অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ

আমার প্রিয় পোস্ট

নিজ হাতে গড়া মোর কাচাঁ ঘর খাসা....

নিরাপদে ব্লগিং করতে হলে এখন থেকে পদ্য/গদ্য লেখা প্র্যাক্টিস করেন। অন্য কিছু লিখলে রিস্ক আছে

২১ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:১৬ |

শেয়ারঃ
0 0



নিজস্ব প্রডাক্সন হাউস থাইকা একটা কার্টুনরে সদ্য মুক্তি দিলাম। কেমন হইসে জনায়েন কিন্তু। কিছু ছবি গুগলিং কইরা কার্টুন টা বানাইলাম। এটা নুতুন আইন পাশ হবার পরে করা যাবে কিনা কে জানে। ভয়ে আছি কখন না আবার পুলিশ আইসা পড়ে। :( :( :(

ভবিষ্যতে হয়ত পদ্য/গদ্য ছাড়া আর কিছুই বল্গানো যাবে না, কিন্তু আমি তো পদ্য লিকতে পারিনা এখন আমার কি হবে ? এই চিন্তায়.....

প্রথম আলোর সৌজন্যে ঃ
আইনের ৫৪, ৫৬, ৫৭ ও ৬১ ধারায় উল্লেখিত অপরাধকে আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৪ বছর করা হয়েছে। আর ন্যূনতম শাস্তি হবে সাত বছর।

৫৪ ধারার অপরাধ: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মালিক অথবা জিম্মাদারের অনুমতি ছাড়া তার নথিতে থাকা তথ্য নষ্ট করা বা ফাইল থেকে তথ্য উদ্ধার বা সংগ্রহ করার জন্য কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা বা তা করতে অন্য কাউকে সহায়তা করা।
কোনো উপাত্ত বা উপাত্তভান্ডার থেকে আংশিক তথ্য নিয়ে ব্যবহার করাকেও অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে। কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়ানো বা ছড়ানোর চেষ্টা, ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কের উপাত্তভান্ডারের ক্ষতিসাধন করা, অন্য কোনো প্রোগ্রামের ক্ষতি করে নেটওয়ার্কের বিঘ্ন সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা, কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অবৈধ প্রবেশে সহায়তা করা, অনুমতি ছাড়া কোনো পণ্য বা সেবা বাজারজাত করা, অযাচিত ইলেকট্রনিক মেইল পাঠানো, কারসাজি করে কোনো ব্যক্তির সেবা গ্রহণ বাবদ ধার্য চার্জ অন্যের হিসাবে জমা করাও অজামিনযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য করা হবে।

৫৬ ধারার অপরাধ: এই ধারায় কম্পিউটার সিস্টেমের হ্যাকিং-সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের তথ্য নষ্ট, বাতিল বা পরিবর্তন করা অজামিনযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। মালিক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি না হয়ে কেউ কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ক্ষতি করাও একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য হবে।

৫৭ ধারার অপরাধ: ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মিথ্যা, অশ্লীল বা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ-সংক্রান্ত অপরাধ এই ধারায় গণ্য হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে মিথ্যা ও অশ্লীল কিছু প্রকাশ করলে এবং তার কারণে মানহানি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগলে বা কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়া হলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে।

৬১ ধারার অপরাধ: সংরক্ষিত সিস্টেমে প্রবেশ এই ধারার অন্যতম অপরাধ। সংরক্ষিত সিস্টেম হিসেবে ঘোষণা করা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তির তাতে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করা শান্তিযোগ্য অপরাধ।
এ ছাড়া আইনের ৭৬(১) ধারা সংশোধন করে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ একই সঙ্গে তদন্ত করা যাবে না। যদি কোনো মামলার তদন্তের কোনো পর্যায়ে দেখা যায়, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত পরিচালনার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়ন্ত্রক বা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তাঁদের কাছ থেকে পুলিশ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা প্রয়োজন, তবে সরকার বা ক্ষেত্রমতো, সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদেশের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারবে।

সুলতানা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, এই ধারাগুলো অজামিনযোগ্য করে দেওয়ায় মানুষ ভীত হবে, এটা আসলেই ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এর ফলে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।
সুলতানা কামাল বলেন, একজন ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী বলা যায় না। তাই কোনো অপরাধকে বিচারের আগেই অজামিনযোগ্য বলে দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধ অজামিনযোগ্য করে দেওয়ার ফলে হিতে বিপরীত হতে পারে, আইনের অপব্যবহার হতে পারে। তিনি বলেন, জামিন আদালতের সন্তুষ্টির ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধেই এ আইনের কয়েকটি ধারার অপরাধকে অজামিনযোগ্য করা হয়েছে। আমলযোগ্য অপরাধ কেউ করলে পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তারের বিধান রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আইনটি ভেটিংয়ের (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভেটিং পেলেই অধ্যাদেশ আকারে তা জারি করা হবে। আইনটির নাম হবে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০১৩।

আইনজীবী শাহদীন মালিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিনিয়ত আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। আইনে তথ্যের সংজ্ঞায় মিথ্যা, অশ্লীল ও উসকানিমূলক—এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করা নেই। ইন্টারনেটে সত্য ভেবে কোনো তথ্য আদান-প্রদান করা হলো, কিন্তু সেটাকে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা বা অশ্লীল বা উসকানিমূলক বিবেচনা করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারবে। ফলে ভয়ভীতির কারণে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে।

আইনজীবী তানজীব উল আলম প্রথম আলোকে বলেন, এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধান-প্রদত্ত মৌলিক অধিকার ও বাক্স্বাধীনতার অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগে এ আইনে বাক্স্বাধীনতায় একধরনের সুরক্ষা ছিল। কিন্তু অপরাধ আমলযোগ্য করার প্রস্তাব করায় সেই সুরক্ষা নষ্ট হবে। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশে ইন্টারনেটকে যোগাযোগমাধ্যম বিবেচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে কথায় কথায় শাস্তির বিধান রাখা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার চেতনাবিরোধী।



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): তথ্যযোগাযোগপ্রযুক্তি(সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০১৩বাক স্বাধীনতা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১২:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


মন্তব্য দেখা না গেলে - CTRL+F5 বাট্ন চাপুন। অথবা ক্যাশ পরিষ্কার করুন। ক্যাশ পরিষ্কার করার জন্য এই লিঙ্ক গুলো দেখুন ফায়ারফক্স, ক্রোম, অপেরা, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার

৩২টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন