বাষ্পীয় পাখিরা উড়াল দিলেই
(আবদুল মান্নান সৈয়দ কে, শস্যের ঘ্রাণে)
-আবু মকসুদ
নিবিড় ডানায় ভর করে এসেছে হেমন্তের ছেলে। ধানের শীষে উপচে পড়া খামারবাড়ি। নবান্নের গান দীঘল প্রান্তর ছুঁয়ে যায় পরাজিত ভোরে। স্মৃতি সতত ধুলো, বাষ্পীয় পাখিরা উড়াল দিলে মন ব্যাকুল বিরহে। সচকিত উদ্যানে নিজস্ব প্রতিবিম্ব, জল স্পর্শে জাগে প্রগলভ জগতের নদী, তার পাড়ে হেমন্তের ছেলে বাঁচে গাছ জন্মে।
স্মৃতি স্মারকের ভাজে লুকিয়ে থাকে আত্মনাশী ঘুম। হেমন্তের ছেলে ঘুমোবার আগে পৌঁছে দিয়েছে রৌদ্র চিঠি। ক্যাকটাস ঝোপে কাগজ কলমের নিস্তার নেই জেনে সমুদ্র বাতাস শিশিরের নিরুদ্দেশ সংবাদে প্রকৃত কবিতার প্রেক্ষাপট বর্ণনায় ধন্য হয়। কবিতার ছন্দে কাটে সময়ের চলতি অবক্ষয়, গর্ভ ঋণচিহ্ন উদ্ঘাটিত হলে মন্ত্রের মতো শৃঙ্খলার গ্যালাক্সি খুঁজে উৎসের শব্দরা।
আগুনেরা খেলাঘর অবরোধ করতে চেয়েছে, হেমন্তের ছেলে বিপণ্ণতা ভুলে ছড়িয়েছে অগ্নিকণা। খরস্রোতা নদী সাঁতরে বিদ্যাসাগরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে রচেছে স্মৃতিবৃক্ষকথা। আহত অচিন পাখির চোখ তেমনি থাকবে, হেমন্তের ছেলে জানালার ছায়া হয়ে বহুকাল জানান দেবে কঠিনে-সহজে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




