-আবু মকসুদ
জলজ বাতাসে সিক্ত পথরেখা, নখে আঁচড়ানো মাটি
পরিণত সুগভীর হ্রদে । বেদীতে আলপনা
আঁকা রাত্রি নামে, মনে রামধনু জন্মায়
জোনাকিরা উড়ে শুভ্রতার দিকচক্রবালে
ও বাউল
তুমি চলে গেলে আমি নির্ঘুম পাহাড়ে চড়ি
আগাছা জীবনে ছড়ানো অন্ধ মানুষের গলিঘুঁজি
আলোর চৌহদ্দিতে থাকে তাঁরা, নিষ্ঠাবান মহামহিম
অহরহ আওড়ানো হয় যাবতীয় মাঙ্গলিক শ্লোক
গঙ্গার জলে ধুয়া প্রসাদ সেবনে আহ্লাদিত হয়
খিদের পিত্তরস
ও বাউল
বেগুনি ওড়না গাছে আটকালে, পারিডাঙা মাঠে
পাথরকুচি চোখের আড়ালে ঝরতো অস্থির বৃষ্টি
পৃথিবী ভুলে শিক ভাঙ্গা ছাতায় শিল কুড়ানো
হতো, আম্র মুকুলের মেঘ সরিয়ে নৈঃশব্দ্যের পাখায় চড়ে
হাজির হতো আনন্দ বিকেল। অল্প অল্প বিষণ্ণতা
রুমালে মুছে ফিরতাম হাঁটুর আশ্রমে।
ও বাউল
লবণাক্ত নিশাজলের নেশায় অতঃপর হাটি বিপরীত
স্রোতে, শিরায় শিরায় খেলে যেত স্পর্শ ভাষা
আখ্যান সৃষ্টি হলে গর্ভযন্ত্রণার সুখে বিভোর
মাধবীলতা বাস্তবতার পাষাণে মাথা ঠুকে দেখে
এই ভূগোলের দেশে নেমেছে সুনসান নীরবতা
কেটেছে কাল ছুরি হৃদয়ের কঠিন শাসনে
ও বাউল
ও পথে মাড়াবো না প্রতিজ্ঞা করেছিলাম,
অভিসম্পাতময় জীবনে পুনরায় রোদের
অপেক্ষা ছিল না, কলঙ্কের অলংকারে মোড়ানো
এই শরীর সন্ধ্যাগামী চাঁদে নাম লেখালে, নেশাগ্রস্ত, চুর
এবং গঙ্গাজল নিত্যদিন করে যেতো জোছনা প্রহার
ক্ষতচিহ্নগুলি সনাক্তকরণের প্রয়োজন নেই, তুমি এলে
ও বাউল
যেয়ো না আমাকে আঁকড়ে ধরো
বিরহিনী রাধার জীবন আর কাম্য নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




