আমার প্রিয় পোস্ট

এই ব্লগের সব লেখা কপিরাইট সংরক্ষিত

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়....

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৬

                       

চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়

সঞ্জীব চৌধুরী, আপনার সাথে আমার পরিচয় ১৯৯৫ সালে। ফিচার পাতা মেলা’র সম্পাদক আপনি ভোরের কাগজে। ৯৬ এর অগাস্ট। আমি প্রায়ই যাই ভোরের কাগজে। টুশি (প্রয়াত রোজিনা মুস্তারীন) মেলা’য় কন্ট্রিবিউটর। আপনার মহাভক্ত সে। কোন এক সপ্তাহে টুশির লেখা ছাপা না হলে তার মন খারাপ থাকে। কোন কোন সপ্তাহে দুটো লেখা গেলে একটা লিখতে হয় ছদ্মনামে। তাতেও টুশির মন খারাপ হয়। ওর ধারনা আপনি আমাকে খুব বেশী পছন্দ করেন। মাঝে মাঝে আব্দার করে আমি যেন দাদাকে বলি ছদ্মনামটা ওর বেশী ভালো লাগছে না। আরেকটা নতুন নাম চাই তার। আপনার টেবিল ঘিরে পাখীর মতো কিচিরমিচির করে একঝাঁক তরুন তরুনী। তাদের দেখে অবাক হই। একটা ভ্যাগাবন্ড ধরনের মানুষকে ঘিরে সব স্মার্ট ছেলেমেয়েরা এতো কি কথা বলে। আপনার সাথে অনেক কথা বলার পর বুঝলাম যে এসব ছেলেমেয়েদের স্মার্টনেসের পেছনের মানুষটি আপনি। কারো ভাষা ঠিক করে দিচ্ছেন। কারো জন্য পোষাক এর টিপস। কাউকে শেখাচ্ছেন কি করে ইন্টারভিউ নিতে হয়। আধুনিক বাংলা ভাষার পাঠ দিচ্ছেন কাউকে, কারো বানান ভুল নিয়ে আপনার চিন্তার চিন্তা নেই। প্রেমে সফলতার পরামর্শ দিচ্ছেন, প্রেমে ব্যর্থতার স্বান্তনা দিচ্ছেন। কারো মেসে থাকার খরচ জোগাতে একটা লেখা ছাপা চাই। সঞ্জীব চৌধুরী এদের বড়ভাই, বন্ধু, অভিভাবক। হঠাৎ আড্ডার মাঝখানে বলে উঠলেন একদিন, মেলাতে একটা স্বাস্থ্য নিয়ে মজাদার কলাম চাই। তাকালেন আমার দিকে। আমাকে সবসময় আপনি করে বলতেন আপনি।

-তুষার আপনি লিখবেন।

এতো অনুরোধের ভাষা নয়, নির্দেশ। এক সপ্তাহের মধ্যে লেখা নিয়ে হাজির আমি আপনার টেবিলে। আমাকে হাতে ধরে লেখার মজা পাইয়ে দিলেন সঞ্জীব চৌধুরী। লেখা দেখে আপনার মহা উচ্ছাস। লেখার টাইটেল নিজের হাতে ঠিক করে দিতেন আপনি। আস্তে আস্তে আপনার বন্ধু হয়ে গেলাম আমি। কতো কথা আপনার সাথে। কতো গল্প। কতো দু:খের ভাগ। কতো দ্রুত চলে যাওয়া আনন্দের সময়। আমাকে জোরে ধমক দেয়ার অধিকার দিয়েছিলেন আপনি। কখনো কখনো আপনার সাথে ঝগড়াও করেছি। অভিমানের মেয়াদ খুব বেশী হলে এক ঘন্টা। টানা আড়াই বছর লিখে গেলাম ভোরের কাগজে। লেখাগুলো নিয়ে বই প্রকাশিত হবে। জানতে পেরে কিযে খুশী দাদা। নিজ হাতে বেছে দিলেন আপনার বিবেচনায় সেরা লেখাগুলো।

কখনো ভাবিনি আমার সঞ্জীবদাকে নিয়ে লিখতে হবে এইভাবে। হঠাত গান নিয়ে মেতে উঠলেন কবি। দলছুটের প্রথম অ্যালবামের গান সাদা ময়লা রংগীলা পালে প্রচারিত হলো শুভেচ্ছায়। প্রচারবিমুখ সঞ্জীব এর লাজুক উক্তি,

- তুষার, তারকা হইয়া যাচ্ছি নাকি?

নক্ষত্র ছিলেন আপনি। বুঝতে পারেননি কখনো। সূর্য় কখনো জানে না তার আলো আর উত্তাপের কথা। কার তাপ আর আলোর অপেক্ষায় বসে থাকে আমাদের মতো শীতার্ত মানুষ। সঞ্জীবদা আপনিও কখনো বুঝতে পারেননি কতো মনে অনায়াসে জ্বেলেছেন সৃষ্টির আগুন, কতো জীবনের অন্ধকার দুর করেছেন আপনার মনের আলোয়। কি যেন যাদু ছিল আপনার গলায়। বড় ভালবেসে গাইতেন আপনি। গলা দিয়ে নয়, আপনার গানের কথা আর সুর উঠে আসত হৃদয়ের গহীণ থেকে। খুব নরম মন ছিল। প্রিয়জনের দেয়া কষ্ট সহ্য করতে পারতেন না। কিন্তু প্রতিশোধ শব্দটি আপনার অভিধানে ছিল না। কতোজন নির্দয় নিষ্ঠুরতায় আপনাকে ব্যবহার করেছেন, সিঁড়ির মতো পদপিষ্ট করে উঠে গেছেন পার্থিব সাফল্যের চুড়ায়। আপনার শিশুর মতো সরল মনটাকে নিয়ে খেলেছেন যিনি, তাকে নিয়ে লিখেছিলেন গান। যেন গানটাই আপনার প্রতিবাদ।

আমি কাউকে বলিনি সে নাম, কেউ জানে না, জানে শুধু আড়াল।

কোনদিন তার বেদনার নামগুলিকে উচ্চারন করেননি আপনি। যেন সঞ্জীব এক আধুনিক ঋষি। আপনার কলম থেকে ঝরে পড়ত কালো অক্ষর নয়, কালো অশ্রু। অভিমান পুষে রেখে নিজেকে কষ্ট দিতেন । একটু ভালোবাসা পেলে শিশুর মতো খুশীতে টগবগ করতেন। যার সংগে একবার দেখা হয়েছে আপনার, সারাজীবন ভুলতে পারবে না আপনাকে, এমনভাবে কথা বলতেন। আমার এক ভাইয়ের সাথে একবেলা ভাত খেয়েছিলেন, মনে আছে আপনার? যখন সঞ্জীবদা, আপনি কোমায়, আমার ফোনে সেই ভাইয়ের উত্কন্ঠিত গলা চমকে দিয়েছে আমাকে।

- লোকটা খুব ভালো ছিল। উনার সাথে একদিন তোমার অফিসে খাবার টেবিলে আলাপ হয়েছিল। আমি তার কথা ভুলতে পারি নাই।

কি এমন ভালোবাসার শক্তি ছিল আপনার, যদি জানতাম! শুভেচ্ছা জোর করে বন্ধ করে দিল তখনকার শাসকেরা। আমার সেই হতাশার সময় ভরাট গলায় সাহস দিতে হাজির আপনি।

- দরকার হলে আমরা হলভাড়া করে টিকেট বেচে শুভেচ্ছা করব। দরকার হলে আপনি গান গাইবেন। দরকার হলে আমরা ব্যবসা করবো।

কতো বুদ্ধি দিয়েছেন, কতো সাহস, কতোবার কতো কাজে .... আমার সাধ্য নেই সবকিছু বলবার।

লেখক, কবি, গীতিকার, সাংবাদিক, সুরকার, কোনটা আপনার পরিচয়? সে রাতে কেন আমাকে ফোন করলেন না সঞ্জীব দা? দেহঘড়ির ডাক্তারটাকে আপনার মনে পড়ে নি তখন? নাকি আমি রাগ করে কিছু বলব আপনাকে, একথা ভেবেছিলেন? আমার বাসা থেকে এতো কাছে আপনার বাসা। আপনার এতো অভিমান হয়েছিল? আপনাকে একদিন বকেছিলাম বলে? ভালোবাসি বলেই তো বলেছিলাম আপনাকে ছেড়ে দিতে আতম্দহনের অশ্রুপান। এখন কি করে আমরা কাটাব একাকী দীর্ঘ রাত, কি করে হেঁটে যাব বিরান পথে?

রাত করে ঘরে ফিরলে আপনার মেয়ে কিংবদন্তী, জুতো হাতে ছুটে এসে কাকে বলবে - বাবা এসেছে, জুতো দাও। আমাদের জন্য না হয় মায়া হয়নি আপনার, কিংবদন্তীর জন্য?

কিংবদন্তীর মতো মানুষগুলো বোধকরি এমনি হয়। তারা শুধু ভালোবেসে যায়, ভালোবাসবার সুযোগ দেয়না কাউকে। আমাদের স্মৃতিতে আপনি থেকে গেলেন তরতাজা প্রানে ভরপুর হয়ে। আমরা বৃদ্ধ হবো, আপনার বয়স আর বাড়বে না। আমার মেয়ে গাইবে, তার মেয়ে গাইবে আপনার গান।

যখন শুনলাম আপনি হাসপাতালে, তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। আপনি তখন গভীরতম ঘুমের মধ্যে গাইছেন....

আমি রাগ করে চলে যাব, ফিরেও আসব না.....
আমি কষ্ট পেয়ে চলে যাব, খুঁজেও পাবে না.....

আহ! তোমরা সবাই চুপ করো। আমার সঞ্জীবদা গাইছেন, তোমরা আমাকে গান শুনতে দাও।


 

 

  • ৬৫ টি মন্তব্য
  • ১০৫৬বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪২ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫১
comment by: মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার অনুভূতিগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।

সঞ্জীবদা বড় অসময়ে চলে গেলেন ।
২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০০
comment by: মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার অনুভূতিগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্।
*****
৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৪
comment by: এরশাদ বাদশা বলেছেন: তুষার; আব্দুন নূর তুষার। সা.ইনে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে।
সন্জীবদাকে নিয়ে আপনার লেখাটা কষ্ট দিলো।
৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১১
comment by: েবহাগ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন।
সঞ্জীবকে ভালবাসা।
৫. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৬
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
সা. ইনে স্বাগতম।
৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৪
comment by: আলী বলেছেন: নক্ষত্র ছিলেন আপনি। বুঝতে পারেননি কখনো। সূর্য় কখনো জানে না তার আলো আর উত্তাপের কথা। কার তাপ আর আলোর অপেক্ষায় বসে থাকে আমাদের মতো শীতার্ত মানুষ।
৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৮
comment by: ঘোর বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি জানতাম আপনার মুখটাই ভালো চলে, এখন দেখছি কলমও....
৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩০
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভালো লিখেছেন
৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩২
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর করে লিখেছেন আপনার মনে গভীরভাবে গেঁথে যাওয়া জাগ্রত কিছু স্মৃতি আর অনুভূতির কথা। খুব ভাল লাগলো। আপনার এই লেখাটা আমার প্রিয় পোষ্টে রয়ে গেল।
১০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৪
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ তুষার। আপনাকে স্বাগতম আমাদের পরিবারে
১১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫০
comment by: খোলাচিঠি বলেছেন: তুষার,
আপনিতো কথা বলেন চমৎকার ভাবেই এবং লেখেনও খুব দারুন।
স্বাগতম।
আশা রাখছি আপনার আরও লেখা উপহার পাব।
১২. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২২
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: লিখি মনের ভেতর থেকে, টিভি তো আমার ছায়া, লেখাতে শুধু নির্ভেজাল আমি
১৩. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৪
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: স্বাগতম
১৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৯
comment by: পজিটিভ বলেছেন: ভাল লিখেচেন। মনটা খারাপ হলো আবার। সন্জীবদাকে সন্মান জানানোর জন্যই লগইন করলাম। সন্জীবদার মেয়ে কিংবদন্তীকর দেখে রাইখেন।
১৫. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫২
comment by: কানা বাবা বলেছেন: কথা বলবো না; বলার মতো কিছু নেই...
১৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৫
comment by: ৈকলাশ বলেছেন: "আমি রাগ করে চলে যাব, ফিরেও আসব না.....
আমি কষ্ট পেয়ে চলে যাব, খুঁজেও পাবে না....."
১৭. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:০০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: লেখা পড়ে ভাল লাগল। আপনি তো সর্বেসর্বা... ডাক্তার, উপস্থাপক, এখন ব্লগার আরও কত কি???
১৮. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
comment by: বজলু মহাজন বলেছেন: আপনি কি মি. শুভেচ্ছা? না হলেও আপনি ভালো লেখেন!
১৯. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আরেকজন রেমিয়ানস পেয়ে ভালো লাগছে।
লেখা স্পর্শ করেছে অনেক।
তবে মন খারাপ করে দিলেন টুশির কথা মনে করিয়ে দিয়ে :(
২০. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০০
comment by: অনুনাদ বলেছেন: তুষার ভাই আসলেই খুব ভাল লিখেন। যায় যায় দিন এ ২৬।১১।২০০৭ এ ওনার অসাধারন একটা লেখা ছাপা হয়েছে। ওনার কথার গাথুনি অসাধারন।
চমৎকার এই লেখাটার জন্য ৫+
২১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯
comment by: রুধীণ বলেছেন: অসাধারণ! অনুভূতির বিশ্লেষন।
যোগ্য মানুষ গুলিকে আমরা বেশী দিন ধরে রাখতে পারিনা। কিংবদন্তীর জন্য কষ্ট হয়। ওর এই শুন্যতা পূরণের কোন বিকল্প নেই।
ধন্যবাদ আপনাকে। এবং আমাদের পরিবারে স্বাগতম।
আমি আপনার ভক্ত সে......ই "বা উ বি "প্রোগ্রাম থেকে। তখন আমি কতো ছোট!
২২. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ৫
আপনি কি সেই আব্দুন নূর তুষার!!! আমার আম্মু আপনাকে খুব পছন্দ করতেন। উনি বলতেন ছেলেটার চেহারা খুব মায়া কাড়া। আজ দেখলাম আপনার লিখাও খুব মায়াকাড়া।
স্বাগতম।
২৩. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৮
comment by: সোমেশ্বর অলি বলেছেন: কার ডাকে জেগে ওঠে পাড়া
কুয়াশা সরিয়ে কে ভাঙে রাতের পাহারা
আমাদের ঘড়িতে তখন বারোটা দশ
বেলি ফুল কেদে যায় যখন সে জেনে যায়
সঞ্জীব চৌধুরীর বয়স...
( সোমেশ্বর অলির কথায় গানটির সুর করছেন বাপ্পা মজুমদার)
২৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন।মনটা ছুঁয়ে গেলো..।ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা............
২৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৯
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: সবার সহৃদয়তার জন্য ধন্যবাদ।
২৬. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪২
comment by: সুফিয়ানসজল বলেছেন: শুভেচ্ছা। আপনি ভালো লেখেন, এটা জানি। সঞ্জীব দা'কে নিয়ে এই লেখাটা আপনার সব লেখার থেকে ভালো লেগেছে।
২৭. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৩
comment by: বজলু মহাজন বলেছেন: তুষার
আপনি কিন্তু বলেননি আপনি সেই শুভেচ্ছার উপস্থাপক ছেলেটি কিনা?
২৮. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: আমি সেই ছেলেটি...ঠিকই চিনেছেন।
২৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩১
comment by: নীলকণ্ঠ বলেছেন: এই লেখাটা ভালো কি মন্দ... সেই প্রশ্নটা খানে অবান্তর। লেখাটার উৎস হৃদয়। হৃদয় ই... জানে লেখাটার মূল্য। সঞ্জীবদা বেঁচে থাকবেন ভক্তদের মনে।

স্বাগতম নির্ভেজাল আপনাকে।
৩০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমি এই প্রথম একটা দীর্ঘ লেখা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েও মন্তব্য করার ভাষা পেলাম না...তবে এটাকে একটা শ্রদ্ধাঞ্জলী বলা যায়...
৩১. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
comment by: বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: ৫
৩২. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৩
comment by: মম বলেছেন: ওয়াও !! তুষার ভাই !??
আপনের শুভেচছা দেখি আর আমার কনিসটো ভাগিনা কে বলি, "ইউ নো, আই নো হিম। সে জিগায়, "হাউ ডু ইউ নো হিম, আমমু-খালা?"
উই ইয়ুসটো বি ফেরেইনডস।" হি ইজ আ গেরেট ডিবেটার ইন বাংলাদেশ।
আমার ৭ বছরের ভাগিনা টাসকি খায় !
"ফর রিয়াল ?"
কৈ, হমম।
সে তার মারে চিললাইয়া কয়, " মামী ঈঈঈঈঈ
আমমু-খালা নোজ দ্যা গাই ফরম ," হরলিকস জিনিয়াস শো" ।
আমি তার বিহববোলতায় মুগধো হৈ। তারে আমি পুরানো এ্যালবাম থিককা আমার রোটার‌্যাকট কেলাবের ছবি দেখাই। সে আবারও বিসমিত হয় !!
তুষার ভাই, ভাল আছেন?
আমি পুরবা। পসচিমে থাকি। আপনের ইমেইল কি?
আপনাকে খুবি সারপ লাগে এন-টিভি তে।

ভালো থাকবেন
৩৩. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩২
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার অনুভূতিগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।
৩৪. ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৭
comment by: দেবদারু বলেছেন: লেথার গোলোযোগের জন্য দুঃখিত! অবশ্যই ৫ আবেগ-ঢালা এই পোস্টটির জন্য........ ভালো থাকুন অষ্ট-প্রহর...
৩৫. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:২১
comment by: মম বলেছেন: এই গুলা কি তুষার ভাই? আমি বলগে ফোনেটিক দিয়া বাংলা লিখি।বাংলা টাইপ পারি না।আমার ইমেইল টা দেই ,পিইউআরবিএএএফআরওযি( যি লাইক জিবরা)@ইয়াহু।কম
৩৬. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৩
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: সরি পূর্বা, সামথিং ইজ রং উইথ সামহোয়্যার ইন ব্লগ
তুমি কেমন আছোmy email -
৩৭. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৯
comment by: েজবীন বলেছেন: শুধু ভয়ে না, কোনকিছু খুব মনে লাগলেও আমার গায়ে কাটা দিয়ে উঠে ..... লেখাটা পড়ে তেমন লাগল।

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
৩৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
comment by: চির সবুজ বলেছেন: তুষার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। খুব সুন্দর লিখেছেন।
৩৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১
comment by: মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: হৃদয় গভীর হতে একটা দীর্ঘশ্বাস প্রার্থনার রূপ নিয়ে বেরিয়ে এসে জানান দিলো- আজও ডানা ভাঙা একটি শালিক হৃদয়ের দাবি রেখো।।
৪০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯
comment by: মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: আমারো মনে পড়ে তাকে
৪১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:০৫
comment by: কাল্‌বেলা বলেছেন: তুষার ভাই, স্বাগতম- এখানে। আপনার এই লেখার মাধ্যমে সঞ্জীবদা আরও স্পষ্টভাবে বেঁচে রইলেন আমাদের মাঝে।ধন্যবাদ অসংখ্য।
৪২. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:১০
comment by: ভাইটামিন বদি বলেছেন: সুন্দর আপনার অনুভুতির প্রকাশ।।।
আরো জানতে পারলাম সঞ্জীব দা সম্পর্কে....
এধরনের মানুষ গুলো এভাবেই চলে যায়।।।।কষ্ট কষ্ট...
৪৩. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৭
comment by: পিয়াল বলেছেন: তুষার, যা বলেছেন, ঠিক এইভাবেই সন্জীব দা আমাদের লেখা শিখাতেন মেলায়।
৪৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৯
comment by: প্রশান্ত বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন।
৪৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২০
comment by: অহেতুক অকারণ বলেছেন: অনেক দেরীতে এই পোষ্টটি দেখলাম। পড়া হয়নি এখনো, পড়া যাতে হয় তাই প্রিয় পোষ্টে এ্যাড করলাম।
৪৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫৭
comment by: জয়িতা বলেছেন: অসাধারন লেখা। বড় দেরীতে পড়লাম।তীব্র অনুভূতি।
প্রিয় পোষ্ট।
৪৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: অনূভুতি সব সময় অদৃশ্য মন নামের জাগাটাতে আঘাত হানে---
ভাল লাগলো
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: সকলকে ধন্যবাদ!

৪৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
comment by: বুমবুম বলেছেন: এভাবে কেন যে তাকে হুট করে চলে যেতে হলো...তুষার ভাই রেগুলার লিখেন।
৪৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৭
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: অনূভুতি সব সময় অদৃশ্য মন নামের জাগাটাতে আঘাত হানে--- সঞ্জীব দা কে ভালোবাসা....
৫০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৪
comment by: তারার হাসি বলেছেন: সঞ্জীব'দার জন্য ভালবাসা।
৫১. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: সঞ্জীবদা, তুমি ভালো থেকো।
৫২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:১০
comment by: মুহিব বলেছেন: আমাদের ভালবাসা সঞ্জীব চৌধুরীর জন্য।

আপনার অনুভূতি আমাদেরকে স্পর্শ করল।
৫৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:২৫
comment by: BangladeshCiroJibiHok বলেছেন: ভাল লেগেছে
৫৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮
comment by: পারভেজ বলেছেন: ধরে রাখতে পারলে তো আমরা ধরেই রাখতাম।
ভালবাসা সঞ্জীব দা'র জন্য।
৫৫. ২২ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
comment by: নাহীন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট, তুষার ভাই। আপনি কি কখনো গাবতলীতে থাকতেন? মনে হ্য় আমি আপনার বাসায় গিয়েছিলাম আমার এক খালাত ভাইয়ের সাথে। আপনি তখন সম্ভবত মেডিকেলে পড়েন, বেশ নামাজী ছিলেন! মনে পড়ে?
৫৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:২৩
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: মনে পড়ে! তবে আপনার খালাতো ভাইয়ের নাম কি?
৫৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৩২
comment by: সুদীপ্ত সরকার বলেছেন: আচ্ছা তুষার ভাই, মাইন্ড খাইয়েন না - একটা প্রশ্ন করি। আপনার বিরুদ্ধে সবসময় একটা অভিযোগ উঠত যে বিতর্কের বিচারক হিসেবে আপনি নটরডেমকে সবসময় কম নাম্বার দিতেন, আর মেয়েদের দিল-খুলে নাম্বার দিতেন। এইসবের কারণ কি ছিল তুষার ভাই?
২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: এটা একটা ফালতু কথা, এটার কোন জবাব নাই। তুমি নিশ্চয়ই মেয়েদের কাছে পরাজিত হয়েছ, সেজন্য নিজেই মাইন্ড খেয়ে আছ। আর এই লেখার নিচে তোমার অপ্রাসংগিক এই মন্তব্য প্রমান করে যে, কেন অনেকে কম নম্বর পায়, কারন তারা এক বিষয়ে কথা বলার জায়গায় অন্য কথা বলে।

৫৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ২:৪৩
comment by: হাসান বিপুল বলেছেন: ভালো লাগলো, কষ্ট লাগলো। অনেক কথা মনে পড়ে গেল, তারপর খুব ধীরে বেরিয়ে এলো দীর্ঘশ্বস।

সঞ্জীবদার হতে ধরে লেখা শেখানোর পাঠশালায় সম্ভবত শেষ ব্যাচ ছিলাম আমরা। টুশি, সুমন পাটোয়ারী, সায়ন্থ, মুজাহিদ আকাশ, আমি...

তুষার ভাই, অনেক কাঁচ ঘষা স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন।
৫৯. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: স্যার কেমন আচেন? এতো কম আসেন ক্যান?
৬০. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগছে ...
সঞ্জীব দার কথা পড়ে আবার মনটা অসম্ভব খারাপ হয়ে গেল ...
আমি ভালো নেই, ভালো থাকার কিছু নেই ...
এরকম একটা সময় ছিল, সারাদিন এই গানটা শুনতে শুনতে কখন জানি নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে জল এসে যেত...
কোন তারকা মারা যাবার পর আমি খুব একটা দুঃখ পাই না ...
আমার মনে আছে, সঞ্জীব দার খবর টা শুনে আমি অনেক ক্ষন চুপচাপ বসে ছিলাম ...
ভাল থাকুন ...
৬১. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
comment by: কঁাকন বলেছেন: আমি ভালো নেই, ভালো থাকার কিছু নেই ...
এই গানটা আমিও লুপে দিয়ে শুনছি
এবং ওনার মৃত্যুতে খুব দু:খ পাইছিলাম
মনে হইছিল কাছের কেউ নেই
৬২. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: জেরী বলেছেন: পোষ্টটা পড়ে ভালো-মন্দ দুধরনের অনুভূতি জেগেছে মনে।
২২ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: মন্দ অনুভূতি কেন?

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৪০৫৯