তাহলে সরকার বিরোধীদের সাথে আলোচনায় গেল না কেন ? কারন তারা জানে তাদের দাবী সত্য নয়, অলেম-ওলামাদের সাথে আলোচনায় বসে প্রগতিশীল ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাচ্ছে না, জোটের কিছু শরীকের ইসলাম বিরোধী মনোভব অথবা বিরোধী মতকে রাস্তায় ঠ্যাঙ্গানোর নেশাই পেয়েছে এই আওয়ামী সরকারকে। প্রতিটি কারনই সত্য বলে মনে হয়।
প্রকাশিত নারী নীতিতে সরকার 'ধরি মাছ না ছুই পানি' পন্থা অবম্বন করেছেন। নারীবাদীদেরকে বলছেন আমরা তোমাদের পক্ষে আবার ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের বলছেন আমরা তোমাদের।
CEDAW Article 13
States Parties shall take all appropriate measures to eliminate discrimination against women in other
areas of economic and social life in order to ensure, on a basis of equality of men and women, the same
rights, in particular:
a)The right to family benefits;
b)The right to bank loans, mortgages and other forms of financial credit;
c)The right to participate in recreational activities, sports and all aspects of cultural life.
১৯৯৬ সালে ১৩(ক) ধারা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করা হলেও পরবর্তীতে তা পুণঃসমর্থন করা হয়েছে কিনা বা বর্তমানেও সরকার একই অবস্থানে আছে কিনা তা সরকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়নি। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় CEDAW বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। কাজেই জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
এখানে উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া সম্পত্তির নিয়ন্ত্রনের কথা বলা হলেও কি প্রক্রিয়াই সম্পত্তি নারি-পূরুষ উত্তরাধিকারের মধ্যে বন্টন করা হবে সে বিষয় নীতিমালার কোন অংশেই বলা হয়নি।
প্রকৃতপক্ষে উত্তরাধীকার বিষয়ে কোন নীতি গৃহীত হয়নি। কাজেই তা ইসলাম বিরোধী হয়েছা বা হয়নি সেই তর্ক অনর্থক, বরং এই নীতিকে অসম্পূর্ণ বলা যেতে পারে।
সরকার যতটা কনফিডেন্টলী বলছে যে ইসলাম বিরোধী কোন নীতি গ্রহন করা হয়নি তাতে মনে হচ্ছে অন্যন্য ইস্যু গুলোও হয়তো এমনি অসম্পূর্ণ। এ অবস্থায় আলোচনার মাধ্যমে বিতর্কীত ইস্যুগুলোর সমাধান হতে পারত কিন্তু সরকার যেন ঠ্যাঙ্গাতেই পছন্দ করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


