আমার প্রিয় পোস্ট

চতুর্মাত্রিক.কম (choturmatrik.com)

অপরবাস্তব ৪ নিয়ে কিছু 'অনিচ্ছুক' কথা

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৭

শেয়ারঃ
0 0 0

গতকাল সন্ধ্যায় বইমেলায় অপরবাস্তব ৪ প্রকাশ পেয়েছে। সারাদিন পহেলা ফাল্গুনের ঘোরাঘুরির পরে সন্ধ্যা অবধি থাকতে পারি নি। বিকেলে অন্যমনস্ক শরৎ জানালেন যে সংহতি'র স্টলে বই পাওয়া যাচ্ছে। ভীড় ঠেলে বইটা কিনেই বাড়ি ফিরে এসেছি।

ব্লগে লেখালেখির প্ল্যাটফর্ম থেকে একটা পূর্ণ কলেবরের বই প্রকাশ করা কোনো চাট্টিখানি কথা নয়। সারা বছরে যা আমরা ব্লগের পাতায় লিখি, তা বাংলাদেশের লোকসংখ্যার মতোই বিপুল। পাঠক জনপ্রিয় লেখা আর সাহিত্যমানের দিক থেকে মানোত্তীর্ণ লেখাও প্রচুর বলে আমি দাবি করি। মনে হয় অনেকেই তাতে সহমত হবেন। সেই লেখা থেকে বাছাইয়ের কাজ এবারে বড়োই অপেশাদারভাবে শুরু হলো!

প্রথমে অপ্‌সরার পোস্ট আসার পরে অনেক ব্লগারই লেখা নির্বাচন করেছিলেন। তার মধ্যেও বিষয় নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি ছিল। তারপরে হুট করেই সব চুপচাপ। আবার জানুয়ারির মাঝামাঝি এসে সবার টনক নড়লো যেনো। "ফেব্রুয়ারি তো এসে গেলো, অপরবাস্তব কি এবার বেরুবে না?"- এই অবস্থায় আবদুর রাজ্জাক শিপনের উদ্যোগে আবারও লেখা সংগ্রহের আয়াসসাধ্য কাজ শুরু হলো।

কোন কোন লেখাগুলো নির্বাচিত হচ্ছে বা কোনগুলো হচ্ছে না এটি জানাতে সম্পাদকমণ্ডলীর অনীহা, অনিচ্ছা খুবই দৃষ্টিকটু লেগেছে। জানি, সমালোচনা ও মনোমালিন্য এড়াতে হয়তো মাঝে মাঝে নীরবতা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু লেখাগুলো ব্লগারদের, মনোনয়নের কাজটিও ব্লগাররা করেছেন। অন্তত কোন লেখাগুলো ছাপা হচ্ছে, মনোনয়ন পাচ্ছে সে বিষয়ে পোস্ট আসা উচিত ছিলো। তাড়াহুড়ো করে কাজ করার সময়ে ব্যস্ততার দোহাই বড়োই খোঁড়া অজুহাত।

অপরবাস্তবের প্রকাশনার সবচেয়ে বড়ো যে ব্যাপারটি খারাপ লেগেছে তা হলো মনোনয়নপ্রাপ্ত লেখার লেখকদের সাথে যোগাযোগ না করাটা। যাদের লেখা ছাপা হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে কি লেখাগুলো ছাপানোর অনুমতি নেয়া হয়েছে? যে সব লেখা লেখকের নিজের মনোনয়নেই ছাপা হয়েছে (ধরে নিচ্ছি সেটার কপিরাইট লেখক মন্তব্যে মনোনয়ন দেয়ার মাধ্যমে দিয়ে দিয়েছেন), সেগুলো বাদে বাকি লেখাগুলো অনুমতি ছাড়া কীভাবে বইয়ে স্থান দেয়া হলো? লেখাগুলোর কপিরাইট নিয়ে অপরবাস্তব প্রকাশক/সম্পাদক মণ্ডলীর এই স্বেচ্ছাচার কেন? এমনিতেই ব্লগের লেখার কপিরাইট নিয়ে যথেষ্ট হাঙ্গামা হয়েছে আগে।

প্রতি বছর অপরবাস্তবের সাথে অনেক ব্লগারের শ্রম ও আন্তরিকতা মিশে থাকে। যারা লেখাগুলো পড়েন, বাছাই করেন, অলঙ্করণ ও সজ্জাবিন্যাস করেন, প্রুফ দেখেন, ছাপাখানায় খেটেখুটে সেগুলোকে বই আকারে নিয়ে আসেন, বই বিক্রির সময়টাতেও শ্রম দেন তাদের সবার জন্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা। হয়তো এই কৃতজ্ঞতার ভারেই অপেশাদারি আচরণগুলো আমাদের চোখে পড়ে না, পড়লেও আমরা এড়িয়ে যাই। আফটার অল, ঘরের খেয়ে বোনের মোষ তাড়ানোর কাজটি খুব একটা সোজা নয়!

কিন্তু চার বছর পরে এসে আমার মনে হয় এখন একটি আত্ম-মূল্যায়নের দরকার। প্রকাশনার কাজটি ছেলে-খেলা নয়। এক ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় হাজার হাজার বই। এখন পুরো প্রক্রিয়াটি এই বছর যেভাবে সম্পন্ন হলো, তাতে আশংকা জাগছে যে পরের বছরের অপরবাস্তবে এই ঘটনাগুলো আবার (বা এর চেয়েও অপেশাদারি ঘটনা) ঘটবে কী না! অপরবাস্তবের নিজের প্রয়োজনেই বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পাদকদের উচিত আরো সচেতন হওয়া।


****

দ্র. অপরবাস্তবের সম্পাদকমণ্ডলীর কাছে বিনীত প্রশ্ন- আমার নামটি ব্লগের উপরে জ্বলজ্বল করে ঝুলে আছে, তারপরেও বইয়ের ভেতরে ও সূচিতে সেটার বানান এমন বিকটভাবে ভুল হলো কেন?


- অনীক আন্দালিব


 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৫
সকাল রয় বলেছেন: আমি তো আবহেলিত
আসবেন দেখেবেন তো ছাইপাশ
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না কী বললেন। অবহেলা ও ছাইপাশের বিষয়টা একটু বিশদে বলেন।

২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
আহমেদ রাকিব বলেছেন: :) একটা কাজ করলে কেমনে হয়? প্রথম পাতায় ডান দিকে নিচে যে জায়গা আছে সেখানে একটা লিন্কে অপরবাস্তবের নামে একটা পোষ্টের লিন্ক দিয়ে সারা বছর জুড়ে ভালো লেখার লিন্ক কালেক্ট করে ডিসেম্বরে নমিনেশন বন্ধ। তার পর বাছাই শুরু। অপরবাস্তব প্রকাশের পর আবার একি নিয়ম। :) :)
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: ভালো একটা আইডিয়া। তবে সারাবছর ধরে লিঙ্কে লেখা জমা দেয়ার ব্যাপারে অনেকেই হয়তো উদ্যোগী হবেন না। এখন যেভাবে লেখা সংগ্রহ করা হয়, তা একেবারে বদলে ফেলার দরকার নেই মনে হয়। তবে এবারে অনেক বেশি বিভ্রান্তি ছিলো- যেটা দূর করা দরকার।

ব্লগের মতো এমন চালু একটা মিডিয়া থাকার পরেও সমন্বয় আর যোগাযোগ হয়নি একেবারেই। আমার মনে হয় এই দিকগুলো ঠিক করা দরকার।

৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: লেখা ছাপা হওয়ায় অভিনন্দন! :)
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ বাঁশিওয়ালা ভাই! লেখা ছাপা হওয়া বাকি সকল ব্লগারকেও অভিনন্দন।

সম্পাদকেরা বই প্রকাশের পোস্টে লেখকদের নাম দিলে হয়তো সবাইকে এভাবে অভিনন্দন জানাতে পারতেন। ...

৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৪
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: একই ঘটনা ঘটেছে আমার ক্ষেত্রেও। নামটি পুরো আসেনি। অথচ আমি নিজ নামেই ব্লগীং করি। তারপরও অনেক কষ্ট করে যারা কাজটি করেছেন তাদেরকে অনেক ধন্যবাদ।

আর ২ নং কমেন্টের রাকিবের প্রস্তাবটি পছন্দ হয়েছে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: খুবই দুঃখজনক! খুবই!

আমি ভেবেছিলাম এটা খালি আমার সাথেই ঘটেছে। এখন দেখছি গাফিলতির শিকার কেবল আমিই নই!

লেখার শিরোনামেই এরকম বাজে ভুল লেখকদের কেমন লাগে সেটা সম্পাদক-প্রকাশকদের কি বুঝার ক্ষমতা আছে?

৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: বইটা দেখি নি, তাই কিছু বলতে পারছি না! তবে, কপিরাইটের কথাটা আমলে নেবার মত।
আর আহমেদ রাকিবের প্রস্তাব অতি উত্তম।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: বইয়ের অঙ্গসজ্জা ও অলঙ্করণ চমৎকার! আপনি হাতে নিলেই বুঝবেন, ভালো লাগবে।

আমার অনিচ্ছুক কথাগুলো প্রকাশ কাজের অপেশাদারিত্ব আর গাফিলতি নিয়ে। ব্লগে 'ক্যাজুয়াল' আচরণ করতে করতে আমাদের লেখকস্বত্ব ও অন্যান্য জরুরি বিষয় নিয়ে কোনো সচেতনতা নেই!

৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪১
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: অথবা +/- রেটিঙ এর জায়গায় স্টার রেটিঙ করা যায়। ১,২,৩,৪,৫ এভাবে স্টার দিয়ে।
৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

প্রিয় আন্দালিব, লেখার অনুমতি নেয়া প্রয়োজন সেটা জেনে বুঝে সব লেখকের কাছ থেকেই অনুমতি নেয়া হয়েছে । সবার ব্লগে ব্লগে গিয়ে অনুমতি নিয়েছি, মেইল করে অনুমতি নিয়েছি । সম্ভবত আপনার কোন একটা পোস্টেও আমার মন্তব্য আছে এ বিষয়ে ।

যদি না থাকে, ভুলক্রমে যদি আপনার কাছ থেকে অনুমতি না নেয়া হয় তো, সে ভুলের জন্য আমি ক্ষমা চাই । কাজটা যেহেতু আমি করেছি, এর দুর্বল দিকগুলোর দায় আমার ঘারেই বর্তায় ।

সময়ের অজুহাত গ্রহণযোগ্য না, আপনার জায়গা থেকে আপনার সেরকম মনে হতেই পারে, তবে, দশ দিনে কাজ শেষ করার বিষয়টা আমাদের কাছে অসাধ্য এবং বিশাল ব্যাপার ছিল ।

সমালোচনামূলক পোস্টের জন্য প্লাস । সমালোচনার দরকার আছে ।

অনুমতি ছাড়া কার কার লেখা গেছে , সেটা জানতে চেয়ে একটা পোস্ট দিতে পারেন ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: আমার যে লেখাটি নেয়া হয়েছে, সেটিতে কোনো কমেন্ট নেই অনুমতির ব্যাপারে। আমার অন্য কোনো পোস্টেও নেই, খুঁজে দেখতে পারেন। মেইল আইডিটাও আমার প্রোফাইলে আছে, সেখানেও আমি মেইল পাইনি।

হতে পারে, তাড়াহুড়ায় হয়তো আমিই বাদ পড়ে গেলাম অনুমতির লিস্টি থেকে। বই খুলে নিজের নাম ভুল দেখার অনুভূতি, লেখা বিনানুমতিতে ছাপানোর প্রতিক্রিয়ার সাথে আমার এই পোস্টটি দিতে যে কুণ্ঠাবোধ সেটার অনেকক্ষণ যুদ্ধ হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামতকে আমি জনসমক্ষে আনতে চাইনি, দেখেছেন হয়তো অপরবাস্তবের লেখা নির্বাচনে আমি কোনো মন্তব্যই করি নি।

এই পোস্টের পেছনে বর্তমান প্রকাশনীর ভুল যতোটা কারণ, তার চেয়েও বেশি উদ্দেশ্য ভবিষ্যত প্রকাশনার জন্যে নির্দেশনা/সংস্কার। দেখুন এরই মাঝে কয়েকজনের মতামত পাওয়া যাচ্ছে।

মুহম্মদ জায়েদুল আলমের তো অনুমতি নিয়েছিলেন, তার নামটি ভুল হয়ে গেল কেন?

আপনি একা কাজ করলে ১০ দিনে অবশ্যই সবার সাথে যোগাযোগ সম্ভবপর নয়। কিন্তু সম্পাদক মণ্ডলীতে আরো অনেকে ছিলেন, তাদের মাঝেও কেউ কাজটির দায়িত্ব নিতে পারতেন।

কেবলই মনে হচ্ছে লেখা মনোনয়নের পরে লেখাগুলোর লেখকদের ব্যাপারে একটি অনিচ্ছাকৃত বা ইচ্ছাকৃত অবহেলা ঘটে গেছে।

৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: কাদের কাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে জানতে পারি?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: সম্ভবত বইটি কিনতে পারলেই আপনি পুরো লিস্ট পেয়ে যাবেন! আমার হাতের কাছে এখন বইটি নেই।

৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আপনি বোধহয় জানেন না, প্রথম উদ্যোগটা সফল হয়নি সেটা জানতে পারি, ২৮জানুয়ারী আর তখন থেকেই আমি উদ্যোগ নেই ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: শিপন, আমি জানি আপনি একেবারেই শেষ সময়ে দায়িত্ব নিয়েছেন। এবং এই প্রকাশ সম্ভব হয়েছে আপনার অদম্য পরিশ্রম আর একাগ্রতার কারণেই।

কিন্তু যে পরিস্থিতি আপনি আসার আগে তৈরি হয়েছিলো সেটাই অনাকাঙ্ক্ষিত। আশা করি সেখানেই আমার সাথে আপনি একমত হবেন। সেই পরিস্থিতির কারণে, পুরো দায়ভার নিজে নিয়েন না। এখানে কোনোভাবেই পুরো দায়ভার আপনার একার নয়।

১০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
আর সূচির ব্যাপারে কখনই বলা হয় নাই সূচি প্রকাশ করা হবেনা ।
সূচিটা প্রথমেই প্রকাশ না করাটা কৌশলগত কারণেই ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: সূচিপ্রকাশ হয়তো ব্লগেই একটি বাকবিতণ্ডার সূত্রপাত করতো।

তবে যাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে, তাদেরকে একটি মেইল মনে হয় করাই যেতো... অনেকের হয়তো বইমেলা অবধি গিয়ে মন খারাপ হয়েছে নিজের লেখা দেখতে না পেয়ে। সেই অনুভূতিটুকুর মূল্য একেবারে ফেলনা কি?

১১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: @শিপন ভাই: ব্যাপারটা ঠিক গাফলতি নয়। সময়ের অভাবই এজন্য দায়ী। অন্তত শেষ পর্যন্ত কেউ একজন এগিয়ে এসে কাজটা করেছেন বলেই তো বইটা বের করা গেছে। আমরা কেউতো এগিয়ে আসি নাই। তাই অবশ্যই আপনাদের ধন্যবাদ।
১২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: শিপন ভাই, আজকে সকালে অফিসে এসে আমি আমার কলিগের কাছে শুনলাম, সে অপরবাস্তব কিনেছে আর সেখানে আমার একটা লেখা গেছে। :) :) আমি আকাশ থেকে পড়লাম। মেইল চেক করলাম, ব্লগ চেক করলাম। কোনো নোটিফিকেশন নেই। তারপর সিজার ভাইকে ফোন করে শুনলাম। :) :) :)। যাহোক ভাইয়া এসব ব্যাপার না। পরেরবারের জন্য এখনি গঠনমূলক প্রস্তুটি নেয়া উচিত। যাতে তাড়াহুড়োয় ভালো লেখা বাদ না পরে।
১৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: তবে সমালোচনার দরকার আছে, যাতে পরের বার যারা এগিয়ে আসবেন তারা এই ছোট ব্যাপারগুলো খেয়াল করেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: এই পোস্টটা অপরবাস্তব ৫ এর ভবিষ্যত সম্পাদকের জন্যে অবশ্যপাঠ্য (স্টিকি) করা দরকার, কী বলেন? ;)

১৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
সাইফ সামির বলেছেন:

যাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে তাদের লেখার কপিরাইট কি নিজেদের কাছে থাকবে না?!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: লেখার কপিরাইট সবসময়েই লেখকের। লেখক এখানে লেখা প্রকাশ করছেন নিজে। তারপরে তার লেখা অন্য যে কোনো মিডিয়ায়, সেটা অনলাইন বা অফলাইনে প্রকাশের জন্যে তার অনুমতি আইনত আবশ্যক। এবং সেই মিডিয়ায় প্রকাশের পূর্বে তার সাথে প্রকাশকের কপিরাইট নিয়ে কথা হওয়াটা জরুরি।

এটা অফিসিয়াল ব্যাপার। সার কথা হলো, লেখকের মৌলিক লেখার কপিরাইট সবসময়েই লেখকের। (তবে বাংলাদেশ পাইরেট অফ দ্য ক্যারিবিয়ান, বইমেলাতে অনেক রকম ঘটনা ঘটেছে, ঘটে, ঘটবে।)

১৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আহমেদ রাকিব, এই ঝামেলাটা এড়ানোর জন্যই যার যার লেখার মনোনয়ন তার তার কাছে চাওয়া হয়েছিল । যারা নিজেদের লেখার মনোনয়ন নিজেরা দিয়েছেন তাদের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া হয়নি ।

আপনি কি নিজে লেখা মনোনয়ন দিয়েছিলেন ?

অনিচ্ছাকৃত এই ভুলগুলোর জন্য ভাই আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ।

আসলে সে ক'দিন আমাদের দু'তিনজনের ঘুম ছিল না,
সবকিছু মিলিয়ে ত্রুটি-বিচ্যুতি অনিচ্ছাকৃত । সজাগ দৃষ্টি রেখেও শতভাগ নিখুঁত করা যায়নি, প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যেটা আসলে সম্ভবও ছিলনা ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যেটা আসলে সম্ভবও ছিলনা

শিপন, আমিও এই কথাটাই বলছি। আপনি প্লিজ বিষয়টা পুরোপুরি নিজের ত্রুটি ভাববেন না। এমনকি এই পোস্টটা সেই দোষ ধরার জন্যেও নয়।

আমি মনে করি, একপেশে নিন্দা কোনো ভালো কথা নয়। আপনাদের সকলের শ্রম আর আন্তরিকতাতেই এই প্রকাশনা হলো। সেজন্যে ধন্যবাদ দেয়াটাই বাতুলতা।

তবে পরিস্থিতির কারণে ছাপা হওয়া/ না-হওয়া ব্লগারদের অনুভূতিগুলো জরুরি, সেটা বলার জন্যেই এই পোস্ট।

১৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: এই ইস্যুতে একটা আলাদা পোস্ট দেব শীঘ্রই। এ বিষয়ে এতকিছু বলার আছে যে, মন্তব্য আকারে দিতে ইচ্ছা করছেনা।

যাইহোক.....
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের ইস্যুগুলো এখানেই বলতে পারো।

১৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: না ভাইয়া আমি আমার লেখা মনোনয়ন দিইনি। আমি কিন্তু অভিযোগ করছি না। :) :) আমি বলছি পরের বারের প্রস্ততিটা নিয়ে এখন থেকেই ভাবা উচিত। :) :) এই পোষ্ট থেকেই নাহয় শুরুহোক সেই যাত্রা। :)

হিমালয়৭৭৭ ওয়েট করতেছি পোষ্টের জন্য। :)
১৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আরো একটা বিষয়, মনোনয়ন চাওয়া পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছিল,-

"মনোনয়নপ্রাপ্ত লেখাগুলোর বিষয়ে যদি সংশ্লিষ্ট লেখকের কোন আপত্তি থাকে, তা যেন মন্তব্যের ঘরে জানিয়ে দেয়া হয় ।"

এটুকুই যথেষ্ট নয়, এটা আমি স্বীকার করছি, তবু, সময়ের অভাবেই এই পন্থা অবলম্বন করতে হয়েছিলো ।

আর আগের উদ্যোগটা যারা নিয়েছিলেন তারা সফল করতে পারেননি বলেই কিন্তু আমি একরকম দুঃখবোধ থেকে এবং এই ধারাবাহিক প্রকাশনাটাকে বাচিয়ে রাখবার জন্যই নিজ থেকে উদ্যোগী হয়েছিলাম ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: আপত্তি কার থাকবে! আমি যদ্দুর মানসিক আচরণ বুঝি, ব্লগারদের সকলেই নিজের লেখা, নিজের সৃষ্টি ছাপার অক্ষরে দেখতে ভালোবাসেন।

অনুমতির ব্যাপারটি প্রকাশনাকে একটা বাস্তব রূপ দেয়ার জন্যেই দরকারি, নিশ্চয়ই মানবেন। সেখানেই হয়তো নামের বানান, বিভ্রাটগুলো ঠিকঠাক হয়ে যেতো!

আপনার উদ্যোগের ব্যাপারে আমার আমার ধন্যবাদ জানানোর কোনো ভাষা নেই। সত্যিই!

১৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: বইটা কেনা হয় নাই । কারণ লেখা প্রায় সব ই পড়েছি!
অনেকের অনেক মন্তব্য সেদিন ও শুনেছি, হয়ত আরো শুনব !
তবে একটা চেষ্টা ছিল ।এটা একটা ভাল বিষয় ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্লগ থেকে বাৎসরিক সংকলন প্রকাশের উদ্যোগটাই চমৎকার। যারা কাজটি সম্পন্ন করেন, তারাও সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে নিজস্ব উদ্যোগে করেন।

এই কারণে টেকনিক্যাল ত্রুটিসমূহ (যেমন- বানান বিভ্রাট, ছাপার হেরফের, অলঙ্করণ) সবসময়েই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হয়। সামনেও হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

তবে এবারের পরিস্থিতি বলি, আর অব্যবস্থাপনাই বলি, পুরো কাজটার শুরু থেকেই অনিয়ম ছিলো। লেখকের নাম ভুল, অনুমতি, যোগাযোগ এগুলো খুব বেসিক ব্যাপার। এমন ব্যাপারগুলোতে ভুল কাম্য নয়।

২০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আপত্তি না জানানো, অর্থাৎ পক্ষান্তরে লেখকের অনুমতি আছেই ধরে নিয়েছিলাম আমরা ।

ব্লগারদের যে মানসিক আচরণের কথা আপনি বলেছেন, সে বিষয়ে একমত, অনুমতির বিষয়েও আমার দ্বিমত নেই ।

ভবিষ্যতে যদি এর সঙ্গে আমি যুক্ত থাকি, তো এই বিষয়গুলো পুরোপুরি নিখুত করা সম্ভব হবে, এই কথা আমি এখনই দিয়ে রাখতে পারি ।

ধন্যবাদ ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: নিজের লেখা যারা নিজেই মনোনয়ন দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে অনুমতির ফর্মালিটি হয়ে গেছে বলে আমিও মনে করি। তবে অধিকাংশ লেখাই মনে হয় পাঠকপ্রিয়তায় মনোনীত।

আপনার নামে আমি নিজেই এক ভোট দিয়ে রাখলাম, অপরবাস্তব ৫ এর সম্পাদক হিসেবে।

২১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৭
বিডি আইডল বলেছেন: ব্লগে বইয়ের সূচী দেওয়ার জন্য অনেকের পীড়াপীড়ি দৃষ্টিকটু ঠেকেছে....বইয়ের ব্যবসায়িক কাটতির জন্যই এটা ব্লগে অনন্ত: ৩ মাস না দেওয়ার পক্ষে আমি...


হ্যাবিং বিইয়ং সেইং দ্যাট....এই বই প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়াটা (এ বছরই নয়) পুরো অপেশাদারিত্বের ছাপ....২ নং কমেন্টের মত একটা বিষয় থাকতে পারে পুরো বছর ধরেই...থাকতে পারে অর্থ কড়ির আয় ব্যায়ের হিসাব...যাদের লেখা গেল তাদের রয়ালিটির বিষয়...থাকতে পারে ব্লগীয় উদ্যোগে একটি স্হায়ী প্রকাশনি কমিটি....এই বিষয়টিতে সামু সবসময় সক্রিয়ভাবে নিষ্পৃহ থাকার চেষ্টা করে...আমার ব্লগ এবার ১১+নিজেদের ১ টি বই নিয়ে এসেছে...স্টল দিয়েছে...এসব থেকে অনেক কিছু শেখার আছে
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় এবারে অনেকের বইয়ের সূচি চাওয়ার পিছনে নিজের লেখা ছাপা হয়েছে কি হয়নি সেটা জানাই মূল কারণ ছিলো। যাদের লেখা গিয়েছে, তাদের মেইল করা যেতো, তাতে করে মেইল না পেলে বুঝে নেয়া যেত যে আমার লেখা ছাপা হয়নি।

যাদের লেখা ছাপা হলো, তাদের রয়্যালিটি নিয়ে অনেক অনেক আলোচনা করার সময় বোধহয় চলে এসেছে। এবারে তো অনেক লেখকের আলাদা বইও মেলায় প্রকাশ পাচ্ছে।
অন্তত অপরবাস্তবের একটি লেখক কপি দেওয়া উচিত সকল লেখককে। এই চিন্তাগুলো কেন প্রকাশকের মাথায় আসে না, বুঝি না!

সামহোয়ার কোন প্রকাশনা দাঁড় করালে হয়তো এই পেশাদারিত্বগুলো আসবে!

২২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: দাদা,আরাশি ভাই তো আমাদের মেইল করেছিলেন।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: "আমাদের" মাঝে আমি ছিলাম না। আহমেদ রাকিবও জানতেন না কোন লেখাটি ছাপা হবে।

আমাদের মাঝে কি তাহলে আমরা নাই?

২৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: হা হা দাদা।আমি তো জানি না আসলে।মেইল পেয়েছি তবে।


তবে এটা ঠিক,আপনারা(এলিট ক্লাস) কিন্তু আমাদের(নভিস)মাঝে নাই।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? এখানে কি এলিট নভিস নামক শ্রেণীবিভাগ ছিলো? কিসের কিসের ভিত্তিতে এই ভাগ করা হলো?

আপনি তো মন্তব্য পড়লেই বুঝতেন যে আমি এবং রাকিব মেইল পাইনি। হয়তো আরো অনেকে পান নি। আপনারা পেয়েছেন, হিসেবমতে তাইলে আমরা নন-এলিট আর আপনারা কি এলিট হইলেন না?

২৪. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমার অনুমতি নেয়া হয়েছিল।
তবে, আমার কোন গল্প গেছে জানি না।
একজন দেখলাম লেখক লিস্ট নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন, সেখানে আমার নাম দেখলাম।

যে কমেন্টে আমাকে মনোনয়নের কথা জানানো হয়েছে, সেখানে আমি আমার নাম হিসেবে "রিজভান হাসান" ব্যবহারের কথা বলেছিলাম।
ওখানে দেখি আমার নাম "রিজভান হাসান আকাশ"। আরও একটা বইয়ে লেখা গেছে। দু জায়গায় নাম একেক রকম হওয়াতে আনইজি লাগতেছে।

তেমন কোন বড় ব্যাপার না। তাই, অভিযোগ দিচ্ছি না, বা সেভাবে বলছিও না।
তবে, ব্লগের বেলায় এমন ছোটখাটো ভুল থাকাটা চোখে বেশি লাগে।

যাই হোক, আমি আসলে কখনও ভাবতে পারিনি আমার লেখা অপরবাস্তবে যাবে। এর পেছনে যারা ছিলেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

--
কেমন আছেন?
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: নামের বিষয়টি তাহলে আমি বাদে আরো অনেককেই ভুগিয়েছে বা অস্বস্তিতে ফেলেছে। আমার বিশ্বাস নিজের নাম নিয়ে স্পর্শকাতরতা সব মানুষের মাঝেই আছে। দেখবেন, কাউকে খুব তীব্র উপহাস করতে হলে নামটিকে বিকৃত করা হয়।

অনিচ্ছাকৃত অনেক ভুলই তো আমরা করি, তবে এগুলো একেবারেই অমোচনীয় ভুল। ব্লগের লেখায় এডিট করা যায়, কিন্তু শত শত বইয়ে ছাপার অক্ষরে নিজের নাম ভুল দেখতে কী অনুভূতি হয় সেটা বলে বুঝানো মুশকিল!

এখন এই বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করে কোনো লাভ নেই, তবে পরবর্তীতে সম্পাদকদের মাঝে এই সচেতনতা থাকতেই হবে।

এখন ব্লগে অনেকেই সাহিত্যমানের কথা চিন্তা করে লেখেন, সিরিয়াসলি লেখালেখি করেন। লেখাগুলো বই আকারে ছাপাও হচ্ছে। সুতরাং অপরবাস্তবকেও এখন থেকে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। কৃতজ্ঞতার ভারে অনেক সময় এমন ত্রুটি হয়তো মার্জনীয় না'ও হতে পারে।
==
আমি ভালো আছি। আপনার কী খবর?

২৫. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০
ডলুপূত্র বলেছেন: কি আশ্চর্য্যের ব্যাপার! পেশাগত কারণে মেলায় যাওয়ার সুযোগ পাইনি তাই সকালে কনকর্ড এম্পোরিয়ামের (সংহতি) প্রকাশনের দোকানে গিয়ে বড়ই হতাশ হলাম। দোকানে গিয়ে দেখি একটি চশমা পরা তরুন বসে আছে। পরিচয় দিলেন তিনি ওই দোকানের লোক। তার কাছে (অপরবাস্তব-৪) এর খোঁজ করতেই সে অবাক দৃষ্টিতে তাকালেন। জানতে চাইলেন, ওটা আবার কি জিনিষ। ব্লগের লেখার সংকলন বিষয়টি জানানোর পর তিনি এক অদ্ভুত কাণ্ড করলেন- আমাকে নিজেদের প্রকাশিত বইয়ের চোথা বের করে বললেন- আমাদের প্রকাশনী থেকে (অর্থশাস্ত্র) নামে একটি বই প্রকাশ হয়েছে। আমি আর কোন কথা না বাড়িয়ে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বেরিয়ে এলাম।
এখন বলুন তো (অপরবাস্তব-৪) এর প্রাপ্তিস্থান কনকর্ড এম্পোরিয়ামের ১০৯ সংহতি দোকানটির ঠিকানা দেয়ার কারণ কি?

আর কেউ কি লেখক সূচী টা জানাতে পারেন??????????
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: বইমেলার সংহতি স্টলে গেলে বই পেতেন। এখন বোধহয় সেখানেই নতুন সব বই আসছে।
তবে সংহতির স্টলে গিয়ে আমার অভিজ্ঞতাও বিচিত্র। স্টলে বসে থাকা লোকটি আমাকে ব্লগের বিষয়ে খুব মৌলিক কিছু প্রশ্ন করলেন (এখানে কীভাবে লেখে, লিখে পয়সা পাওয়া যায় কী না, লিখতে পয়সা লাগে কী না)।

ব্লগের সংকলন যে স্টলে প্রকাশ ও বিক্রয় হচ্ছে, সেখানের লোকজনই জানে না ব্লগ কী! খায় না মাথায় দেয়! !

লেখক সূচি এখানে ( Click This Link ) পাবেন।

২৬. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১২
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আশা করি ভুল থেকেই শিক্ষা নিবে সবাই। ভুল না হলে শিখবে কিভাবে? :) ......
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: এই ভুলগুলো মূলত অগোছালো প্রকাশপন্থার জন্যে ঘটেছে। চার বছর ধরে নিয়মিত একটা বই প্রকাশ পাচ্ছে অথচ এর কোন স্থায়ী ব্যবস্থাপক নেই, কোনো সিস্টেম নেই। প্রকাশের আগে বিনামূল্যে কষ্ট করে কয়েকজন। আর শেষে ভোগান্তিটুকু যাদের লেখা ছাপা হয়, কেবল তাদের।

২৭. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৪
শান্তির দেবদূত বলেছেন: প্রকাশনার ব্যাপারে "আমার ব্লগের" কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে সামহোয়ারের।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: অপরবাস্তব কিন্তু সামহোয়্যারের প্রকাশনা নয়। প্রতিবছরেই এটা গুটিকয় ব্লগারের উদ্যোগে প্রকাশ পাচ্ছে। "আমার ব্লগ"-এর প্রকাশনা উদ্যোগের ব্যাপারে আমি তেমন কিছু জানি না। আমি যতোটুকু জানি, তনুজার বই প্রকাশ নিয়ে আমার ব্লগের প্রকাশনা'রও কিছু অপেশাদারি কাজ হয়েছে।

মূল কথাটা হলো একটা প্রকাশনা "দেই একটা পোস্ট" বা "বানাই একটা ই-বুক" এর মতো ভার্চুয়াল কোনো ব্যাপার নয়। এটা অপরবাস্তবের সাথে জড়িতেরা (বর্তমান ও আগামি) যতো তাড়াতাড়ি বুঝবেন, ততোই সকলের জন্য শুভ।

২৮. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৪
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: এই বিষয়ে কী মন্তব্য করবো বুঝতে পারছি না। কারণ আমি ব্লগে খুবই অনিয়মিত। প্রকাশনা নির্বাচন নিয়া অনেক জায়গায় বিতর্ক হবে হচ্ছে সেটা নিয়ে মন্তব্য করবো আরাশিদের টিমের প্রতি সম্মান দেখিয়ে। তবে যে অবস্থার প্রেক্ষিতে এটা হলো তা আসলে ব্লগের জন্য খুব শুভবার্তা নয়। এ ব্যাপারে মনোযোগী হওয়া দরকার আরো আগে থেকেই।
অনুমতির কথা বলতে গেলে অবশ্য বলবো আরাশি আমাকে মেইল করেছিলেন অতএব সে জায়গায় আমার ব্যাক্তিগত কোন অভিযোগ নাই। সমস্যা হয়ে গেছে আমি স্বনামে লিখি না এইটা বুঝা যায় নাই। ফলে আমার নাম না আইসা আমার নিকের নাম চলে আসছে। এটা অবশ্য অভিযোগ না তবে যদি আগে আমাকে জানানো হতো তাহলে আমার আসল নামটা ব্যবহার করা যেত।

@ আরাশি, আমার নিজের দিক থেকে আরেকটা ছোট অভিযোগ ছিলো যেটা হলো আমার গল্পটার শিরোনাম নিয়ে। শিরোনামটি পরিবর্তন করার ব্যাপারে আগে থেকে একটু জানানো যেত না? আমার কাছে মনে হয়েছে শিরোনামের পরিবর্তন গল্পের ভাবকে প্রভাবিত করলো কিনা সেটা প্রশ্ন থেকে যায়।
অপ্রিয় কথাগুলো আমি হয়তো বলতাম না। তবে আন্দালিবের কথার প্রক্ষিতেই বলে ফেললাম। যদিও অনিয়মিত ব্লগার হওয়ার কারণে আমি খুব জোড় দিয়ে কথাগুলো বলতে পারছি না।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: তোর বলা কথাগুলোর সাথে ব্লগে নিয়মিত বা অনিয়মিত হওয়ার তো কোনো সম্পর্ক নেই। তোর একটা লেখা ছাপা হবে, সে ব্যাপারে মনোনয়ন বা নির্বাচনের সময় অনুপস্থিতি হতেই পারে। কিন্তু সেটা ফাইন্যালি যখন বইতে গেলো, তখন অনুমতির মেইলে আনুষঙ্গিক এই কথাগুলো বিনিময়ের দরকার ছিলো।

পুরো বইতে ৪৮টা লেখা। ৪৮ জন লেখককে কি একটা মেইলে cc করে অনুমতি নেয়া যেতো না? সকলে জবাব দিলো কি দিলো না, সেটা তখন সংশ্লিষ্ট লেখকের দায়ভার হয়ে যেতো।

তোর গল্পের শিরোনাম বদলানোর ব্যাপারটা বিস্ময়কর! কোন বুদ্ধিতে এটা করা হলো?? শিরোনাম ছিলো "কোন এক মিলনের বড় হবার স্বপ্ন ছিল", সেটা হয়ে গেছে "মিলনের বড় হবার স্বপ্ন ছিলো"। এভাবে কারো গল্পের শিরোনাম ইচ্ছামাফিক বদলে দেয়া যায় না কি?

এই পোস্ট দেয়ার পরে দেখি যাদের লেখা ছাপা হয়েছে তাদের অনেকের সাথেই কোনো না কোনো ভাবে অনুচিত আচরণ করা হয়ে গেছে। নাহ!

ভালো লাগছে না। যতোই নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, ততোই মনে হচ্ছে যে ব্লগে আমরা সবাই কেবলই একটা নিক, পেছনের মানুষটার মতামত, আবেগ, অনুভূতি ইচ্ছার দাম কেউ দেয় না!!

২৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৫
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: জন্য : করবো
পড়ুন: করবো না
৩০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: সংহতি মনে হয় প্রকাশক না অপরবাস্তবের , কেবল পরিবেশক । আমি অবশ্য সিওর না ।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:
সংহতি পরিবেশক।
প্রকাশক রাশেদ হাফিজ, ব্লগের রাহা।
সম্পাদক: লোকালটক, আবদুর রাজ্জাক শিপন, কৌশিক আহমেদ।
সহযোগী সম্পাদক: একরামুল হক শামীম, নীরা আহমেদ অপ্সরা।

৩১. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
চলুক বেশ উপভোগ করতেছি ।

একটা কাজ যখন করছি, সেইটার ফলতো পায়তেই হবে ।
জনাব, আন্দালিব, ব্লগে দু'জন আন্দালিব দু'রকম বানান লিখেন,
সেজন্য ভুলটা হইছে ।

আর সীমান্ত, আপনি যখন লিঙ্ক দিলেন তখন কি আপনার উচিত ছিল না নামটাও লিখে দেওয়া । আপনিতো দেখছেন, ঘোষণা ছিল নাম উল্লেখ করে যাবার । সীমান্ত আহমেদ যে আপনার নাম না সেটা আমি কি করে বুঝবো ?

লেখার বিষয়ে বলি, সম্পাদনাতে গেলে কিছু শব্দের বদল, কিছুটা কাটছাট প্রয়োজন মতো হয়-ই । এটা লেখালেখির সাথে যুক্ত সবার জানার কথা, আন্দালিব এটা খুব ভালো করেই জানে, এখন এগুলো নিয়ে আপনাদের মাঝে যেই জোশ দেখা যাচ্ছে তাতে করে বিষয়টা আমার জন্য একাধারে উপভৌগ্য এবং শীক্ষণীয়ও বটে ।

একটা মৃত প্রায় প্রকাশনাকে জাগিয়ে তোলার প্রয়াসটার জন্য আপনাদের উদার দু'টা শব্দ পেলাম না । খুব সামান্য ভুল, যেগুলো হতেই পারে, তা নিয়েই.. বেশ !
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: শিপন, এই কথাগুলো আপনি কেন ব্যক্তিগতভাবে নিচ্ছেন? সম্পাদক আপনি একা ছিলেন না। লেখা বাছাই ও অন্যান্য সকল কাজ কি আপনি আরো দুই জন সম্পাদক আর দুইজন সহযোগীর সাথে মিলে করেন নি? তাদের কেউ কি এগুলো ভাগাভাগি করে নিতে পারতেন না? শুরু থেকেই তো আপনি কথা বলছেন, তাদের নীরবতার কী অর্থ করবো? লেখকদের সাথে যোগাযোগ, কপিরাইট এগুলোর দায়িত্বে কে ছিলেন?

আন্দালীব আর আমার নামের বানানের সূক্ষ্ণ বদলের কারণে সেটা ঠিক হওয়া বেশি জরুরি, এটা তো বুঝেন। আপনার গল্পের উপরে নামের বানান 'সিপন' লেখা হলে আপনার কেমন লাগতো?

আমি একবারও আপনার শ্রম ও নিষ্ঠা নিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপনে কুণ্ঠা দেখাই নি। এমনকি আপনার শুরুতেই এসে প্রথমেই বলা কথাগুলো আমার ভালো লেগেছে। কিন্তু বিষয়টা আমার একার নয়। এখানে আমার মনে হয় না কেউ এমনি এমনি খোঁচাতে বা ভুল ধরতে মন্তব্য করছেন।

৩২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

আন্দালিবকে আরেকটা কথা, প্রকাশনার পেশাদারীত্বের বিষয়ে আপনার সাথে আমার দ্বিমত নাই , কিন্তু হঠাৎ করে যখন দায়িত্ব বদল হয়ে যায়, এবং খুব অল্প সময়ে অসম্ভবকে সম্ভব করতে হয়, সে ক্ষেত্রে আপনার কাজ থেকে আরেকটু উদারতা আশা করাটা কি আমার ভুল হবে ?

আপনাকে অনুরোধ , আপনি টোটাল একটা রিভিউ লেখেন, মাত্র দশদিনে যে বইটা বেরুলো, আপনার কাছ থেকে সেটার একটা রিভিউ পড়তে ইচ্ছে করছে ।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: শিপন, আপনার কাজের প্রতি যথেষ্ট সমীহ না থাকলে এই পোস্ট হয়তো আমি লিখতামও না। জবাব তার কাছেই চাওয়া যায় যিনি তা দিতে পারবেন। আবার এটাও ঠিক যে ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের আড়ালে কিছু কিছু ত্রুটি ঘটেছে।

আপনি যে কাজটি দশ দিনে করেছেন সেটা নিয়ে কি আমি কিছু বলেছি? আপনি ছাড়া বাকিদের কথাগুলো, বক্তব্যও জরুরি, তাই না?

হয়তো এমন একটি ধারণা চালু আছে যে, "অপরবাস্তবে লেখা ছাপাতে পারলে ব্লগারেরা ধন্য হয়ে যাবে। এতো কথার, অনুমতির কী দরকার?"

অপরবাস্তবের রিভিউ করার জন্যে আমি যোগ্য নই। কারণ যথেষ্ট ব্যক্তিগত অনুভূতি এক দিনেই জড়িয়ে গেছে। এখন হয়তো আমার কথাগুলো অপরবাস্তব ৪ এর প্রতি সুবিচার করবে না।

৩৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমার কিছু বক্তব্য ছিল।

আমি নিজে কারো কোন লেখার মনোয়ন দিই নি, এবং নিজের কোন লেখার-ও না। পূর্বাভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি এটা 'ক্যাঁচাল' বাড়ায়- ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে। যাইহোক, যারা আমার বিভিন্ন লেখা মনোনিত করেছিলেন তাদের কাছে যারপরনাই কৃতজ্ঞ।

আমার যে গল্পটা প্রকাশ হয়েছে তা অন্য একটি লিটল-ম্যাগে গিয়েছে (এতদিনে প্রকাশিত)। আমি এই বিষয়ে এই পোস্টের ২০ নং প্রতিমন্তব্যে সরাসরি বলেছিলাম যে লেখাটি অপরবাস্তবে না আসুক। কিন্তু তদাপি এটি প্রকাশ করাকে আমি 'স্বেচ্ছাচারিতা' হিসেবে দেখছি।
অই লিটল-ম্যাগের কাছে নিজেকে খুব ছোট মনে হবে।
তাছাড়া আমাকে ফেইসবুকে যে মেইলটি করা হয়েছিল তা ছিল অনেক পরে। আজই জানতে পেরেছি যে আমার ঠিক কোন লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে। আমি শিপন ভাইয়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কোন উত্তর পাই নি!
পুরো বিষয়টা নিয়ে সম্পাদক (বা সম্পাদকমণ্ডলীর) বক্তব্য জানতে ইচ্ছে করছে। খুব।
৩৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০১
কঁাকন বলেছেন: শিপন ভাইকে আন্তরিক অভিনন্দন এত অল্প সময়ের মাঝে অপরবাস্তব বইটা প্রকাশ করার মতন প্রায় অসাধ্য সাধন করা কিন্তু শুধু এই কারনেই সবাই অপরবাস্তবের দোষত্রুটি উপেক্ষা করে যাবে কোন সমালোচনা করবে না বা করা যাবে না এরকম এক্সপেকটেশন ধোপে টেকে না বরং পজিটিভ সমালোচনা পজিটিভলি নিয়ে আগামি অপরবাস্তব যেন এসব মুক্ত হয় সে চেষ্টা করাই উচিৎ। এই পোস্টে শিপন ভাইর কমেন্টের এ্যপ্রোচ আশাহত করলো

বইটা আমি দেখিনি বইটা নিয়ে কিছু বলার নেই; একটা বইএ নিজের নামের বানান ভুল দেখতে কেমন লাগে যেহেতু জানিনা তাই হয়তো মাত্র ১০ দিনে প্রকাশিত অপরবাস্তবের বানান ভুল নিয়া আমার কোন কথা নেই কিন্তু লেখকের অনুমতির বিষয়টা খুবি গুরুত্বপূর্ণ এবং আগামি কোন অপরবাস্তবে এটা নিয়ে কোন অভিযোগ কাম্য নয়।

পাপী ০০৭ এর মন্তব্য ভালো লাগলো না।
আশরাফ মাহমুদের উচিৎ ছিলো কষ্ট করে তার আপত্তির কথা আরাশি এর অপরবাস্তব বিষয়ক পোস্টে জানানো
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন: লেখকের অনুমতির বিষয়টা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ। পরের বার এটা নিশ্চিত করতেই হবে।

৩৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৪
পথ হারা পাখি বলেছেন: প্রচ্চদের সম্পাদনার প্রতি যতটা আগ্রহ ছিল,এই বিষয় গুলোর প্রতি ততটা আগ্রহ দেখালে মনে হয় কাজ গুলো ঠিক মত হয়ে যেতো। তবে এই প্রকাশ সম্ভব হয়েছে শিপন এর অদম্য পরিশ্রম আর একাগ্রতার কারণেই।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: এই বিষয়গুলো ঠিক মতো হবে, এই উদ্দেশ্যেই লিখেছি।

আমার বিশ্বাস এটি প্রতি বছর সকলের পরিশ্রম আর একাগ্রতায়ই প্রকাশ পাচ্ছে। আগামীবারে তার পাশাপাশি এবারের ত্রুটিগুলো দূর হলে সবদিক দিয়ে ভালো হয়।

৩৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৭
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: @ আরাশি, আমার নাম সীমান্ত আহমেদ ব্যবহারে আমার তো কোন অভিযোগ নেই। আমার আপত্তির জায়গাটা ছিলো হচ্ছে তাড়াহুড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া এবং এটা যাতে ভবিষ্যতে না হয় সেজন্য কিছু বলা। আমি বলেছি সময় নিয়ে ব্যাপারটা হলে হয়তো এ সমস্যা হতো না। আপনি কথাটা এতটা পারসোনালি নিচ্ছেন দেখে অবাক হলাম। আপনার অল্প সময়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অবশ্যই বাহবার দাবিদার এবং সেটা অতি প্রকাশে খেলো করতে চাইনি বলেই বারবার পিঠ চাপড়ানি মন্তব্য করতে চাইনি বরং পরের বারের স্বার্থেই কথাগুলো বলা। আর অভিযোগের জায়গাটা নিয়ে আপনার ব্যাখ্যার ব্যাপারে আমার দ্বিমত নেই। লেখা যখন প্রকাশ হবে প্রুফ রিডিং হবে এবং সিলেকশন কমিটির অধিকারও আছে পরিমার্জনা করার সেটা আমিও বুঝি। কিন্তু শিরোনাম পরিবর্তন করার আগে একটু লেখকের সাথে কথা বলাটা মনে হয় ভালো। কথাটা এজন্য বলছি অনেক লেখকই তাদের গল্পের ব্যাপারে সেনসিটিভ হন সেখানে শিরোনাম বদলে তারা খুব ভালোভাবে নেন না। ছোটখাটো দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ করতে গিয়ে আমার নিজেরও এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। আমি নিজে লেখার ব্যাপারে অত সেনসিটিভ না হলেও আমার কাছে মনে হয়েছে গল্পের শিরোনামের পরিবর্তন লেখকের ভাবটাকে পুরো তুলে আনতে পারেনি। এজন্য আগে লেখকের সাথে একটু কথা বলে নেয়াটা মনে হয় সমীচীন।
পরিশেষে বলি, আপনার আন্তরিকতা আর প্রচেষ্টাকে আমি প্রথম থেকেই সাধুবাদ জানিয়ে আসছি এবং আপনি এবং আপনাদের প্রয়াসকে ছোট করার উদ্দেশ্যে কিছু বলা হচ্ছিল না বরং পরের সংখ্যাটায় যাতে এই জাতীয় ব্যাপারগুলো না ঘটে সেটাই ছিল আমার চাওয়া।
ধন্যবাদ।
৩৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১২
কৌশিক বলেছেন: আপনার সমালোচনা যথার্থ। প্রকাশক থেকে শুরু করে অপরবাস্তবের সবাই ব্লগার, সম্ভবত এদের কারোই বই প্রকাশনার সাথে পেশাদারীভাবে যুক্ত হবার সম্ভবনা নাই। ভবিষ্যতে অপরবাস্তবের জন্য পেশাদারী উদ্যোক্তা দরকার হবে। আমার মনে হয়েছে আমরা আসলে মানে যারা উদ্যোক্তা তারা কেউ সিরিয়াস ছিলাম না এবং হবারও কোনো সম্ভবনা নাই। ফলে ভুল থেকে শেখাও হচ্ছে না।

রাকিব এবং অন্যান্যদের আইডিয়া ভীষণ পছন্দ হয়েছে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিক। আপনি অপরবাস্তব ১ থেকেই এর সাথে যুক্ত আছেন। আপনার পছন্দ জেনে ভালো লাগলো।

অপরবাস্তব ক্রমে আরো অনন্য হয়ে উঠুক, এই কামনাই করি।

৩৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬
কাঙাল মামা বলেছেন: অভিনন্দন লেখা প্রকাশের জন্য :)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ কাঙাল মামা।

৩৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৯
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: লেখক বলেছেন: এই পোস্টটা অপরবাস্তব ৫ এর ভবিষ্যত সম্পাদকের জন্যে অবশ্যপাঠ্য (স্টিকি) করা দরকার, কী বলেন?


নিচ্চিৎ নিচ্চিৎ......

আর অভিনন্দন ....
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ শাওন ভাই।

৪০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০
আন্দালীব বলেছেন:
উত্থাপনগুলো খুবই জরুরী। যেহেতু অপরবাস্তব একটি নিয়মিত প্রকাশনা হয়ে উঠেছে তাই কিছু বেসিক ব্যাপারস্যাপারে এর নিজস্ব একটা স্ট্যান্ডার্ড গড়ে ওঠা দরকার। সেটা হলে বিভিন্ন বছরে যে/যারাই সম্পাদনার দায়িত্বটা পালন করুন না কেন- সমস্যা হবার কথা নয়। এখানে যেগুলো নিয়ে কথা হচ্ছে সেগুলো অবশ্য প্রয়োজনীয় বটে, তবে একেবারেই প্রাথমিক স্তরের সমস্যা। যেটা অনুসরণ করাই যেতো।

শিপনকে ধন্যবাদ অপরবাস্তব নিয়ে তার ঘুরে দাঁড়ানো এফোর্টের জন্য।
আর ছন্নকে ধন্যবাদ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে সামনে আনার জন্য।


১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: আশার ব্যাপার যে অধিকাংশের কাছেই অপরবাস্তবের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি বাকি সকল মতভেদকে পাশ কাটিয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে। এই আলোচনা, মতামত বিনিময় থেকেই হয়তো একদিন অপরবাস্তব সুপরিকল্পিত গ্রন্থ হয়ে উঠবে, ব্লগারদের লেখকস্বত্ত্বার একটি কার্যকরী ধারক।

স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপারে আপনার কথাগুলো ভালো লাগলো বস। শুভেচ্ছা নিবেন।

৪১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯
সকাল রয় বলেছেন: সম্পাদক: লোকালটক, আবদুর রাজ্জাক শিপন, কৌশিক আহমেদ।
সহযোগী সম্পাদক: একরামুল হক শামীম, নীরা আহমেদ অপ্সরা।

ইনারা নিশ্চই ভালো বুঝেন এবং লিখেন

যদিও আমি তা জানিনা
তবে এটুকু বলতে পারি ভালো কিছু বাদ গেছে
যা কাম্য ছিলনা।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ভালো লেখা বাদ পড়লে সেটার দায়ভার পুরোপুরি সম্পাদকদের নয়। ব্লগার যারা লেখা মনোনয়ন দিয়েছেন তারা সেই লেখাগুলো তুলে আনেননি হয়তো। তারপরেও লেখা নির্বাচনের ভেতর দিয়ে গিয়েছে, এবং অপরবাস্তবের জন্যে মনোনীত অসংখ্য লেখা থেকে অল্প কয়েকটি বাছাই করা যথেষ্ট কঠিন কাজ।

এখানে একটা ব্যাপার চলে আসে যে সকলের রুচি ও পছন্দ মিলবে না। ভালো'র ব্যাপারটাও তাই আপেক্ষিক। তবে অপরবাস্তব পড়ে দেখতে পারেন যে মনোনয়নপ্রাপ্ত কোনো লেখা একেবারেই মানোত্তীর্ণ হয়নি বলে মনে হয় কী না। যদি তা না মনে হয়, তবে ধরেই নিবেন যে নির্বাচক ও সম্পাদকেরা অমনোনীত লেখাগুলোকে জায়গা করে দিতে পারেন নি।

৪৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
শিরীষ বলেছেন: অর্গানাইজড্ ওয়েতে কিছু করতে গেলে প্ল্যান, প্যাশান্স, টাইম লাইন মেইন্টেইন এবং ফলোআপ প্রয়োজন। কিন্তু ব্লগের লেখা নিয়ে ওরকম একটি পার্ফেক্ট এক্সিকিউশন আসলেই কঠিন। একটা অসম্ভব ভালবাসা নিয়ে সম্পাদক কাজটি করেছেন। সামনের বছরগুলোতে একটু সময় নিয়ে বাছাই, এডিটিং - এই কাজগুলো করতে পারলে যে সমস্যাগুলোর কথা ছন্নছাড়া বলেছেন তার অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব হবে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: সমস্যাগুলোর পুরো দায়ভার একভাবে দেখলে "সময়ের অভাব", আরেকভাবে দেখলে এই সময়ের অভাবটি তৈরি হয়েছে অব্যবস্থাপনার কারণে। একটা সলিড প্ল্যাটফর্ম থাকলে অনেক বিভ্রান্তি, দ্বিধা এড়িয়ে কাজগুলো যথাসময়ে শুরু করা যায়। তখন হয়তো এরকম ভুল বা সমস্যা হবে না।

সে'রকম একটা নির্দিষ্ট প্লয়াটফর্ম গড়ে উঠুক এই কামনাই করি। আপনার ইনপুটের জন্যে শুভেচ্ছা শিরীষ।

৪৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: কিন্তু চার বছর পরে এসে আমার মনে হয় এখন একটি আত্ম-মূল্যায়নের দরকার। প্রকাশনার কাজটি ছেলে-খেলা নয়। এক ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশ পায় হাজার হাজার বই। এখন পুরো প্রক্রিয়াটি এই বছর যেভাবে সম্পন্ন হলো, তাতে আশংকা জাগছে যে পরের বছরের অপরবাস্তবে এই ঘটনাগুলো আবার (বা এর চেয়েও অপেশাদারি ঘটনা) ঘটবে কী না! অপরবাস্তবের নিজের প্রয়োজনেই বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পাদকদের উচিত আরো সচেতন হওয়া।
.......................................................................................................
সহমত। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ শামীম ভাই।

আপনার লেখাটি অপরবাস্তবে দেখে ভালো লেগেছে, অভিনন্দন নিবেন আমার!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত©লেখক

যোগাযোগঃ shunno.oronno@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই