ কেউ সে গন্ধ পায়। উন্মাতাল মানুষের জাত, বেজাতের পশুদের মতো শুঁকে শুঁকে তারা এই প্রবল দহনের খোঁজ পেয়ে যায়। ভালোবাসার মতো আগুনে তারাও পুরে যেতে চায়, এই আকাঙ্ক্ষার কোনো দাম নেই মানবের কাছে আর! তাই তারা, গুটিকয় মানুষ, জনপদ ছেড়ে চলে যায়। চুক্তি-মোতাবেক, আমরা তাদেরকে ভুলে গেছি, এই জগতের প্রয়োজন বা উপযোগ নেই। বেখাপ্পাদের জায়গা পেছনে, গুদামঘরে।
রাত ফুরিয়ে গেলে আমাদের জনপদে, ভোর এসে সব দৃশ্য ও আগুন নিভিয়ে দেয়। একারণেই ঘুম পায় আমার। আগুনের ভালোবাসা হারিয়ে কোমল ঘুম কামড়ে ধরে আমাদের। আমাদের কাছে তাই ভোর প্রিয়!
***
২৮.৯.৮
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: রাতও প্রিয় খুব। রাত আর ভোরের শুরুটা। বাকি সময়টা তেমন করে পছন্দ না আরকি!
আগের একটা লেখা আছে, ভোর নিয়ে, এ'মাসেই।
কবিতা লিখতেই তো চাই। বাকি সব তুচ্ছে।
সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন:
সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা তারপর রাত হলো ১দিন তারপর ২দিন তারপর সপ্তাহ, পক্ষ, মাস, তারপর বছর, যুগ তারপর ...............একসময় ব্যস্ত জীবনের অবসান।
লেখক বলেছেন: হুম, নিরর্থক অথচ মোহময় জীবন।
শেষ অংশে একটা হোঁচট খেলাম, লেখকের কাছে ভোর প্রিয়, আবার ভোরেই তাকে ঘুম কামড়ে ধরে ... প্রিয় সময়টুকু কি ঘুমিয়ে পার করা ভালো?
লেখক বলেছেন: কবিতা বা গল্প ওভাবে ভেবে লিখি নাই। এমনিতেই লেখাটা এসে গেলো। ওভাবেই থাকুক না হয়।
ভোরে ঘুম কামড়ে ধরে বটে, কিন্তু ঘুমানোর সুযোগ থাকে না। অনেক সময়ে ভোর পেরিয়ে সকালের রোদ উঠে গেলে ঘুমাতে যাই। মোটামুটি ভোর মিস করি না প্রায়দিনই। প্রিয়জিনিস কি মিস করা ভালো? ![]()
আবু সালেহ বলেছেন:
রাত ফুরিয়ে গেলে আমাদের জনপদে, ভোর এসে সব দৃশ্য ও আগুন নিভিয়ে দেয়। একারণেই ঘুম পায় আমার। আগুনের ভালোবাসা হারিয়ে কোমল ঘুম কামড়ে ধরে আমাদের। আমাদের কাছে তাই ভোর প্রিয়!
অনেকটা কবিতা হয়ে গেলো তো.....
ভোরটা কি তাহলে ঘুমের জন্যই আপনার কাছে প্রিয়??
লেখক বলেছেন: অনেকটা কবিতা... পুরো হয়নি তবে।
না, ভোরের সময়টা আমার কাছে চমৎকার লাগে। এ'সময়ের একটা অনুষঙ্গ হিসেবে ঘুমের কথা বলছিলাম।
তবে বেনী বিষয়ক ব্যাপারসেপার বেশী চলে আসছে তোমার লিখায়।
আছে এরকম হয় অনেক সময় আমরা কিছু ভালো শব্দের প্রেমে পরে যাই, তার মোহ থেকে বেরুতে পারিনা। হয়তো আমরা সেই পছন্দের শব্দের ক্রিতদাস ও হতে পারি।
লেখক বলেছেন: স্কুলগামী বালিকাদের কথা চিন্তা করলে আমার মাথায় এই একটা ছবিই আসে। অন্য/অপর দৃশ্য আঁকতে হয়তো একটু আয়াস লাগবে।
আপনি ভালো কথাই মনে করেছেন বাপ্পীভাই, দেখি সামনে এই বিষয়টা মাথায় থাকবে!
লেখক বলেছেন: উদাস! বড়োই উদাস! (^.^)
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
বেশ। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত! কচি রাত, ডাবসানো রাত এইগুলানও আসুক..
লেখক বলেছেন: রাতের গল্প তো আগে লিখছিলাম, "দ্য নাইট ইজ স্টিল ইয়াং" নাম-এ। আবারও লেখা যায় অবশ্য! দেখি।
আবার আসুক এসব... ধন্যবাদ বস্
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
ওরে!
লেখক বলেছেন: কি হলো?
কঁাকন বলেছেন:
গদ্যও এমন কাব্যময় হতে পারে!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: হলো তো।
তবে আমার গদ্যের চেয়েও কাব্যময় গদ্য কতই তো পড়ি, পড়েছি!
আরিয়ানা বলেছেন:
ভাল লাগলো !!!
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ আরিয়ানা। শুভেচ্ছা নিবেন!
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
সন্ধ্যার সময়টা আমার খুব ভালো লাগত। এখন অবশ্য তেমন অনুভূতি নাই।লেখা জটিল হইছে।
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: আছি ভালোই ইমন ভাই।
আমার কাছে সন্ধ্যার সময়টা খুব ব্যস্ত আর বিপন্ন লাগতো। এখনও লাগে। মনে হয় হারিয়ে যাচ্ছি, কোথাও খুব তাড়াতাড়ি পৌঁছুতে হবে। পাখিদের অস্থিরতা মনে হয় আমার ভেতরেও চলে আসে...
ফুলপাতা বলেছেন:
ভোর তখন অভিমানী শরৎ, মেঘের মত চলনশীল। ---ছন্নছাড়া এক পেন্সিল এত অনুভূতি পায় কোথা, চমৎকার সব কথা, পায় কোথা, হুম? তাই তো বলি কথাগুলো কোথায় গেল!!
লেখক বলেছেন: কোথায় যে পাই সে এক নিদারুণ রহস্য। না পারি সইতে, না পারি কইতে!
আপনাকে আমার ব্লগে স্বাগতম ফুলপাতা। ফুলের আর পাতার কথাও কিন্তু আছে লেখার মাঝে!![]()
লেখক বলেছেন: হুম, এটা বেশ সমস্যা হয়ে গেলো তাহলে। আমি আসলে ভাবছিলাম পোস্টটা দৈর্ঘ্যে হয়তো একটু বড়োই হয়ে গেছে। যদি পারো, অবসরে সময় করে পড়ে নিও।
সবাক বলেছেন:
শোকেসে নিয়া রাখছি।
ইচ্ছা হলেই ধুমাইয়া পড়বো।
লোভ লাগছেগো, লোভ লাগছে।
জোসিলা একখান রচনা (লেখা হইছে)
লেখক বলেছেন: ওহ! শুকরিয়া শুকরিয়া সবাক! ![]()
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মিলে গেলো তাহলে!... ![]()
লেখক বলেছেন: থতমতভাব কাটলে জানাইয়ো!
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
সাধু সাধু
লেখক বলেছেন: সাধু সাবধান!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: উদাস ভোর!
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: উদাস! বড়োই উদাস! (^.^)
ফেরারী পাখি বলেছেন:
কি সুন্দর গুচ্ছ গুচ্ছ বর্ণনা। আমার প্রিয় রাত। ভোর হলেই মনে হয়, রোদ উঠে যাবে--সকাল হয়ে যাবে। দিন আর আলো ভালো লাগে না।
লেখক বলেছেন: আমি তো দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়েই থাকি, রাত বরং অনেক গুরুত্বপূর্ণ, জরুরি আমার কাছে!
ধন্যবাদ আপা।
কেমন আছো?
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
বুয়েটিয়ান ব্লগারদের একটা আড্ডার আয়োজন করা হচ্ছে তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর
ভেন্যু : বুয়েট ক্যাফেটেরিয়া
মেনু : ???
আলোচনা দেখতে Click This Link
আর যোগাযোগের জন্য : আমার ইয়াহু মেইল আইডি major_fuad@ইয়াহু
দ্রুত মতামত এবং সম্মতি চাই।
পেন্সিল বলেছেন:
এমনিতেই আজকে আমার মন মেজাজ মারাত্নক খারাপ ছিল...এখানে রাত এখন প্রায় সাড়ে তিনটা...বাইরে থেকে একটা বিড়ি খেয়ে রুমে ঢুকে এই লেখাটা পড়ে মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল... পুরো লেখাটা ৩/৪ বার পড়লাম...'কালো হয়ে আসতে থাকা আকাশে আরও বেশি কালো পাখিরা জোরে জোরে উড়তে থাকে। সশব্দে।'
কেমন জানি বিষন্ন একটা লাইন, ছুঁয়ে যায়...
লেখক বলেছেন: মন মেজাজ ঠিক করে ফেলেন। আমার খারাপই লাগছে এই লেখা লিখে আপনার মন আরো খারাপ করে দিলাম বলে।
আমার কেন জানি মন ভালো করা লেখা লেখাই হয় না...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শূন্য। এটা একটানে, খুব তাড়াতাড়ি লিখেছি।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
ভাই, লেখাটা আমি কয়েকদিন আগেই পড়েছিলাম......যাইহোক লেখাটা পড়তে গিয়ে আরো দুটো লেখার ট্যাব খুললাম "ভোরের একটু আগে"...."একদিন ভোর দেখার রঙ আমাকে মেরে ফেলবে না".....৩টি লেখাতেই ভোর সময়টা চলে এসেছে, সেটা সমস্যা নয়.....সমস্যা হচ্ছে, কনটেন্ট রিপিটেড হচ্ছে কিনা.....লেখা ৩টিতে তেমন একটা রিপিটেশন না থাকলেও তুলনামূলক ব্যাপারটা চলে আসছে....এই লেখাটিকেই বেশি কম্প্যাক্ট মনে হল....যদিও ভঙ্গিটা কিছুটা কাব্যিক...কোন সুনির্দিষ্ট কাহিনী নেই, আবার অনেক কিছু ব্যক্ত করা হয়েছে....এই ব্যাপারটা দারুণ।।। তবে বারবার ভোরকে ডেকে আনলে মোরগ বেচারা মাইন্ড করতে পারে.....আর একটা ব্যাপার হচ্ছে...বুয়েটে ওড়নাওয়ালীদের আকাল বোধহয় আমাদের কল্পনাকে মাঝে মাঝে বাধাগ্রস্ত করে, যেজন্য এখনো আমরা শুধু ফ্রক পরা কিশোরীদের কথাই কল্পনা করি.....যাইহোক, ওড়নাওয়ালী অথবা ফ্রক পরিহিত কিশোরী.....গল্পে যার গ্রহণযোগ্যতা বেশি, সে-ই থাকুক লেখকের ইচ্ছামত................
লেখক বলেছেন: আরো একটা আছে ভোর নিয়ে "ভোরঃ আমাদের, আমার, তোমাদের একান্ত" শিরোনামে।
আমার কাছে ভোরের সময়টা কোন একটা ব্যাখ্যার অতীত কারণে বেশি গুরুত্ব পায়। কেন পায়, তা আমার জানা নেই। এক এক মানুষের নিজস্ব অভিরুচির মত।
'ভোরের একটু আগে' গল্পটায় একটা পট-পরিবর্তনের ইঙ্গিত আছে। একটা সরল, আনুভূমিক গতি থেকে হঠাতই বদলে যাওয়া পরিস্থিতির বর্ণনা। ভোরের সময়টা সেরকম, হুট করেই বদলে যায়, চারিদিক ফরসা হয়ে যায়!
শিরোনামের দিক দিয়ে আবার ভোরের একটু আগে'র ঘটনা এবং 'একদিন ভোর দেখা..." মিল আছে খেয়াল করলাম!
আকাল কেন ওড়নাওয়ালীর? কল্পনায় বাধা দিতে চাই নাই! ![]()
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
আমার কাছে এখন সব বেলাই একরকম। বসে বসে চিন্তা করি কপালে কী আছে।
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক দিন পরে দেখা গেলো আপনাকে! আমি তো ভালোই আছি, আপনি কেমন?
কপালের চিন্তা দূর হউক, এই কামনাই করি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















আমাদের জনপদে
ভোর এসে সব দৃশ্য ও আগুন নিভিয়ে দেয়।
একারণেই ঘুম পায় আমার।
আগুনের ভালোবাসা হারিয়ে কোমল ঘুম কামড়ে ধরে আমাদের
ঘটনাটা কি দাঁড়াইলো! কোবতে তো আপনারে ছাড়বোনা দেহি কুনোমতেই!
ভোর মনে হয় বেশি প্রিয়,না? এর আগেও একটা লেখা ছিলো "কমলা রঙের ভোর" মনে হয় নাম।