অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report
আরিফুল ইসলাম
৬৭১৬৮ |
আর এস এস ফিড

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ

আমার প্রিয় পোস্ট

নিউইয়র্কে সেমিনারে বৃটিশ নও মুসলিম লোরেন বুথ ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:৩৫ |

শেয়ারঃ
0 0



সাবেক বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের শ্যালিকা, সাংবাদিক লোরেন বুথ বলেন, নিজেকে মুক্ত বুদ্ধির মানুষ মনে হলেও ইসলাম সম্পর্কে অন্যদের ন্যায় আমারো পূর্বধারণা ভ্রান্তি প্রসূত ছিল। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে আমি ইসলামকে ভীতিকর রূপে প্রদর্শনের চেষ্টা বা সন্ত্রাসকে ইসলামের সমার্থক হিসেবে চিত্রিত করার প্রয়াস সম্পর্কে কিছু বুঝতে পারিনি। কিন্তু আমার সবসময় মনে হয়েছে যে ধর্মীয় লোকদেরকে বিশ্বের চলমান ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে অন্ধকারে রাখার চেয়ে তাদেরকে এ সম্পর্কে অবহিত রাখা জরুরী। সাংবাদিক হিসেবে প্যালেস্টাইনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে সেখানের মুসলমানদের দেখে ইসলাম সম্পর্কে আমার ধারণা পাল্টে যায়। বিশেষ করে প্যালেস্টাইনের একটি গরিব মুসলিম পরিবার আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে আমি একজন মুসলমান হিসেবে গর্ববোধ করি। কারণ মুসলমানরা শান্তিপ্রিয় এবং একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় তারা সবসময় সচেষ্ট। মুসলমান আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না।

নিউ ইয়র্কে মুসলিম তরুনীদের নিয়ে এক সেমিনারে লোরেন বুথ এসব কথা বলেন। ২০১০ সালে ইসলাম গ্রহণকারী লোরেন বুথ ১৩ অক্টোবর, ২০১২ শনিবার নিউ ইয়র্কের এলমহাষ্টে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুসলিম নারী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

ইয়ং সিষ্টার্স অফ মুনা আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা-মুনা’র মহিলা বিষয়ক পরিচালক শাহানা মাসুম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক সিটির সিভিক এনগেজমেন্ট টিম মেম্বার ডেবি আলমন্তাসের ও মুসলিম লিগ্যাল ফান্ড ফর আমেরিকার এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর খলিল মিক। সেমিনারে লোরেন বুথ উপস্থিত হয়েছিলেন হিজাব পরিধান করে এবং শ্রোতাদের সকলেই হিজাব পরে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি তার ইসলাম গ্রহণের পটভূমি হিসেবে ২০০৫ সালে একজন প্রথমবারের মত ফিলিস্তিনের ওয়েষ্ট ব্যাংক সফর এবং ২০০৮ সালে দ্বিতীয় দফা গাজা সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, ফিলিস্তিন ও ফিলিস্তিনীদের সম্পর্কে আমরা যা জেনে এসেছি ও ভেবেছি তা পুরোপুরিই ভুল। বিগত ৬৫ বছর যাবত ফিলিসিস্তনীদের উপর অবর্ণনীয় নিপীড়ন চলেছে এবং সকল ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখেছে ইসলামের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার কারণে। তারা নিজ দেশে পরবাসী হয়ে আছে।

তিনি গাজায় তার লব্ধ অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে বলেন, সেখানে সকল দিক অবরুদ্ধ, একদিকে সাগর, আরেকদিকে ইসরাইল নির্মিত দুর্ভেদ্য প্রাচীর এবং যেখানে প্রাচীর নেই সেখানে দাঁড়িয়ে আছে ইসরাইলী ট্যাংক। এমন একটি পরিস্থিতিতে বসবাস কল্পনা করা যায় না। কিন্তু তা সত্বেও যারা বসবাস করছে তারা তাদের ঈমানের জোরে বাস করছে। ইসরাইলী গোলার আঘাতে পঙ্গু হয়ে যাওয়া এক ব্যক্তির অবিচলতা তাকে আপ্লুত করেছে, যিনি তার দুই পা হারিয়েও বলছেন যে, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে, আমার চোখ দু’টি এখনো ভালো আছে, আমি দেখতে পারি, আমার হাত দু’টি ভালো আছে যে আমি তা এখনো কাজে লাগাতে পারি’। লোরেন বুথ একজন দরিদ্র মহিলার সাথে তার সাক্ষাতের কথাও বর্ণনা করেন যিনি রোজা পালন করছিলেন ফিলিস্তিনীদের কল্যাণের জন্য।

তিনি বলেন যে এসব অভিজ্ঞতা তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে তাকে সাহায্য করে এবং তিনি ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকেন এবং ইসলাম সম্পর্কে আরোজানার চেষ্টা করেন। অবশেষে ২০১০ সালে ইরান সফরে গিয়ে ইরানের পবিত্র কোম নগরীতে যান এবং বৃটেনে ফিরে এসে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি বলেন, মুসলিম হিসেবে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদেরকে জেগে উঠতে হবে। প্রতিটি মানুষের জন্য মহান আল্লাহ তা’য়ালার একটি পরিকল্পনা রয়েছে এবং আমার ক্ষেত্রেও তা ছিল বলে আমি যথাসময়ে তার পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক পথে এসেছি।




ইন্টারনেট।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৯টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন