আমার প্রিয় পোস্ট

এই ব্লগের সব লেখা কপিরাইট সংরক্ষিত

ওরে বাবা , এ যে ইয়াবা

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

ওরে বাবা , এ যে ইয়াবা

ইয়াবা নিয়ে অনেক আলোচনা চারিদিকে। এটি আসলে কি? এই নিয়ে লিখতে বললেন ডা. ইকবাল কবীর। প্রথম আলো মাদক বিরোধী আন্দোলনের একজর সক্রিয় সদস্য এবং উপদেষ্টা আমি। প্রায়ই ভাবি আমাদের একটা বই থাকা দরকার বা একটা ওয়েব সাইট যেখানে সব ধরনের মাদক এর কুফল সম্পর্কে তথ্য থাকবে। ব্যস্ততা বা আলসেমীর কারনে এটা এখনো হয়ে ওঠেনি। এই লেখাটা দিয়েই শুরু হোক। ইয়াবা বলে দুটো জায়গা আছে পৃথিবীতে। একটা লাগোসে, আরেকটা বুরকিনা ফাসোতে। এই ড্রাগটার নাম কিন্তু সেসব জায়গা থেকে আসেনি। থাইল্যান্ডে এই ড্রাগটার ব্যবহার ও উৎপাদন বেশী বলে এর নাম থাই ভাষায় ইয়াবা। এর মানে ক্রেজি মেডিসিন বা পাগলা ঔষধ। অনেকে একে বলে নাজী স্পিড বা শুধু স্পিড। ১৯৭০ সালে এই ঔষধের মূল উপাদান থাইল্যান্ডে এবং সারা বিশ্বে নিষিদ্ধ করা হলেও, থাইল্যান্ডের ট্রাক ড্রাইভারদের মধ্যে এর বহুল ব্যবহার ছিল। কারন ইয়াবা খেলে ঘুম আসে না। রাতভর ট্রাক চালানো যায়। তবে অনেকগুলো ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর সবাই টের পেল যে রাতভর ট্রাক চলে বটে, তবে তা পথে নয়, চলে খানা খন্দ আর ব্রীজ ভেঙ্গে নদীতে। একসময় থাইল্যান্ডে এই ড্রাগটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি হত।

ইয়াবার মূল উপাদান মেথ্যামফিটামিন। সাথে থাকে উত্তেজক পদার্থ ক্যাফিন । ২৫ থেকে ৩৫ মিলিগ্রাম মেথ্যামফিটামিন এর সাথে ৪৫ থেকে ৬৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন মিশিয়ে তৈরী এই ট্যাবলেটের রং সাধারনত সবুজ বা লালচে কমলা হয়ে থাকে। এর নানা রকম ফ্লেভার আছে। আংগুর, কমলা বা ভ্যানিলার স্বাদে একে অনেকে ক্যান্ডি বলে ভুল করবে। এ কারনে এগুলো সহজে পরিবহন করা যায় ও লুকিয়ে রাখা যায়। এর আকৃতি ড্রিংকিং স্ট্র এর ছিদ্রের সমান। এর স্বাদ গন্ধ থাকার ফলে বিক্রেতারা সহজেই তরুন তরুনীদের এর ব্যাপারে আকৃষ্ট করতে পারে এবং তারা একে ক্ষতিকারক মনে করে না। না করবারই কথা। লজেন্স ভেবে অনেকে এটাকে সহজেই খেয়ে নেয়।

এবার জানা যাক মেথ্যামফিটামিনের ইতিহাস। ১৯১৯ সালে জাপানে সর্দি আর নাকবন্ধের ঔষধ হিসেবে এর ব্যবহার করা হতো। একসময় মেদ ভুড়ি কমানোর জন্যও এই জিনিষ ব্যবহার করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান, বৃটেন, জার্মানী ও আমেরিকাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জেগে থাকতে ও কালান্তি দুর করতে এটা খেত। যুদ্ধের পর এই ঔষধের বিরাট মিলিটারী স্টক ছড়িয়ে পরে সাধারন মানুষের হাতে। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত আমেরিকাতে এই ড্রাগটা আইনসংগত ভাবে তৈরী হত। পরে ছাত্র, ছাত্রী, ট্রাক চালক এবং অ্যাথলেটরা এটা যথেচ্ছ ভ্যবহার করতে থাকলে এর কুফল সম্পর্কে জানা যায়। ১৯৭০ সালে বিশ্বব্যাপি এক নিষিদ্ধ করা হয়।

এখন এই ড্রাগের সবচেয়ে বেশী উৎপাদন হয় মায়ানমারে। সেখানে সসস্ত্র বিদ্রোহীদের দলগুলো অবৈধভাবে এই ড্রাগ তৈরী করে এবং এর বিরাট বাজার হলো থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। আমেরিকা সহ পৃথিবীর উন্নত দেশগুলিও এর ছোবলের বাইরে নেই। দক্ষিন এশিয়ার অন্য দেশগুলিতেও এর ব্যবহার বাড়ছে দ্রুত। পার্টি ড্রাগ হিসেবে এর ব্যবহার হয় এবং একসট্যাসি নামের অন্য একটি ড্রাগ এর সস্তা বিকল্প হিসেবে এটি আমেরিকায় ড্রাগ অ্যাডিক্টদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে।
ইয়াবা প্রধানত খায়। অনেকে এটা পাতলা অ্যালুমনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করে, তাপ দিয়ে পুড়িয়ে ধোঁয়া সেবন করে। বেশী আসক্তরা শিরাপথেও এটা নেয়।

ইয়াবার প্রচন্ড উত্তেজক ক্ষমতা আছে এবং তা অনেকক্ষন থাকে বলে কোকেন এর চেয়ে এটা অ্যাডিক্টরা বেশী পছন্দ করে। ইয়াবা খেলে সাময়িক আনন্দ ও উত্তেজনা, অনিদ্রা, খিটখিটে স্বভাব ও আগ্রাসী প্রবনতা বা মারামারি করার ইচ্ছা, ক্ষুধা কমে যাওয়া ও বমিভাব, ঘাম, কান মুখ লাল হয়ে যাওয়া এবং শারিরীক সংগের ইচ্ছা বেড়ে যায়। তবে এসবই অল্প কয়েকদিন এর বিষয়। বাড়ে হৃদস্পন্দন এর গতি, ব্লাড প্রেসার, শ্বাস প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রা। মস্তিষ্কের সুক্ষ রক্তনালীগুলোর ক্ষতি হতে থাকে এবং কারো কারো সেগুলো ছিড়ে রক্তক্ষরন শুরু হয়ে যায়। কিছুদিন পর থেকে ইয়াবাসেবীর হাত পা কাঁপে, হ্যালুসিনেশন হয়, পাগলামীভাব দেখা দেয়, প্যারানয়া হয়। হ্যালুসিনেশন হলে রোগী উল্টাপাল্টা দেখে, গায়েবী আওয়াজ শুনে আর প্যারানয়াতে ভুগলে রোগী ভাবে অনেকেই তার সংগে শত্র“তা করছে। এরা অনেক সময় মারামারি করতে ও সন্ত্রাস করতে পছন্দ করে। কারো কারো শরীরেরর তাপমাত্রা বেড়ে যায়, খিঁচুনী হয়। খিটখিটে স্বভাব, অহেতুক রাগারাগি, ভাংচুর, নার্ভাসনেসে ভুগতে থাকে ইয়াবা আসক্ত ব্যক্তিরা। স্মরনশক্তি কমে যায়, সিদ্ধান্তহীনতা শুরু হয় এবং কারো কারো সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষন দেখা দেয়। অনেকে পাগল হয়ে যায়, লেখাপড়ায় খারাপ হয়ে একসময় ডিপ্রেশন বা হতাশাজনিত নানারকম অপরাধপ্রবনতা, এমনকি আত্মহত্যাও করে থাকে। হার্টএর ভেতরে ইনফেকশন হয়ে বা মস্তিষ্কের রক্তনালী ছিঁড়ে অনেকে মারা যায়। অনেকে মরে রাস্তায় অ্যাক্সিডেন্ট করে। কেউ কেউ ৭ থেকে ১০ দিন একটানা জেগে থাকে তারপর ড্রাগ ওভারডোজেও মরে যায়।

দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা করলে ইয়াবার আসক্তি থেকেমুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে শারিরীক ক্ষয়ক্ষতি পুরোপুরি সারানো সম্ভব নাও হতে পারে। তাই আসক্ত ব্যাক্তিকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

ইয়াবার বিস্তার রোধ করতে হলে চাই সামগ্রিক প্রতিরোধ। বন্ধ করতে হবে উৎপাদন ও পরিবহন। থাইল্যান্ড ও বার্মা থেকে এর চোরাচালান আটকাতে হবে। পুল ক্লাব, লাউঞ্জ, বার, এন্টারটেইনমেন্ট ক্লাব গুলোতে কড়া নজরদারী রাখতে হবে। এটার ব্যবহার হয়ে থাকে হৈ হুল্লোড় করা পার্টি প্রেমিক তরুন তরুনীদের মধ্যে বেশী। ইয়াবার কুফল সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে হবে। পার্টি করতে হলে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং কোন দায়িত্ত্বশীল ব্যক্তিকে জামিনদার হতে হবে যে এই পার্টিতে কোন নিষিদ্ধ বস্তুর ব্যবহার ঘটবে না। অনেক অভিভাবক ছেলে মেয়েদের হাতে অনেক টাকা তুলে দেন। এটা বন্ধ করতে হবে। তাদের টাকা দিলে কোথায় খরচ করল তার হিসাব নিতে হবে। আর ড্রাগ ব্যবসায়ী ধরা পড়লে দ্রুত তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আসক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা করা ঠিক কিন্তু আমরা ড্রাগ ব্যবসায়ীর মৃত্যুদন্ড দেখতে চাই।


 

 

  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ৪৭৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৯ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৭
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ইনফরমেটিভ লেখা.....অনেক জানলাম
২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৫
comment by: মানচুমাহারা বলেছেন: অনেক তথ্য বহুল লেখা। ধন্যবাদ।
অপটপিকঃ কিছু মনে করবেন না, টিভিতে শুভেচ্ছা নামে একটা অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন আব্দুন নূর তুষার নামে এক জন। আপনি কি সেই জন।
৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৬
comment by: গোপনীয়া বলেছেন: তুষার ভাই,
আরো আগে পোস্টটা দেয়া দরকার ছিল।
এখন লিখুন, ইয়াবা সুন্দরীদের ত্বক রক্ষার উপায়...

তবুও ভালো।
৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৭
comment by: কৌশিক আহমেদ বলেছেন: শান্ত বোধহয় আর হয়ে উঠবেন না।
৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
comment by: মানচুমাহারা বলেছেন: আপনি যেই হন আপনাকে আমাদেরপ্রযুক্তি ফোরামে আমন্ত্রন জানাচ্ছি এবং এই লেখাটি ঐখানেও দেওয়ার অনুরোধ করছি।
৬. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০২
comment by: রাহা বলেছেন: তথ্যমুলক লেখাটি সকলের পড়া উচিত, জানার জন্য হলেও ।
৭. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৪
comment by: বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: ড্রাগ ব্যবসায়ীর মৃত্যদন্ড চাই
৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৪
comment by: রাতুল" বলেছেন: ইয়াবার বিস্তার রোধ করতে হলে চাই সামগ্রিক প্রতিরোধ'

চমতকার উপস্থাপন। ৫
৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৯
comment by: দুষ্টছেলে বলেছেন: তুষার ভাই@ গোপনীয়ারও ইয়াবা সুন্দরীদের মত ত্বক রক্ষার করার ইচ্ছা আছে তো? তাই
তাড়াতাড়ি বলেন রক্ষা করার উপায় কী?
১০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১২
comment by: চির সবুজ বলেছেন: খুব ভাল হয়েছে লেখাটি।
১১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৪
comment by: বাবুই বলেছেন: জটিল লেখা।

দুষ্টছেলে@ আপনার সব লেখা, মন্তব্যতেই দেখি গোপনীয়াকে নিয়ে কিছু না কিছু আছে।
ব্যাপারটা কী?
১২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৫
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: সবার আগে এর চোরাচালান বন্ধ করার পাশাপাশি বড় বড় হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সমেত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত এর ক্ষতিকারক দিক নিয়ে।
আশ্চর্য হতে হয়, এইডস নিয়ে বহু সচেতনামূলক বিজ্ঞাপন গেলেও নির্দিষ্ট ইয়াবাকে নিয়ে কোন বিজ্ঞাপন নেই, অথচ পত্রিকার পাতায় বড় বড় শিরোনামে প্রথম পাতায় ইয়াবা সুন্দরী, ইয়াবা উদ্ধারের খবর আসে।

তুষার ভাই আপনার পোষ্টটিকে জনসচেতনা মূলক পোষ্ট হিসেবে বিবেচনা করছি, উপস্থাপন শৈলীও চমতকার হয়েছে, তথ্য সমৃদ্ধ
১৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৬
comment by: শাওন বলেছেন: স্বাগতম আমাদের এই ব্লগ পরিবারে । হাত খুলে লিখে যান . . .

কনফিউজড । এইটা কোন তুষার ভাই ?
১৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৬
comment by: মদনবাবু বলেছেন: পাবলিক কী সব কাণাবাবার মতন কানা নি ? ফটো কি চোখে পরে না ?

হুদাই কনফিউজড ।
১৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪২
comment by: গোপনীয়া বলেছেন: মদনবাবু@ হক কথা কইচেন।
সবাই চোখ থাকিতে অন্ধ।
১৬. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪২
comment by: শাওন বলেছেন: মদন বাবু , যাকে জিজ্ঞাসা করছি সেই উত্তর দিক না । আপনি শুধু কথা বলতে আসলেন ।
১৭. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনিই কি আসল তুষার? কেমন যেনো সন্দেহ হচ্ছে। অতীতেও দেখা গিয়েছে পরিচিত মানুষদের লেখা ও ছবি চুরি করে ব্লগে পাবলিশ করতে।
১৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫১
comment by: শাওন বলেছেন: মাহবুব সুমন ভাই আমি এজন্যই কনফিউজড ছিলাম ।
মদন মদনের মত জ্ঞান দিয়েই কথাটি বললো ।
১৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: তুষার ভাইকে তো চিনি , এ জন্যই সন্দেহ হচ্ছে, ছবিটা ফেসবুক থেকে নেয়া। লেখাগুলোও প্রকাশিত।
২১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭
comment by: মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: একটি তথ্যবহুল লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে।
২২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০০
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: আমি জানি... এটা ছাড়াও ফার্মাকোলজির বইতে পাবেন...আর কে আসল আর কে নকল জানার চাইতে লেখাগুলো পড়া এবং কথোপকথন বেশী জরুরী। আপনারা বের করেন আমি আসল না নকল... হা! হা!
২৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: , যে হারে নকলের ছড়াছড়ি !!
তা ঠিক, পড়াটাই আসল।
২৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১১
comment by: মদনবাবু বলেছেন: শাওন বলেছেন :
২০০৭-১২-১২ ১৪:৫১:৩৩

মাহবুব সুমন ভাই আমি এজন্যই কনফিউজড ছিলাম ।
মদন মদনের মত জ্ঞান দিয়েই কথাটি বললো ।
মাহবুব সুমন বলেছেন :
২০০৭-১২-১২ ১৪:৫৩:১২

তুষার ভাইকে তো চিনি , এ জন্যই সন্দেহ হচ্ছে, ছবিটা ফেসবুক থেকে নেয়া। লেখাগুলোও প্রকাশিত।

শাওনের জ্ঞান গরীমা দেখি উথলাইয়া উথলাইয়া পরতেছে। ব্যাপার কী ?

মাহবুব সুমন + শাওন

আব্দুন নূর তুষার বলেছেন :
২০০৭-১২-০৭ ২২:৩০:৫৭

আমি সেই ছেলেটি...ঠিকই চিনেছেন।

Click This Link
২৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪
comment by: বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: তুষারকে আর কয়বার বলতে হবে - আমিই তুমাদের সে-ই-ই তুষার!
২৬. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৫
comment by: মদনবাবু বলেছেন: অফটপিক@আব্দুন নূর তুষার
ঃ তমাল কেমন আছে । অনেকদিন যোগাযোগ নেই ।
২৭. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: শাহীনের বিষয়ে লেখাটা প্রকাশিত না। তমালের কোন বন্ধুর নাম মদন বলে তো জানতাম না! তুমি কে?
২৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯
comment by: মদনবাবু বলেছেন: স্কুলের বন্ধু ছিলাম। বেশ অনেক বার আপনাদের বাসায়ও গিয়েছি মনে আছে । মদনবাবু তো ছদ্মনাম ।
হা হা হা
২৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩
comment by: আব্দুন নূর তুষার বলেছেন: আহা নিয়ে লেখাটিও অপ্রকাশিত।
৩০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৬
comment by: বাবুই বলেছেন: হুম।
৩১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪২
comment by: মানুষ বলেছেন: জ্ঞানী পোষ্ট। অনেক কিছু জানলাম। থ্যাংকু
৩২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৮
comment by: দুষ্টছেলে বলেছেন: @বাবুই! ব্যাপারটা গোপনীয় তাই বলা যাবে না!
৩৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ভাল পোষ্ট। এরকম লেখা আরো আশা করবো। ব্লগে ভাল লেখালেখি অনেক কমে গেছে। দুনিয়ার বস্তাপোড়া লেখা দিয়ে ভরতি হয়ে গেছে!
৩৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩
comment by: সাহীল বলেছেন: এক কাজ করলে কেমন হয়। ইয়াবার মাঝে ভেজাল দিয়া সাপ্লাই দিলে কেমন হয়? সব কূলই থাকল
৩৫. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৩
comment by: বিহংগ বলেছেন: ভালো পোস্ট।
৩৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০
comment by: মাইক্রোস্টেপ বলেছেন: চমৎকার এই লেখাটি মাদককে না বলতে এবং বলাতে সাহায্য করবে। লেখাটির জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত ৯৪(যমুনা সেতু যেন কবে উদ্বোধন হয়েছিল?) সালের মাঝামাঝি আপনি সে সময়ের হটকেক ভায়াগ্র সম্পর্কে লিখেছিলেন। লেখাটি সংগ্রহে নেই তবে তা তথ্য সমৃদ্ধ এক চমৎকার লেখা ছিল।

আমার স্মুতি কি আমাকে প্রতারিত করল?
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: ৯৭ এ লিখেছিলাম। অনেক ভালো স্মৃতি আপনার।

৩৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: মুহিব বলেছেন: মাদক নিয়ো না বললেই কি হল। অন্য আকর্ষন যেমন খেলাধূলার সুযোগ করতে হবে। তারপরও আপনারা যে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন সেজন্য ধন্যবাদ

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১৭২২৮